n_id
stringlengths
5
10
doc_id
stringlengths
64
67
lang
stringclasses
1 value
text
stringlengths
200
88.7k
pib-589
730f027bff6da3c56c899fc57bd73e33bf35f5f7636ebd739d0c0adf8f2a35eb
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর কেরলের ত্রিশুরে আয়োজিত শ্রী সীতারামা স্বামী মন্দিরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেন “আমাদের মন্দির এবং তীর্থস্থানগুলি বহু শতক ধরে আমাদের সমাজের উন্নয়ন ও মূল্যবোধের প্রতীকস্বরূপ” নয়াদিল্লি, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে কেরলের ত্রিশুরে শ্রী সীতারামা স্বামী মন্দিরের অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। পবিত্র ত্রিশুর পুরম উৎসব উপলক্ষে তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেরলের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ত্রিশুর। এখানকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্পকলা মিলেমিশে রয়েছে ধর্মীয় মনোভাব, দর্শন এবং উৎসব-অনুষ্ঠানের সঙ্গে। ত্রিশুর তার ঐতিহ্য ও পরিচয় ধরে রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রী সীতারামা স্বামী মন্দির এই লক্ষ্যে যেভাবে কাজ করে চলেছে তারও প্রশংসা করেন তিনি। মন্দিরের সম্প্রসারণ এবং গর্ভগৃহ স্বর্ণখচিত হওয়ায় ও ভগবান শ্রী সীতারামা এবং ভগবান আয়াপ্পা ও ভগবান শিব-এর মূর্তি উৎসর্গ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ৫৫ ফুট ভগবান হনুমানের মূর্তি স্থাপিত হওয়ার বিষয়টিরও প্রশংসা করেন। কুম্ভাভিষেকম উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। কল্যাণ পরিবারের ভূমিকা এবং শ্রী টি এস কল্যাণরমনের সঙ্গে তাঁর পূর্ববর্তী বৈঠকের কথা স্মরণ করেন শ্রী মোদী। এই উৎসবে অংশ নিয়ে তিনি যে আনন্দ অনুভব করছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রিশুর এবং শ্রী সীতারামা স্বামী মন্দির কেবলমাত্র আস্থার প্রতীক নয়, এখানে ভারতের চেতনাও প্রতিফলিত হয়। মধ্যযুগে বিভিন্ন ভারতীয় মন্দির ধ্বংস করার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মন্দিরগুলির মধ্যে ভারতের জ্ঞান ও চিন্তাভাবনা প্রজ্জ্বলিত ছিল। ভারত শ্বাশতর সন্ধানে জয়ী হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, “সেই সময়কার এই মন্দিরগুলি একথাই বারবার মনে করায় যে ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ – এই চিন্তাভাবনা হাজার হাজার বছর ধরেই ভারতে বিরাজ করছে। বর্তমানে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পেরিয়ে আমরা আমাদের ঐতিহ্যের ওপর গর্ব অনুভব করার পাশাপাশি সেগুলিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মন্দিরগুলি আমাদের তীর্থস্থান এবং হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের সমাজের মূল্যবোধ ও উন্নয়নের প্রতীকস্বরূপও।” শ্রী সীতারামা স্বামী মন্দির এই লক্ষ্যে যেভাবে কাজ করে চলেছে তার প্রশংসা করেন তিনি। এই মন্দির পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণ কর্মসূচির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মন্দির কর্তৃপক্ষকে সমাজের উন্নয়নে এভাবেই কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান। শ্রী অন্ন অভিযান, স্বচ্ছতা অভিযান বা প্রাকৃতিক কৃষির মতো জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিগুলিত মন্দির কর্তৃপক্ষকে আরও উৎসাহের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন যে শ্রী শ্রী সীতারামা স্বামীজির আশীর্বাদ সকলের ওপর বর্ষিত হবে এবং দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবে। PG/PM/DM/ (
pib-590
2bfd8b17b61a2cfbabc41d09371aaf6a852ac09ee0b22e17d54713f65cdd6d8e
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর প্রধানমন্ত্রী নতুন দিল্লিতে তাঁর বাসভবনে রাখি বন্ধন উদযাপন করেছেন তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লিতে তাঁর বাসভবনে রাখি বন্ধন উদযাপন করেছেন তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী উদযাপনের ছবি ট্যুইটে দিয়েছেন এবং বলেছেন যে; “এক অত্যন্ত বিশেষ রাখি বন্ধন তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে...” PG/AP/NS (
pib-595
9387bb80fecea33cd7b01b6dda299cad3efa11d25a84e7b381d98c5c05671a2d_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর এশিয়ান গেমস-এ মহিলাদের শ্যুটিং-এ ব্রোঞ্জ পদক জয়ী অশি চোকসিকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এশিয়ান গেমস-এ মহিলাদের শ্যুটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী অশি চোকসিকে অভিনন্দিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। সমাজমাধ্যমে এক বার্তায় শ্রী মোদী বলেছেন : “মহিলাদের শ্যুটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক লাভের জন্য অভিনন্দন জানাই দক্ষ শ্যুটার অশি চোকসিকে। তিনি স্থির লক্ষ্যে অবিচল থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। আগামীদিনে এইভাবেই তিনি আরও উজ্জ্বল প্রতিভার স্বাক্ষর রাখুন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করুন, এই প্রার্থনা জানাই।” (PG/SKD/DM
pib-596
fc34381ae1b164ee570d5d2a6f15f89f0f51807fa9fdbe7b47c31100ec496353_1
ben
রেলমন্ত্রক দ্য ন্যাশনাল রেল অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র ভর্তির কথা ঘোষণা নয়াদিল্লি, ১০ জুলাই, ২০২০ রেল মন্ত্রকের ডিমড্ বিশ্ববিদ্যালয় দ্য ন্যাশনাল রেল অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ইন্সটিটিউট ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র ভর্তি প্রক্রিয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এই নিয়ে পরপর তিন বার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ছাত্র ভর্তির কথা ঘোষণা করা হ’ল। ভারতীয় পরিবহণ ব্যবস্থায় অগ্রগতি ও রূপান্তরের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গত তিন বছরে লক্ষ্যণীয় অগ্রগতি করেছে। দেশের অগ্রণী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে স্থান করে নিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একাধিক পাঠ্যক্রমে নতুন নতুন অধ্যায়ন কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এনআরটিআই এবার পরিবহণ প্রযুক্তি এবং সুষ্ঠু উপায়ে পরিবহণ ক্ষেত্রের পরিচালনা সংক্রান্ত পঠন-পাঠনের বিষয়ে বিএসসি এবং বিবিএ কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করবে। একই সঙ্গে, এবার বিটেক অধ্যয়ন কর্মসূচিতে নতুন দুটি পঠন-পাঠন বিভাগ, এমবিএ অধ্য্যয়ন কর্মসূচিতে দুটি নতুন পঠন-পাঠন বিভাগ এবং এমএসসি অধ্যয়ন কর্মসূচিতে চারটি নতুন বিভাগ চালু হতে চলেছে। নতুন রূপে চালু হতে চলা অধ্য্যয়ন কর্মসূচিগুলিতে রেলওয়ে সিস্টেমস্ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার্স কোর্স চালু হতে চলেছে। ব্রিটেনের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতায় নতুন এই অধ্যয়ন কোর্সটি চালু করা হচ্ছে। এই কোর্সের ছাত্রছাত্রীরা বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বিবিএ, বিএসসি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য আবেদন জানানোর শেষ তারিখ আগামী ৩১শে জুলাই। এই বিষয়গুলিতে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা হবে আগামী ২৩শে আগস্ট। সারা দেশে একাধিক কেন্দ্রে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে। জেইই মেইন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে বিটেক কোর্সে ভর্তি নেওয়া হবে। এর জন্য আবেদন জানানোর শেষ তারিখ আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বর। কেবল অনলাইনে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখা যেতে পারে। উল্লেখ করা যেতে পারে, কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে এনআরটিআই অনলাইন কোর্স এবং গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি আয়োজন করে পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। অনলাইনে এই পঠন-পাঠন কর্মসূচির জন্য ছাত্রছাত্রীদের নিখরচায় বিশ্বের অগ্রণী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ৪ হাজার অনলাইন কোর্সে গ্রন্থাগারের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অগ্রণী বেসরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সহযোগিতায় অনলাইন ইন্ডাস্ট্রি ইন্টার্নশিপ কোর্স আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাঙ্গনে অধ্যায়নের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে নতুন পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এজন্য ৫০ একর জুড়ে প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস নির্মাণের চূড়ান্ত পরিকল্পনা প্রস্তুত হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই নির্মাণ কাজ শুরু হবে। নতুন এই ক্যাম্পাসে ২ হাজার ছাত্রছাত্রীর থাকার ব্যবস্থা থাকছে এবং মোট ৫ হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করতে পারবে। নতুন অ্যাকাডেমিক ব্লকের পাশাপাশি, ৪০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়াও, নির্মীয়মান স্পোর্টস্ ব্লকটিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট, স্কোয়াশ কোর্ট, বিলিয়াড ও ইন্ডোর স্পোর্টস রুম সহ টেনিস কোর্ট থাকছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মোট ১০টি অধ্যয়ন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি কর্মসূচি নতুন। ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে এই কোর্সগুলিতে ভর্তির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। আবেদনের মাশুল ধার্য হয়েছে সাধারণ, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী ও আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি/উপজাতি/ভিন্নভাবে সক্ষম ছাত্রছাত্রীদের জন্য ২৫০ টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের সংরক্ষণ সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি মেনে তপশিলি জাতি/উপজাতি/অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী এবং আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের জন্য আসন সংরক্ষণ থাকছে। এছাড়াও, বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্রছাত্রী, কাশ্মীরী উদ্বাস্তু সহ প্রাক্তন সেনাকর্মীদের ছেলেমেয়েদের জন্য আসন সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কোর্সগুলিতে পড়াশুনোর খরচ, আর্থিক সাহায্য প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ আনআরটিআই – এর ওয়েবসাইটে দেওয়া রয়েছে। (CG/BD/SB
pib-597
beef037d73c64b10db1f2d0414af4d88f57576a6d6e83e8698305a7eda6286fa
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক কোভিড-19 সংক্রমণের প্রেক্ষিতে হিমাচল প্রদেশ,উত্তরাখন্ড এবং কেন্দ্র শাসিত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের প্রস্তুতি ও কন্টেনমেন্ট পরিস্থিতি নিয়ে আজ ড: হর্ষ বর্ধন পর্যালোচনা করেছেন নতুন দিল্লি, ১২ই মে, ২০২০ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ড:হর্ষ বর্ধন আজ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের উপ রাজ্যপাল শ্রী গিরীশ চন্দ্র মুর্মু, কেন্দ্র শাসিত লাদাখের উপ রাজ্যপাল শ্রী আর.কে.মাথুর,উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত এবং হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী জয় রাম ঠাকুর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং রেড জোন চিহ্নিত জেলাগুলির জেলা শাসকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করার প্রয়াসের অঙ্গ হিসাবে আজ রাজ্যগুলির প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান ১২ ই মে ২০২০ পর্যন্ত গোটা দেশে মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০,৭৫৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২২,৪৫৫ জন, সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ২,২৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৬০৪ জন। গত ১৪ দিন আগে যেখানে সংক্রমণের হার দ্বিগুণ হতে সময় লাগছিল ১০.৯ দিন, সেখানে গত তিন ধরে সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে সময় লাগছে ১২.২ দিন। তিনি বলেন মৃত্যু হার সীমিত রয়েছে ৩.২% এর মধ্যে আর সুস্থ হওয়ার হার ৩১.৭৪%। আই সি ইউ তে রয়েছেন ২.৩৭% কোভিড রুগি, ভেন্টিলেটারের প্রয়োজন পড়ছে ০.৪১% রুগির,অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ছে ১.৮২% করোনা আক্রান্তের জন্য। ড:হর্ষ বর্ধন জানান ৩৪৭ টি সরকারী পরীক্ষাগার এবং ১৩৭ টি বেসরকারী পরীক্ষাগারে প্রতিদিন ১,০০,০০০ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ড:হর্ষ বর্ধন বলেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল গুলির যৌথ উদ্যোগে কোভিড-19এর বিরুদ্ধে লড়াই করার সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রচুর সংখ্যক কোভিড হাসপাতাল, আইসোলেশান এবং আই সি ইউ শয্যা প্রস্তুত করা এবং কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে প্রচুর মাস্ক এবং পি পি ই সরবরাহ করা হয়েছে। সমগ্র পরিস্থিতি ব্যাখ্যার পর ড:হর্ষ বর্ধন বলেন দেশজুড়ে এখন পরিযায়ী শ্রমিকদের চলাচল শুরু হয়েছে, এই অবস্থায় রাজ্যগুলিকে কঠোর নজরদারি, পরীক্ষা, সময়মত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। একই ভাবে নজরদারি চালাতে হবে যারা বিদেশ থেকে ফিরেছেন তাদের প্রতিও। তিনি প্রত্যেককে আরোগ্য সেতু এ্যাপ ডাউনলোড করার পরামর্শ দেন। তিনি সংক্রমিত বা সংক্রমিত নয় এমন সব জোনে সিভিয়ার এ্যাক্যুট রেসপিরেটরি ইনফেকশন এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা লাইক ইলনেস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করার ওপরে বিশেষ জোর দিয়েছেন। প্রাথমিক স্তরে এই রোগীদের চিহ্নিত করা গেলে রোগের বিস্তৃতি কম হবে বলে তিনি জানান। উত্তরাখন্ডে এই কাজ সঠিক ভাবে হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।লাদাখের উপ রাজ্যপাল জানান, পুলিশ, চিকিৎসকদের নিয়ে দল গড়া হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলের মানুষদের সচেতন করতে এবং আস্থা গঠন করতে পঞ্চায়েত ও প্রবীন নাগরিকদের কাজে লাগানো হচ্ছে। কেন্দ্রের কাছ থেকে সব ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে বলে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের প্রশাসকরা জানান। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী জয় রাম ঠাকুর জানান স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ কর্মীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রতিষেধক হিসাবে দেওয়া হচ্ছে। ড: হর্ষ বর্ধন জানান লাদাখে ধুমপান করেন প্রচুর সংখ্যক মানুষ, সেখানে থুথু ফেলা নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন কোভিড সংক্রমণের চিকিৎসার সঙ্গে অন্যান্য রোগের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে। বিশেষত টীকাকরণ, যক্ষা, ডায়ালিসিস, রক্ত দেওয়া এবং ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে বলে তিনি জানান। কোভিড নয় এমন রোগীদের অভিযোগ জানাবার জন্য রাজ্য গুলিকে 1075 ও 104 হেল্পলাইন চালু রয়েছে বলে জানান। শ্রী বর্ধন আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি জেলার জেলা শাসকদের সঙ্গেও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। আজকের বৈঠকে যোগ দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সচিব শ্রীমতী প্রীতি সুদান,স্বাস্থ্য সচিব শ্রী সঞ্জীভ কুমার,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ও এস ডি শ্রী রঞ্জন ভূষণ, এন এইচ এমের এ এস এবং মহা নির্দেশক শ্রীমতী বন্দনা গুর্নানি, মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিকাশ শীল, এন সি ডি সির নির্দেশক ড: এস কে সিংহ,স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রধান সচিব এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। (CG/PPM
pib-601
f00b48f9ba50acbc8e3a39864cd585f86fa79c28102622d86324964566ec46c0_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর প্রধানমন্ত্রী মুম্বাইয়ের তারদেও-এ অগ্নিকান্ডে মৃতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পিএমএনআরএফ থেকে এককালীন সাহায্য অনুমোদন নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মুম্বাইয়ের তারদেও-এ অগ্নিকান্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। একটি বাড়িতে এই অগ্নিকান্ড ঘটে। শ্রী মোদী নিহতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নিহতদের নিকটাত্মীয়কে পিএমএনআরএফ থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। আহতরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক ট্যুইট বার্তায় জানানো হয়েছে, “মুম্বাইয়ের তারদেও-এ একটি বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আমি মর্মাহত। নিহতদের পরিবারবর্গকে সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি : প্রধানমন্ত্রী “@narendramodi “মুম্বাইয়ের তারদেও-এ একটি বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহতদের নিকটাত্মীয়কে পিএমএনআরএফ থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। আহতরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা : প্রধানমন্ত্রী “@narendramodi”। CG/CB/SB (
pib-603
52a57f30ee52f5a7d68d2ba6acd76b0fdc289520592985986a7679ca15db2b1f_3
ben
জাহাজচলাচলমন্ত্রক জাহাজ মন্ত্রক স্বচ্ছতা হি সেবা এবং স্বচ্ছতা পক্ষকাল পালন করল নয়াদিল্লি, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯ জাহাজ মন্ত্রক ১৬ থেকে ৩০শে সেপ্টেম্ব স্বচ্ছতা পক্ষকাল পালন করেছে। এরপর, মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্ম বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বচ্ছতা হি সেবা অভিযানের সূচনা হয় গত ১১ই সেপ্টেম্বর। স্বচ্ছতা পক্ষকাল চলাকালীন জাহাজ মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডোভিয়া কোচিন পোর্টট্রাস্ট, মর্মুগাঁও পোর্টট্রাস্ট এবং পারাদ্বীপ পোর্টট্রাস্টে চারাগাছ রোপণ করেন। সবকটি প্রধান বন্দর এবং জাহাজ মন্ত্রকের অধীন সংস্থাগুলি এই অভিযানে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় এবং এই অভিযানকে সফল করতে একগুচ্ছ কর্মসূচি গ্রহণ করে। এই অভিযানের অঙ্গ হিসাবে কার্যালয় এবং বাসস্থান সংলগ্ন এলাকা সাফাই, স্বচ্ছতা সচেতনতা অভিযান, সাফাই অভিযান এবং শ্রমদান করা হয়। এছাড়াও, শপথ গ্রহণ, পথনাটিকা এবং ওয়াকাথনের আয়োজন করা হয় ঐ সময়। বক্তৃতা, অঙ্কণ, শ্লোগান এবং দেওয়াল চিত্র অঙ্কণের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল বন্দর ও সংস্থাগুলি। ব্যানার, পোস্টার এবং স্থানীয় মানুষের মধ্যে প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। সব বন্দর ও অন্যান্য সংস্থাগুলিতে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যায়ন এবং কঠিন ও ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা করা হয়। CG/AP/SB (Visitor Counter : 55
pib-604
bee334aeb601a8cc164a9a8fa71d407fa2e6ced5afe966143eb8c9b3fac26e3a_2
ben
প্রতিরক্ষামন্ত্রক আগামীকাল ২১ শে মে,আইএনএস রাজপুতের পরিষেবার অবসান ঘটবে নতুন দিল্লী ২০ শে মে ২০২১ আগামীকাল ২১ শে মে, ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রথম ডেষ্ট্রয়ার জাহাজ আইএনএস রাজপুতের রাজপুতের পরিষেবার অবসানের মধ্য দিয়ে এক গৌরবজনক অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। ১৯৮০ সালের ৪ঠা মে,রাশিয়ায় নির্মিত এই কাশীন-ক্লাস ডেষ্ট্রয়ার যুদ্ধ জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীতে সামিল হয়। তারপর থেকে ৪১ বছর ধরে আইএনএস রাজপুত ,ভারতীয় নৌবহরকে অতুলনীয় পরিষেবা প্রদান করার পাশাপাশি নেতৃত্বে থেকেছে। আগামীকাল বিশাখাপত্তনমের নৌ বন্দরে থেকে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জাহাজটির পরিষেবার আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটবে। চলতি করোনা অতিমারী পরিস্থিতিতে সবরকম কোভিড বিধি মেনে কিছু আধিকারিক এবং নাবিকদের উপস্থিতিতে বিদায় জানানো হবে যুদ্ধ জাহাজটিকে। আইএনএস রাজপুত,রাশিয়ার নিকোলাএভ অধুনা ইউক্রেনে নির্মিত হয়।যার রাশিয়ান নাম ছিল 'Nadezhny' অর্থাৎ 'আশা'। ১৯৭৭ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাহাজটিকে জলে নামানো হয়। তৎকালিন রাশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত আই কে গুজরাল এবং ক্যাপ্টেন গুলাব মোহনলাল হিরানান্দানির উপস্থিতিতে জর্জিয়ার পোতিতে ১৯৮০ সালের ৪ঠা মে জাহাজটিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। চার দশকের বেশি সময় ধরে আইএনএস রাজপুত ,নৌবাহিনীর পশ্চিমাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চল নৌবহরকে পরিষেবা দিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের সামুদ্রিক যে কোনো প্রয়োজনে আইএনএস রাজপুত তৈরী ছিল এবং সেটি একাধিক অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো;শ্রীলঙ্কার 'অপারেশন আমন' এবং 'অপারেশন পবন'। মালদ্বীপের 'অপারেশন ক্যাকটাস' এবং লাক্ষাদ্বীপের 'অপারেশন ক্রোশনেস্ট'। এছাড়াও জাহাজটি একাধিক দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় অভিযানে সামিল হয়। ৪১ বছরের গৌরবময় অধ্যায়ে যুদ্ধ জাহাজটির দায়িত্বে ছিলেন ৩১ জন কমান্ডিং অফিসার। আগামীকাল ২১ মে ২০২১,সূর্যাস্ত কালে জাহাজটির ধ্বজা নামিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনী থেকে বিদায় জানানো হবে। (CG/PPM
pib-605
333bbc25a938fba8016af1cd1d295a68ad4d208932bb90400305f1d0495a761f_3
ben
জলশক্তি মন্ত্রক জল সম্পদ ব্যবহারে ভারত ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন নতুনদিল্লী, ২৩ মার্চ, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আজকের বৈঠকে ভারতের জল শক্তি মন্ত্রকের অধীনস্থ জল সম্পদ, নদীর উন্নয়ন ও গঙ্গার পুনরুজ্জীবন দপ্তরের সঙ্গে জাপানের ভূমি, পরিকাঠামো, পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রকের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর মধ্যে জল সম্পদের ব্যবহার সংক্রান্ত স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রটিকে অনুমোদন দিয়েছে। সুবিধা সমূহ : এই সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরের ফলে জল ও অববাহিকা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জল সংক্রান্ত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা রূপায়ণে সুবিধা হবে। দুটি দেশের মধ্যে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ণ, তথ্য, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি হবে। জল নিরাপত্তা, সেচ ব্যবস্থার উন্নতি এবং জল সম্পদের স্থিতিশীল ব্যবহারে এই সমঝোতা সাহায্য করবে।
pib-608
f3f1b5dd7ac22430502c69b9655ccf00961e60b0ea7d11e0f1d0a720c6313bcf_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল গুজরাটের গান্ধীনগরে তৃতীয় বিশ্ব আলু সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভাষণ দেবেন নয়াদিল্লি, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আগামীকাল নতুন দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গুজরাটের গান্ধীনগরে আয়োজিত তৃতীয় বিশ্ব আলু সম্মেলনে ভাষণ দেবেন। আলু গবেষণা, ব্যবসা ও শিল্প তথা মূল্য-শৃঙ্খল ব্যবস্থার সুযোগ-সুবিধা সহ বর্তমান দশকের জন্য একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মতামত জানাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্ব আলু সম্মেলনের তৃতীয় পর্বটি এবার গান্ধীনগরে আয়োজিত হতে চলেছে। প্রতি ১০ বছরের ব্যবধানে আলু ক্ষেত্রের সাফল্য নিয়ে আলাপ-আলোচনা এবং আসন্ন দশকটির জন্য একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের সম্মেলনের গুরুত্ব রয়েছে। এই লক্ষ্যে বিগত দুই দশকে বিশ্ব আলু সম্মেলন যথাক্রমে ১৯৯৯ এবং ২০০৮-এ অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষকে এক অভিন্ন মঞ্চে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সুযোগ করে দেবে, যাতে আলুক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মতামত পেশ করা যায়। আলু গবেষণার ক্ষেত্রে জ্ঞান ও উদ্ভাবনের দিক থেকে দেশের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত জানানোর ব্যাপারেও এ ধরনের সম্মেলন অভিনব হয়ে উঠেছে। গুজরাট দেশের অগ্রণী আলু উৎপাদক রাজ্য। বিগত ১১ বছরে ভারতে যেখানে আলু চাষের এলাকা বেড়েছে ১৯ শতাংশ, সেখানে কেবল গুজরাটেই এই আলু চাষের এলাকা বেড়েছে ১৭০ শতাংশ। এই রাজ্যে ২০০৬-০৭-এ আলু চাষ হয়েছিল ৪৯.৭ হাজার হেক্টর জমিতে। ২০১৭-১৮-তে আলু চাষের এলাকা বেড়ে হয়েছে ১৩৩ হাজার হেক্টর। এমনকি, এই রাজ্যটি বিগত এক দশক ধরে হেক্টর পিছু ৩০ টনের বেশি আলু উৎপাদন করে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। কৃষিকাজে এই রাজ্যটি স্প্রিঙ্কলার এবং ড্রিপ ইরিগেশনের মতো আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে থাকে। উল্লেখ করা যেতে পারে, গুজরাটে উন্নতমানের হিমঘরের সুযোগ-সুবিধা ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার প্রেক্ষিতে রাজ্যটি আলু প্রক্রিয়াকরণ শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আলু রপ্তানিকারকদের অধিকাংশই গুজরাটের। এই কারণেই রাজ্যটি দেশের অন্যতম আলু হাব হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষিতে গুজরাটে তৃতীয় বিশ্ব আলু সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ভারতীয় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের শিমলা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় আলু গবেষণা কেন্দ্র এবং পেরুর লিমা-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পোটাটো সেন্টারের সহযোগিতায় ইন্ডিয়ান পোটাটো অ্যাসোসিয়েশন এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। এগুলি হল – আলু সম্মেলন, কৃষিপণ্য রপ্তানি এবং পোটাটো ফিল্ড ডে। সম্মেলন চলবে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত। কৃষি রপ্তানি নিয়ে আলোচনা হবে ২৮ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত। এই আলোচনাসভায় আলু-ভিত্তিক শিল্প ও বাণিজ্য, প্রক্রিয়াকরণ, আলু বীজ উৎপাদন, জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সহ কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। পোটাটো ফিল্ড ডে বা সরেজমিনে আলু জমি পরিদর্শন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে আগামী ৩১শে ডিসেম্বর। এই কর্মসূচির আওতায় আলুর বিভিন্ন প্রজাতি, চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ প্রভৃতি ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যগুলি হাতেকলমে দেখানো হবে। এছাড়াও সম্মেলনে আলু চাষের যন্ত্রপাতির অভাব, সরবরাহ শৃঙ্খল, উৎপাদন-পরবর্তী অপচয়, প্রক্রিয়াকরণের হার বাড়ানো, রপ্তানি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও বৈচিত্র্য নিয়ে আসার মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে। CG/BD/DM (Visitor Counter : 64
pib-616
40bf025c1e156630187772aa57fc25906cb89a0a1c64467dee1679ef9c8845fb
ben
PIB Headquarters কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পিআইবি’র প্রাত্যহিক সংবাদ নয়াদিল্লি, ১৪ অগাস্ট, ২০২০ ভারতে একদিনে রেকর্ড প্রায় ৮.৫ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে; সুস্থতার হারে ক্রমাগত বৃদ্ধি, এই হার বেড়ে ৭১.১৭ শতাংশ; মৃত্যু হার আরও কমে হয়েছে ১.৯৫ শতাংশ দৈনিক ১০ লক্ষ নমুনা পরীক্ষার উদ্দেশ্য অর্জনকে সামনে রেখে ধারাবাহিকভাবে দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা হার বাড়ানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত একদিনেই সর্বাধিক ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭২৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় যা ছিল এ যাবৎ রেকর্ড। দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ২ কোটি ৭৬ লক্ষ ৯৪ হাজার ছাড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিয়মাবলী সংক্রান্ত নির্দেশপত্রে কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক পদক্ষেপের সুসামঞ্জস্য বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে জানায় প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় একটি দেশের দৈনিক অন্ততপক্ষে ১৪০টি নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন। জাতীয় স্তরে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় দৈনিক গড় নমুনা পরীক্ষার হার ৬০৩। কেন্দ্র ও রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণের ফলে নমুনা পরীক্ষার গড় হার দৈনিক আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিহ্নিতকরণ তথা সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গ হিসাবে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নমুনা পরীক্ষার হার বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। টেস্ট, ট্র্যাক ও ট্রিট কৌশলের সাফল্যের পেছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল দেশে ধারাবাহিকভাবে নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যায় বৃদ্ধি। আজ পর্যন্ত ৯৫৮টি সরকারি এবং ৪৯৩টি বেসরকারি মিলিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ১ হাজার ৪৫১। ব্যাপক হারে নমুনা পরীক্ষা, আক্রান্তদের খুঁজে বের করা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের সফল রূপায়ণের ফলে আজ সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৭১.১৭ শতাংশ। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে ১৭ লক্ষ ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। একইভাবে, সুস্থতার সংখ্যা নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় প্রায় ১১ লক্ষে পৌঁছে হয়েছে ১০ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৬০। দেশে আজ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হার ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৯৫ শতাংশে। এ থেকেই প্রমাণিত হয় সুস্থতার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645757 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। আত্মনির্ভর ভারতের দিকে দেশ এগিয়ে চলেছে; এক মাসের মধ্যে ২৩ লক্ষ পিপিই রপ্তানী করার ক্ষমতা অর্জন; রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ১.২৮ কোটির বেশী পি পিই সরবরাহ করল কেন্দ্র কেন্দ্র কোভিড-১৯ এর জন্য পর্যায়ক্রমে সক্রিয় নানা ব্যবস্থা নেওয়ায়, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির বিরামহীন উদ্যোগের কারণে পরিস্থিতি আয়ত্ত্বের মধ্যে রয়েছে। এর সঙ্গে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতির প্রয়াসে নানা সিদ্ধান্ত নিয়মিত নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী শুরু হওয়ার সময় এর চিকিৎসার নানা ধরণের সামগ্রী, যেমন এন ৯৫ মাস্ক, পিপিই কিট, ভেন্টিলেটর চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছিল না। এই সব সামগ্রী প্রথমে দেশে তৈরি হত না। মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা বাড়ায়, বিদেশেও এগুলি পাওয়া যাচ্ছিল না। এর পর মহামারীর এই সঙ্কটে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী দেশেই তৈরি করার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যান মন্ত্রক, বস্ত্র মন্ত্রক, ফার্মাসিউটিক্যাল মন্ত্রক, শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য দপ্তর, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা সহ বেশ কিছু সংস্থা যৌথভাবে উদ্যোগী হয়। যার ফলে দেশে এই সব সামগ্রী উৎপাদনের ক্ষমতা বর্তমানে বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645751 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। ডঃ হর্ষবর্ধন দিল্লির এইমস্ – এ স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডঃ হর্ষবর্ধন আজ নতুন দিল্লির এইমস্ – এ স্বেচ্ছায় এক রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন। তিনি স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের আরও বেশি সংখ্যায় সঙ্কটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাতে রক্তদান করার আহ্বান জানান। ৭৩তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এইমস্ – এর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে ডঃ হর্ষবর্ধন বলেন, স্বেচ্ছায় এই রক্তদান শিবির কোভিড সেনানী এবং কার্গিল শহীদদের প্রতি এক যথার্থ শ্রদ্ধা। চিকিৎসক, নার্স ও আধা-চিকিৎসকরা সহ কোভিড সেনানীরা যে অবদান রেখেছেন, সেকথা স্মরণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, মহামারীর সময় মানুষের জীবন বাঁচানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645731 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষিতে লাল কেল্লায় আগামীকাল স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশেষ ব্যবস্থাপনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রক লাল কেল্লায় ১৫ই আগস্ট ২০২০ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। তবে কোভিড-১৯ এর কারণে সতর্ক অবস্থায় এই জাতীয় অনুষ্ঠানটি যাতে পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা করে আয়োজন করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানুষ যাতে বাধাহীন ভাবে ঢুকতে পারেন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। তাঁদের বসার জায়গায় কার্পেট এবং ফুল দিয়ে সাজানো হবে। কোন লাইন যেন না হয় এবং বসার জায়গায় যথেষ্ট দূরত্ব থাকে সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে। গাড়িগুলি যেন নির্বিঘ্নে পার্ক করা যায় তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করা হয়েছে। গার্ড অফ অনার দলের সদস্যদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানে যে কোন অতিথি অন্যের থেকে ২ গজ দূরে বসবেন। আমন্ত্রিত অতিথিরাই এই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারবেন। যাঁদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পত্র নেই, তাঁদের অনুষ্ঠানস্থলে না আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আধিকারিক, কূটনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সহ প্রায় চার হাজার জনের কাছে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জ্ঞানপথে শুধু জাতীয় সমর শিক্ষার্থীদের দর্শক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এবার থাকবে না। কোভিড সংক্রান্ত নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করে প্রতিটি আমন্ত্রণপত্রে কোভিডের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে ধৈর্য ধরে বসে থাকতে বলা হয়েছে। ধারাবিবরণীর জায়গা থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর এ সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হবে। সেই মত অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আমন্ত্রিত সকলকে এই বিষয়ে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সবধরণের সাবধাণতা অবলম্বন করে সামাজিক দূরত্ব অবলম্বন করে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ হবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645691 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হওয়া রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সংক্রান্ত অভিযান ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে আয়ুষ মন্ত্রক আজ তিন মাসের একটি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আয়ুষ শীর্ষক অভিযানের সূচনা করেছেন। এই উপলক্ষে ওয়েবিনারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আধ্যাত্মিক গুরু শ্রীশ্রী রবিশঙ্কর এই অভিযান সম্পর্কে বলেন, আয়ুষ পদ্ধতি সমগ্র বিশ্বকে সুস্থ-সবল থাকার এবং আনন্দের সঙ্গে জীবনযাপনের দিশা দেখাতে পারে। আয়ুষ মন্ত্রকের সরকারি ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় এবং ৬০ হাজার মানুষ এই অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645799 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি মূলধনী ব্যয় সংক্রান্ত তৃতীয় পর্যালোচনা বৈঠকে অর্থমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অর্থ তথা কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাহাজ পরিবহণ মন্ত্রক, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক, আবাসন ও শহরাঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং টেলিযোগাযোগ দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে পৌরহিত্য করেন। এই বৈঠকে উপরোক্ত মন্ত্রকগুলির অধীন ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডায়রেক্টররাও উপস্থিত ছিলেন। চলতি অর্থবর্ষে এই ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার মূলধন ব্যয় নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে আর্থিক গতি ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর এটি তৃতীয় পর্যালোচনা বৈঠক। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ঐ ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সম্মিলিত মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ স্থির হয়েছে ১ কোটি ২৪ লক্ষ ৮২৫ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৮২১ কোটি টাকা মূলধনী ব্যয়ের লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে ঐ ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা মূলধনী ব্যয় হয়েছে, যা মোট ব্যয়ের প্রায় ৮৮.৩৭ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২০ হাজার ১৭২ কোটি টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষের জুলাই পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা । বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645800 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কোভিড মহামারীর সময় কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজকর্ম সম্পর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং-কে অবহিত করেছেন মুখ্য তথ্য কমিশনার শ্রী বিমল জুলকা মুখ্য তথ্য কমিশনার শ্রী বিমল জুলকার সঙ্গে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজকর্ম পর্যালোচনার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় একদিনের জন্য কমিশনের কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়নি। প্রকৃতপক্ষে এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব কমিশন ও তার কর্মীদের ওপর বর্তায়। গত এক বছরের কমিশনের কাজকর্ম সম্পর্কে ডঃ সিং পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, কেবল জুন মাসেই ১ হাজার ৭৮৫টি তথ্য জানার অধিকার আইনের মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০১৯ সালের জুন মাসে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৯৭। লকডাউন এবং আংশিক লকডাউনের সময় কমিশনের শুনানি অব্যাহত রাখার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে শ্রী জুলকা বলেন, প্রয়োজন-ভিত্তিতে কমিশনের বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি ই-ডাক ব্যবস্থা মারফৎ অথবা অনলাইন-ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে জানানো হয়েছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645572 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। ব্যাডমিন্টন তারকা এন সিক্কি রেড্ডি ও ফিজিওথেরাপিস্ট কিরণ সি হায়দরাবাদে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন হায়দরাবাদে পুলেল্লা গোপীচাঁদ ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে জাতীয় ব্যাডমিন্টন শিবিরে যোগদানের পর ব্যাডমিন্টন তারকা এন সিক্কি রেড্ডি ও ফিজিওথেরাপিস্ট কিরণ সি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। স্পোর্টস্ অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী, নমুনা পরীক্ষার সময় তাঁদের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মেলে। এন সিক্কি রেড্ডি এবং কিরণ সি উভয়ের মধ্যেই করোনার কিছু কিছু উপসর্গ দেখা গেছে। হায়দরাবাদ থেকে জাতীয় ব্যাডমিন্টন প্রশিক্ষক পুলেল্লা গোপীচাঁদ বলেছেন, প্রোটোকল অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সবধরনের আগাম সতর্কতা গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে খেলোয়াড়রা যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে পুনরায় প্রশিক্ষণে যোগ দিতে পারেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645618 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। জাহাজ পরিবহণ মন্ত্রক ক্রুজ জাহাজগুলির জন্য বন্দর মাশুল হার ৬০-৭০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করেছে কেন্দ্রীয় জাহাজ পরিবহণ মন্ত্রক ক্রুজ জাহাজগুলির জন্য মাশুল হার আরও যুক্তিসঙ্গত করেছে। মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের ফলে বন্দরের নোঙর এবং বন্দর ব্যবহার বাবদ মাশুল অবিলম্বে ৬০-৭০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে চলেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের ক্রুজ শিল্প ক্ষেত্র বিশেষভাবে লাভবান হবে। কোভিড-১৯ মহামারীজনিত পরিস্থিতিতে অর্থ ব্যবস্থায় গতি সঞ্চারের জন্য সরকারের ঘোষিত নীতির অঙ্গ হিসাবে মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রীয় জাহাজ পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জানান, এর ফলে ভারতে ক্রুজ পর্যটন ক্ষেত্র লাভবান হবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1645774 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। পিআইবি’র আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য • অরুণাচল প্রদেশ : রাজ্যে আজ আরও একজনের কোভিড-১৯ এ মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ জন। রাজ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯০। • আসাম : রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক ট্যুইটে জানিয়েছেন, গতকাল ২ হাজার ১৭৪ জন রোগী আরোগ্য লাভের পর ছাড়া পাওয়ার ফলে মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৩৮৩। • মণিপুর : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ইম্ফল-কেন্দ্রিক রোমিবাগ শিল্প সংস্থার পক্ষ থেকে সরকারের হাতে কোভিড সেনানীদের মধ্যে বন্টনের জন্য ১০০টি পিপিই কিট তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। • মেঘালয় : রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কম্যুনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির মানোন্নয়নে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সঙ্গে ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে পরিকল্পনা করছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। • মিজোরাম : রাজ্যে গতকাল আরও ৮ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৫৭ হয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১৪ জন। • নাগাল্যান্ড : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করছে। তিনি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি ও অগ্রভাগে থাকা কর্মীদের সামাজিক দিক থেকে কলঙ্কিত না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। • সিকিম : রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ৩১শে অগাস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, উপযুক্ত সময়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। • কেরল : মুখ্যমন্ত্রী ও ৪ জন মন্ত্রী সহ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিধানসভার স্পিকার এবং রাজ্য পুলিশের প্রধান আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে গেছেন। এদিকে রাজ্য সরকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান ১৫ মিনিটের মধ্যে সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য, অনুষ্ঠান-স্থলে সাধারণ মানুষের জমায়েত হতে দেওয়া হবে না। • তামিলনাডু : কেন্দ্রশাসিত পন্ডিচেরীতে আজ আরও ৪ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০৬ হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে। তামিলনাডুতে গতকাল ১১৯ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ৩৯৭ হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ২০ হাজার ছাড়িয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৯২ জন। • কর্ণাটক : এ বছর স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠান অনাড়ম্বর উপায়ে উদযাপন করা হবে। কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হচ্ছে না। এদিকে রাজ্যে গতকাল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ৩৩৭ জন এবং মারণ এই ভাইরাসে বলি হয়েছেন ৩ হাজার ৬১৩। • অন্ধ্রপ্রদেশ : রাজ্য সরকার সেই সমস্ত মন্দির কর্মীদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন, যাঁরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে আজ বিশাখাপত্তনমে সচেতনতামূলক রথ অভিযানের সূচনা হয়েছে। রাজ্যে গতকাল আরও ৮২ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৩৭৮ হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৮৪০ জন। • তেলেঙ্গানা : হায়দরাবাদে বেসরকারি হাসপাতালগুলি ৫০ শতাংশের বেশি শয্যা সরকারের তত্ত্বাবধানে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে রাজ্যের সিদ্দাপেতে এই প্রথম একটি ভ্রাম্যমাণ কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষাগারের সূচনা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৪ হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৪৩৮ জন। • মহারাষ্ট্র : অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকার কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে কোয়ারেন্টাইন সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি শিথিল করেছে। এদিকে রাজ্যে বৃহস্পতিবার আরও ১১ হাজার ৮১৩ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে এবং ৯ হাজার ১১৫ জন আরোগ্য লাভ করেছেন। • গুজরাট : আমেদাবাদ পুর নিগম ৩০ জনেরও বেশি কর্মচারী রয়েছেন, এমন সমস্ত প্রতিষ্ঠানে ১ জন কোভিড কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের নীতি চালু করেছে। ৩০ জনের কম কর্মী রয়েছেন, এমন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক করোনা সংক্রান্ত যে কোনও বিষয়ে দায়িত্ব নেবেন। রাজ্যে গতকাল আরও ১ হাজার ৪৬ জন আরোগ্য লাভ করেছেন। বর্তমানে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১০। • মধ্যপ্রদেশ : রাজ্যে রাজনীতিকদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর পর রাজ্যসভায় নবনির্বাচিত সদস্য এবং একজন বিজেপি বিধায়ক করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়াও, ভোপালে একজন স্থানীয় বিজেপি নেতা ও মুখপাত্র করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। • ছত্তিশগড় : রাজ্যে আরও কয়েকটি নমুনা পরীক্ষাগারের সূচনা হওয়ায় দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার হয়েছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৯০ হাজার নমুনা পরীক্ষার পর ১৩ হাজার ৯৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ১৮৭। • গোয়া : গোয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আরও ৩টি ওয়ার্ড কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য নতুন করে চালু করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডগুলিতে চরম সঙ্কটাপন্ন রোগীদের চিকিৎসা করা হবে। রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, আরও ২টি ইএসআই হাসপাতালে স্বল্প উপসর্গবিশিষ্ট রোগীদের চিকিৎসা করা হবে। রাজ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৯১। সুস্থতার হার ৭২ শতাংশ। CG/BD/SB (
pib-619
b9c7b924e58ad4e15f93516086a5da3c9867106219ca6049c10bbc669a478262_3
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক স্বাস্থ্য মন্ত্রক ‘মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান সপ্তাহ’ –এর সূচনা করেছে নতুন দিল্লি, ৫ অক্টোবর, ২০২১ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া শারীরিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর আলোকপাত করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক আজ থেকে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান সপ্তাহ পালনের সূচনা করল। এটি সমাপ্ত হবে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে। ১০ই অক্টোবর সারা বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে সাহায্যের জন্য প্রয়াস ঘটাতে। এবছরের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস এমনই এক সময়ে এসেছে, যখন কোভিড – ১৯ এর জন্য প্রতিদিনের জীবনে উল্লেখ্যযোগ্যভাবে পরিবর্তন হয়েছে। এর জন্য মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দিক নির্দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে, মানসিক বৈকল্যকে ঘিরে কুসংস্কার ভাঙতে এবং মানুষের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে। মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান সপ্তাহের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং রসায়ন ও সার মন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া আজ ইউনিসেফের বিশ্বের শিশুদের অবস্থা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেন। প্রতিবেদনে একবিংশ শতাব্দীতে শিশু, বয়ঃসন্ধিকালের ব্যক্তি এবং পরিষেবা প্রদানকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যেটির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা হল, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কোভিড – ১৯ অতিমারীর উল্লেখযোগ্য প্রভাব। মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান সপ্তাহের অন্যান্য কাজের মধ্যে আছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যন্য উপযুক্ত সংগঠনের সহযোগিতায় বেঙ্গালুরুর এনআইএনএইচএএনএস-এর ভার্চুয়াল সচেতনতা শিবির, দিল্লির বিভিন্ন অংশে সাইকেল র্যালি, সবুজ রিবন অভিযান, আঞ্চলিক ভাষায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র প্রকাশ, #breakthestigma হ্যাশট্যাগ অভিযানের সূচনা এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কুইজ এবং শ্লোগান প্রতিযোগিতা। CG/AP/SFS (Visitor Counter : 1877
pib-620
dc63bdc47f774dae6d172670eefecda8b0e3aea409507406e51ccd7c867d363f_2
ben
কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা অবৈধ মাদক পাচার ও ঐ জাতীয় অন্যান্য উপাদানের চোরাচালান রোধে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে মউ স্বাক্ষরে মন্ত্রিসভার অনুমতি নয়াদিল্লি, ২৭ মার্চ, ২০১৯ প্রধানমন্ত্রীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অবৈধ মাদক পাচার ও ঐ জাতীয় অন্যান্য উপাদানের চোরাচালান রোধে এক সমঝোতাপত্র বা মউ স্বাক্ষরে অনুমতি মিলেছে। এই মউ স্বাক্ষরের ফলে অবৈধ মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে পারস্পরিক সহযোগিতা গড়ে উঠবে। দু’দেশের মধ্যে মউ স্বাক্ষরের দিন থেকেই চোরাচালন প্রতিরোধের বিষয়টি কার্যকর হবে। এই সমঝোতাপত্রটি আগামী পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। স্বাক্ষরিত সমঝোতা অনুযায়ী দুই দেশ তথ্য ও নথিপত্র আদান-প্রদান করবে। সেইসঙ্গে, তথ্যের গোপনীয়তাও বজায় রাখবে। উল্লেখ করা যেতে পারে, ভারত ইতিমধ্যেই ৩৭টি দেশের সঙ্গে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে একই ধরণের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। CG/BD/SB (Visitor Counter : 80
pib-622
35676925123ebdd16e44a693418d6b9d711254ef63aca82211ad9477e0207662_1
ben
আয়ুষ দেশে ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের চাষ নয়াদিল্লি, ০৯ মার্চ ২০২১ কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক জাতীয় স্তরে কেন্দ্রীয় সহায়তাপুষ্ট আয়ুষ মিশন রূপায়ণ করছে। জাতীয় স্তরে এই মিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হ’ল ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের চাষ। কর্মসূচির মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট জেলাগুলিতে ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ চিহ্নিতকরণ ও সেখানে এ ধরনের গাছের চাষ ও ক্লাস্টার গড়ে তোলার ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ঔষধি গুণসম্পন্ন ১৪০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চাষ ও তার সংরক্ষণে ৩০ শতাংশ, ৫০ শতাংশ এবং ৭৫ শতাংশ হারে ভর্তুকি দেওয়া হয়। আয়ুষ মন্ত্রকের ন্যাশনাল মেডিসিনাল প্ল্যান্টস বোর্ড ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কেন্দ্রীয় স্তরের একটি প্রকল্প রূপায়ণ করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যৌথ অরণ্য পরিচালন কমিটি/পঞ্চায়েত/বন পঞ্চায়েত/জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটি/স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের সংরক্ষণ ও চাষে প্রশিক্ষণ/সেমিনার/কর্মশিবির প্রভৃতি সচেতনতামূলক অভিযান আয়োজন করা হয়। এছাড়াও, ঐ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের চাষ ও বিপণনে উৎসাহ দেওয়া হয়ে থাকে। আয়ুষ মন্ত্রক জাতীয় আয়ুষ মিশনের মাধ্যমে ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের চাষের জন্য ৫৬ হাজার ৩৯৬ হেক্টর জমি চিহ্নিত করেছে। অর্থ মন্ত্রক ভেষজ গাছগাছড়ার চাষের প্রসারে আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজের আওতায় ৪ হাজার কোটি টাকা সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। এমনকি, আয়ুষ মন্ত্রক ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছের চাষ ও বিপণনে ‘প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষ আয়ুষ যোজনা’ নামে একটি কর্মসূচির খসড়া প্রণয়ন করেছে। এই খসড়া কর্মসূচিটি ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। রাজ্যসভায় আজ এক লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী শ্রী কিরেণ রিজিজু।
pib-625
dc6a3a6f58b4262cb3df45c9017beb3ebaca1396b543da9a87bc917d4508a288_2
ben
তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক ৫০তম আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবের ইন্ডিয়ান প্যানোরামা প্রদর্শনী আজ থেকে শুরু নয়াদিল্লি, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ৫০তম আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবের ইন্ডিয়ান প্যানোরামা বিভাগের উদ্বোধন হল আজ। গোয়ার পাঞ্জিমের আইনক্সে কাহিনীচিত্র বিভাগে অভিষেক শাহ পরিচালিত জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গুজরাটি ছবি ‘হেল্লারো’ ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে উদ্বোধন হল। অ-কাহিনী বিভাগে প্রদর্শিত হল আশিস পাণ্ডে পরিচালিত কাশ্মীরি ছবি ‘নুরেহ’। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘নুরেহ’-এর পরিচালক। তিনি জানালেন, এই ছবি একটি ছোট মেয়ের যে আরও ভালো জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখে। তিনি আরও জানান, তিনি এমন একটি ছবি করতে চেয়েছেন যা বর্তমানে প্রাসঙ্গিক। ইন্ডিয়ান প্যানোরামা বিভাগে ছবিটি নির্বাচনের জন্য আইএফএফআই জুরিদের তিনি ধন্যবাদ জানান। ইন্ডিয়ান প্যানোরামা বিভাগে সেরা সাম্প্রতিক ভারতীয় ছবিগুলি দেখানো হচ্ছে। এই বিভাগে এ বছর দেখানো হবে সবমিলিয়ে ২৬টি কাহিনীচিত্র এবং ১৫টি অ-কাহিনীচিত্র। হিন্দি ছাড়াও, কাহিনীচিত্র বিভাগে এ বছর খাসি, গারো, পানিয়া, ইরুলা এবং পাংচেনপা-র মতো স্বল্প প্রচলিত ভাষার ছবিও দেখানো হবে। কাহিনীচিত্র বিভাগে অন্য নির্বাচিত ছবিগুলির মধ্যে আছে পাঁচটি মারাঠি ছবি, তিনটি করে মালয়ালাম ও বাংলা, দুটি তামিল এবং একটি কন্নড় ছবি। কাহিনীচিত্র বিভাগের একটি উপ-শাখা আছে মূল ধারার ছবিগুলি দেখানোর জন্য। যেখানে ‘গালি বয়,’ ‘উরি’, ‘দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ এবং ‘বাধাই হো’র মতো জনপ্রিয় ছবিগুলি দেখানো হবে। এই বিভাগে তেলেগু ছবি ‘F2’ও দেখানো হবে। SSS/AP/DM (Visitor Counter : 72
pib-627
998a61de4c093ae70441f43a3049d50bfb7ebda0b96cb0d59b4634739568cf80
ben
PIB Headquarters কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পিআইবি’র প্রাত্যহিক সংবাদ নয়াদিল্লি, ২৮ জুলাই, ২০২০ করোনায় ভারতে মৃত্যু হার আরও কমে দাঁড়িয়েছে ২.২৫ শতাংশ; সুস্থতার হার ঊর্ধ্বমুখী, আজ ৯.৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে; গতকাল ৩৫ হাজারেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন করোনায় ভারতে মৃত্যু হার নিরন্তর কমছে। বর্তমানে এই হার ২.২৫ শতাংশ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে মৃত্যু হার তুলনামূলক কম। জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে করোনায় মৃত্যু হার ৩.৩৩ শতাংশ থেকে কমে আজ দাঁড়িয়েছে ২.২৫ শতাংশে। আজ নিয়ে পর পর ৫ দিন ভারতে দৈনিক ৩০ হাজারেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন। দেশে সুস্থতার হার জুনের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ৫৩ শতাংশ থেকে নিরন্তর বেড়ে আজ ৬৪ শতাংশের বেশি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৫ হাজার ১৭৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৪৩ জন। সুস্থতার সংখ্যা দৈনিক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সুস্থতা ও আক্রান্তের মধ্যে ফারাক ক্রমশ ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে সুস্থতার সংখ্যা আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৭৫৫। এর ফলে, বর্তমানে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৯৮৮। এরা সকলেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641785 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। ভারতে পর পর দু’দিন দৈনিক ৫ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে; আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ১ কোটি ৭৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে দেশে পর পর দু’দিন দৈনিক ৫ লক্ষেরও বেশি কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ২৬শে জুলাই নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৫ লক্ষ ১৫ হাজার এবং ২৭শে জুলাই এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ২৮ হাজার। দেশে এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ১ কোটি ৭৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে। প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় নমুনা পরীক্ষার হার বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৫৬২। দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ১ হাজার ৩১০। এর মধ্যে সরকারি নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ৯০৫ এবং বেসরকারি নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ৪০৫। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641827 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কলকাতা, মুম্বাই এবং নয়ডায় উন্নতমানের কোভিডের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উন্নতমানের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার তিনটি ব্যবস্থাপনার সূচনা করেছেন। ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের কলকাতা, মুম্বাই এবং নয়ডায় এই ব্যবস্থাপনাগুলি চালু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, উন্নতমানের এই ব্যবস্থাপনার ফলে এই তিন শহরের প্রত্যেকটিতে, দৈনিক প্রায় ১০ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। যত বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হবে, তত বেশি সংক্রমিতদের শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব। এর ফলে এই ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হবে। শ্রী মোদী জানিয়েছেন, এই পরীক্ষাগারগুলির সাহায্যে শুধুমাত্র কোভিডের নমুনার পরীক্ষা করার পাশাপাশি, ভবিষ্যতে হেপাটাটিস ‘বি’ ও ‘সি’, এইচআইভি, ডেঙ্গু সহ বেশ কিছু অসুখের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641550 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। আইসিএমআর-এর তিনটি ল্যাবরেটরিতে হাই থ্রুপুট কোভিড-১৯ টেস্টিং পরিষেবা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের ইংরাজি অনুবাদ বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641551 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। সাংসদদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে দ্বিতীয় এমপ্যাথি ই-কনক্লেভে অংশ নিয়েছেন ডঃ হর্ষ বর্ধন বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে দ্বিতীয় এমপ্যাথি ই-কনক্লেভের আয়োজন করলো ইন্সটিটিউট অফ লিভার অ্যান্ড বাইলিয়ারি সায়েন্সেস । এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী ওম বিড়লা। আইন ও বিচার মন্ত্রী শ্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ অনুষ্ঠানে ডিজিটাল মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন অনুষ্ঠানে সাম্মানিক অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। সাংসদদের মধ্যে হেপাটাইটিসের বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আইএলবিএস – এর নির্দেশক ডঃ এস কে সারি অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যকর যকৃৎ এবং হেপাটাইটিসের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করে তোলার জন্য বেশ কিছু তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এই অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা ছিল – “এমপাওয়ারিং পিউপল ইন হেপাটাইটিস : দ্য এমপ্যাথি ক্যাম্পেন”। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641742 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ভারতীয় রেল মিশন মোড-ভিত্তিতে গতবারের তুলনায় এবার অনেক বেশি পণ্যবাহী ট্রেন পরিষেবা দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ভারতীয় রেল পণ্যবাহী ট্রেন পরিষেবার ক্ষেত্রে গতবারের তুলনায় এবার বড় সাফল্য পেয়েছে। ২৭শে জুলাই পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেনগুলিতে ৩.১৩ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহণ করেছে। করোনার সময় ভারতীয় রেল প্রায় ২০০টি পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ সমাপ্ত করেছে। গত ২৭শে জুলাই পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেনগুলির গড় গতবেগ ছিল ঘন্টায় ৪৬.১৬ কিলোমিটার, যা গত বছরের ঐ একই দিনের গড় গতিবেগ ঘন্টায় ২২.৫২ কিলোমিটারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২৭শে জুলাই পর্যন্ত ভারতীয় রেল ১ হাজার ৩৯টি পণ্যবাহী রেক – এ করে বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করেছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641826 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কোভিড-১৯-এ সংক্রমিতদের শনাক্তকরণ এবং ঝুঁকির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্ট-আপ সংস্থার মোবাইল অ্যাপ কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সংক্রমিত জনগোষ্ঠীর ঝুঁকির সম্ভাবনার মূল্যায়নের জন্য নতুন নতুন পন্থাপদ্ধতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি কমাতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের দ্য সেন্টার ফর অগমেন্টিং ওয়ার উইথ কোভিড নাইন্টিন হেলথ ক্রাইসিস -এর উদ্যোগে বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক একটি স্টার্ট-আপ সংস্থা অ্যাকুলি ল্যাবসকে কোভিডের ঝুঁকির মূল্যায়ন করার জন্য একটি ব্যবস্থার উদ্ভাবনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে - যেটি লাইফাস কোভিড স্কোর হিসেবে পরিচিত। ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত শনাক্তকরণ, সংক্রমণের মূল কারণ, ঝুঁকির মূল্যায়ন এবং বাড়িতে সংক্রমিতের নজরদারির মতো বিষয়গুলি লাইফাস-এর মাধ্যমে করা হবে। যাঁরা উপসর্গহীন, অনেক সময় দেখা যায় তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করার সময় অন্য কেউ আক্রান্ত হয়ে পড়েন। লাইফাস-এর মাধ্যমে এঁদের আগে থেকেই শনাক্ত করলে এই ঝুঁকির সম্ভাবনা হ্রাস পায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর লাইফাসকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য অ্যাকুলি ল্যাবকে ৩০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছে। আইআইটি ম্যাড্রাসের হেলথ কেয়ার টেকনলজি ইনোভেশন সেন্টার – মেডটেক ইনকিউবেটর এই প্রকল্পে সাহায্য করছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641755 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কোভিড মহামারীর সময়ে যেসব সরকারি কর্মী অবসর নিয়েছেন তাঁদের নিয়মিত পেনশনের পেমেন্ট অর্ডার না হওয়া পর্যন্ত 'প্রভিশনাল' পেনশনের ব্যবস্থা করা হবে : ডঃ জিতেন্দ্র সিং কোভিড-১৯ মহামারীর সময় যে সমস্ত সরকারি কর্মী অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের নিয়মিত পেনশন পেমেন্ট অর্ডার ইস্যু এবং দপ্তরের অন্যান্য নিয়মবিধি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা ‘প্রভিশনাল’ পেনশন পাবেন। কেন্দ্রীয় কর্মী, জন-অভিযোগ ও পেনশন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর পেনশন দপ্তরের আধুনিকীকরণের কাজ করা হয়েছে। কর্মীরা যেন তাঁদের অবসর গ্রহণের পর কোন বিলম্ব ছাড়াই পেনশন পান, তা নিশ্চিত করতে পিপিও দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাইজেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় পেনশন দপ্তর একটি পোর্টাল তৈরি করেছে। এর ফলে, যে সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের অবসরের সময়সীমা এগিয়ে আসছে, তাঁরা তাঁদের পেনশনের কাগজের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য এই পোর্টাল থেকে জানতে পারবেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641560 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। উপভোক্তা সুরক্ষা আইন ২০২০ সহ উপভোক্তা সুরক্ষা আইন ২০১৯এর সমস্ত নিয়মকানুন ২৪শে জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে- শ্রী রামবিলাস পাসওয়ান উপভোক্তা সুরক্ষা আইন ২০২০ সহ উপভোক্তা সুরক্ষা আইন ২০১৯এর সমস্ত নিয়মকানুন ২৪শে জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে জানালেন কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী শ্রী রামবিলাস পাসওয়ান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আজ ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডর্ডের মোবাইল অ্যাপ ‘বিআইএস-কেয়ার’ এবং মান নির্ধারণ, তুল্যতা নির্ধারণ এবং প্রশিক্ষণের জন্য- 'ই-বিআইএস'-এর তিনটি পোর্টালের সূচনা করেছেন। এই মোবাইল অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে যেকোন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডাউনলোড করা যাবে। অ্যাপটি আপাতত ইংরাজি ও হিন্দি ভাষাতে রয়েছে। এখান থেকে গ্রাহকরা ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ইন্সটিটিউশন চিহ্ন ও হলমার্ক যুক্ত পণ্য যাচাই করতে পারবে। এমনকি এই অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগও দায়ের করা যাবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সরকার উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641559 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। শিল্প সংক্রান্ত ছাড়পত্র অনুমোদনের জন্য শীঘ্রই একক জানালা ব্যবস্থা চালু করা হবে : শ্রী পী্যূষ গোয়েল কেন্দ্রীয় সরকার দেশে শিল্প ক্ষেত্রের ছাড়পত্র ও অনুমোদনের জন্য শীঘ্রই একক জানালা ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে। সার্বভৌম সম্পদ, তহবিল বৈদেশিক পেনশন তহবিল এবং সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য তথা পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, শিল্প সংক্রান্ত ছাড়পত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে একক জানালা ব্যবস্থা প্রকৃত পক্ষেই অনুমোদনের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা হয়ে উঠবে। এমনকি, অনুমোদন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সমস্ত রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকেও সামিল করা হবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1641556 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। পিআইবি’র আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য • পাঞ্জাব : মিশন ফতেহ-র আওতায় কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নিরন্তর অভিযান চালানো হচ্ছে। রাজ্য সরকার সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্কগুলি থেকে যুক্তিগ্রাহ্য মূল্যে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে প্লাজমা সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। • হরিয়ানা : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর যাঁরা সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেছেন, তাঁদেরকে স্বেচ্ছায় প্লাজমা দান করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। • মহারাষ্ট্র : রাজ্যে গত সপ্তাহে রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনার পর সমগ্র রাজ্যে গতকাল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। রাজ্যে সোমবার আরও ৭ হাজার ৯২৪ জনের সংক্রমণের খবর মিলেছে। এর ফলে, রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার। এদিকে প্রধানমন্ত্রী গতকাল আইসিএমআর – এর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর রিসার্চ ইন রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ প্রতিষ্ঠানে একটি আধুনিক ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নমুনা পরীক্ষাগারের সূচনা করেছেন। • গুজরাট : রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৬৭ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল আরও ২২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। • রাজস্থান : রাজ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এই প্রথমবার ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৫৬৪। করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রাজ্য সরকার বুন্দি জেলায় ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। • মধ্যপ্রদেশ : রাজ্যে সোমবার আরও ৭৮৯ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৯৭৮। গতকাল আরও ৬৫৯ জন সুস্থ হয়েছেন। • ছত্তিশগড় : রাজ্যে সোমবার আরও ৩৬২ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৯০০ ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৬৩ জন। • কেরল : রাজধানী জেলা তিরুবনন্তপুরমের উপকূল এলাকাগুলিতে সংক্রমণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন অব্যাহত রাখার বিষয়ে আজ সন্ধ্যায় সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। এদিকে কোট্টায়ম জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের। বর্তমানে ৯ হাজার ৬০৯ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। • তামিলনাডু : পন্ডিচেরীর এক প্রাক্তন বিধায়ক কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে প্রয়াত হয়েছেন। কেন্দ্রশাসিত পন্ডিচেরীর মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার অধ্যক্ষ ও আরও কয়েকজন মন্ত্রীর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদিকে তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী বিনামূল্যে ফেসমাস্ক বিতরণ কর্মসূচির সূচনা করেছেন। ২ কোটিরও বেশি পরিবারের ৬ কোটি ৭৪ লক্ষ সদস্যকে বিনামূল্যে মাস্ক দেওয়া হবে। এদিকে রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ হাজার ৮৯৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫৭১ জনের। • কর্ণাটক : রাজ্যে গতকাল আরও ৭৫ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৫৩। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ হাজার ৮১৯ জন। • অন্ধ্রপ্রদেশ : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কোভিড-১৯ রোগীদের ভর্তি প্রক্রিয়া ৩০ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে। তিনি জেলা হাসপাতাল ও রাজ্যস্তরীয় ১০টি কোভিড হাসপাতালে খালি শয্যার ব্যাপারে তথ্য প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে রাজ্যে গতকাল আরও ৪৯ জনের মৃত্যুর খবর মেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯০। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ২ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ হাজারেরও বেশি। • তেলেঙ্গানা : রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে ১ হাজার ৪৬৫টি শয্যা এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতে ৬ হাজার ২০৪টি শয্যা রয়েছে। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৭ হাজার ১৪২। নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৭৫৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৮০ জনের। • অরুণাচল প্রদেশ : রাজধানী অঞ্চল ইটানগরে গত দু’দিনে ৩ হাজার ১২৬টি অ্যান্টিজেন নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এবং ৭২ জনের নমুনায় ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। • আসাম : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, আজ পর্যন্ত সারা রাজ্যে ৮ লক্ষ কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। • মণিপুর : রাজ্যে আরও একটি ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট কোভিড কেয়ার সেন্টার আগামী ৩ দিনের মধ্যে চালু হতে চলেছে। • মিজোরাম : রাজ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৪ এবং সুস্থ হয়েছেন ১৯৮ জন। • নাগাল্যান্ড : রাজ্যে নতুন করে ৭৫ জনের সংক্রমণের খবর মেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৫৯ হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫৬৯ জন। CG/BD/SB (Visitor Counter : 163
pib-631
cfb16f52645aef395bffbf14d8b579ce814275ecf0fe0b795786a5dc621687c6
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর থাইল্যান্ডে আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নয়াদিল্লি, ০৩ নভেম্বর, ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী থাইল্যান্ডে আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান শ্রী কুমার মঙ্গলম বিড়লা থাইল্যান্ডে আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারি আধিকারিক এবং শিল্প-বাণিজ্য জগতে শীর্ষস্হানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর সদস্যদের, তাঁদের কাজের জন্য অভিনন্দন জানান। এরফলে অনেকের জীবনে সমৃদ্ধি এবং নানা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ভারত এবং থাইল্যান্ডের মধ্যে নিবিড় সংস্কৃতিক যোগাযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাণিজ্য এবং সংস্কৃতির বিশ্বকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার ও ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে। ভারতে সংস্কারের ফলে পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী গত পাঁচ বছরে সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রচলিত কর্মপন্হার পরিবর্তন ঘটিয়ে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগে যা অসম্ভব বলে মনে হতো, এখন তা সম্ভব হচ্ছে। এরফলে এই সময়টাই ভারতের জন্য সেরা সময় বলে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাঙ্কের সহজে বাণিজ্য করার সূচকের নিরিখে গত পাঁচ বছরে ভারত ৭৯ ধাপ এগিয়েছে। ২০১৪ সালে ভারতের স্হান ছিল ১৪২। ২০১৯ সালে সেই স্হান হয়েছে ৬৩। এরফলে বোঝা যাচ্ছে এখন বাণিজ্যিক পরিবেশ কতটা উন্নত হয়েছে। তিনি আরও জানান, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে পর্যটন প্রতিযোগিতার সূচকে ভারত ২০১৩ সালে ৬৫তম স্হানে ছিল। চলতি বছর তা এগিয়ে ৩৪তম ধাপে পৌঁছেছে। আতিথেয়তা, ভালো রাস্তার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, আইন শৃঙ্খলার উন্নতির ফলে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থ সঞ্চয়ের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি হয় এবং শক্তি সঞ্চয়ের মাধ্যমে নতুনভাবে শক্তির উৎপাদন হয়। সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে টাকার নয়-ছয় বন্ধ হয়েছে। যারফলে এযাবৎ ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার সাশ্রয় হয়েছে। তিনি এলইডি আলো বন্টনের প্রসঙ্গটিও উত্থাপন করেন। এর মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণের পরিমান হ্রাস পেয়েছে। ভারত: বিনিয়োগের আকর্ষণীয় জায়গা ভারতকে সহজ কর ব্যবস্হার জায়গা বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ওপর করের বোঝা হ্রাস, অহেতুক হয়রানি দূর করার জন্য যান্ত্রিক পদ্ধতিতে করের পরিমাণ নির্ধারণ শুরু করা, কর্পোরেট করের পরিমান হ্রাসের মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পণ্য পরিষেবা কর চালু করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংহতির স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। সরকার জনগণ-বান্ধব হওয়ার লক্ষ্যে অঙ্গিকারবদ্ধ। এই পদক্ষেপগুলির ফলে দেশ আজ বিনিয়োগের আকর্ষনীয় জায়গায় পৌঁছেছে। ইউএনসিটিএবি অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম ১০টি প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের জায়গা হিসেবে ভারত বিবেচিত হচ্ছে। থাইল্যান্ড ৪.০এর সঙ্গে পরিপূরক হওয়া প্রধানমন্ত্রী ভারতকে ৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের সমতুল অর্থনীতিতে পরিণত করার স্বপ্নের কথা বলেন। ২০১৪ সালে ২ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের থেকে ভারতের ২০১৯ সালে ৩ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন। থাইল্যান্ডকে গুণমান ভিত্তিক অর্থনীতিতে বিবর্তিত করার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড ৪.০ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, দক্ষ ভারত, স্বচ্ছ ভারত মিশন, স্মার্ট সিজিট, জল-জীবন মিশন ইত্যাদির মতো ভারতের নানা উদ্যোগের সঙ্গে এর যথেষ্ঠ মিল আছে। এর মাধ্যমে অংশীদারিত্বের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, উভয় দেশ ভৌগলিক, রাজনৈতিক নৈকট্য সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশীদারিত্বের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। থাইল্যান্ডে আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠী ২২ বছর আগে ভারত মুক্ত অর্থনীতির পথ গ্রহণ করে। শ্রী আদিত্য বিক্রম বিড়লা থাইল্যান্ডে একটি স্পিনিং ইউনিট স্হাপন করে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেন। আজ এই গোষ্ঠী থাইল্যান্ডে ১১০ মার্কিন ডলারের ব্যবসা করছে। তারা এখন এই দেশে সবথেকে বড় শিল্পোদ্যোগী। ৯টি বৃহৎ ফ্যাক্টরি, বস্ত্রশিল্প, কার্বন ব্ল্যাক এবং রাসায়নিক শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের মাধ্যমে উপস্হিতি বজায় রয়েছে। CG/CB/NS (Visitor Counter : 59
pib-633
9350695422f2d033c05e7fe65a2bfd6dabe611dcb5f396234930824dc46f1b15_2
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক শিশুদের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গী ও ধারণার কথা জানাতে অভিভাবকদের উৎসাহ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- এইমস-এর মনস্তত্ব বিভাগের অধ্যাপক এবং কেন্দ্রীয় মানসিক স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ডাঃ রাজেশ সাগর ‘ইতিবাচক পরিবেশ, উৎসাহের অভাব বা লোকের সঙ্গে মেলামেশা না করলে শিশু মনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে’ ‘যাঁরা শিশুদের দেখভাল করবেন তাঁদের শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময় নম্র হতে হবে কারণ শিশুরা বুঝতে পারেনা তাদের মনের ভিতর কি হচ্ছে’ সুরক্ষিত পরিবেশ বর্তমান মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সংকট থেকে শিশুদের রক্ষা করতে পারে- ডাঃ রাজেশ সাগর নয়াদিল্লী, ২৩ জুলাই, ২০২১ নতুন দিল্লীর অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস-এর মনস্তত্ব বিভাগের অধ্যাপক এবং কেন্দ্রীয় মানসিক স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ডাঃ রাজেশ সাগর মহামারীর কারণে শিশু মনে কি প্রভাব পড়তে পারে এবং বিভিন্ন সমস্যার কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রশ্নঃ- কিভাবে মহামারী শিশু মনে প্রভাব ফেলতে পারে? উত্তরঃ- শিশুরা অত্যন্ত স্পর্শকাতর, নরম মনের। যেকোন রকমের মানসিক চাপ, আতঙ্ক তাদের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। যার ফলে দীর্ঘমেয়াদে শিশু মানসিক অবসাদগ্রস্ত হতে পারে। এই মহামারী ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। তাদের স্কুল বন্ধ, অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে এবং কাছের বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা করার সুযোগটাও খুব কমে গেছে। এর পাশাপাশি কেউ কেউ বাবা-মায়ের মধ্যে একজন অথবা দু’জনকেই হারিয়েছে। কেউ আবার আত্মীয় বা যে তাকে দেখভাল করতো তাকে মহামারীর জন্য হারিয়েছে। এইসব বিষয়গুলি শিশুদের মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে। যে পরিবেশে তারা বেড়ে ওঠে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ- শিশুরা সেই অবস্থা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবসাদগ্রস্থ শিশুদের সঙ্গে যখন আপনারা কথা বলেন তখন সবথেকে বড় কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন? মানসিকভাবে চাপে থাকার সময় প্রাপ্ত বয়স্কদের মতো শিশুদের একইরকম প্রতিক্রিয়া হয়না। কোনো কোনো বাচ্চা নির্দিষ্ট কোনো জিনিসকে আঁকড়ে ধরে থাকে, কেউ কেউ অবসাদগগ্রস্ত হয়ে পড়ে, কেউ আবার আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠে, কেউ কেউ অবসন্ন হয়ে পরে। তাই শিশুর মানসিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়াটি অত্যন্ত কষ্টকর। যখন আমরা জানতে পারি আশেপাশের পরিবেশের কারণে শিশুর মনে প্রভাব বিস্তার হচ্ছে তখন আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারি। শিশুরা অনেক সময় একটি ঘটনাকে তাদের নিজেদের মতো করে নেয়। আতঙ্কিত হওয়া, অসুস্থ হওয়া অথবা নিকটজনদের মৃত্যু তাদের মনে প্রতিকূল প্রভাব ফেলতে পারে। কখনও আবার ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা তাদের ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্কের কথা জানাতে পারেনা। তাই শিশুদের আচার-আচরণের ওপর নজর রাখা প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বিষয়ে শিশুদের দৃষ্টিভঙ্গী এবং ভাবনা প্রকাশ করানোর জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের সাহায্য করার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের তাই বিভিন্ন বিষয়ে তাদের ভাবনা এবং মতামত প্রকাশ করাতে উৎসাহ দিতে হবে, যাতে তারা নিজেদের মনের মত পরিবেশে তাদের কথা জানাতে পারে। তারা যদি কথায় না বোঝাতে পারে তাহলে আঁকা, রঙ করা সহ অন্যান্য মাধ্যমের সাহায্যে তাদের মনের ভাব জানাতে উৎসাহিত করতে হবে। শিশুদের ওপর এই মহামারীর প্রভাব কতটা পরেছে তা সরাসরি কোনো প্রশ্নের মাধ্যমে জানা সম্ভব নয়। কারণ শিশুরা জানেনা তাদের ভিতরে কি চলছে। এ কারণে যারা বাচ্চাদের দেখভাল করবেন তাদেরকে শিশুদের সঙ্গে নম্রভাবে মতবিনিময় করতে হবে। শিশুদের বোঝার জন্য সৃজনশীল পন্থা-পদ্ধতি গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে সংক্রমণ, মৃত্যুর মতো বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতি নিয়েও শিশুদের চিন্তা-ভাবনা বুঝতে হবে। প্রশ্নঃ- একটি শিশুর জীবনে প্রথম ৫-৬ বছরকে বলা হয় ভিত গড়ার সময়। এই সময় শিশুর বিকাশে বিভিন্ন উৎসাহব্যাঞ্জক উপকরণের প্রয়োজন। মহামারী কিভাবে শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলেছে এবং কেমন করে এই প্রভাব কমানো সম্ভব বলে আপনার ধারণা? উত্তরঃ- প্রকৃতপক্ষে একটি শিশুর জীবনে প্রথম ৫ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শিশুটিকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নিতে পারি। ইতিবাচক পরিবেশ ও উৎসাহের ঘাটতি থাকায় এবং সামাজিক মেলেমেশা না করতে পারায় শিশু মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। কোনো শিশু যাতে সংক্রমিত না হয় তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নেব। কিন্তু আমাদের এমন একটি আনন্দে পরিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে শিশুরা বিভিন্ন কাজে নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখতে পারে। অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেও শিশুদের ব্যস্ত রাখার অনেক উপাদান আছে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের এমন কিছু পদ্ধতি কাজে লাগাতে হবে যেগুলি শিশুদের আনন্দ দেবে কিন্তু নিরাপত্তার ঘাটতি হবে না। এর ফলে মহামারীর কারণে শিশুদের মধ্যে প্রতিকূল প্রভাব কমানো সম্ভব। প্রশ্নঃ- বড় ছেলেমেয়েরাও বর্তমান শিক্ষা পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তার সম্মুখীন। তাদের জন্য আপনি কি পরামর্শ দেবেন? উত্তরঃ- অনিশ্চয়তার শিকার বড় ছেলেমেয়েদেরাও । এই মহামারী তাদের লেখাপড়া এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং যারা বাচ্চাদের দেখভাল করেন তাদের ভূমিকা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগোতে সাহায্য করতে হবে এবং বোঝাতে হবে মহামারীর কারণে পৃথিবী জুড়ে তাদের মতোই অনেক শিশু একই পরিস্থিতির সম্মুখীন। বাবা-মায়ের ভূমিকাও এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের শিশুদের বাস্তব সম্পর্কে জানাতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় বাবা-মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষা পর্ষদগুলি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট বিকল্পের ব্যবস্থা করেছে। তাই আমি মনে করি আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছাবো যখন শিশুদের শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবেনা। প্রশ্নঃ- মহামারীর পরিস্থিতির মধ্যে বাবা-মা’রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনি বাবা-মা’দের কি পরামর্শ দেবেন? উত্তরঃ- কাজের জায়গা এবং ব্যক্তিগত পরিসরের মধ্যে যে পার্থক্য ছিল সেটা এখন নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক মা-বাবাই তাঁদের সন্তানের শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে সমস্যায় পরছেন। বিভিন্ন বয়সী শিশুদের চাহিদা আলাদা। তাদের প্রয়োজন, সময়, বিভিন্ন কাজে যুক্ত থাকার ধরণও আলাদা। বাড়িতে যদি উত্তেজনার পরিবেশ থাকে তাহলে শিশুর মানসিক বিকাশে সমস্যা হতে পারে। বর্তমানে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে তার থেকে রেহাই পেতে নিরাপদ পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা যাতে ব্যস্ত থাকে বাবা-মা’দের সেদিকটি খেয়াল রাখতে হবে। শিশুদের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। বাবা-মা’দের দৈনন্দিন কাজকর্মের ফাঁকে বাচ্চাদের জন্য সময় বার করতে হবে। যাঁরা মানসিক চাপের থেকে নিজেদের বার করতে পারছেন না তাঁদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব অথবা পেশাদারদের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। CG/CB /NS (Visitor Counter : 11762
pib-637
0e6d7abb93da1a51064bdec5bf77f9fff21a35141566702231ef4c0443e08d29_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর এটা খুবই গর্বের বিষয় যে ভারতের আরো চারটি স্থান রামসার স্বীকৃতি পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী নতুন দিল্লি, ১৪ আগস্ট, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, এটা খুবই গর্বের বিষয় যে ভারতের আরও চারটি স্থান রামসার স্বীকৃতি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দর যাদবের একাধিক টুইটের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "এটি আমাদের কাছে গর্বের বিষয় যে চারটি ভারতীয় স্থান রামসার স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারতের শতাব্দীপ্রাচীন তত্ত্ব হিসাবে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, উদ্ভিদ ও প্রাণী সুরক্ষার জন্য কাজ করা এবং গ্রীন প্লানেট তৈরির লক্ষণ প্রকাশ করে।" CG/ SB (
pib-639
8ee88725f64dd00861bfd1ba6b3624f523dadac6f3291087ed7380264966f0a4_2
ben
সামাজিকন্যায়ওক্ষমতায়নমন্ত্রক সাফাই কর্মচারীদের জন্য জাতীয় কমিশনের মেয়াদ তিন বছর বৃদ্ধির প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাফাই কর্মচারীদের জন্য জাতীয় কমিশনের মেয়াদ তিন বছর বৃদ্ধির প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে, ৩১শে মার্চের পরও আরও তিন বছর এই কমিশন কার্যকর থাকবে। এর জন্য প্রায় ৪৩ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। প্রভাব : এই সিদ্ধান্তের ফলে সাফাই কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। ২০২১ – এর ৩১শে ডিসেম্বর এমএস অ্যাক্ট সার্ভে অনুযায়ী দেশে ৫৮ হাজার ৯৮ জন সাফাই কর্মচারী হাত দিয়ে বর্জ্য পরিষ্কার করেন। এই কমিশনের মাধ্যমে তাঁরা উপকৃত হবেন। বিস্তারিত : ১৯৯৩ সালের এনসিএসকে আইন অনুযায়ী, এই কমিশন গঠন করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ১৯৯৭ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত। পরবর্তীতে কমিশনের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০০৩ – এর ৩১শে মার্চ ও ২০০৪ – এর ২৯শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। ২০০৪ – এর ২৯শে ফেব্রুয়ারি এনসিএসকে আইনটির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর, সাফাই কর্মচারীদের জাতীয় কমিশনকে বিধিবদ্ধ নয়, এরকম একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়। কমিশনের বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে এ বছরের ৩১শে মার্চ। প্রেক্ষাপট : জাতীয় কমিশন সাফাই কর্মচারীদের কল্যাণে বিভিন্ন সময়ে সরকারকে নানা ধরনের সুপারিশ করে থাকে। তাঁদের জন্য নির্ধারিত কল্যাণমূলক কর্মসূচির মূল্যায়ন এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিশনের মাধ্যমে করা হয়। হাত দিয়ে বর্জ্য পরিষ্কার করা সাফাই কর্মচারীদের জন্য কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত ২০১৩ সালের আইন অনুযায়ী কমিশন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রস্তাব পাঠায়। সাফাই কর্মচারীদের কল্যাণার্থে বিভিন্ন কর্মসূচিগুলি যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। সরকার সাফাই কর্মচারীদের মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তাঁরা এখনও আর্থ-সামাজিক ও শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে যন্ত্রের সাহায্যে সেফটিক ট্যাঙ্ক ও নর্দমা পরিষ্কার করা হয়। যাঁরা হাত দিয়ে এগুলি পরিষ্কার করতেন, তাঁদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কখনও কখনও কোথাও কোথাও হাত দিয়ে পরিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়। সরকার তাই এই ব্যবস্থা বন্ধের জন্য আরও নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। CG/CB/SB (Visitor Counter : 66
pib-640
1eec6cf934a95ac6921034fa47e7307cc5fff130236b91e904244dd804f6942a
ben
যোগাযোগওতথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্ট ব্যাঙ্ক তাদের ডিজিটাল পরিষেবা হিসাবে 'ডাকপে' ব্যবস্থা চালু করেছে। যা ব্যাংকিং অভিজ্ঞতার রূপান্তর ঘটাবে নতুন দিল্লী, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ভারতীয় ডাক বিভাগ এবং ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্ক ডিজিটাল পরিষেবা হিসেবে আজ 'ডাকপে' ব্যবস্থার সূচনা করেছে। সারাদেশে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই অ্যাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী শ্রী রবি শংকর প্রসাদ আজ এই পরিষেবার কথা ঘোষণা করে বলেন, লকডাউনের সময় ডাক বিভাগ সারা দেশজুড়ে তাদের পরিষেবা অব্যাহত রেখেছে। 'ডাকপে'-র সূচনা ডাক বিভাগের উন্নত পরিষেবার আরও একটি দিক যা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে। সাধারণ মানুষ এবার বাড়ির দোরগোড়ায় ডাক পরিষেবার সুযোগ নিতে পারবেন। এটি একটি অনন্য পরিষেবা যা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর 'আত্মনির্ভর ভারত' দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সম্পর্কিত।
pib-641
4f521ad139092efaa70349ce5d0972544855cc4d06505cd58c547aade4c9cbc1
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক কোভিড–১৯ এর সর্বশেষ তথ্য নতুনদিল্লি, ১৫ এপ্রিল, ২০২০ দেশে কোভিড-১৯ মহামারীর মোকাবিলায় কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উচ্চপর্যায়ে এগুলি নিয়ে প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গতকাল করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় জাতির উদ্দেশে এক ভাষণ দেবার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। কোভিড – ১৯ এর মোকাবিলায় দেশের জেলাগুলিকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ১) হটস্পট জেলা। ২) কোভিড সংক্রমণ হয়েছে, অথচ হটস্পট নয় এমন জেলা। ৩) গ্রীণজোন জেলা। যে সব জেলায় সংক্রমণের ঘটনা ও হার খুবই বেশি সেগুলিকে হটস্পট জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট সচিব আজ, সব রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য সচিব, পুলিশের মহানির্দেশক, জেলা কালেক্টর, পুরসভার কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিংএর মাধ্যমে বৈঠক করেন। বৈঠকে হটস্পট জেলাগুলিকে সংক্রমণ প্রতিরোধ করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এই জেলাগুলিতে অত্যাবশক পরিষেবা ছাড়া, অন্য সব ধরণের কাজকর্ম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় নমুনা সংগ্রহ করে, সেগুলি পরীক্ষা করা হবে। এই পরীক্ষা ছাড়াও ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুখ এবং এসএআরআই এর চিকিৎসাও, যথাযথভাবে করা হবে। . এই এলাকায় বিশেষ দল বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা চালাবে। এই দলে স্বাস্থ্য দপ্তর, রাজস্ব দপ্তর ও পুরসভার কর্মীরা ছাড়াও রেডক্রশ, এনএসএস এবং এনওয়াইকে-র স্বেচ্ছাসেবকরাও থাকবেন। জেলাগুলিতে হাসপাতালের পরিকাঠামো অনুযায়ী, শ্রেণী বিভাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১) হাল্কা অথবা খুব কম সংক্রমিত হয়েছেন, এরকম রোগীদের জন্য কোভিড কেয়ার সেন্টার। ২) যাদের সংক্রমণের হার মাঝামাঝি এবং অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন আছে, তাদের জন্য কোভিড হেলথ সেন্টার। ৩) যাদের সংক্রমণের হার খুব বেশি এবং ভেন্টিলেটরের সাহায্যের দরকার, তাদের জন্য কোভিড নির্ধারিত হাসপাতাল। কোভিড সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে রাজ্যগুলিকে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এইমস কলসেন্টারগুলির সহায়তায় জেলা পর্যায়ের প্রতিটি রোগীকে বিশেষ নজরদারীতে রাখা হবে। ঔষুধের ব্যবস্থা ছাড়াও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া এবং পয়ঃপ্রণালীর মতন বিষয় নিয়েও রাজ্যগুলির সঙ্গে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। যে সব জেলায় সংক্রমণের কোনো ঘটনা ঘটেনি, তাদেরকেও এই মহামারীর প্রতিরোধে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙ্গতে যারা কোভিড আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের বিষয়ে নজরদারীর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি জেলায় তারা যেন সমানভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কোভিড – ১৯ এ সংক্রমিত রোগীদের যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মী চিকিৎসা করছেন, তাদের জন্য অনলাইনের আইগট-এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যগুলিকে একাজে সবরকমের সহযোগিতার হাত বাড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শেষ পাওয়া খবরে দেশে গতকাল থেকে আজ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আরো ১০৭৬ জন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন, এর ফলে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা হল ১১,৪৩৯ জন। এপর্যন্ত ৩৭৭ জন মারা গেছেন। ১৩০৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে গেছেন। কোভিড-১৯ এর বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের জন্য এবং এই মহামারী প্রতিরোধের বিষয়ে যে সব নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে তা জানতেhttps://www.mohfw.gov.in/ লিঙ্কটি ক্লিক করুন। কোভিড-১৯ এর বিষয়ে কোন জিজ্ঞাস্য থাকলে technicalquery.covid19[at]gov[dot]in অথবা ncov2019[at]gov[dot]in - এই দুটি ই-মেলে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়াও +৯১-১১-২৩৯৭ -৮০৪৬ অথবা নিঃশুল্ক নম্বর ১০৭৫ এ ফোন করা যাবে। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কোভিড – ১৯ সংক্রান্ত হেল্প লাইন নম্বরগুলির তালিকা চাইলে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন। https://www.mohfw.gov.in/pdf/coronvavirushelplinenumber.pdf (CG/CB
pib-645
a26a012e0d8ce8dba61c4f097b4b7277937c382974d2e1aea3146cbc39db0a0d_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর সাইপ্রাসের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নিকোস ক্রিস্টোদৌলিদেস-কে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন নয়াদিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সাইপ্রাসের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শ্রী নিকোস ক্রিস্টোদৌলিদেস নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন : “সাইপ্রাসের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় শ্রী নিকোস @Christodulides-কে অভিনন্দন জানাই। ভারত ও সাইপ্রাসের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে আমরা দু’জনে একযোগে কাজ করব বলে আমি আশাবাদী।” PG/CB/DM (
pib-647
38b47a6157427d0d5a5486a61fea9e548ea484421235612d9fd26150695f7168
ben
অর্থমন্ত্রক চলতি বছরে খুচরা মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক ছিল, ২০২১-২২ সালে খুচরা মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.২ শতাংশ নতুন দিল্লি, ৩১ জানুয়ারি, ২০২২ কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী, শ্রীমতী নির্মলা সীতারামন, আজ সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১-২২ পেশ করার সময় জানিয়েছেন যে উপভোক্তা মূল্য সূচক-সম্মিলিত অনুসারে খুচরা মুদ্রাস্ফীতি ২০২১-২২ সালে ৫.২ শতাংশ হবে। ২০২০-২১ সালের একই সময়ে তা ৬.৬ শতাংশ ছিল। সমীক্ষায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে কার্যকরী সরবরাহ ব্যবস্থাপনার কারণে,চলতি অর্থ বর্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল। দেশীয় মুদ্রাস্ফীতি: সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ভারতে উপভোক্তা মূল্য সূচক-সম্মিলিত মুদ্রাস্ফীতি সাম্প্রতিক সময়ে স্থিতিশীল ছিল, যা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ৫.২ শতাংশে পৌঁছায়। কার্যকরী সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও সরকারের গৃহীত সক্রিয় পদক্ষেপের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। বিশ্ব পর্যায়ের মুদ্রাস্ফীতি: অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত হয়েছে, কারণ অর্থনীতির রুদ্ধদ্বার উন্মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ আবার শুরু হয়েছে। উন্নত অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ২০২০ সালে ০.৭ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৩.১ শতাংশে পৌঁছেছে। উদাহরণ স্বরূপ, বলা যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ৭.০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১৯৮২ সালের পর সর্বোচ্চ। ব্রিটেনে মুদ্রাস্ফীতি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রায় ৩০ বছরের সর্বোচ্চ ৫.৪ শতাংশে পৌঁছেছে। উদীয়মান বিশ্ব বাজারের মধ্যে, ব্রাজিলে মুদ্রাস্ফীতি ১০.১ শতাংশে পৌঁছেছে এবং তুরস্কে মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে ৩৬.১ শতাংশে পৌঁছেছে। গত ৬ মাসে আর্জেন্টিনায় মূল্যস্ফীতির হার ৫০ শতাংশের বেশি। খুচরা মুদ্রাস্ফীতির বর্তমান প্রবণতা: ২০২০-২১ সালের এপ্রিল-ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২১-২২ এ খুচরা মুদ্রাস্ফীতির ৬.৬ শতাংশ থেকে নেমে এসে ৫.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাসের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। উপভোক্তা খাদ্য মূল্য সূচক অনুসারে ২০২১-২২ সালে খাদ্য মূল্যস্ফীতি গড়ে ২.৯ শতাংশ ছিল, যা গত বছরের একই সময়ের মধ্যে ৯.১ শতাংশ ছিল৷ পর্যালোচনা অনুসারে জ্বালানী সামগ্রী বাদ দিয়ে 'পরিশোধিত' মূল মুদ্রাস্ফীতি গণনা করা হয়েছে। 'খাদ্য ও পানীয়' এবং 'জ্বালানি ও বিদ্যুৎ' ছাড়াও, 'যানবাহনের জন্য পেট্রোল' এবং 'যানবাহনের জন্য ডিজেল' এবং 'যানবাহনের জন্য লুব্রিকেন্ট এবং অন্যান্য জ্বালানি' খুচরা মুদ্রাস্ফীতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের জুন থেকে, পরিশোধিত মূল মুদ্রাস্ফীতি প্রচলিত পরিশোধিত মুদ্রাস্ফীতির নীচে রয়েছে। খুচরা মূল্যস্ফীতির কারণসমূহ: 'বিবিধ' এবং 'জ্বালানি ও বিদ্যুৎ' খুচরা মুদ্রাস্ফীতির প্রধান চালিকা শক্তি। ২০২০-২১ সালের বহুমুখী গোষ্ঠীর অবদান ছিল ২৬.৮ শতাংশ থেকে ২০২১-২২ সালে ৩৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। পর্যালোচনা অনুসারে, পরিবহণ এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে, তারপরে রয়েছে স্বাস্থ্য ক্ষেত্র। অন্যদিকে খাদ্য ও পানীয় ক্ষেত্রের অবদান ৫৯ শতাংশ থেকে কমে ৩১.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। "জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ" এবং "পরিবহণ এবং যোগাযোগ:" সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২১-২২ সালে উপরোক্ত উভয় ক্ষেত্র মুদ্রাস্ফীতি বেশি থাকার কারণ ছিল, আন্তর্জাতিক স্তরে অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের দাম বেশি এবং উচ্চ পরিমাণে কর। বিবিধ: সমীক্ষা অনুসারে, বর্তমান আর্থিক বছরে পরিবহণ ও যোগাযোগ ক্ষেত্র ছাড়াও 'কাপড় এবং জুতোর' দামের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সম্ভবত উচ্চ উৎপাদন এবং খরচ ও সেইসাথে উপভোক্তাদের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই মূল্যস্ফীতি হয়েছে। খাদ্য ও পানীয়: সমীক্ষা অনুসারে, খাদ্য ও পানীয় ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতিতে 'তেল ও চর্বি' ৬০ শতাংশ অবদান রয়েছে। ভোজ্য তেলের চাহিদা বেশিরভাগই পূরণ করা হয় আমদানির মাধ্যমে । এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মূল্যের অস্থিরতা এই ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী। যদিও ভারতে ভোজ্য তেলের আমদানি গত ৬ বছরে সর্বনিম্ন হয়েছে, কিন্তু মূল্যের দিক থেকে ২০১৯-২০ সালের তুলনায় ২০২০-২১সালে এটি ৬৩.৫ শতাংশ বেড়েছে। সমীক্ষা পর্যালোচনায় বলা হয়েছে যে ডালের মূল্যস্ফীতি ২০২০-২১ সালের ১৬.৪ শতাংশ থেকে কমে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ডালের মূল্যস্ফীতি হ্রাসের অন্যতম কারণ হল, খরিফ মরসুমে ১৪২.৪ লক্ষ হেক্টরের জমিতে ডালের চাষ হয়েছে। গ্রামীণ, শহুরে মুদ্রাস্ফীতির পার্থক্য: সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণ এবং শহুরে সিপিআই মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে বড় ব্যবধানের তুলনায়, ২০২০ সালে তা হ্রাস পেয়েছে। পাইকারি মূল্য সূচক ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা: পাইকারি মূল্য সূচক মুদ্রাস্ফীতি ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং চলতি আর্থিক বছরে ২০২১- ২২ সালে তা ১২.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০২০-২১ সালে পাইকারি মূল্য সূচক ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি বেশি ছিল। ডাব্লুপিআই এবং সিপিআই ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতির হারের মধ্যে পার্থক্য: সমীক্ষায় বেশ কয়েকটি কারণের জন্য দুটি সূচকের মধ্যে পার্থক্যকে দায়ী করা হয়েছে।এমনকি সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ডাব্লুপিআই এবং ডাব্লুপিআই মুদ্রাস্ফীতির পার্থক্য ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা: সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়ছে যে ভারতে মুদ্রাস্ফীতি নির্ধারণে সরবরাহের কারণগুলির গুরুত্ব ভূমিকা পালন করবে, যা দীর্ঘমেয়াদী নীতি গ্রহণে সাহায্য করতে পারে এটি উৎপাদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন, ফসল উৎপাদনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসবে, অনিশ্চয়তা দূর করে স্ব-সংগঠিত আমদানি নীতি এবং পচনশীল পণ্য পরিবহণ ও সঞ্চয়ের দিকে মনোনিবেশ করবে। CG/SS/SKD/ (Visitor Counter : 1199
pib-650
0b33c4b305f7fb420c4c0c0ae7596803729788d18c6d67eb45b4ce6b32d71bdf
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর সাইরাস মিস্ত্রীর প্রয়াণে প্রধানমন্ত্রীর শোক জ্ঞাপন নয়াদিল্লি, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সাইরাস মিস্ত্রীর অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শ্রী মোদী বলেছেন, সাইরাস ছিলেন একজন সম্ভাবনাময় শিল্পোদ্যোগী, যিনি আর্থিক দিক থেকে এক শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলায় বিশ্বাসী ছিলেন। এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “সাইরাস মিস্ত্রীর অকাল প্রয়াণ দুর্ভাগ্যজনক। তিনি ছিলেন একজন সম্ভাবনাময় শিল্পোদ্যোগী, যিনি আর্থিক দিক থেকে এক শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলায় বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও বাণিজ্য জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধবদের সমবেদনা জানাই। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি”। PG/CB/SB (
pib-655
3dc0bd7d5c1fae2d342c5488c8bc79cdea98d4236f666a40044eb252d43668bc
ben
বস্ত্রমন্ত্রক বস্ত্র মন্ত্রকের নারী ক্ষমতায়ন প্রকল্প নয়াদিল্লি, ০৮ মার্চ, ২০১৯ বস্ত্র ও কারু শিল্পে যেসব মহিলা নিয়োজিত রয়েছেন, তাঁদের ক্ষমতায়নের জন্য বস্ত্র মন্ত্রক বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে। বস্ত্র বয়ন ক্ষেত্রের ৪৩.৩১ লক্ষ তন্তুবায় এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের কর্মীদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই মহিলা। জাতীয় বস্ত্র বয়ন কর্মসূচিতে ব্লক পর্যায়ে ক্লাস্টার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তন্তুবায়ীদের কল্যাণার্থে নানারকম কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। তপশিলি জাতি/উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য ১০০ শতাংশ ভর্তুকির ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত তিন বছরে ৪১২টি ব্লক পর্যায়ের ক্লাস্টার নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮২২ জন মহিলা উপকৃত হবেন। কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার-সহ ৭টি জাতীয় পুরস্কার এবং ৭টি জাতীয় মেধা শংসাপত্র ২০১৮’র ৭ আগস্ট জয়পুরে জাতীয় বস্ত্র বয়ন দিবসে প্রদান করা হয়। কারুশিল্পে দেশে ৭০ লক্ষ মানুষ কর্মরত। ‘পেহচান’ কর্মসূচির আওতায় ২৫ লক্ষ কারিগরকে পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৯৭ লক্ষ পরিচয়পত্র বন্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে মহিলা কারিগর ৫৬.০৭ শতাংশ। ৬৫টি ক্লাস্টারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলির মধ্যে ২৪টি ক্লাস্টারই মহিলা কারিগররা চালান। ২০১৬ সাল থেকে ৫টি জাতীয় পুরস্কার এবং ৫টি জাতীয় মেধা শংসাপত্র মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১৭ জন শিল্পগুরু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৩ জনই মহিলা। ১ হাজার ৯৩টি জাতীয় পুরস্কার কারিগরদেরকে দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১৮৯ জনই মহিলা। মহিলাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রশিক্ষণে মহিলাদের কোর্স ফি-র ৭৫ শতাংশই মকুব করা হচ্ছে। ৬০ বছরের কম বয়সী হস্তশিল্পীদের মধ্যে যাঁদের বার্ষিক আয় ৫০ হাজার টাকারও কম, তাঁদের প্রতি মাসে ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত ৭৫ জন মহিলা এই সুবিধা পেয়েছেন। রেশম ক্ষেত্রে ‘সিল্ক সমগ্র’ প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার ৩৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা রেশম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এর ফলে প্রায় ১ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০২০ সালে রেশম শিল্পে মহিলাদের কর্মসংস্থানের সু্যোগ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৫ লক্ষ হবে। উপজাতি মহিলারা প্রাচীন পদ্ধতিতে তসরের সিল্ক তৈরি করেন। এর ফলে, তাঁরা নানারকম স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার সম্মুখীন হবে। কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে ২০২০ সালের মধ্যে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে তসর সিল্ক বয়নের জন্য ১০ হাজার যন্ত্র সরবরাহ করা হবে। SSS/CB/SB (Visitor Counter : 163
pib-658
ceffe5a91f9706f8cf1d737bddc4419e43cd9f67b528bec7e6a820a02fe0d195
ben
বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে সরকার দেশের সবচেয়ে বড় ক্যুইজ প্রতিযোগিতা ‘সবকা বিকাশ মহাক্যুইজ’ – এর সূচনা করেছে নয়াদিল্লি, ১৪ এপ্রিল, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে সরকার একটি আত্মনির্ভর ভারত গঠন করতে ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিসওয়াস, সবকা প্রয়াস’ – এর আদর্শ পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের সার্বিক কল্যাণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা রূপায়ণের মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিকের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে চলেছে। পিএম আবাস যোজনা, জল জীবন মিশন, জন ধন যোজনা, পিএম-কিষাণ, উজ্জ্বলা যোজনা দরিদ্রদের জীবনযাত্রায় প্রভূত উন্নতিসাধন করেছে। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছে সরকার। পাশাপাশি, অংশগ্রহণমূলক শাসন ও প্রকল্প এবং কর্মসূচি রূপায়ণের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আনছে। সমাজের শেষ প্রান্তে থাকা মানুষের কাছে সব ধরনের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গ হিসাবে বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক ‘সবকা বিকাশ মহাক্যুইজ সিরিজ’ – এর আয়োজন করেছে। এই ক্যুইজের মূল লক্ষ্যই হ’ল সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প ও উদ্যোগ এবং কিভাবে উপভোক্তাদের এই সুবিধা মিলবে, সে বিষয়ে সকলকে আরও সংবেদনশীল করে তোলা। ভারতরত্ন ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের জন্মবার্ষিকীতে শুরু হওয়া এই ক্যুইজ প্রতিযোগিতা চলবে ১৫ দিন ধরে । এই উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সকল ভারতীয়কে এই ‘বিকাশ পর্ব’ – এ অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাজীব চন্দ্রশেখর বলেছেন, এই মহাক্যুইজ আয়োজনের মাধ্যমে নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আরও গভীর হবে। সবকা বিকাশ মহাক্যুইজ সিরিজের অঙ্গ হিসাবে আজ প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার উপর প্রথম ক্যুইজ প্রতিযোগিতার সূচনা করা হয়। এখানে ৩০০ সেকেন্ডের মধ্যে ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। বাংলা সহ ১২টি ভাষায় প্রশ্ন রয়েছে। পুরস্কার বিজয়ীদের ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ক্যুইজে অংশ নিতে হলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে - http://mygov.in/mahaquiz . CG/SS/SB (Visitor Counter : 86
pib-661
a8396135f23238edc0e5236a52f4b6769f10bb52cc0e1d665408fbd9e0d82f3e
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর নয়াদিল্লিতে বাণিজ্য ভবনের শিল্যান্যাস অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি, ২২ জুন, ২০১৮ নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের একটি নতুন অফিস কমপ্লেক্স বাণিজ্য ভবন-এর আজ শিল্যান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। শ্রী মোদী বিশেষ আস্হা প্রকাশ করে বলেন যে রাজধানীর বহু গুরুত্বপূর্ণ ভবন নির্মাণ প্রকল্প সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার এখন অবসান ঘটছে বলেই তিনি মনে করেন। প্রসঙ্গত ডঃ আম্বেদকর আন্তর্জাতিক কেন্দ্র, ডঃ আম্বেদকর জাতীয় স্মারক, প্রবাসী ভারতীয় কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের নতুন কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্পগুলির কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কাজকর্ম বিলম্বিত করার যে প্রবণতা দেখা যেত তা কাটিয়ে ওঠার ফলে বিভিন্ন প্রকল্পের নির্মাণে এখন গতিসঞ্চার ঘটেছে। নতুন বাণিজ্য ভবনটি দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রের অলসতা ও টালবাহানা বন্ধ করতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁর ধারণা। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে যুব সমাজের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে আমাদের সকলেরই। ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রসঙ্গে শ্রী মোদী বলেন, যে জমিটিতে বর্তমানে বাণিজ্য ভবন নির্মিত হচ্ছে সেটি আগে কেন্দ্রীয় সরবরাহ দপ্তরের আওতায় ছিল। বর্তমানে বৈদ্যুতিন বিপণন মঞ্চ গঠিত হওয়ার ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ৮৭০০ কোটি টাকার লেনদেন সম্ভব হয়েছে। এই মঞ্চটির সম্প্রসারণে উদ্যোগী হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য দপ্তরকে। তিনি বলেন, দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং অতিক্ষুদ্র শিল্পক্ষেত্রে বৈদ্যুতিন বিপণন মঞ্চের সুফলগুলি পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। পণ্য ও পরিষেবা কর অর্থাৎ জিএসটি-র কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এক জনমুখী পরিবেশবান্ধব এবং বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহদায়তন অর্থনীতি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারত বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অর্থনীতি ও প্রযুক্তির দিক থেকে শীর্ষস্হানীয় ৫টি দেশের মধ্যে ভারত নিজের স্হান করে নিয়েছে। বাণিজ্যিক কাজকর্মকে সহজতর করে তোলার মত বিষয়গুলি জীবনযাত্রাকে সহজতর করে তোলার সঙ্গে নানাভাবে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারের ওপরেও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যগুলিকেও এ বিষয়ে সক্রিয় সহযোগীর ভূমিকা পালন করতে হবে। আর্ন্তজাতিক রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্বের মাত্রা যাতে বর্তমানের ১.৬ শতাংশ থেকে অন্তত ৩.৪ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রককে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করে আমদানি প্রবণতা কমিয়ে আনতে হবে। এই প্রসঙ্গে বৈদ্যুতিন সাজ-সরঞ্জাম উৎপাদনের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের উৎপাদন ও নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহিত করতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। CG/SKD/NS/… (Visitor Counter : 57
pib-662
a7b6b528c6c0e563718e5bf7b71848b0fcb2d35ab52c79d96611c1d36b13cf77
ben
তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক প্রসার ভারতীর স্বায়ত্বশাসনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : প্রকাশ জাভড়েকর ডিডি নিউজের জন্য ১৭টি ডিএসএনজি ভ্যানের সূচনা করলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর সরকারি সম্প্রচার সংস্হায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভড়েকর ডিডি নিউজের জন্য ১৭টি ডিজিটাল সার্ভিস নিউজ গ্যাদারিং বা ডিএসএনজি ভ্যানের সূচনা করলেন। এই ডিএসএনজি ভ্যানগুলিতে একাধিক ক্যামেরা থেকে পাওয়া ভিডিও স্ট্রিম ব্যবহার করে সরাসরি সম্প্রচারের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। হাই ডেফিনেশন সম্প্রচারের উপযোগী যন্ত্রপাতি থাকায় এই ভ্যানগুলির সাহায্যে দর্শকরা উচ্চ গুনমান বিশিষ্ট ছবি দেখতে পাবেন। এই উপলক্ষে শ্রী জাভড়েকর সরকারি সম্প্রচার সংস্হা প্রসার ভারতীর স্বায়ত্বশাসনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কখনই লঙ্ঘন করা হবে না। হাই ডেফিনেশন ছবি সম্প্রচারের উপযোগী এই ডিএসএনজি ভ্যানগুলি ব্যবহারের ফলে দর্শকদের অনুষ্ঠান দেখার আনন্দ আরও বাড়বে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রসার ভারতীর প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। মন্ত্রকের সচিব শ্রী অমিত খারে, সরাসরি সম্প্রচারের ক্ষেত্রে সারা দেশে প্রসার ভারতীর অনুষ্ঠান সম্প্রচারের পরিধি প্রসারের এ ধরণের উদ্যোগের প্রয়োজনীতার কথা ব্যাখ্যা করেন। (Visitor Counter : 97
pib-663
72a69c9ef2d81682052365fb90222b3af51bd1bc79d3089b2ade37417857bbdc
ben
খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণশিল্পমন্ত্রক জাতীয় খাদ্য প্রযুক্তি নয়াদিল্লী, ৩ আগস্ট, ২০২১ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণে দেশে দুটি জাতীয় খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলি হল হরিয়ানার কুন্ডলীতে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফুড টেকনোলজি এন্টারপ্রেনাশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট এবং তামিলনাড়ুর থাঞ্জাভুরে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ফুড প্রসেসিং টেকনোলজি । দুটি প্রতিষ্ঠানই যে উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে। লোকসভায় আজ প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল। খাদ্য প্রযুক্তি এবং অনুসারি শিল্পের জন্য এনআইএফটিইএম ১২টি এবং আইআইএফপিটি ৬টি পাঠক্রমের ব্যবস্থা করেছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে মানব সম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠানেই বিভিন্ন বিষয়ে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও দেশে কেন্দ্রের সাহায্য পুষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, রাজ্যের সাহায্য পুষ্ট প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্য প্রযুক্তির বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়ে থাকে। মন্ত্রকের কাছে এই মুহুর্তে জাতীয় খাদ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত কোনো প্রতিষ্ঠান তৈরির প্রস্তাব নেই। ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই তিন বছরে কর্মসংস্থান হয়েছে যথাক্রমে ৮৯৪৯৭, ৯৮৩৯০ এবং ১০৯৮৬২। ত্রিপুরায় এই সময়কালে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যথাক্রমে ২৩২৫, ২৫২৪ এবং ২৫০৯। আসামে ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে সংশ্লিষ্ট শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ৯১৫২০। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান হয়েছে যথাক্রমে ৯২০৬৪ এবং ৮৮৪১৫ জনের। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ২০১৫-১৬, ২০১৭-১৭ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিমাণ যথাক্রমে ১২৪, ১৪০ এবং ৬৮। CG/CB/NS (Visitor Counter : 116
pib-664
8a12bd26255c3a7648ffe0f7f2063be846411cf33f44f398b4c1db177fdabb6e_3
ben
জাহাজচলাচলমন্ত্রক ভারত – বাংলাদেশ প্রোটোকল জলপথ ব্যবহার করে ১৬ই ফেব্রুয়ারী হলদিয়া থেকে পান্ডু পর্যন্ত প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের সূচনা হয়েছে নতুন দিল্লি, ১৬ই ফেব্রুয়ারী , ২০২২ পিএম গতিশক্তি, ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে বন্দর, জাহাজ চলাচল, জলপথ ও আয়ুশ মন্ত্রী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল আজ কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স থেকে পান্ডুর উদ্দেশ্যে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের সূচনা করেছেন। প্রথম পণ্যবাহী জাহাজে ইস্পাত পাঠানো হয়েছে। জাহাজটির জাতীয় জলপথ – ১ ও ২ ছাড়াও ভারত – বাংলাদেশ প্রোটোকল জলপথ ব্যবহার করবে। অনুষ্ঠানে বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী শান্তনু ঠাকুর উপস্থিত ছিলেন। জাহাজটি পান্ডু থেকে ফেরার সময় কয়লা নিয়ে আসবে। এই উদ্যোগের ফলে উত্তর পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং ভারত আত্মনির্ভরতার পথে আরো একধাপ অগ্রসর হবে। অভ্যন্তরীণ জলপথ এবং ভারত – বাংলাদেশ প্রোটোকল জলপথ ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং এটি একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর ফলে সমগ্র ভারত বিশেষত এই অঞ্চল যথেষ্ট উপকৃত হবে। একইসঙ্গে এদিন কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের সঙ্গে মেসার্স বহ্মপুত্র ক্র্যাকার অ্যান্ড পলিমার লিমিটেড –এর মধ্যে একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে হলদিয়া থেকে বিসিপিএল –এর ডিব্রুগড়ের কাছে লেপেটকাটায় বিসিপিএল –এর পণ্য পরিবহণে সুবিধা হবে। সমঝোতাপত্রটি শ্রী সোনোয়াল ও শ্রী ঠাকুরের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরের চেয়ারম্যান শ্রী বিনীত কুমার অনুষ্ঠানে পৌরোহিত্য করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা, বিসিপিএল ও টাটা স্টিলের পদস্থ আধিকারিকরা এবং স্থানীয় বিধায়ক শ্রীমতী তপতী মন্ডল উপস্থিত ছিলেন। CG/CB/SFS (Visitor Counter : 46
pib-665
1f3588572a9057aa1ce9c8fef005947127f69083cc3ee0ebaf5449a15027e65b_1
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক কোভিড -১৯ টিকার প্রাপ্যতার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ১৫৭ কোটি ৮৭ লক্ষেরও বেশি টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছে রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে ১৪ কোটি ৮৪ লক্ষেরও বেশি অব্যবহৃত টিকার ডোজ রয়েছে নতুন দিল্লি, ১৫ জানুয়ারি, ২০২২ দেশ জুড়ে দ্রুত কোভিড-১৯ টিকাকরণ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিনামূল্যে কোভিড টিকা সরবরাহ করছে। কারণ কেন্দ্র কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকাকরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছে। সর্বজনীন টিকাকরণের নতুন পর্যায় ২১শে জুন থেকে শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আরো বেশি পরিমাণে টিকা সরবরাহ করার জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে যাতে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় থাকে। বিভিন্ন টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা যে টিকা উৎপাদন করছে প্রতি মাসে তার ৭৫ শতাংশ কেন্দ্র সংগ্রহ করছে। এই টিকা আগের মতোই রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্র এ পর্যন্ত ১৫৭ কোটি ৮৭ লক্ষ ১০ হাজার ৫৯৫টি টিকার ডোজ বিনামূল্যে ও সরাসরি সংগ্রহ করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে দিয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে এখনও ১৪ কোটি ৮৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৮২১টি টিকার ডোজ হাতে রয়েছে। CG/SS/SKD/ (Visitor Counter : 106
pib-666
350b3e902514675001906a58b1a42f37670198764d6101395f0d43b550076f73
ben
রেলমন্ত্রক রাজস্ব বৃদ্ধি, খরচ কমানো, পরিষেবায় নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের কল্যাণে রেলের আরও বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন : শ্রী পীযূষ গোয়েল নয়াদিল্লি, ১৬ জুলাই, ২০২০ দেশের একাধিক রেলওয়েজ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের জন্য রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে প্রথমবার অনলাইন ‘কর্মী সংগোষ্ঠী’ কর্মসূচির আয়োজন করে। এই কর্মসূচিতে রেল মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল, বিভাগীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী সুরেশ সি অঙ্গাদি, রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান শ্রী পি কে যাদব সহ উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা অংশ নেন। এই উপলক্ষে শ্রী গোয়েল লকডাউনের সময় রেল কর্মীদের কর্তব্য পালনে নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, লকডাউনের সময় রেলের সব স্তরের কর্মীরাই আন্তরিকতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছেন। বর্তমানে ভারতীয় রেল মহামারীর দরুণ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে চলছে। এই প্রেক্ষিতে তিনি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের রেল কিভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা করতে পারে, সে সম্পর্কে মতামত ও পরামর্শ আহ্বান করেন। তিনি আরও বলেন, রেল কর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণের পাশাপাশি, রেলের আধিকারিক, বিভিন্ন সংগঠন এবং কর্মীদের সমবেত প্রয়াস গ্রহণ জরুরি। শ্রী গোয়েল রেলের জেনারেল ম্যানেজার ও ডিভিশনাল ম্যানেজারদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, কর্মচারীদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন মতামত দ্রুত মন্ত্রকের কাছে বিবেচনার জন্য পাঠাতে, যাতে রেলের সার্বিক অগ্রগতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়। রেল ইউনিয়নগুলির প্রতিনিধিরাও জানান, তাঁদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা রেলের উন্নয়নের প্রচেষ্টায় সর্বদাই পাশে রয়েছেন। রেলের সুদীর্ঘ আর্থিক স্বাস্থ্য কেবল কর্মচারীদের কাছেই নয়, বরং সমগ্র দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই, রেল কর্মীরা রেল ও দেশের স্বার্থ বজায় রেখে যে কোনও দায়িত্ব গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে। (CG/BD/SB
pib-672
9ca0983cf3219761122dad543470b649fc90bf2d4d767e3941a77f067ba5a65d_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর শ্রী আনন্দ শঙ্কর পান্ডের প্রয়াণে প্রধানমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ নতুন দিল্লি, ১১ নভেম্বর, ২০২১ বিশিষ্ট লেখক ও বুদ্ধিজীবী শ্রী আনন্দ শঙ্কর পান্ডে-জির প্রয়াণে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শোকপ্রকাশ করেছেন। একাধিক ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "শ্রী আনন্দ শঙ্কর পান্ডেজি ছিলেন এক বিশিষ্ট লেখক ও প্রখর বুদ্ধিজীবী, যিনি ইতিহাস, জননীতি, আধ্যাত্মিকতার বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন। ভারতের অগ্রগতির প্রতি ছিল তাঁর বিশেষ আগ্রহ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদে তিনি সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সমাজ সেবায় নিরলস কাজ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে দুঃখিত। শ্রী আনন্দ শঙ্কর পান্ডে-জির সঙ্গে আমার বেশ কয়েকবার মত বিনিময়ের কথা মনে পড়ছে। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর অন্তর্দৃষ্টির কথা শুনে প্রসন্ন হতাম। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং সমবেদনা জানিয়েছি। ওম শান্তি।" CG/BD/AS/ (
pib-674
ed58a22aa8398385fb6fa0fa3ca10a4b4deb1ff8d487377d457512df2df94d1f_3
ben
আদিবাসীবিষয়কমন্ত্রক ভারতের আদিবাসী সমবায় বিপণন ফেডারেশন, ট্রাইফেড, নকশার ক্রমবিকাশ এবং কারিগরদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্র্যাফট ভিলেজের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে নতুন দিল্লি, ১৭ মার্চ, ২০২১ আদিবাসীদের জীবন ও জীবিকা নির্বাহ এবং তাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ভারতের আদিবাসী সমবায় বিপণন ফেডারেশন বিভিন্ন সংস্থার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। সেই লক্ষ্যেই ফেডারেশনের পক্ষ থেকে একটি ক্র্যাফট ভিলেজের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারতের আদিবাসী সমবায় বিপণন ফেডারেশানের কার্য নির্বাহী পরিচালক শ্রী অনুপম ত্রিবেদি এবং ওই ক্রাফট ভিলেজের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমতি ইতি ত্যাগির মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে দুটি সংস্থা যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।
pib-676
365a51372b9422f718aec57bafb9b6b3017703f4660dabeb397f37f72f0586a6
ben
বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক বৃহৎ নক্ষত্র গঠনের পিছনে ক্ষুদ্র ছায়াপথের ক্ষয়ের রহস্যের কারণ খুঁজে বের করেছেন অ্যারিজ-এর জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা নয়াদিল্লী, ২৪ আগস্ট, ২০২০ আমাদের নিজস্ব ছায়াপথ আকাশগঙ্গার থেকেও এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আরও ছোট ছোট ছায়াপথ রয়েছে। এই ছোট ছোট ছায়াপথগুলি অত্যন্ত ধীরে ধীরে নক্ষত্র গঠনের দিকে এগিয়ে যায়। কোন কোন ক্ষুদ্র ছায়াপথ তাদের থেকে ১০-১০০ গুন বড় নতুন নক্ষত্র তৈরি করে। এগুলি গঠিত হতে কোটি কোটি বছর লেগে যায়। বিজ্ঞানীরা ভারতের ২টি টেলিস্কোপ দিয়ে এই ছায়াপথগুলির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বেশকিছু ধারণা পেয়েছেন। তাঁরা দেখেছেন, এই ছায়াপথগুলিতে হাইড্রোজেনের বিন্যাস চূড়ান্ত অসম অবস্থায় রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত দপ্তরের স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা আর্যভট্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট অফ অবজারভেশনাল সায়েন্সেস -এর জোর্তিবিজ্ঞানী ডঃ অমিতেশ ওমর এবং তাঁর প্রাক্তন ছাত্র ডঃ সুমিত জয়সোয়াল এই ধরণের ক্ষুদ্র ছায়াপথগুলিকে নৈনিতালের কাছে দেবস্থল ফাস্ট অপটিক্যাল টেলিস্কোপ এবং জায়েন্ট মিটার ওয়েভ রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা দেখেছেন আয়নিত হাইড্রোজেন এই ছায়াপথগুলিতে বিকিরিত হচ্ছে। এইসব ছায়াপথে হাইড্রোজেনের ঘনত্ব বেশি হলে তার থেকে নক্ষত্র তৈরি হয়। ক্ষুদ্র ছায়াপথগুলিতে হাইড্রোজেনের বিন্যাস সমানভাবে নজরে আসেনি। কোথাও কোথাও এই ছায়াপথের আশেপাশে হাইড্রোজেনের মেঘ দেখা গেছে। এই ছায়াপথগুলির মধ্যে সংঘর্ষ হলে ওই গ্যাস জঞ্জালের মতো ছায়াপথজুড়ে ছড়িয়ে পরে। যদিও বিজ্ঞানীরা ২টি ছায়াপথের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ দেখতে পাননি কিন্তু বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ থেকে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এই ছায়াপথগুলির মধ্যে সংঘর্ষের কারণে বড় নক্ষত্র গড়ে উঠতে পারে। CG/CB/NS (Visitor Counter : 175
pib-677
ccc1e07a1d3fe68c1b2dc09a467b9fd9f127e9c5e2ba35285f1206b4bdd01101
ben
শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক মুদ্রাস্ফীতি ভিত্তিক পাইকারি মূল্য সূচকে নিম্নমুখী প্রবনতা অব্যাহত রয়েছে নতুন দিল্লি, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০২২-এর জানুয়ারি মাসে বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার ১২.৯৬ শতাংশ । এই হার লাগাতার কমছে। গত নভেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ১৪.৮৭ শতাংশ এবং পরবর্তী মাসে অর্থাৎ ডিসেম্বরে এই হার কমে দাঁড়ায় ১৩.৫৬ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি থাকার কারণ খনিজ তেল, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, বিভিন্ন ধরণের ধাতব পদার্থ, রসায়ন ও রাসায়নিক পদার্থ, খাদ্য সামগ্রী প্রভৃতির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া। ২০১১-১২-কে ভিত্তি বর্ষ হিসেবে ধরে কেন্দ্রীয় শিল্প প্রসার ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য দপ্তরের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ২০২২-এর জানুয়ারি মাসের এবং ২০২১-এর নভেম্বর মাসের পাইকারি মূল্য সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। পাইকারি মূল্য সূচকের প্রাথমিক পরিসংখ্যান প্রতি দু-সপ্তাহ বাদে মাসের ১৪ তারিখ অথবা পরবর্তী কাজের দিন প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য একত্রিত করে ১০ সপ্তাহ পর চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়। মাসিক ভিত্তিতে পাইকারি মূল্য সূচক ২০২২-এর জানুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ০.৩৫ শতাংশ। দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রাথমিক খাদ্য সামগ্রীর মূল্য সূচক কমেছে। তবে, খনিজ পদার্থ, খাদ্য বহির্ভূত সামগ্রী প্রভৃতির সূচক জানুয়ারিতে বেড়েছে। একই ভাবে জ্বালানী ও শক্তি ক্ষেত্রে সূচক জানুয়ারিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ, খনিজ তেল প্রভৃতির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সূচক বেড়েছে। তবে, কয়লার সূচক অপরিবর্তিত রয়েছে। উৎপাদিত সামগ্রীর সূচক গত জানুয়ারী মাসে ০.৫১ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন ধাতব পদার্থ, মোটর গাড়ি, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য উপকরণ, বস্ত্র, রসায়ন ও রাসায়নিক সামগ্রী প্রভৃতির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সূচক বেড়েছে। তবে, তামাকজাত সামগ্রী, ফার্মাকিউটিক্যাল ও বোটানিক্যাল সামগ্রীর মূল্য কমেছে। দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১১-১২-কে ১০০ হিসেবে ভিত্তি করে গত নভেম্বর মাসে পাইকারি মূল্য সূচক এবং মুদ্রাস্ফীতির চূড়ান্ত হার দাঁড়িয়েছে ১৪৩.৭ এবং ১৪.৮৭ শতাংশ। CG/BD/AS/ (Visitor Counter : 235
pib-679
66d433e33a73dd2287ca3f367e8cd6f3dc82638570382ed9ed11f32989e5a3d6
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক ডাঃ ভারতী প্রবীণ পাওয়ার ডায়ারিয়া নিয়ন্ত্রণ পক্ষ-২০২২ এর সূচনা করেছেন, যার উদ্দেশ্য শৈশবকালীন ডায়ারিয়ার কারণে শিশুমৃত্যুর হার শূন্যে নামানো নতুন দিল্লি, ১৩ জুন, ২০২২ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ ভারতী প্রবীণ পাওয়ার আজ মণিপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সপম রঞ্জন সিং এর উপস্থিতিতে ডায়ারিয়া নিয়ন্ত্রণ পক্ষ- ২০২২ এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছেন। এই ধরনের কর্মসূচি ১৩ জুন থেকে ২৭ জুন, ২০২২ পর্যন্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিতে রূপায়নের কাজ চলছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে শৈশবকালীন ডায়ারিয়ার কারণে শিশুমৃত্যুর হার শূন্যে নামানো। অনুষ্ঠানের সূচনায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগে এস আর এস-২০১৯-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে দেশে শিশু মৃত্যুর হার ২০১৪ সাল থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই মৃত্যুর হার ২০১৪ সালে এক হাজার শিশুর মধ্যে ৪৫ জন থেকে কমে ২০১৯ সালে ৩৫-এ নেমে এসেছে। তথাপি আজও ডায়ারিয়া জনিত কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যু প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।" ডাঃ পাওয়ার গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, " ডিহাইড্রেশন শিশুদের মধ্যে ডায়ারিয়ার সব চেয়ে বড় কারন এবং অন্যান্য কারণ গুলির মধ্যে রয়েছে স্তন্যপান কালে মায়ের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য শিশুর খাদ্যের পরিবর্তন। আবার শিশুর স্তন্যপানের সময় মায়ের প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার অথবা যেকোনো ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী জনিত সংক্রমণ।" রোগ প্রতিরোধ এবং প্রশমনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ডাঃ পাওয়ার বলেন, " মন্ত্রকের দ্বারা পরিচালিত সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুসারে ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত পাঁচ বছরের কম বয়সী ৬০.৬ শতাংশ শিশুকে ওআরএস দেওয়া হয়েছিল এবং মাত্র ৩০.৫ শতাংশ শিশু কে জিঙ্ক দেওয়া হয়েছিল। ডায়ারিয়াজনিত কারণে শিশুমৃত্যুর হার ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সচেতনতা মূলক প্রচার অভিযানের প্রতি তিনি গুরুত্বারোপ করেন। কেন্দ্রীয় সরকার ডায়ারিয়াজনিত কারণে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ২০১৪ সাল থেকে নিবিড় ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ পক্ষের আয়োজন করে চলেছে। এই পক্ষ বিশেষ করে গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালে আয়োজন করা হয়। যাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এজন্য জনসচেতনতায় তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। CG/ SB (Visitor Counter : 109
pib-680
0f57f19fca6566b8dd1552332a85dddffabb581b4cbb787392ddbdd5bc24011f_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর আসামে ভূমিকম্পের পর মুখ্যমন্ত্রীকে সম্ভাব্য সব রকমের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর নতুনদিল্লি, ২৮শে এপ্রিল, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের কোন কোন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হবার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে কথা বলেছেন। এক ট্যুইট বার্তায় শ্রী মোদী বলেছেন, “ আসামের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী@sarbanandsonwal জির সঙ্গে রাজ্যের কোন কোন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হবার বিষয়ে কথা হয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষে সম্ভাব্য সব রকমের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। আসামের জনসাধারণের মঙ্গল কামনা করি।“ SDG/CB/ (
pib-687
7e19d978bc3a76dcc2be21fb35a36bda9c2b784148733a5843dd6fb52adc201a
ben
মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী এনইইটি এবং জেইই মেনস ও অ্যাডভান্স-এর পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করেছেন নয়াদিল্লী, ৪ জুলাই, ২০২০ কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক শক্রবার অনলাইনের মাধ্যমে এনইইটি এবং জেইই মেনস ও অ্যাডভান্স-এর পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করেছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এবং কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের পরামর্শক্রমে উচ্চ মানের শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা এখন জেইই এবং এনইইটি পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, জেইই মেন পরীক্ষা চলতি বছরের পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনু্ষ্ঠিত হবে। জেইই অ্যাডভান্স-এর পরীক্ষা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন এনইইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ই সেপ্টেম্বর। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শ্রী পোখরিয়াল বলেছেন এই মহামারীর সময় শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা এবং শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কল্যাণ সুনিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালন করার সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রদত্ত নির্দেশিকাগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। মহামারী থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে সামাজিক দূরত্ববিধি অনুসরণ করা হবে। অন্যান্য সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান। শ্রী পোখরিয়াল সমস্ত ছাত্রছাত্রীকে তাদের মন থেকে সব রকমের চাপ দূরে সরিয়ে রেখে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। জাতীয় পরীক্ষা মূলক সংস্থা সকল পরীক্ষার্থীর জন্য একটি পরীক্ষামূলক অ্যাপ তৈরি করেছে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সকল শিক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষার জন্য শুভেচ্ছা জানান। এনইইটি পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://static.pib.gov.in/WriteReadData/userfiles/Notice_20200703_NEET%20v1.pdf জেইই পরীক্ষার জন্য বিস্তারিতভাব জানতে ক্লিক করুন- https://static.pib.gov.in/WriteReadData/userfiles/Notice_20200703_JEE%20v1.pdf (CG/SS/NS
pib-690
888594504f79aeb220b0f653c5d7f7acebd8fdc2f1337606bec5d8b11d148588
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের ওপর ধন্যবাদ সূচক প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নয়াদিল্লি, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের ওপর ধন্যবাদ সূচক প্রস্তাবে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি উচ্চকক্ষের সদস্যদের বিতর্কে অংশ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির অভিভাষণে বিশ্বের এই সঙ্কটের সময় আশা ও আস্থা সঞ্চারিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, ভারত আজ সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, সারা বিশ্বের নজর এখন ভারতের দিকে। আমাদের গ্রহকে আরও সুন্দর করে তোলার ব্যাপারে সারা বিশ্বের ভারতের ভূমিকার প্রতি আশা এবং আস্থা রয়েছে। দেশ স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে প্রবেশ করেছে। ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপনের সময় আমাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য এখন আমাদের এই উৎসবকে উৎসাহ ও পুনঃউৎসর্গীকরণের উৎসব হিসাবে পালন করতে হবে। শ্রী মোদী বলেছেন, কোভিড মহামারী যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করার সাফল্য কোনও একটি দল বা ব্যক্তি-বিশেষের নয়, এই সাফল্য সারা দেশের। আর একে তাই আমাদের উদযাপন করতে হবে। পোলিও এবং গুটিবসন্তের মতো অসুখের সম্ভাবনা ছিল ভারত সেই দিনগুলি অতিক্রম করে এসেছে। কেউ-ই জানতেন না যে ভারত কবে টিকা পাবে এবং কতজন সেই টিকা পাবেন। সেই সময় পেরিয়ে আজকের এই সময়ে আমাদের দেশ সারা বিশ্বের জন্য টিকা তৈরি করছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম টিকাকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত করছে। এর ফলে, আমাদের নিজের প্রতি আস্থা বেড়েছে। কোভিড-১৯ সময়কালে আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নতুন শক্তি সঞ্চারিত হয়েছে এবং সহযোগিতামূলক মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতি সমালোচনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেছেন, ভারতের গণতন্ত্র কোনও পশ্চিমী প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মানুষের প্রতিষ্ঠান। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ওপর সবদিক থেকে আক্রমণ হচ্ছে, সে ব্যাপারে দেশবাসীকে যে সতর্ক থাকতে হবে – তা বলাই বাহুল্য। নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভারতীয় জাতীয়তাবাদ সংকীর্ণ নয়, আত্মকেন্দ্রিক নয়, আগ্রাসীও নয়। সত্যম শিবম সুন্দরম – নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। “ভারত শুধুমাত্র বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই নয়, ভারত হ’ল গণতন্ত্রের জননী। আর এটিই আমাদের মূল নীতি। আমাদের দেশের ভাবধারাই হ’ল গণতান্ত্রিক”। শ্রী মোদী বলেছেন, যখন করোনার সময়কালে বিভিন্ন দেশ বিদেশি বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভারতে সেই সময়ে রেকর্ড বিনিয়োগ হয়েছে। বিদেশি মুদ্রা সঞ্চয়, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা, ডিজিটাল ও আর্থিক সমন্বয়, শৌচাগার নির্মাণ, স্বল্প মূল্যের আবাসন, রান্নার গ্যাসের ব্যবহার এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক সঙ্কট রয়েছে। আর আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা এই সঙ্কটের মধ্যে থাকবো - নাকি সেগুলির সমাধান করবো। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে সরকার কৃষকদের ক্ষমতায়নের জন্য কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংস্কারসাধন করেছে। শস্য বিমা প্রকল্পকে আরও বেশি কৃষক-বান্ধব করে তোলা হয়েছে। পিএম-কিষাণ প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। সরকার ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য কাজ করছে। পিএমএফবিওয়াই – এর আওতায় কৃষকরা ৯০ হাজার কোটি টাকার বিমা পেয়েছেন। কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, সয়েল হেলথ কার্ড এবং সম্মান নিধি থেকেও কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন। পিএম গ্রামীণ সড়ক যোজনায় রাস্তার মানোন্নয়ন হয়েছে। এর ফলে, কৃষকরা দূরবর্তী অঞ্চলে তাঁদের উৎপাদিত শস্য নিয়ে যেতে পারছেন। কিষাণ রেল ও কিষাণ উড়ান চালু হয়েছে। আজ ক্ষুদ্র চাষীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। দুগ্ধ শিল্পের সঙ্গে যদি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমবায় প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা যায়, তা হলে ক্ষুদ্র চাষীদের এই সুবিধা দেওয়া যাবে না কেন? কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং এইসব সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। কৃষকদের কল্যাণে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে এগিয়ে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এমএসপি আছে, এমএসপি ছিল, এমএসপি ভবিষ্যতেও থাকবে। দরিদ্রদের জন্য স্বল্প মূল্যে রেশন ব্যবস্থা জারি থাকবে, কৃষি বাজারগুলিকে আধুনিকীকরণ করা হবে”। কৃষক কল্যাণে আমাদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী দেশকে যারা অস্থির করার চেষ্টা চালাচ্ছে, সেই সব শক্তিকে সতর্ক করে দিয়েছেন। শিখদের অবদানে ভারত গর্বিত। দেশের জন্য শিখদের অনেক অবদান রয়েছে। গুরু সাহিবের বাণী ও আশীর্বাদ মূল্যবান। প্রধানমন্ত্রী শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে সেতুবন্ধের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। শ্রী মোদী যুবশক্তির গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, যুব সম্প্রদায়কে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। জাতীয় শিক্ষা নীতি দ্রুত গ্রহণ করার তিনি প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন ও বিকাশের ক্ষেত্রে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এই ক্ষেত্রের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার সম্ভাবনা প্রচুর। আর তাই করোনার সময়কালে সহায়ক প্যাকেজে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিসওয়াস – মন্ত্রের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেছেন, নকশাল প্রভাবিত এলাকা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেখানে এখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়নে আগামী দিনে পূর্বাঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
pib-692
fe6aedbd54f88d4a5fc2a31c428612c03879f6841a23dd1b32b165b7127d5fb6_3
ben
কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা ঝাড়সুগাদা বিমানবন্দরের নাম বদলে বীর সুরেন্দ্র সাই বিমানবন্দর করার ব্যাপারে সায় দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নয়াদিল্লি, ০১ নভেম্বর, ২০১৮ নতুন দিল্লিতে আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওড়িশার ঝাড়সুগাদা বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে বীর সুরেন্দ্র সাই বিমানবন্দর, ঝাড়সুগাদা করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওড়িশার বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন বীর সুরেন্দ্র সাই। তাঁর নামে ঝাড়সুগাদা বিমানবন্দরের নতুন নামকরণ হবার ফলে ওড়িশা সরকারের অনেকদিনের দাবি পূরণ হবে। স্হানীয় মানুষও বহুদিন ধরেই চাইছিলেন এই বীর সৈনিকের নামে বিমানবন্দরের নামকরণ হোক। এই নামকরণের ফলে ওড়িশার এই বীর সৈনিকের অবদানকে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হবে। CG/SSS/NS/… (Visitor Counter : 93
pib-697
ea7a9a6f576ad208bf265f037f8fea36d5e04540e05a8bfa60b59d03b3c9dc9d_3
ben
শ্রমওকর্মসংস্থানমন্ত্রক ডাটা সেন্টার থেকে কোন তথ্য ফাঁস হয়নি জানালো ইপিএফও নয়াদিল্লি, ০২ মে, ২০১৮ তথ্যের নিরাপত্তা এবং সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করার তাগিদে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’-এর মাধ্যমে সার্ভার এবং নিয়ন্ত্রণ পরিষেবা বন্ধ করে আগেভাগেই ব্যবস্হা নিয়েছে কর্মচারি ভবিষ্যনিধি সংস্হা বা ইপিএফও। সংরক্ষিত তথ্য যাতে ফাঁস না হয়ে যায় তার জন্য আগেভাগেই সবরকম ব্যবস্হা নিয়েছে এই সংস্হা। এই প্রেক্ষিতে এটি জানানো হয়েছে যে তথ্য বা সফটওয়্যারের ক্ষতি হতে পারে সাবধানবানী প্রচারিত করা রূটিন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই খবরটি কমন সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে কি কি পরিষেবা পাওয়া যেতে পারে সেই ভিত্তিক এবং এটি ইপিএফও সফটওয়্যার বা তথ্যকেন্দ্র সংক্রান্ত নয়। তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার কোন স্বীকৃত তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অতএব, এ সংক্রান্ত খবরে দুশ্চিতার কোন অবকাশ নেই। ইপিএফও ক্রমাগত এর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং এ বিষয়ে ভবিষ্যতেও সতর্ক থাকবে। SSS/NS/… (Visitor Counter : 81
pib-707
a3338d3dcacb5dd6095b42a6501d6a670981e3cafed08ec72e4057020eff5ae2_1
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর মহারাজা বীর বিক্রম মাণিক্য বাহাদুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ্য নতুন দিল্লি, ১৯ আগস্ট , ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাজা বীর বিক্রম মাণিক্য বাহাদুরকে তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এক এক্স পোস্ট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন; "মহারাজা বীর বিক্রম মাণিক্য বাহাদুরকে তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ করি। তাঁর দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণাস্বরূপ। কিংবদন্তী এই মানুষটি ত্রিপুরার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।" (AC/CB/AS
pib-708
c68b44db939e93f4522a7aeeec96d78c619fd5952cc1512a0d6f00cfd2e5f4fe
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ ১৭৭ কোটি ৭০ লক্ষ ছাড়িয়েছে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ লক্ষেরও বেশি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৮.৫৯ শতাংশ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৯১৫ দেশে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ৪৭২ সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার ১.১১ শতাংশ নয়াদিল্লি, ০১ মার্চ, ২০২২ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ টিকাকরণের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ২২ হাজার ৫১৩। আজ সকাল ৭টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৭৭ কোটি ৭০ লক্ষ ২৫ হাজার ৯১৪। মোট টিকাকরণের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ: | | স্বাস্থ্য কর্মী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ প্রিকশন ডোজ | | ১,০৪,০১,৬০৯ ৯৯,৬৭,৮৫৭ ৪১,৮১,৭৬৬ | | অগ্রভাগে থাকা করোনা-যোদ্ধা | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ প্রিকশন ডোজ | | ১,৮৪,০৯,৫৮৫ ১,৭৪,৪৩,৫১৪ ৬২,৩৭,০৬৮ | | ১৫-১৮ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ | | ৫,৪৮,৯১,৩৭০ ২,৭৯,৭৬,০৬২ | | ১৮-৪৪ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ | | ৫৫,১৮,৭১,১৪১ ৪৪,৪৭,২২,৯৪৩ | | ৪৫-৫৯ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ | | ২০,২২,৮২,৩৫৮ ১৮,০২,৬৪,৩৬৬ | | ৬০ বছরের বেশি বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ প্রিকশন ডোজ | | ১২,৬৪,১৯,৫২৪ ১১,২২,৮০,৪৩৪ ৯৬,৭৬,৩১৭ | | | | প্রিকশন ডোজ | | ২,০০,৯৫,১৫১ | | মোট | | | | ১,৭৭,৭০,২৫,৯১৪ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৮৬৪ জন। এর ফলে, মহামারী শুরুর সময় থেকে মোট আরোগ্যলাভের সংখ্যা ৪ কোটি ২৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৫০। জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৮.৫৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯১৫ জন। দেশে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৯২ হাজার ৪৭২ হয়েছে, যা মোট আক্রান্তের ০.২২ শতাংশ। দেশে একদিকে যেমন নমুনা পরীক্ষার পরিকাঠামো বেড়েছে, তেমনই দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ লক্ষ ১ হাজার ৬৪৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে, সামগ্রিকভাবে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৭৬ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮২ হাজার ৯৯৩। দেশে একদিকে যখন নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বেড়েছে, অন্যদিকে তখন সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার দাঁড়িয়েছে ১.১১ শতাংশ। একইভাবে, দৈনিক আক্রান্তের হার দাঁড়িয়েছে ০.৭৭ শতাংশ। CG/SS/SB (
pib-709
59677fad6b38fb78764de829bb8bfb1762e4dcc44469cd0bb0dcaeca2b4019c0
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক কোভিড-১৯ এ মৃত্যু : অসত্য ও প্রকৃত তথ্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক রাজ্যগুলিকে তাদের হাসপাতালে মৃত্যুর সংখ্যা নিরূপণে পরামর্শ দিয়ে এসেছে এবং যে কোনও আক্রান্তের ঘটনা বা মৃত্যুর বিষয়ে কোনও কারণে নজর এড়িয়ে গেলে তা রিপোর্ট করে রাখার জন্য বলা হয়েছে ভারতে আইসিএমআর - এর নীতি-নির্দেশিকা অনুসরণ করা হয়, এই নির্দেশিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা নথিভুক্ত করে রাখার জন্য ভারতে উপযুক্ত ব্যবস্থা রয়েছে নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই, ২০২১ সম্প্রতি এক শ্রেণীর সংবাদ মাধ্যমে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের তুলনায় কয়েক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই সংবাদ প্রতিবেদনগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলিতে বয়স-ভিত্তিক সংক্রমণের দরুণ মৃত্যুর হার নির্ণয়ে সম্প্রতি যে সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছে, তার ভিত্তিতে ভারতেও সেরো-পজিটিভিটি অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যায় অতিরিক্ত হিসাব করা হয়েছে। মৃত্যুর পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সমীক্ষা-নির্ভর প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ সবসময়ে সঠিক তথ্য দেয় না। অনেক ক্ষেত্রেই একটি দেশে অন্য কোনও সংক্রমণে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, সেই ঘটনাকেও নির্দিষ্ট একটি ভাইরাসের কারণে হয়েছে বলে মনে করা উচিৎ নয়। এ ধরনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একাধিক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ থাকে। বিভিন্ন ধর্ম/জাতির মানুষের ক্ষেত্রে রোগ-প্রতিরোধক ক্ষমতা এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার হার ভিন্ন ভিন্ন। তাই, ভারতেও মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি প্রযোজ্য। সেরো-পজিটিভিটি সম্পর্কিত সমীক্ষাগুলি কেবল সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করতে উপযুক্ত রণকৌশল ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যই কাজে লাগানো হয় না, সেই সঙ্গে অসুরক্ষিত ও দুর্বল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং সংক্রমণজনিত মৃত্যুর সংখ্যার আগাম হিসাবের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, কোভিডের কারণে মৃত্যুর সংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ না করার ব্যাপারে তথাকথিত যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং সম্পূর্ণ অসত্য। অধিক সংখ্যায় মৃত্যু এই শব্দবন্ধ দুটি সব ধরনের অসুস্থতার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা নিরূপণে ব্যবহার করা হয়। তাই, সমস্ত মৃত্যুর জন্যই কোভিড-১৯ দায়ী এরকম বিবেচনা করা অযাচিত। ভারতে আক্রান্তদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত কৌশল রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে উপসর্গবিশিষ্ট বা স্বল্প উপসর্গবিশিষ্ট ব্যক্তিদের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তবে, কোনও ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন, এটা তখনই জানা যায়, যখন আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দেশে নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০-রও বেশি। তাই, যে কোনও স্বেচ্ছায় নমুনা পরীক্ষা করাতে পারেন। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজন-সাপেক্ষে হাসপাতালে ভর্তি করা বা বাড়িতে থেকেই চিকিৎসার বন্দোবস্ত করায হয়। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংক্রামক ও অসুখ-বিসুখ এবং এ ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মোকাবিলা সম্পর্কিত নীতি অনুযায়ী ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা নথিভুক্তিকরণে উপযুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্তিকরণ অনেক সময় করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশে মৃত্যু হার ছিল ১.৪৫ শতাংশ। এরপর, চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ-এর সময় আক্রান্তের ঘটনা অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে মৃত্যু হার ১.৩৪ শতাংশ। দেশে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা নিরূপণ ও তা নথিভুক্তিকরণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। সংসদের চলতি বাদল অধিবেশনে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া এক বিবৃতি দিয়ে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা গোপন রাখা সম্পর্কিত যাবতীয় অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেছেন রাজ্য সরকারের পাঠানো তথ্য একত্রিত করেই কেন্দ্রীয় সরকার পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে। তিনি আরও জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনাই নথিভুক্তিকরণের জন্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একাধিকবার নির্দিষ্ট সময় অন্তর রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেলা-ভিত্তিক আক্রান্তের ঘটনা ও মৃত্যুর সংখ্যার ওপর দৈনিক নজরদারির জন্য এক উপযুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রক লাগাতার গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে তাদের হাসপাতালে মৃত্যু বা আক্রান্তের কোনও ঘটনা নথিভুক্ত করা না হয়ে থাকলে তা পুনরায় খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ-এর বাড়বাড়ন্তের সময় সমগ্র স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা নথিভুক্ত করা যায়। তবে, মহারাষ্ট্র, বিহার ও মধ্যপ্রদেশের মতো কয়েকটি রাজ্যে সম্প্রতি মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ না করার মতোও ঘটনা ঘটেছে। এই প্রেক্ষিতে রাজ্যগুলিকে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা এড়িয়ে না গিয়ে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। CG/BD/SB (Visitor Counter : 208
pib-711
77f94ee05f1dad11dacaadfb768477e4233052448b50d2bf9c01c5fade89eb67_1
ben
বিদ্যুৎমন্ত্রক কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী আমদানি করা কয়লা ভিত্তিক প্ল্যান্ট পরিচালনার বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন নতুন দিল্লি, ১৩ এপ্রিল, ২০২২ রাজ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থাগুলির কয়লা পরিবহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘ দূরত্বের সমস্যা এড়াতে কিছু বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ এবং নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রী শ্রী আর কে সিং জানিয়েছেন, এতে রাজ্যের বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থাগুলিকে নিকটবর্তী খনির কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহারে সাহায্য করবে । গতকাল তিনি আমদানি করা কয়লা ভিত্তিক প্ল্যান্ট পরিচালনার বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন। এই বৈঠকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থার প্রতিনিধি, রাজ্যের প্রধান সচিব এবং মন্ত্রকের অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিল । বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয় । বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমদানিকৃত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্ল্যান্টের কাজ খতিয়ে দেখেন । CG/SS/RAB (Visitor Counter : 87
pib-713
5d3a618046af80dd4ecdb6f6bc7f02b22e1572d32caa1cf09f3f8adadbb2e356
ben
মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের মধ্যে কোভিড -১৯ এর প্রভাবে মানসিক- সামাজিক উপলব্ধির মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্নাবলী তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের আওতাধীন ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট নতুন দিল্লি, ২ এপ্রিল, ২০২০ কোভিড -১৯ জেরে লকডাউন এর ফলে সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে মানসিক সামাজিক প্রভাব ও তার থেকে পরিত্রানের উপায় নিয়ে গবেষকদের একটি দল ও পরামর্শদাতাদের মতামত নিয়ে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট ৭টি বুকলেট তৈরি করেছে। এই বুকলেটে ইংরেজি ও হিন্দিতে সাতটি বিভাগে প্রশ্নাবলী তৈরি করা হয়েছে। পাঠকরা তাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা অন লাইনে https://nbtindia.gov.in/home__92__on-line-questionnaire-for-nbt-study.nbt. জানাতে পারবেন। (CG/SS
pib-714
b7ef3c5ffafcf35b592bd948fbf7901a691e6ef8d45639c1c9739620ecdc05fc_1
ben
মন্ত্রিসভারঅর্থনৈতিকবিষয়সংক্রান্তকমিটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি যানবাহনের জন্য জ্বালানি বাজারজাত করার নীতি-নির্দেশিকা পর্যালোচনা করেছে নয়াদিল্লি, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি যানবাহনের জন্য জ্বালানি বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়ার নীতি-নির্দেশিকা পর্যালোচনা করেছে। এর ফলে, পেট্রোল ও ডিজেল বাজারজাত করার নীতি-নির্দেশিকার ব্যাপক সংস্কার হবে। ২০০২ সাল থেকে বিগত ১৭ বছরে এই জ্বালানি বাজারজাত করার নীতি-নির্দেশিকার কোন পরিবর্তন ঘটানো হয়নি। বর্তমানে, বিদেশি সংস্থা সহ বেসরকারি সংস্থাগুলিকে এই ক্ষেত্রে আরও বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এবং বাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ‘সহজে ব্যবসা করার লক্ষ্যে’ নতুন এই নীতি অনেক স্বচ্ছ। এর ফলে, এই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ এবং অপ্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপভোক্তাদের ভালো পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে আরও বেশি করে খুচরো বিক্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই নীতির বৈশিষ্ট্যগুলি হল : · বেসরকারি সংস্থাগুলির ন্যূনতম বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে ২৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার কোটি টাকা। · তেল কোম্পানি নয়, এরকম সংস্থাগুলিও খুচরো ব্যবসার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে। তেল ও গ্যাসের অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, পাইপলাইন বসানোর ক্ষেত্রে এই সংস্থাগুলি অংশগ্রহণ করতে পারবে। · পেট্রোল ও ডিজেল খুচরো এবং পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে সংস্থাগুলি আলাদাভাবে বা একত্রিতভাবে আবেদন করতে পারবে। · সংস্থাগুলি যৌথ উদ্যোগে অথবা অনুসারী সংস্থার মাধ্যমে বিক্রয় কেন্দ্র গঠন করতে পারবে। · চিরাচরিত জ্বালানি ছাড়া সিএনজি, এলএনজি, জৈব জ্বালানি, বৈদ্যুতিক চার্জিং-এর মতো অন্যান্য জ্বালানি বিক্রয়ের ব্যবস্থা এইসব কেন্দ্রগুলিতে শুরু হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চালু করতে হবে। · উপভোক্তাদের আরও ভালো পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বিদেশি সংস্থা সহ আরও বেশি বেসরকারি সংস্থা এইসব বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিনিয়োগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। · খুচরো বিক্রয় কেন্দ্রগুলিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এইসব জ্বালানি বিক্রি করা হবে। গ্রাহকরা এখানে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। · এই সমস্ত খুচরো বিক্রয় কেন্দ্রে মহিলা এবং প্রাক্তন সেনাকর্মীদের কাজের সুযোগ দেওয়া হবে। · সমস্ত খুচরো বিক্রয় কেন্দ্রে সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করতে হবে। · বিক্রয় কেন্দ্র খোলার অনুমোদনের পাঁচ বছরের মধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অন্তত ৫ শতাংশ বিক্রয় কেন্দ্র খোলা বাধ্যতামূলক। সংস্থাগুলি এই নীতি-নির্দেশিকা মেনে চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি নজরদারি ব্যবস্থাও থাকছে। · একজন ব্যক্তি বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার ডিলারশিপ পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় কেন্দ্র খুলতে পারেন। CG/CB/DM (Visitor Counter : 43
pib-715
4238662c50e209d5b100db9858112a1a666e6e1998d8c108d424e8777482dea2_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নতুনদিল্লি, ২১শে জুলাই, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী, শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হবার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক ট্যুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হবার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানাই”। PG/CB (
pib-719
f11cbea7328ad948e94a5283ac46565f9442c4c005e9968783916afcbb54c7cd_1
ben
কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা ইন্সটিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অফ ইন্ডিয়া ও নেদারল্যান্সের ভ্যারেনিগিং ফন রেজিস্ট্রারকনট্রোলার্স -এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা পত্রে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন নয়াদিল্লী, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইন্সটিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অফ ইন্ডিয়া ও নেদারল্যান্ডসের ভ্যারেনিগিং ফন রেজিস্ট্রারকনট্রোলার্স -এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা পত্রটিকে অনুমোদন করা হয়েছে। এই সমঝোতা পত্রের ফলে অ্যাকাউন্টিং, আর্থিক ও অডিট সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানে ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে উন্নত একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠতে সাহায্য হবে। কৌশল ও উদ্দেশ্য ১) আইসিএআই এবং ভিআরসি বিভিন্ন সম্মেলন ও আলোচনাচক্র যৌথভাবে নেদারল্যান্ডসে আয়োজন করবে। ২) পরিচালন ক্ষেত্রের সদস্য, পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নৈতিক দিক, গবেষণা ও পেশাদারি শিক্ষা, পেশাদার অ্যাকাউন্টেন্সি, এই পেশায় যুক্ত সংস্থাগুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে। ৩) নেদারল্যান্ডসে অ্যাকাউন্টিং, তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক বিষয় ও অডিটের ওপর স্বল্প মেয়াদী পাঠক্রমের ব্যবস্থা করা হবে। ৪) ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উভয় দেশে পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ৫) ভারত ও নেদারল্যান্ডসে অ্যাকাউন্টেন্সি পেশার সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁদের বিভিন্ন তথ্যের প্রয়োজন অনুসারে আদান-প্রদান করা হবে। সুবিধা এই সমঝোতার ফলে দুটি দেশের প্রধান এই দুটি প্রতিষ্ঠান ভারতীয় চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে এবং এইসব পেশাদাররা ভারতে বিদেশী মুদ্রার আয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করবেন। প্রভাব আইসিএআই-এর ইউরোপে ১৫০০ সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ৮০ জন নেদারল্যান্ডসের। ভিআরসি-র সঙ্গে এই সমঝোতাপত্রের ফলে আইসিএআই-এর সদস্যদের মাধ্যমে নেদারল্যান্ডস উপকৃত হবে। এবং আইসিএআই-এর সদস্যরা নেদারল্যান্ডসে কাজের সুবিধা পাবেন। প্রেক্ষাপট ১৯৪৯ সালের চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অনুসারে আইসিএআই একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। ভারতে চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের পেশাগত ক্ষেত্রে এই সংস্থা নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করে। ভিআরসি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অ্যাকাউন্টিং, আর্থিক বিভিন্ন ক্ষেত্রের অ্যাকাউন্টিং, সুসংহত প্রতিবেদন তৈরি ও কর্পোরেট ক্ষেত্রে পরিচালনার জন্য এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা বিভিন্ন পরিষেবা পেয়ে থাকেন।
pib-723
3e1780bd6b0973e88bed678dc82d702b40187c9ab96ad52f2613d49bdd2ff964_2
ben
উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরউন্নয়নসংক্রান্তমন্ত্রক নর্থ-ইস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট ফিনান্স কর্পোরেশন লিমিটেড মাইক্রো ফিনান্স কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার মহিলার পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি, ০৫ মার্চ, ২০২০ যদিও মিনিস্ট্রি অফ ডেভেলপমেন্ট অফ নর্থ ইস্টার্ন রিজিয়ন -এর কর্মসূচিগুলি সাধারণত লিঙ্গ নিরপেক্ষ এবং এই কর্মসূচিগুলির লক্ষ্য উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে পরিকাঠামোর উন্নয়নে ঘাটতি পূরণ করা। একটি জীবিকা নির্বাহ কর্মসূচি আছে, যার নাম ‘নর্থ-ইস্টার্ন রিজিয়ন কম্যুনিটি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট প্রোজেক্ট বা ’ যার মাধ্যমে মহিলারা উপকৃত হয়েছেন। অন্য যে জীবিকা নির্বাহ কর্মসূচি যেমন – নর্থ-ইস্ট রুরাল লাইভলিহুডস্ প্রোজেক্ট মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর। একইভাবে, মন্ত্রকের অধীন দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, যেমন – নর্থ-ইস্টার্ন রিজিওনাল এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কর্পোরেশন এবং নর্থ-ইস্টার্ন হ্যান্ডিক্র্যাফট্ অ্যান্ড হ্যান্ডলুম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন কয়েকজন মহিলা উদ্যোগপতিকে সুবিধা দিয়েছে। এছাড়াও, কেন অ্যান্ড ব্যাম্বু টেকনোলজি সেন্টার এবং নর্থ-ইস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট ফিনান্স কর্পোরেশন এই অঞ্চলের মহিলাদের উপকার করেছে। এনইআরসিওআরএমপি একটি জীবিকা নির্বাহ প্রকল্প, যা রূপায়িত হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, অসম, মণিপুর, মেঘালয় – এই চারটি রাজ্যে। নর্থ-ইস্টার্ন রিজিয়ন কম্যুনিটি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি – এর অধীনে। এনএআরএফজি-গুলি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ গঠনের কৌশল ছিল যাতে পুরুষ ও মহিলাদের অংশগ্রহণ সমানুপাতিক হয়। মহিলা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির বৃদ্ধির ফলে মহিলাদের ক্ষমতায়ন জোরালো হয়েছে। বাড়ি কিংবা সামাজিক সুস্বাস্থ্যের জন্য পুরুষদের পাশাপাশি, মহিলাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিশ্রুত পানীয় জল এবং কম খরচে শৌচ ব্যবস্থার ফলে মহিলাদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সম্ভ্রমের উন্নতি হয়েছে। শৌচাগার, স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং পানীয় জল সরবরাহের ফলে মহিলা ও বালিকারা অত্যন্ত উপকৃত হয়েছেন। কারণ, জল আনার দায়িত্ব ছিল তাঁদের ওপরই। ঢাকা শৌচাগারের অভাবে তাঁদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হ’ত। ১৫টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং এনএআরএফজি, পোল্ট্রি, হস্তচালিত তাঁত, চা চাষ, মৎস্যচাষ, পানীয় জলের সুবিধা, অ্যালকহল ও আফিমে নিষেধাজ্ঞা, শুকর চাষ এবং ফুল চাষ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কিছু কাজ করেছে। ডোনার মন্ত্রক বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তায় এনইআরএলপি রূপায়ণ করছে মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম ও ত্রিপুরায়। পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্পের খরচ ৬৮৩ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি, বিশেষ করে মহিলা, বেকার যুবা এবং পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য। ২০১৯ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। তৈরি হয়েছে ২৮ হাজার ১৫৪টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। ২ লক্ষ ৯২ হাজার ৮৮১ জন মহিলা উপকৃত হয়েছেন। এনইসি-র দেওয়া টাকায় এনইআরএএমএসি-র সুসংহত রপ্তানি উন্নয়ন প্রকল্পে অসম ও মিজোরামের ৩৫ জন মহিলা সহায়তা পেয়েছেন। এই প্রকল্পে রপ্তানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে গুয়াহাটি, অসম এবং মিজোরামের আইজলে। এনইএইচএইচডিসি গঠিত হয় ১৯৭৭ সালের মার্চ মাসে। এর লক্ষ্য ছিল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হস্তশিল্প ও হস্তচালিত তাঁতের প্রসার। দীর্ঘদিন ধরে ডোনার মন্ত্রক এনইএইচএইচডিসি-কে সাহায্য দিচ্ছে, যাতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মহিলা হস্তশিল্পী ও বুনন শিল্পীরা উপকৃত হন। সিবিটিসি গঠিত হয়েছিল, যাতে কাঁচা মাল হিসাবে বেত ও বাঁশের ক্ষুদ্র ও ছোট ও সংস্থা গড়ে কৃষক, শিল্পী ও উদ্যোগপতিরা স্বনির্ভর হতে পারেন। গঠিত হওয়ার পরই সিবিটিসি সবকটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের গ্রামগুলিতে পৌঁছে গেছে। সিবিটিসি আয়োজিত দক্ষতা ও সচেতনতা কর্মসূচিতে মহিলারাও অংশ নিয়েছেন এবং উৎসাহিত হয়েছেন সংস্থা গঠন করার জন্য। তাঁরা যাতে তাঁদের তৈরি পণ্য বাজারজাত করতে পারেন, বা বিপণন করতে পারেন দেশে-বিদেশে তার জন্য সহায়তা দিয়েছে সিবিটিসি। নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নর্থ-ইস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট ফিনান্স কর্পোরেশন একটি উদ্যোগ, যেখানে ছোট কৃষক সহ ক্ষুদ্র ও ছোট ঋণ গ্রহীতাদের সহায়তা করা হয়। আর্থিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণই এর উদ্দেশ্য। তৃণমূল স্তরে ছোট ছোট ঋণ গ্রহীতা, যাঁরা এই অঞ্চলে এযাবৎ বঞ্চিত ছিলেন, তাঁদের সহায়তার জন্য মাইক্রো ফিনান্স স্কিম চালু হয়। এছাড়াও, মাইক্রো ফিনান্স ইন্সটিটিউশন হিসাবে গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সংস্থাগুলিকে। মাইক্রো ফিনান্সের মাধ্যমে অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া এলাকায় দুর্বলতর শ্রেণী উপকৃত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ শতাংশই মহিলা। অনেকেই আয় বৃদ্ধি করে দারিদ্র্য সীমার ওপরে উঠতে পেরেছেন। এনইডিএফআই আরও কিছু বিষয়ে কর্মসূচি নিয়েছে, যাতে শিল্পীরা বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। ২০২০’র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন ১০ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই মহিলা। দেশে-বিদেশে পণ্য বিপণনের জন্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণে সাহায্য করে থাকে এনইডিএফআই। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ৫ হাজার ৭৩৭ জন শিল্পী প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই মহিলা SDG/AP/SB (Visitor Counter : 88
pib-725
ec52eb95f9ce32268aaca90ede978527ba03f8d77be1fb6f4ae6c89fff0db30f
ben
তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমগুলিকে পরামর্শ নয়াদিল্লি, ২২ এপ্রিল, ২০২০ দেশের বিভিন্ন অংশে কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতিতে এসংক্রান্ত খবরাখবর ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত গণমাধ্যমের কর্মীদের সুরক্ষার জন্য সমস্ত মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমকে নির্দেশিকা জারি করেছে। মন্ত্রকের পরামর্শে বলা হয়েছে - সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যান ও আলোকচিত্রী সহ সংবাদ মাধ্যমের যে সমস্ত কর্মী দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত খবরাখবর ও তথ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত রয়েছেন এবং এ ধরনের কাজের জন্য যাদের হটস্পট অথবা কোভিড আক্রান্ত এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের কর্তব্য পালনের সময় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে । মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সমস্ত মিডিয়া হাউস কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যান সহ কার্যালয়ের কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। মন্ত্রকের সম্পূর্ণ নির্দেশিকা ওয়েবসাইটের নিম্নলিখিত লিঙ্কে দেওয়া রয়েছে – https://mib.gov.in/sites/default/files/Advisory%20to%20Print%20and%20Electronic%20Media.pdf (CG/BD/SB
pib-726
2d0354c2cd14678bb861320929dc81d6548a08cdd6911bfc5279cd62f1ac035b_1
ben
শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে পেট্রোলিয়াম ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংগঠন কে আইএসও ট্যাঙ্কের মাধ্যমে তরলীকৃত অক্সিজেন দেশের অভ্যন্তরে পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লী, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে দ্রুত যথেষ্ট পরিমানে অক্সিজেন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আইএসও কন্টেনারের সাহায্যে তরলীকৃত অক্সিজেন পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের শিল্পোৎসাহ ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য দপ্তর পেট্রোলিয়াম ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংগঠন কে দেশের অভ্যন্তরে তরলীকৃত অক্সিজেন আইএসও কন্টেনারের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। সড়ক পথে নিরাপদে দ্রুত আইএসও কন্টেনারের মাধ্যমে অক্সিজেন নিয়ে যাওয়া যাবে। ক্রায়োজেনিক অক্সিজেন উৎপাদকদের সঙ্গে বৈঠকের পর সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়। আইএসও ট্যাঙ্ক আন্তর্জাতিক গুণমান বজায় রেখে তৈরি হয়। স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি এই ট্যাঙ্কগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত আস্তরণ থাকে। এর সাহায্যে ২০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় সহজে নিয়ে যাওয়া যায়। CG/CB/NS (Visitor Counter : 140
pib-735
6f57bf68c1c1e11bf439aebc39de91a45604b81ce95841f3bcad90f4d7b3bd9a
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক ভারতে দৈনিক আক্রান্তের ৬১ শতাংশই কেরল, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশ থেকে নয়াদিল্লি, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৪৪ হাজার ৪৮৯ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশ বা ৬০.৭২ শতাংশ আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। এগুলি হ’ল - কেরল, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশ। কেরল থেকে সর্বাধিক ৬ হাজার ৪৯১ জন গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ১৫৯। দিল্লি থেকে আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ২৪৬টি। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে ৫২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬০.৫০ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে ৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। এগুলি হ’ল – দিল্লি, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সর্বাধিক সংখ্যায় আক্রান্ত ও দৈনিক-ভিত্তিতে মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে প্রথম ৬টি রাজ্যের মধ্যে রয়েছে। দিল্লি থেকেই গত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে সর্বাধিক ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মহারাষ্ট্র থেকে মারা গেছেন ৬৫ জন এবং পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৫১ জনের। বর্তমানে ভারতে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৪৪, যা মোট আক্রান্তের কেবল ৪.৮৮ শতাংশ। সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তদের ৬৫ শতাংশই ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখেও এই ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে মোট মৃত্যুর ৬১ শতাংশই ঘটেছে ঐ ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। জাতীয় স্তরে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৭১৫। এমনকি, জাতীয় স্তরে করোনাজনিত কারণে গড় মৃত্যু হার ১.৪৬ শতাংশ। ভারতে সুস্থতার সংখ্যা আরও বেড়ে হয়েছে ৮৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ১৩৮। জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে আজ ৯৩.৬৬ শতাংশ। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৬ হাজার ৩৬৭ জন সুস্থ হয়েছেন। ১৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে, ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় কম।
pib-738
4296c073a77c607a03b83797373ce14b844fc699fa923000af095d9f40097b4e_2
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক কোভিড -১৯ টিকার প্রাপ্যতার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ১৫৩ কোটি ৬১ লক্ষেরও বেশি টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে ১৯ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি অব্যবহৃত টিকার ডোজ রয়েছে নয়াদিল্লি, ৫ জানুয়ারি, ২০২২ দেশ জুড়ে দ্রুত কোভিড-১৯ টিকাকরণ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিনামূল্যে কোভিড টিকা সরবরাহ করছে। কারণ কেন্দ্র কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকাকরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছে। সর্বজনীন টিকাকরণের নতুন পর্যায় ২১শে জুন থেকে শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আরো বেশি পরিমাণে টিকা সরবরাহ করার জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে যাতে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় থাকে। বিভিন্ন টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা যে টিকা উৎপাদন করছে প্রতি মাসে তার ৭৫ শতাংশ কেন্দ্র সংগ্রহ করছে। এই টিকা আগের মতোই রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্র এ পর্যন্ত ১৫৩ কোটি ৬১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬০৫টি টিকার ডোজ বিনামূল্যে ও সরাসরি সংগ্রহ করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে দিয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে এখনও ১৯ কোটি ১০ লক্ষ ৮ হাজার ৯৬টি টিকার ডোজ হাতে রয়েছে। CG/BD/DM/ (Visitor Counter : 116
pib-740
a727f80f8f2ee8f7ab81bdd50005fba6e720f409a8713153892ad57ab3ae50f9_3
ben
সারওরসায়নমন্ত্রক ডঃ মনসুখ মান্ডভিয়া “ফার্মাসিউটিক্যালস ও মেডিকেল সরঞ্জাম ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা এবং অংশীদারিত্ব” শীর্ষক বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সম্মেলনের উদ্বোধন ও ভাষণ দিয়েছেন নতুন দিল্লি, ২৭ অক্টোবর, ২০২১ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবারকল্যাণ এবং সার ও রসায়ন মন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে “ফার্মাসিউটিক্যালস ও মেডিকেল সরঞ্জাম ক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধা এবং অংশীদারিত্ব” শীর্ষক বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সম্মেলনের উদ্বোধন ও ভাষণ দিয়েছেন। ফার্মাসিউটিক্যালস ও মেডিকেল সরঞ্জাম ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তোলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ইনভেস্ট ইন্ডিয়া’র সঙ্গে অংশীদারিত্বে কেন্দ্রের ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগ এই সম্মেলনের আয়োজন করে। ডঃ মান্ডভিয়া সম্মেলনের ভাষণে জানান যে, এখন বিশ্ব ভারতকে ওষুধ প্রস্তুতকারক হিসেবে চিনেছে। জেনেরিক ওষুধের বৃহত্তম প্রস্তুতকারক এবং সরবরাহকারী কেন্দ্র হিসেবে ভারত উঠে এসেছে। কোভিডের সময় দেড়শোটিরও বেশি দেশে ভারত ওষুধ সরবরাহ করেছে বলেও তিনি জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এর থেকেই প্রমাণ হয় যে, ওষুধ শিল্প ভারতে শুধু একটি ব্যবসা নয়, এর সঙ্গে আবেগ – অনুভূতিও জড়িয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত সর্বদা ‘বসু ধৈব কুটুম্বকম’ এই দর্শনে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের ভারতে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতে তাদের যথাযথ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী দক্ষ নেতৃত্বে ভারত ওষুধ প্রস্তুত ক্ষেত্রে বিশ্বের সেরা বিনিয়োগর গন্তব্য হয়ে উঠেছে। এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পেয়েছে পয়েছে বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি ভারত থেকে ওষুধ রপ্তানির পরিমাণ গত এক বছরে ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওষুধ শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন নীতি, প্রকল্প উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে ডঃ মান্ডভিয়া জানান, ওষুধ শিল্প ক্ষেত্রের জন্য উৎপাদন সংযুক্ত উৎসাহ ভাতা প্রকল্পকে যুক্ত করা হয়েছে। এতে এই শিল্পকে আরও বেশি উৎসাহ যোগাবে। তিনি আরও জানান, আগামী দিনে ভারত ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য একটি বৃহৎ বাজার হয়ে উঠবে। আয়ুষ্মান ভারত – পিএমজেএওয়াই –এর আওয়াত ১০ কোটি পরিবার উপকৃত হবেন বলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান। এদিনের সম্মেলনে ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগের সচিব ওষুধ শিল্প ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য অর্জনে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগ এবং ইনভেস্ট ইন্ডিয়ার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। CG/SS/SKD/ (Visitor Counter : 133
pib-742
7260ee52e7d01d9f1f79f67c0f5f2fb19ec8944fb482cd6ee123ae5a0d0c5e25
ben
কৃষিমন্ত্রক সয়েল হেল্থ কার্ড প্রকল্পের ৫ বছর নয়াদিল্লী, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দেশের প্রতিটি কৃষকের জমির স্বাস্হ্য পরীক্ষা করার জন্য ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারত সয়েল হেল্থ কার্ড প্রকল্পের সূচনা করে। এই সয়েল হেল্থ কার্ড প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল মাটির পুষ্টি অনুযায়ী সার ব্যবহার নির্ধারণ ও প্রতি দু-বছর অন্তর চাষিদের সয়েল হেল্থ কার্ড প্রদান করা। জমির গুণমান বিচার করতে মাটির পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। এরফলে সঠিক সার ব্যবহার করে চাষিদের চাষের খরচ কমেছে। এতে চাষিদের আয় বৃদ্ধি যেমন সুনিশ্চিত হয়েছে, তেমনই সুস্হায়ী চাষের ক্ষেত্রেও উৎসাহ পেয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৫ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজস্হানের সুরতগড়ে সয়েল হেল্থ কার্ড প্রকল্পের সূচনা করেন। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় দেশের সমস্ত চাষিকে সয়েল হেল্থ কার্ড প্রদান করতেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সয়েল হেল্থ কার্ডের মাধ্যমে চাষিদের মাটির উর্বরতা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়, যাতে চাষিরা জমিতে সঠিক পরিমাণ সার প্রয়োগ করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে পারেন। সয়েল হেল্থ কার্ড প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ | | বছর | | অর্থ বরাদ্দ | | ২০১৪-১৫ | | ২৩.৮৯ | | ২০১৫-১৬ | | ৯৬.৪৭ | | ২০১৬-১৭ | | ১৩৩.৬৬ | | ২০১৭-১৮ | | ১৫২.৭৬ | | ২০১৮-১৯ | | ২৩৭.৪০ | | ২০১৯-২০ | | ১০৭.২৪ | | মোট | | ৭৫১.৪২ ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি ৭৪ লক্ষ এবং ২০১৭-১৯ দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১ কোটি ৬৯ লক্ষ সয়েল হেল্থ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে চাষিদের। মাটি পরীক্ষাগার স্হাপন এ পর্যন্ত ৪২৯টি স্হায়ী মাটি পরীক্ষাগার, ১০২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার এবং ৮ হাজার ৭৫২টি ক্ষুদ্র পরীক্ষাগার গড়ে তোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৫৬২টি গ্রামীণ স্তরে মাটি পরীক্ষা সুবিধা কেন্দ্র অনুমোদিত হয়েছে এবং ৮০০টি মাটি পরীক্ষাগারের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাটি পরীক্ষাগারগুলিতে নমুনা পরীক্ষার ক্ষমতা বার্ষিক ১ কোটি ৭৮ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ করা হয়েছে। সয়েল হেল্থ কার্ডের মাধ্যমে বছরে ছয় ফসলীর ক্ষেত্রে জৈব সারের প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চাষিরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ফসল ফলানোর বিষয়ে পরামর্শ পেতে পারেন এর থেকে। একইসঙ্গে সয়েল হেল্থ কার্ড পোর্টাল থেকে তাঁরা কার্ড প্রিন্ট করে নিতে পারেন। সয়েল হেল্থ কার্ড পোর্টালটিতে চাষিদের সুবিধার্থে ২১টি ভাষায় কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য রয়েছে। হাতে কলমে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং চাষি মেলার আয়োজন এই প্রকল্পের আওতায় সয়েল হেল্থ কার্ডের বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য এ পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৫০ হাজার হাতে কলমে শিক্ষণ কর্মসূচি, ৮ হাজার ৮৯৮টি চাষি প্রশিক্ষণ, ৭ হাজার ৪২৫টি চাষি মেলার আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ‘ডেভেলপমেন্ট অফ মডেল ভিলেজ’ কর্মসূচিকে একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক চাষির জমি থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে যাতে চাষিরা জমির উর্বরতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে পারেন। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে একটি অঞ্চলের চাষযোগ্য জমির পরিবর্তে ব্যক্তিগত জোত থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই কাজে সামিল করা হয়েছে চাষিদেরও। এ পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৬ হাজার ৯৫৪টি গ্রাম থেকে ২০ লক্ষ ১৮ হাজার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৪ লক্ষ ৬৫ হাজার নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং ১৩ লক্ষ ৫৪ হাজার কার্ড চাষিদের বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৬ হাজার ৯৫১টি কৃষি মেলা অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়াও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৯৬৮টি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণশালার আয়োজন করা হয়েছে। চাষিদের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কৃষি সমবায় এবং কৃষি কল্যাণ দপ্তর একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রযুক্তির পাশাপাশি সঠিক সারের ব্যবহার এবং ভারতীয় কৃষি গবেষনা পর্ষদের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মকান্ড বৃদ্ধি করা হয়েছে। চাষিরা যাতে সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র এবং কৃষি কর্ণার থেকে মাটির নমুনা, প্রিন্ট হেল্থ কার্ড সহ বিভিন্ন বিষয় তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন এবং ‘সুস্হ পৃথিবী সবুজ ক্ষেত’এর মন্ত্র পূর্ণ করতে পারেন তারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। CG/SS /NS (Visitor Counter : 379
pib-743
a28bee6595595ec78f0ba4e750a6cbac16fa9caf6dda61fa262abf6e65213b4f_2
ben
ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রওমাঝারিশিল্পমন্ত্রক আধা সমারিক বাহিনীর উর্দি তৈরিতে খাদির ব্যবহার নয়াদিল্লি, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ দেশের সমস্ত আধা সামরিক বাহিনীর মহা নির্দেশকদের উর্দি তৈরিতে খাদির ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলেছেন। এরফলে খাদি ও গ্রামোদ্যোগ শিল্পের উৎপাদিত সামগ্রীর লাভ হবে। মন্ত্রী এই বাহিনীগুলির ক্যান্টিনে গ্রামোদ্যোগ শিল্পের থেকে উৎপাদিত আচার, পাঁপড়, মধু, সাবান, শ্যাম্পু, ফিনাইল, চা সরষের তেল-সহ অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। খাদি ও গ্রামোদ্যোগ শিল্প কমিশন এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আধা-সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েক দফার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। কেভিআইসি-র সামগ্রীগুলির নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর-ই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কেভিআইসি-র চেয়ারম্যান জানিয়েছেন তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সুতি ও পশমের উর্দি, কম্বল-সহ নানা সামগ্রীর নমুনা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও জানান, তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী আধা-সামরিক বাহিনীর খালি পছন্দই হয়নি, সেগুলি বর্তমানে ব্যবহৃত সামগ্রী থেকে যথেষ্ঠ উন্নত মানের বলে জানা গেছে। কেভিআইসি-র চেয়ারম্যান শ্রী বিনয় কুমার সাকসেনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে উৎসাহিত হয়ে বলেন, ‘এর ফলে খাদি ও গ্রামোদ্যোগ শিল্পের আয় কেবল দ্বিগুন-ই হবে না, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কারিগরদের আরও কর্মসংস্হানেরও সুযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে এই শিল্পে উৎপাদিত দ্রব্যের থেকে বার্ষিক আয়ের পরিমান ৭৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন উদ্যোগের ফলে আমাদের আধা-সামরিক বাহিনীর জন্য খাদি শিল্পীরা লক্ষ লক্ষ মিটার কাপড় বুনবেন।’ SSS/CB/NS (Visitor Counter : 55
pib-747
a9adf86ecd4bd52da3a5321b9bde967c9f8ee40ff66c2a008f9a87a59105e3a2_1
ben
প্রতিরক্ষামন্ত্রক জিআরএসই-তে বার্ষিক রক্তদান শিবিরের আয়োজন কলকাতা, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের কল্যাণে বুধবার গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স -তে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরের সূচনা করেন জিআরএসই-র চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডায়রেক্টর রিয়ার অ্যাডমিরাল ভি কে সাক্সেনা। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির অর্থ বিষয়ক নির্দেশক শ্রী এস এস ডোগরা, কর্মী বিষয়ক নির্দেশক শ্রী এ কে নন্দা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। শিবিরে সংস্থার কর্মচারী, বাণিজ্যিক সহযোগী, সিআইএসএফ-এর জওয়ান এবং চুক্তি-ভিত্তিক কর্মীরা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। প্রায় ১০০ জন শিবিরে রক্তদান করেন। CG/BD/DM (Visitor Counter : 55
pib-750
ed48fc203fa128743bfc76e595462154d0b05979dceb6ec84874ab181293c8b4_2
ben
পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক গৃহস্থের জন্য ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাসের দাম সরকার নিয়ন্ত্রণ করে নয়াদিল্লী, ৯ আগস্ট, ২০২১ পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রতিমন্ত্রী শ্রী রামেশ্বর তেলী লোকসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জানিয়েছেন ২০১১-১২ অর্থবর্ষে সরকার ৭,০৩,৫২৫ কোটি টাকা জ্বালানীর ভর্তুকি বাবদ ব্যয় করেছে। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে রান্নার গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ভর্তুকির জন্য বাজেট বরাদ্দ ১২,৯৯৫ কোটি টাকা। দেশে পেট্রোপণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে ওঠানামা করে। সরকার গৃহস্থের জন্য ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তবে ভর্তুকি বিহীন রান্নার গ্যাসের দাম তেল কোম্পানীগুলি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে পরিবর্তন করে। সরকারের ভর্তুকি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের মূল্যের ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে ভর্তুকির চূড়ান্ত পরিমাণ নির্ধারিত হয়। CG/CB/NS (Visitor Counter : 139
pib-757
77ee368f2b986d998a5692e571d264135fd64d28cf4ca60b63d259029b41dc21
ben
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আগামী ২০ মে ঘূর্ণীঝড় ‘আমফান’ আছড়ে পরার আগে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটির বৈঠকে প্রস্তুতি পর্যালোচনা নতুন দিল্লি, ১৮ মে, ২০২০ ক্যাবিনেট সচিব শ্রী রাজীব গৌবার সভাপতিত্বে আজ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় বৈঠকে ঘূর্ণীঝড় ‘আমফান’ মোকাবিলায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রক / সংস্থাগুলির প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। ভারত আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে যে প্রবল ঘূর্ণীঝড় ‘আমফান’ আগামী ২০মে বিকেলে/ সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে পৌঁছতে পারে। তখন ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১৫৫-১৬৫ থেকে ১৮৫ কিলোমিটার। এর সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। এই ঝড়ের প্রভাব পড়বে ওড়িশার জগৎসিংপুর, কেন্দ্রপাড়া, ভদ্রক, জাজপুর, বালাসোর এবং পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতা সহ উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির আধিকারিকদের সামনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটির গৃহীত প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপের বিষয়ে তুলে ধরা হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশস্য, পানীয় জল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও পরিষেবা যথাযথ ভাবে রাজ্যগুলিকে সরবরাহ করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী- এনডিআরএফের ২৬ টি দল ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে মোতায়েন করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আরো দল যাওয়ার পথে রয়েছে। দলগুলির কাছে নৌকা, গাছ কাটার যন্ত্র, টেলিফোন সারাইয়ের সরঞ্জাম ইত্যাদি রয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে এবং রাজ্য সরকারকে সহায়তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনা, বিমানবাহিনী, নৌ ও উপকূল রক্ষীবাহিনী বাহিনী দলকে সতর্ক করে রাখা হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির প্রস্তুতি পর্যালোচনা করে ক্যাবিনেট সচিব নির্দেশ দিয়েছেন যে, ঘূর্ণীঝড়ের আগে নিচু অঞ্চলে থাকা লোকদের সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং খাদ্য, পানীয় জল ও ওষুধ ইত্যাদির মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীর পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ বজায় রাখতে হবে। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ পরিষেবাগুলির বাধা রোধ করতে সংস্থা গুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণী ঝড়ের আগাম সতর্কতা পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে এসএমএসের সুবিধা দেবার কথা বলা হয়েছে। ওড়িশার মুখ্যসচিব এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রধান সচিব, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, নৌ-পরিবহন, বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ, স্বাস্থ্য, আবহাওয়া, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকরা বৈঠকে অংশ নেন। জরুরী পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে আগামীকাল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটি ফের বৈঠক করবে। (CG/SS
pib-765
e28ad5febde9053b71e0f73cf97a27966be223b6bd6b04c02801dc1c85e6a58e
ben
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কোভিড–১৯ মহামারীর মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হল ৩মে পর্যন্ত নতুন দিল্লি, ১৪ এপ্রিল, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী, জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণে ঘোষণা করেছেন, কোভিড–১৯ মহামারীর মোকাবিলা করতে দেশজুড়ে লকডাউনের সময়সীমা ৩মে পর্যন্ত বাড়ানো হল। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র, সমস্ত মন্ত্রক, দপ্তর, রাজ্য সরকার, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনকে এক নির্দেশ জারি করে জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আগের নীতি – নির্দেশিকাগুলি ৩ মে পর্যন্ত পুনরায় বহাল থাকবে। ২০০৫ সালের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। লকডাউনের বিষয়ে নির্দেশিকাটি দেখতে হলে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন – https://static.pib.gov.in/WriteReadData/userfiles/MHA%20Order%20Dt.%2014.4.2020%20for%20extending%20the%20Lockdown%20Period%20till%203.5.2020.pdf (CG/CB
pib-767
492f2c26829d2fd36cf071f4e9dc6a5d6d9c721f981f25a5d599e614689055cb_3
ben
শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন ভারত আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আগামীদিনে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ স্থল হয়ে উঠবে নয়াদিল্লী, ১৬ নভেম্বর, ২০২১ কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য, উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবন্টন এবং বস্ত্রমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন, সিআইআই- আরনেস্ট অ্যান্ড ইয়ং-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত আগামীদিনে সবথেকে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ স্থল হয়ে উঠতে চলেছে। মন্ত্রী বলেন ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতে ১২ হাজার থেকে ১৬ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত ৭ বছরে এদেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো সক্রিয় নেতার কারণে দেশে কাঠামোগত সংস্কার অব্যাহত থাকবে বলে শ্রী গোয়েল আশা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকলের কথা শুনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে সবসময় উৎসাহী। শ্রী গোয়েল আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বহুজাতিক সংস্থার বিষয়ে সিআইআই-এর জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে বক্তব্য রাখছিলেন। শ্রী গোয়েল বলেন, আগে কাউকে বিনিয়োগ করতে বললে তিনি বলতেন ‘ভারতে কেন?’ এরপর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে বিনিয়োগকারীরা বলতেন ‘ভারতে কেন নয়!’ আর আজ তাঁরাই বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ভারতে বিনিয়োগ করবো’। আজ ভারতে ৭১টি ইউনিকর্ন রয়েছে। নোকরি জবস্পিকের সূচক অনুযায়ী গতমাসে ভারতে ৪৩ শতাংশ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে । এই হিসেব গত বছরের অক্টোবর মাসের সঙ্গে তুলনা করে করা হয়েছে। শ্রী গোয়েল জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য জাতীয় স্তরে এক জানলা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে ১৮টি কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তর ও ৯টি রাজ্য রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখানে একবারেই সব ধরণের অনুমতি পান। এই ব্যবস্থায় ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ১৪টি কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তর এবং ৫টি রাজ্য যুক্ত হবে। মন্ত্রী জানান বহুজাতিক সংস্থার স্বীকৃতি পাবার সব ধরণের উপাদান ভারতীয় সংস্থাগুলির রয়েছে। ভারতীয় বহুজাতিক সংস্থাগুলিকে ‘ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া’র প্রচার করার জন্য তিনি উৎসাহিত করেন। ভারতের উন্নয়নের কথা এবং এদেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এইসব সংস্থাগুলির মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরবে। সরকার এবং শিল্পসংস্থার মধ্যে অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে শ্রী গোয়েল বলেছেন এরফলে আমরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাই এবং তা বিনিয়োগকা্রীদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে সুবিধা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন সুপ্রশাসন সংস্কারকে ত্বরান্বিত করে। সারা বিশ্ব আজ ভারতের প্রশাসনের নতুন অধ্যায় উপলব্ধি করছে। তিনি বিনিয়োগকারীদের ভারতের যাত্রাপথের সঙ্গী হওয়ার অহ্বান জানিয়েছেন। CG/CB/NS (Visitor Counter : 99
pib-773
6e3aa1645aee8c7237724784a09f98c41aa290bdf4e0a173407cc4e9f188b415_5
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর মুম্বাই-এর গোরেগাঁও-এ অগ্নি বিপর্যয়ে জীবনহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এককালীন অর্থ সাহায্যের ঘোষণা নয়াদিল্লি ৬ অক্টোবর মুম্বাই-এর গোরেগাঁও-এ অগ্নি বিপর্যয়ে জীবনহানিতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শোকপ্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, নিহতদের নিকট আত্মীয়কে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এক্স বার্তায় বলা হয়েছে: “মুম্বাই-এর গোরেগাঁও-এ অগ্নি বিপর্যয়ে জীবনহানির ঘটনায় ব্যথিত। স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাচ্ছি । আহতদের দ্রুত আরোগ্য প্রার্থনা করছি। কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সমস্ত রকম সম্ভাব্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের নিকট আত্মীয়কে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী।” (PG/AB/CS
pib-779
0800b60876d7b1d33f49566cfe54bdc003bedf284c5a996ecbc7b65064317e84
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর হরাইজন ২০৪৭ : ভারত – ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের রজতজয়ন্তী, দু-দেশের এক শতকের সম্পর্কের দিকে এগিয়ে চলা নতুন দিল্লি, ১৩ জুলাই, ২০২৩ ভারত এবং ফ্রান্সের মধ্যে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘ মেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে। ১৯৪৭ সালে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর ১৯৯৮ সালে এই সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়। উভয় দেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করছে। এক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা, রাষ্ট্রসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনগুলির প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকার এই সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি। ভারত – ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের রজতজয়ন্তীতে দুই দেশ ২০৪৭ সালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবস্থান নিয়ে একটি পরিকল্পনা করেছে। ওই বছর ভারতের স্বাধীনতা এবং দুটি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের শতবার্ষিকী উদযাপন ছাড়াও কৌশলগত অংশীদারিত্বের সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে। ভারত এবং ফ্রান্স আন্তর্জাতিক স্তরে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং অন্যান্য অঞ্চলে আইনানুগ ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করতে উভয় দেশই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুটি দেশ অংশীদারিত্ব সমতা, সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত অংশীদারের স্বার্থ বজায় রেখে চলার নীতি অনুসরণ করে। এই কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য ভারত ও ফ্রান্স সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাধীনতা, সাম্য ও গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে অনুসরণ করে এবং আইনের শাসনকে মান্যতা দিয়ে ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এক্ষেত্রে তাদের সার্বভৌমত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন থাকবে। উভয় দেশ বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা একযোগে করবে। এছাড়াও ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টিতেও দুই দেশ ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। I) নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের অংশীদারিত্ব : ১) প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করা : ১.১) প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি আত্মনির্ভর শিল্প ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফ্রান্স ভারতের অন্যতম অংশীদার। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুটি দেশ একযোগে কাজ করবে। এক্ষেত্রে অন্য দেশগুলিও উপকৃত হবে। ১.২) বিগত ৫ দশক ধরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যুদ্ধ বিমানের বিভিন্ন বিষয়ে দুটি দেশের মধ্যে অসাধারণ সহযোগিতামূলক এক পরিবেশ গড়ে উঠেছে। ভারত ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধ বিমানের বরাত দিয়েছিল। এগুলিকে যথাযথ সময়ে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ায় দুটি দেশই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ইন্ডিয়ান মাল্টিরোল হেলিকপ্টার কর্মসূচির আওতায় শিল্প ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য উভয় দেশই সব ধরনের সহযোগিতা বজায় রাখবে। ভারী জিনিস বহন করতে সক্ষম এই ধরনের হেলিকপ্টারে নানা কাজে তারা শিল্পসংস্থাগুলিকে সহায়তা করবে। এই কর্মসূচির আওতায় হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল এবং স্যাফরন হেলিকপ্টার ইঞ্জিনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ফ্রান্স হেলিকপ্টারগুলির ইঞ্জিনের মানোন্নয়ন ঘটাবে। পরবর্তীকালে সেই প্রযুক্তি ভারতে হস্তান্তর করা হবে এবং এদেশে তা তৈরি করা হবে। ১.৩) প্রথম স্করপাইন ডুবোজাহাজ নির্মাণ কর্মসূচি – পি৭৫, কারভারি কর্মসূচির আওতায় ভারতে সাবমেরিন সাফল্যের সঙ্গে উৎপাদন করা হয়েছে। দুই দেশের নৌবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা তাঁদের অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। এখন উভয় দেশ ভারতীয় ডুবোজাহাজবাহিনী গড়ে তুলতে আরও উচ্চাকাঙ্খী প্রকল্প নিয়ে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে। ১.৪) প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শিল্প ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব পারস্পরিক আস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। স্যাফরন হেলিকপ্টার ইঞ্জিন এবং হ্যালের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর ‘শক্তি’ ইঞ্জিনের প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে সহায়তা করার জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ে ফ্রান্সের অঙ্গীকার প্রতিফলিত। ১.৫) আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর বিভিন্ন চাহিদা পূরণে ইউরোপের প্রথম সারির নৌবাহিনীর জন্য উৎপাদিত সামগ্রীর শিল্প সংস্থা ন্যাভাল গ্রুপ ফ্রান্স এবং গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর দু-দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের যৌথ অংশীদারিত্বের আর একটি উদাহরণ। ১.৬) প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন সংক্রান্ত শিল্পে সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুটি দেশই একযোগে কাজ করে চলেছে। ১.৭) প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন সংক্রান্ত শিল্পে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উদ্ভাবন সংস্থা প্যারিসে ভারতীয় দূতাবাসে একটি কারিগরি দপ্তর খুলছে। ২) ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীল ও সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ : ২.১) দুই দেশ ভারত এবং ফ্রান্স — ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সম্পর্কে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী বজায় রেখে চলে। ২০১৮ সালে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারত-ফ্রান্স সহযোগিতার ক্ষেত্রে যৌথ কৌশলগত অংশীদারিত্বের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়, দুই দেশ তাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। উভয় দেশের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার স্বার্থ বজায় রেখে এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য উভয় দেশ একযোগে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এক্ষেত্রে উন্নয়ন সংক্রান্ত অভিন্ন কর্মসূচির জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। দুই দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখন্ডতাকে সম্মান করে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিউ ক্যালেডোনিয়া এবং ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ায় দুটি দেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করছে। ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ফরাসী নিয়ন্ত্রণাধীন দ্বীপগুলিতে ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২.২) ভারত – প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমমনস্ক অংশীদারদের ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এক্ষেত্রে গত চৌঠা ফেব্রুয়ারি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ২০২০-র সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আলোচনা উল্লেখযোগ্য এক উদ্যোগ। একটি অনন্য ত্রিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতার মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্স ইন্দো প্যাসিফিক ট্রায়েঙ্গুলার কো-অপারেশন তহবিল গঠন করবে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা দূ্রীকরণ, সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্ভাবন এবং স্টার্ট আপ সংস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করা হবে, এছাড়াও এই অঞ্চলে পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে সাহায্য করবে। এই তহবিলের মাধ্যমে দুটি দেশই বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। ২০২১ সালে ভারত – ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ সংক্রান্ত অংশীদারিত্বের যে উদ্যোগ সূচিত হয়, তার অঙ্গ হিসেবে ভারত – প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি যুক্তিগ্রাহ্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইপিটিডিসি থেকে অনুদান দেওয়া হবে। ৩) আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের মূল ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: ৩.১) আমাদের সমাজে উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও আর্থিক বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়নের কেন্দ্রে মহাকাশ প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্য ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপস গড়ে তোলা হবে। ভারত ও ফ্রান্স তাদের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার জন্য মহাকাশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা নিবিড় করতে সহমত পোষণ করেছে। ৩.২.১) বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব : সিএনইএস এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মূলত দুটি ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। তৃষ্ণা মিশনের আওতায় জলবায়ু ও পরিবেশের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ কার্যকর করা হবে। এছাড়াও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রসম্পদ, বাতাসের গুণমানের ওপর নজরদারি চালানো, মঙ্গল ও শুক্র অভিযান, গগণযান প্রকল্পে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে। এনএসআইএল এবং অ্যারিয়ান স্পেস যৌথ ভাবে একটি বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা করেছে। ৩.২.২) প্রাণবন্ত মহাকাশ কর্মসূচি : ভারত এবং ফ্রান্স মহাকাশে যৌথ ভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে সহমত পোষণ করেছে। এক্ষেত্রে নিজ নিজ দেশের মহাকাশ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলিকে কাজে লাগানো হবে। ৩.২.৩) মহাকাশ ক্ষেত্রে কৌশলগত আলাপ-আলোচনায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্স বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৪) আমাদের নাগরিকদের আরও ভালো ভাবে রক্ষা করার জন্য সন্ত্রাসবাদের নতুন নতুন হুমকি থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় কৌশল অবলম্বন : ৪.১) সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত এবং ফ্রান্স সর্বদা একে অন্যের পাশে রয়েছে। এই সমস্যাকে দূর করতে দুটি দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে বহুস্তরীয় ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা, অনলাইনের মাধ্যমে মৌলবাদের প্রসার ঘটানোকে প্রতিরোধ করা, সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করতে সুসংহত উদ্যোগ গ্রহণ, বিশেষত নো মানি ফর টেরর ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করবে। পৃথিবী থেকে জঙ্গীবাদকে নির্মূল করার জন্য ক্রাইস্টচার্চ কল বা ক্রাইস্টচার্চের আহ্বানকে বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। ৪.২) অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, মানব পাচার, আর্থিক অপরাধ এবং পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে ভারত ও ফ্রান্স তাদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড এবং ফ্রান্সের গ্রুপে দ্য ইন্টারভেনশন দ্য লা জেন্ডারমেরি ন্যাশনালের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গতি আসবে। ৪.৩) অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী যথাযথ ভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। ৫) একটি কার্যকরী বহুস্তরীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা : ৫.১) রাষ্ট্রসংঘের সনদকে অনুসরণ করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নীতির মূল ধারাগুলিকে যারা অগ্রাহ্য করতে চায়, ভারত এবং ফ্রান্স তাদের সেই প্রয়াসকে অগ্রাহ্য করে। উভয় দেশ আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশাসনিক সংস্কার বাস্তবায়ণের মধ্য দিয়ে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ৫.২) ভারত এবং ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারকে কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। দুদেশই মনে করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে। ভারত সহ জি ফোর-এর অধীনস্ত দেশগুলির নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তিকে দু-দেশই সমর্থন জানায়। এক্ষেত্রে আফ্রিকার অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পক্ষে তারা একমত। কোন অঞ্চলের জনসাধারণের ওপর আক্রমণ নেমে আসলে সেক্ষেত্রে ভেটোর প্রয়োগ নিয়ে প্রয়োজনীয় আলাপ-আলোচনা চালানোর পক্ষপাতি উভয় দেশই। ৫.৩) পরিবেশ রক্ষা এবং উন্নয়নের পক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে নতুন যে অর্থনৈতিক চুক্তি বাস্তবায়নের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ভারত এবং ফ্রান্স সেই সম্মেলনের গৃহীত উদ্যোগগুলিকে সমর্থন জানায়। একে প্যারিস এজেন্ডা বলা হয়। ৬) উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উদ্ভাবন এবং শিক্ষামূলক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে যৌথ উদ্যোগ : ৬.১) ভারত এবং ফ্রান্স নিজ নিজ অঞ্চলে স্টার্ট আপ এবং উদ্ভাবন ব্যবস্থাপনাকে উৎসাহিত করে। একবিংশ শতাব্দীর বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। দু-দেশই গবেষণা ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়ে সহমত পোষণ করে। এর মাধ্যমে দুটি দেশই আত্মনির্ভর হয়ে উঠবে। ৬.১.১) বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা : ভারত – ফ্রান্স যৌথ কৌশলগত কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে উভয় দেশ বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল রিসার্চ এজেন্সি বিভিন্ন সময়ের চাহিদা অনুসারে প্রযুক্তির যে বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে, সেই বিষয়ে গবেষণার কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে – মহাকাশ, ডিজিটাল প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, জ্বালানী, বাস্তুতন্ত্র, স্বাস্থ্য ইত্যাদি। ইন্দো ফ্রেঞ্চ সেন্টার ফর দ্য প্রমোশন অফ অ্যাডভান্সড রিসার্চ সহ বিভিন্ন সংস্থাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য শক্তিশালী করে তোলা হবে। এক্ষেত্রে এক দেশ অন্য দেশের সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবে। ৬.১.২) অত্যাধুনিক প্রযুক্তি : ২০১৯ সালে সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি সংক্রান্ত ভারত – ফ্রান্স পরিকল্পনাকে ভিত্তি করে উভয় দেশ সুপার কম্পিউটিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম মেধা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। এক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বা গ্লোবাল পার্টনারশিপ অন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন, উদ্ভাবন, অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া শক্তিশালী করতে হবে। ৬.১.৩) স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা : ভারত এবং ফ্রান্স স্বাস্থ্য এবং ওষুধ শিল্পে তাদের সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ, চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রাপ্ত বর্জ্য পদার্থের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা, জৈব প্রযুক্তি, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সমস্যার সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এরজন্য দুই দেশ একটি ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর করেছে। উভয় দেশই ওষুধ নির্মাণ শিল্প, মানবসম্পদ এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত প্রযুক্তিতে তাদের সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ৬.১.৪) ইন্দো – ফ্রেঞ্চ ক্যাম্পাস ফর হেল্থ : ২০২২ সালে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ইন্দো-ফ্রেঞ্চ ক্যাম্পাস ফর হেল্থের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়, উভয় দেশ তাকে স্বাগত জানিয়েছে। এই উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে ফ্রান্সের মূল ভূখন্ড এবং লা ইউনিয়ন দ্বীপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় যেসব উদ্ভাবন মূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এই উদ্যোগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকেও অংশীদার করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দ্বৈত স্নাতকোত্তর স্তরে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্যান্সার, স্নায়ুবিজ্ঞান, জৈব প্রযুক্তি এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য আইআইটি দিল্লি ও সরবোনে বিশ্ববিদ্যালয় একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইন্সটিট্যুট পাস্তুর এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্টিয়াল রিসার্চ ২০২২-এর জানুয়ারিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি মোতাবেক হায়দ্রাবাদে ইন্সটিট্যুট পাস্তুরের একটি শাখা খোলা হবে। ৬.১.৫) সাইবার সহযোগিতা : সাইবার জগতের কৌশলগত গুরুত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকায় ভারত এবং ফ্রান্স এক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুই দেশ রাষ্ট্রসংঘের সাইবার সংক্রান্ত প্রথম এবং তৃতীয় কমিটির সিদ্ধান্তগুলিকে কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে। উভয় দেশই ২০২১-২৫ সময়কালে বর্তমান কমিটির কাজে সবধরণের সহায়তা করছে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের জন্য একটি কর্মীগোষ্ঠী গঠন করার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি যাতে কোন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত না হয়, তার জন্য রাষ্ট্রসংঘের নিয়ম অনুসারে উভয় দেশ যৌথভাবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে যে কোন অপরাধমূলক উদ্যোগকে প্রতিহত করা, তার তদন্ত এবং দ্রুত শাস্তি দানের ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায় বিচার সুনিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাইবার জগতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে একটি সক্রিয় সাইবার পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ভারত দক্ষতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। উভয় দেশ এক্ষেত্রে একে অন্যের ভালো ব্যবস্থাপনাগুলি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৬.১.৬) ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ : ফ্রান্সের তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ সিএনআইএল এবং ভারতের তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চালাতে উভয় দেশই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়মাবলী নিয়েও আলোচনা চলছে। তথ্য ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে উভয় দেশই অঙ্গীকারবদ্ধ। ৬.১.৭) ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা : ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং তার পরিবর্তনকে ভারত ও ফ্রান্স স্বীকৃতি দেয়। সরকারি ক্ষেত্রে ডিজিটাল পরিকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা, নতুন উদ্যোগ বা স্টার্ট আপ, কৃত্রিম মেধা, সুপার কম্পিউটিং, ফাইভ জি / সিক্স জি টেলিকম প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল ক্ষেত্রে দক্ষতা বিকাশের জন্য দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির বিষয়ে ভারত ও ফ্রান্স যে পরিকল্পনা করেছে, তা বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশই অঙ্গীকারবদ্ধ। একটি সুরক্ষিত ও মুক্ত সাইবার জগৎ গড়ে তোলার জন্য দুটি দেশই সচেষ্ট। উদ্ভাবনের জন্য স্টার্ট আপ সংস্থাগুলির প্রয়োজনীয়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক বিকাশের সুদূরপ্রসারি সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়ে দুটি দেশই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে। এ বিষয়ে ভারত ২০২২ সালে ভিভাটেক প্রদর্শনীতে প্রথম দেশ হিসেবে অংশগ্রহণ করে। যার মধ্য দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির এই যুগে ভারতের ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ডিজিটাল শতাব্দীতে নাগরিকদের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভারত এবং ফ্রান্স এমন একটি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে সুবিধা হবে। গত সপ্তাহে এনপিসিআই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টস লিমিটেড এবং ফ্রান্সের লায়রা কালেক্ট একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে, ফ্রান্স সহ ইউরোপে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস বা ইউপিআই কার্যকর করা যাবে। এবছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্যারিসের ঐতিহ্যশালী আইফেল টাওয়ার থেকে ইউপিআই-এর মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন শুরু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। মুক্ত, গণতান্ত্রিক এবং সমন্বিত ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে একটি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্টাকচারকে কাজে লাগানো হবে। ভারত এবং ফ্রান্স ‘ইন্ডিয়া ফ্রান্স স্ট্রাকচারস’ এবং ইন্ডিয়া ফ্রান্স ইনোভেশন ইন ইনফরমেশন টেকনলোজির মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানে উদ্যোগী হয়েছে। দুই দেশের ডিজিটাল ব্যবস্থাকে একযোগে ব্যবহার করার জন্য ডিপিআই-এর সাহায্য নেওয়া হবে। ডিপিআই-এর মাধ্যমে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, প্রশাসনিক কাজে সহায়তা, অর্থনীতির উন্নয়ন, সামাজিক সংস্কার, জনপরিষেবা সরবরাহের মানোন্নয়ন এবং একটি সুস্থায়ী ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজারকে সম্প্রসারিত করা হবে। ভারত এবং ফ্রান্স যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে যে উদ্যোগগুলি গ্রহণ করবে সেগুলি বাস্তবায়নে দুটি দেশের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা ছাড়াও পৃথিবীর অন্যান্য অংশে দুই দেশের সহযোগিতায় ডিপিআই-এর সাহায্যে মিলিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে। II) পৃথিবীর জন্য অংশীদারিত্ব ১) আমাদের জলবায়ুর বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে জ্বালানী ক্ষেত্রের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে তোলা : ১.১) ভারত ও ফ্রান্স এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কাজ করছে, যেখানে কার্বন নিঃসরণ কম হবে। ভারতের নগরায়ণ ও শিল্পায়ণ, জ্বালানী ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সুস্থায়ী উন্নয়নের জন্য এসডিজি-৭-এর গুণমান অর্জন করার উদ্দেশ্যে দুই দেশই দায়বদ্ধ। প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব জ্বালানীর ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে উভয় দেশই মনে করে মিশ্র জ্বালানী ব্যবহার করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভারত এবং ফ্রান্স একযোগে কাজ করে চলেছে। দুটি দেশই মনে করে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য লড়াইয়ে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১.২) ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা প্রতিহত করার জন্য উদ্যোগ: ভারত এবং ফ্রান্স সুস্থায়ী উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বিভিন্ন দেশকে বহুস্তরীয় উদ্যোগের মাধ্যমে সহায়তা করবে বলে স্থির করেছে। এর মধ্যে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশীদারিত্ব, আন্তর্জাতিক সৌর জোট ও ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ উদ্যোগ – আইপিওআই-এর মাধ্যমে সমুদ্র এবং স্থলভাগে জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আলাপ-আলোচনা চালানো হবে। দুটি দেশ ব্লু ইকোনমি অর্থাৎ সমুদ্র ভিত্তিক অর্থনীতির উন্নয়নেও এই প্রয়াস অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে আর্থিক সহায়তার দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য যে সংগঠনগুলি রয়েছে, তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে তথ্যের আদান-প্রদান ঘটিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর জন্য কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার্সের মত সংস্থাগুলি আর্থিক সহায়তা করবে। ১.৩) ইলেক্ট্রোনিউক্লিয়ার : জইতাপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উভয় পক্ষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারত থেকে অসামরিক ক্ষেত্রে নিয়োজিত পারমাণবিক ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণের পরামর্শকেও স্বাগত জানানো হয়েছে। ইপিআর রিঅ্যাক্টারকে কাজে লাগানোর জন্য ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্কিল ইন্ডিয়া উদ্যোগের আওতায় ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠানগুলিও পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। মাঝারি এবং ছোট মডিউলার রিয়াক্টারগুলি ভারতে স্থাপনের কাজে দুটি দেশ একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে জুলস হরউইৎজ রিয়াক্টারটির সাহায্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১.৪) পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন : ভারত এবং ফ্রান্স পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন উদ্ভাবন মূলক উদ্যোগে একযোগে কাজ করার পরিকল্পনা করেছে। এই মর্মে দুটি দেশ শিল্প সংস্থাগুলির মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। ১.৫) পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানীর ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাতে উভয় দেশই অঙ্গীকারবদ্ধ। সৌরশক্তির ক্ষেত্রে দুটি দেশই আন্তর্জাতিক সৌর জোটের ওপর নির্ভরশীল। এই জোট অন্য দেশগুলিকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে স্টার-সি কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা করবে। ১.৬) জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে ভারত এবং ফ্রান্স তাদের সহযোগিতার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে পুরোনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংস্কার, নদীর জল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন পদ্ধতি এবং পাম্পের মাধ্যমে জল সংগ্রহ করে তার থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১.৭) দক্ষতার সঙ্গে জ্বালানীকে ব্যবহার : ফ্রান্স বিদ্যুতের অপচয় রুখতে ভারতের উদ্যোগগুলিকে সহায়তার পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে, শহরাঞ্চলের বড় বড় বাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুতের ব্যবহার যথাযথ হবে। স্মার্ট সিটি কর্মসূচিতে এই সফল প্রয়োগ করা হয়েছে। দুটি দেশই বিদ্যুতের তথ্য আদান-প্রদানে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেবে। ২) জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্রে সঙ্কট এবং দূষণের সমস্যার সমাধানে যৌথ উদ্যোগ : ২.১) জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্রে সঙ্কট এবং দূষণের সমস্যার সমাধানের জন্য ভারত এবং ফ্রান্স তাদের সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জনস্বাস্থ্যে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় তার সমাধানে দুটি দেশ অভিন্ন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ধারণায় কাজ করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে ‘প্রিজোড’ উদ্যোগের সাহায্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মহামারীর সময় হাসপাতাল এবং ওষুধের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আলাপ-আলোচনা প্রয়োজন। ২০২২-এর ফেব্রুয়ারি মাসে ব্লু ইকোনমি এবং মহাসাগর অঞ্চলে প্রশাসনকে নিয়ে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাতে মৎস্যসম্পদের সুস্থায়ী ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সামুদ্রিক বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও নানা সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য আইএফআরইএমইআর এবং এনআইওটি/এমওইইস-এর মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে সেই চুক্তি সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্রকে সামনে নিয়ে এসেছে। ২০২৫ সালে মহাসাগর সম্পর্কিত রাষ্ট্রসংঘের সম্মেলনের আগে জি-২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু করার বিষয়ে দুটি দেশই সহমত পোষণ করে। ২.২) জলবায়ু পরিবর্তন : জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারত ও ফ্রান্স অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০৫০ সালের মধ্যে ভারত এবং ২০৭০ সালের মধ্যে ফ্রান্স কার্বন নিঃসরণমুক্ত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ২.৩) সুস্থায়ী উন্নয়নের জন্য ভবন নির্মাণ : কার্বন নিঃসরণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্রের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দুটি দেশই সাফল্য অর্জনে আগ্রহী। নতুন বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে উভয় দেশই উচ্চাকাঙ্খী নীতি প্রয়োগে আগ্রহী। যার মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণমুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠবে। ভারত এবং ফ্রান্স এই মর্মে নির্মাণ কাজে সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারত মিশন লাইফ বা পরিবেশের জন্য জীবনশৈলীর যে নীতি গ্রহণ করেছে, ফ্রান্স ২০২২-এর অক্টোবরে তা সমর্থন করে। ২.৪) বৃত্তীয় অর্থনীতি এবং প্লাস্টিকের কারণে দূষণ : প্লাস্টিকের কারণে দূষণ বন্ধ করতে বিশ্বজুড়ে যে আলাপ-আলোচনা চলছে, ভারত এবং ফ্রান্স তাতে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের কারণে পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে দুটি দেশই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২.৫) জীববৈচিত্রে ক্ষতি : ভারত এবং ফ্রান্স কুনমিং-মন্ট্রিয়ল আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। উভয় দেশই ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পার্কস পার্টনারশিপ বা থার্টিন পি কার্যকর করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সমুদ্রের জীববৈচিত্র রক্ষার জন্য এর সুস্থায়ী ব্যবহারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে দুটি দেশই স্বাগত জানিয়েছে। এর ফলে মহাসাগরে জীববৈচিত্র ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যাবে এবং সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের অবনমন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। ৩) ভারতের শহরাঞ্চলে এবং বাস্তুতন্ত্রের পরিবর্তনকে সহায়তা করতে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি : ৩.১) ভারত তার শহরাঞ্চলের উন্নয়নে ফরাসী সংস্থা এবং ফ্রেঞ্চ ডেভলপমেন্ট এজেন্সি -কে অংশীদার হিসেবে পেতে আগ্রহী। ৩.২) সুসংহত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : একটি সুসংহত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মত শহরাঞ্চলে বৃত্তীয় অর্থনীতিকে উৎসাহিত করতে ভারত ও ফ্রান্স যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে সেগুলি নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে সেখানে তাকে সম্পদে পরিণত করার প্রক্রিয়াটিকে শক্তিশালী করা হবে। এর পাশাপাশি সিটি ইনভেস্টমেন্টস টু ইনোভেট ইন্টিগ্রেট অ্যান্ড সাসটেইন বা সিআইটিআইআইএস-২.০ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে রাজ্য স্তরে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে পৌরসভাগুলিকে উৎসাহিত করা হবে। ৩.৩) পরিবহণ ও শহরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা : ভারত এবং ফ্রান্স পরিবহণ ক্ষেত্রে তাদের আলোচনাকে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে। রেল পরিবহণের বিষয়ে দুটি দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য দুই দেশ একযোগে কাজ করবে। ইতিমধ্যেই আমেদাবাদ ও সুরাট শহরে এধরনের প্রকল্প কার্যকর করা হচ্ছে। ৩.৪) সামাজিক অন্তর্ভুক্তি : ভারত এবং ফ্রান্স একটি সমন্বিত ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে আগ্রহী। এক্ষেত্রে মহিলা ও সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য অন্নপূর্ণা, ইন্দাসইন্দ ব্যাঙ্ক, নিওগ্রোথের মত বিভিন্ন তহবিলের মাধ্যমে যে প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে সেগুলিকে প্রোপার্কো সহায়তা করছে। ৪) দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্যকে শক্তিশালী করা এবং বিনিয়োগে সহায়তার সময় সুস্থায়ী উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে কম কার্বন নিঃসৃত হয় এধরনের জ্বালানী ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ৪.১) একটি যথাযথ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভারত এবং ফ্রান্স ভরসাযোগ্য সরবরাহশৃঙ্খল গড়ে তুলতে আগ্রহী। এর জন্য প্রয়োজনীয় নীতির বিষয়ে পরামর্শ আদান প্রদান করা হবে। ৪.২) ব্যবসা-বাণিজ্য : ভারত এবং ফ্রান্স দুই দেশের রপ্তানীকারক ও বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে দ্বিপাক্ষিক স্তরে আলাপ-আলোচনা জোরদার করেছে। ৪.৩) অন্য দেশে বিনিয়োগ : দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে এবং উন্নয়নমূলক কাজের অংশীদার হতে ভারত ও ফ্রান্স তাদের দেশের বিভিন্ন সংস্থাকে বিনিয়োগে উৎসাহ দিয়ে থাকে। অর্থাৎ ফরাসী বিনিয়োগকারীরা ভারতে এবং ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা ফ্রান্সে যাতে আরও বেশি বিনিয়োগ করেন তার জন্য তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই মর্মে ইনভেস্ট ইন্ডিয়া এবং বিজনেস ফ্রান্স চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। III) জনসাধারণের জন্য অংশীদারিত্ব: ১) মূলত যুব সম্প্রদায়ের কথা ভেবে বিনিময় কর্মসূচিতে উৎসাহ দান : ১.১) অভিবাসন ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের চুক্তি ২০২১ সালে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, পেশাদার ব্যক্তি এবং দক্ষ শ্রমিকদের আসা-যাওয়া বৃদ্ধি পাবে। ভারত এবং ফ্রান্স দু-দেশই জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে পর্যটকদের আসা-যাওয়ার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। পুরো প্রক্রিয়ার সহায়তার জন্য বেসরকারি সংস্থা এবং ব্যবসায়ীদের ভিসা দিতে সাহায্য করা হবে। সরকারি কাজে যাদের পাশপোর্ট রয়েছে তাদের স্বল্প কয়েক দিনের জন্য অন্য দেশে থাকার ক্ষেত্রে ভারত ও ফ্রান্স ভিসা প্রক্রিয়ায় বিশেষ ছাড় দেবে। ২০২৬ সাল থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়াও দুটি দেশ একে অন্যের পেশাদারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিপ্লোমা সহ অন্যান্য যোগ্যতাকে স্বীকৃতি দেবে। যার ফলে দু-দেশের দক্ষ শ্রমিকরা সহজেই যাওয়া আসা করতে পারবেন। ১.২) উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অংশীদারিত্বের জন্য দুটি দেশই উৎসাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, কারিগরি শিক্ষা এবং ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। দুই দেশই ভাষাগত ক্ষেত্রে সহযোগিতা, ভারতীয় স্কুলে ফরাসী ভাষা শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং বিভিন্ন ভাষার শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ ও আদান-প্রদানে উৎসাহ দেওয়া হবে। এর ফলে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়া আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। ১.৩) ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়া আসা : ভারত এবং ফ্রান্স শিক্ষা জগতে তাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এর জন্য দুই দেশ ছাত্র বিনিময় প্রথাকে শক্তিশালী করতে চায়। ভারত এবং ফ্রান্স যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচীকে উৎসাহ দিয়ে থাকে। ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইন্দো ফ্রেঞ্চ ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচী পালন করা হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গবেষকরা যাতে অন্য দেশে যেতে পারেন সেব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফ্রান্স সেদেশের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিদেন পক্ষে একটি সেমিস্টার করার জন্য ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের ভিসা দিতে আগ্রহী, এর মাধ্যমে তারা ফরাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার আওতায় যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশুনা করতে পারেন। এর জন্য ফ্রান্স ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের ৫ বছরের মেয়াদে শেঙ্গেন ভিসা প্রদান করবে। এর মূল উদ্দেশ্য ফরাসী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় প্রাক্তনী সংস্থা গড়ে তোলা। ২০২৫ সালের মধ্যে ২০ হাজার ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীকে স্বাগত জানাতে ফ্রান্স আগ্রহী। ২০৩০ সালে এই সংখ্যা ৩০ হাজারে পৌঁছাবে। এর জন্য ফ্রান্স সেদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভারতে প্রচারের বিষয়ে উৎসাহিত করছে। ফরাসী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আন্তর্জাতিক পাঠদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ফরাসী বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের ফরাসী ভাষায় প্রশিক্ষণ দিতে উৎসাহ যোগাবে। ফরাসী ভাষায় স্নাতক স্তরে যোগদানে ফ্রান্স উৎসাহ দিচ্ছে। এর জন্য ভারতে মাধ্যমিক স্তরে বিশেষ পাঠদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফরাসী সরকার এটি পরীক্ষামূলক ভাবে কার্যকর করবে। ১.৪) আমাদের সুশীল সমাজের মধ্যে স্থিতিশীল আদান-প্রদান : আমাদের সুশীল সমাজ বিশেষত ফ্রান্স-ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং ভারতে অ্যালে ফ্রাসে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দু-দেশে আসা-যাওয়ার মধ্য দিয়ে ভারত ও ফ্রান্স নিজেদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। ইন্টারন্যাশনাল সলিডারিটি ভলেন্টিয়ারিং অ্যান্ড সিভিল সার্ভিস প্রকল্পের মাধ্যমে দু-দেশের যুবক-যুবতীরা একে অন্যের দেশে যাবেন। এই কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতে ফরাসী স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে। ২) আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে আদান-প্রদানকে বৃদ্ধি করতে উৎসাহদান : ২.১) আমাদের দুটি দেশ এখন সাংস্কৃতিক বিভিন্ন উপাদান বিনিময়ের জন্য একটি কর্মসূচি গ্রহণ করার পরিকল্পনা করেছে। যার মাধ্যমে দু-দেশের সৃজনশীল শিল্প জগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বরা পরস্পরের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলবেন। ২.২) সংগ্রহশালা ও ঐতিহ্য রক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা : দুটি দেশেরই সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং ইতিহাস রয়েছে। ভারত ও ফ্রান্স ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাদের ঐতিহ্যর সঙ্গে পরিচয় করাতে যৌথ ভাবে পরিকল্পনা করবে। ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্য ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত ও ফ্রান্স সন্তোষ প্রকাশ করেছে। গ্র্যান্ড ল্যুভর সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রকল্পে ফ্রান্সের অর্জিত অভিজ্ঞতা ভারতের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। বিভিন্ন ঐতিহ্যশালী ভবনকে সকলের কাছে তুলে ধরার জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পুরাতাত্বিক নিদর্শনগুলিকে সংরক্ষণ করে সেগুলির প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ২.৪) চলচ্চিত্র : ইউরোপে ফ্রান্সের চলচ্চিত্রের ভালো বাজার রয়েছে। অন্যদিকে সারা বিশ্বে সব থেকে বেশি চলচ্চিত্র নির্মিত হয় ভারতে। ভারত তাদের বিভিন্ন চলচ্চিত্র অন্য দেশে রপ্তানি করতে আগ্রহী। এর জন্য অডিও ভিজ্যুয়াল ক্ষেত্রে যৌথ প্রয়োজনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উভয় দেশ অন্য দেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নিদর্শনগুলি দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ২.৫) শৈল্পিক ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা : ভারত এবং ফ্রান্স দু-দেশের মধ্যে পেশাদার ব্যক্তিত্ব এবং শিল্পীদের আদান-প্রদানে উদ্যোগী হয়েছে। ৩ মার্চ ভিলা স্বাগতমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ফ্রান্সের শিল্পী ও সাহিত্যিকরা তাঁদের প্রতিভার নিদর্শন তুলে ধরবে। ভারতের সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীদের ফরাসী শিল্পী ও সাহিত্যিকদের জন্য একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী গড়ে তুলবে। ভারতের ললিতকলা অ্যাকাডেমি ভারতীয় শিল্পীদের ফ্রান্সে বিভিন্ন উৎসবে যোগদানে সহায়তা করে থাকে। ফ্রান্সের জনসাধারণের মধ্যে ভারতের শৈল্পিক ঐতিহ্যকে পরিচিত করাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২.৬) ভাষাগত ক্ষেত্রে সহযোগিতা : অ্যালে ফ্রসে ভারতে ফরাসী ভাষা শিক্ষার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তাকে আরও প্রসারিত করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভারতে সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলগুলিতে ফরাসী ভাষা শিক্ষার জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভারতে ৫০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী যাতে অ্যালে ফ্রসের কর্মসূচি থেকে সাফল্য অর্জন করতে পারে তার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সে প্রাচীন ভারতীয় শিলালিপি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে ভারতীয় ভাষা সেদেশে পড়ানো হবে। ভারত থেকে এই কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠানো হলে তারা ফ্রান্সের সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ২.৭) ফ্রান্স ভারতকে ইন্টারন্যাশনালে দ্য লা ফ্র্যাঙ্কোফোনিকে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২.৮) খেলাধুলা এবং সুস্বাস্থ্য গড়ে তোলার জন্য ভারত এবং ফ্রান্স পরস্পরকে সহযোগিতার পরিকল্পনা করেছে। ২০২৪ সালে প্যারিসে অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর হয়েছে তার মাধ্যমে ভারতীয় খেলোয়াড়রা প্রয়োজনে এই সব কেন্দ্রে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। ২.৯) ভারত ও ফ্রান্সের জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে কূটনৈতিক আস্থা অর্জনের প্রয়োজন। দক্ষিণ ফ্রান্সে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠনের ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারত ফ্রান্সের মার্শেই শহরে একটি দূতাবাস খুলবে। ফ্রান্স 'ব্যুরো দ্য ফ্রান্স'-এর একটি শাখা হায়দ্রাবাদে খোলা হবে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্সের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও বৈচিত্রপূর্ণ হয়ে উঠবে। নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে যে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে সেগুলিতেও সহযোগিতা বাড়বে। AC/CB/AS/ (
pib-780
407d7551885baa9046180b66381dc6ebd53911ac4cb86b04f749380997e9dbeb_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর বন্যপ্রাণ ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে সাধারণের উৎসাহে অভিভূত প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি, ১০ এপ্রিল, ২০২৩ বন্যপ্রাণ ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে জনসাধারণের উৎসাহ ও উদ্দীপনায় মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। এ সম্পর্কে নাগরিকদের বেশ কয়েকটি ট্যুইট বার্তার উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মতও ব্যক্ত করেছেন। যেমন, বন্দিপুর টাইগার রিজার্ভ-এ প্রধানমন্ত্রীর গতকালের সফর সম্পর্কে এক ট্যুইট বার্তায় পরশুরাম এমজি মন্তব্য করেছিলেন যে হাতিরা সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে শুঁড় তুলে আশীর্বাদ করেছে। এর উত্তরে শ্রী মোদী তাঁর ট্যুইট বার্তায় বলেছেন : “হ্যাঁ সত্যিই তো। এ ছিল এক বিশেষ মুহূর্ত।” আবার, দিল্লির ন্যাশনাল জুলজিক্যাল পার্ক দেখতে যাওয়ায় প্রিয়াঙ্কা গোয়েলের উৎসাহের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এক ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেছেন : “খুবই ভাল প্রচেষ্টা। ভারতে রয়েছে গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর এক অবিশ্বাস্য সমারোহ। জনসাধারণ তা থেকে আরও অনেক কিছু খুঁজে নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।” গতকালের সফর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন। PG/SKD/DM/ (
pib-783
888ca01705524937fd40c62c0c48fd38d1709cb034aca6b23b3bbabb348434e1
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ ১৫৭ কোটি ২০ লক্ষ ছাড়িয়েছে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ লক্ষেরও বেশি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৪.২৭ শতাংশ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮৯ এ পর্যন্ত মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ২০৯, যা গতকালের তুলনায় ৬.০২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে দেশে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৪১ সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার ১৪.৪১ শতাংশ নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ টিকাকরণের সংখ্যা ৩৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩৪৮। আজ সকাল ৭টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৫৭ কোটি ২০ লক্ষ ৪১ হাজার ৮২৫। মোট টিকাকরণের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ: | | স্বাস্থ্য কর্মী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ সতর্কতামূলক ডোজ | | ১,০৩,৯০,২৮৬ ৯৭,৮০,৭৪৭ ১৮,৩৩,৩০১ | | অগ্রভাগে থাকা করোনা-যোদ্ধা | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ সতর্কতামূলক ডোজ | | ১,৮৩,৮৮,৯৮৮ ১,৭০,৫৫,৬২৭ ১৪,৮১,৭৭৩ | | ১৫-১৮ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ | | ৩,৪৫,৩২,৭৪৫ | | ১৮-৪৪ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ | | ৫২,৫৪,৬৩,২১৬ ৩৬,৯৩,০৫,১০০ | | ৪৫-৫৯ বছর বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ | | ১৯,৭৬,৫৪,১৭৯ ১৬,১০,৫৮,৬৪৮ | | ৬০ বছরের বেশি বয়সী | | প্রথম ডোজ দ্বিতীয় ডোজ সতর্কতামূলক ডোজ | | ১২,৩১,৪৫,৬৮৩ ১০,০৮,১৮,৪২৩ ১১,৩৩,১০৯ | | | | সতর্কতামূলক ডোজ | | ৪৪,৪৮,১৮৩ | | মোট | | | | ১৫৭,২০,৪১,৮২৫ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৪০ জন। এর ফলে, মহামারী শুরুর সময় থেকে মোট আরোগ্যলাভের সংখ্যা ৩ কোটি ৫২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৬১। জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৪.২৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮৯ জন। দেশে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ১৬ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৪১ হয়েছে, যা মোট আক্রান্তের ৪.৪৩ শতাংশ। দেশে একদিকে যেমন নমুনা পরীক্ষার পরিকাঠামো বেড়েছে, তেমনই দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৪৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে, সামগ্রিকভাবে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৭০ কোটি ৩৭ লক্ষ ৬২ হাজার ২৮২। দেশে একদিকে যখন নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বেড়েছে, অন্যদিকে তখন সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪.৪১ শতাংশ। একইভাবে, দৈনিক আক্রান্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৯.৬৫ শতাংশ। (CG/SS/SB
pib-788
1c7480286aa27965b934b02dc739a9ad492e649bfd12cf2f978d0080d4dce7a9
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর শ্যামজি কৃষ্ণভার্মার জন্মজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার্ঘ্য নয়াদিল্লি, ৪ অক্টোবর ২০২২ শ্যামজি কৃষ্ণ ভার্মার জন্মজয়ন্তীতেপ্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শ্যামজি কৃষ্ণ ভার্মার মতো মহানুভবতাসম্পর্কে তাঁর বক্তব্য সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন : “বীর সন্তান শ্যামজি কৃষ্ণ ভার্মার জয়ন্তীতে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য।মা ভারতীর এই অকুতভয় সন্তান ভারতকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে তাঁর জীবন নিবেদন করেছেন এবং আমাদেরজনমানসে গর্বের ভাব আরও বেশি করে জাগিয়ে তুলেছেন। তাঁর মহত্বতা সম্পর্কে আমার বক্তব্যভাগ করে নিচ্ছি।” PG/AB/DM/ (
pib-793
7c54e7f9b4ee952420b33a1205851f97328bf5d8c0a7221ef382293d4868817e_1
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে দেশ গর্বিত : প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি, ৮ এপ্রিল, ২০২৩ দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ভারতের এক গর্ববিশেষ। বিধায়ক শ্রী ভবানী শঙ্কর ভৈয়ে-র এক ট্যুইট বার্তার উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেছেন : “ওড়িশার রৌরকেল্লায় যে ‘আদি মহোৎসব’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা এক বিশেষ আকর্ষণের বিষয়। দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে ভারত গর্ববোধ করে।” PG/SKD/DM (
pib-794
aecfabefe57fd3b865e86881b27781b3b604f7c434e309c85f027b39b20d81d2_1
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে কোভিড-১৯ টিকার যোগান সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ৮৯ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি কোভিড টিকার ডোজ সরবরাহ রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে ৫ কোটি ৬৭ লক্ষেরও বেশি টিকার ডোজ রয়েছে নতুন দিল্লি, ৪ অক্টোবর, ২০২১ কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে কোভিড-১৯ টিকাকরণের গতি ও পরিধি সম্প্রসারণে অঙ্গীকারবদ্ধ। সর্বজনীন কোভিড-১৯ টিকাকরণ কর্মসূচির নতুন পর্যায়ের সূচনা হয়েছে গত ২১ জুন। টিকা ডোজের যোগানের উপর ভিত্তি করে টিকাকরণ অভিযানের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে, আগাম টিকার ডোজ রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে আগেভাগেই টিকাকরণের পরিকল্পনা করা যায়। দেশব্যাপী টিকাকরণ অভিযানের অঙ্গ হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বিনামূল্যে কোভিড টিকা সরবরাহ করে আসছে। কেন্দ্রীয় সরকার টিকা উৎপাদক সংস্থাগুলির কাছ থেকে সংগৃহীত টিকার ৭৫ শতাংশই রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে সরবরাহ করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এখনও পর্যন্ত ৮৯ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮৩ হাজার ২৬৫টি টিকার ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে। এমনকি, রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির কাছে টিকাকরণের জন্য ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯০৫টি টিকার ডোজ হাতে রয়েছে। CG/BD/SKD/ (Visitor Counter : 140
pib-799
85c999f8af51a756ba93a62e5e2f420cb5cff6f87b8a0c8a7fbaa93bbeeba86d_1
ben
কৃষিমন্ত্রক উদ্যান পালনের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের পারিশ্রমিক নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ দেশে শাক-সব্জি এবং ফুল উৎপাদন সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৬-১৭ সালের হিসাবানুযায়ী শাক-সব্জি উৎপন্ন হয়েছিল ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ টন। সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে শেষ তথ্যানুযায়ী, এই পরিমাণ ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৪৬৪ টন। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে দেশে মোট উৎপাদিত ফুলের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৯২ টন। সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে শেষ তথ্যানুযায়ী, এই পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৯৯৪ টন। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে আলু, টমেটো ও পেঁয়াজ যথাক্রমে – ৪৮ হাজার ৬০৫ টন, ২০ হাজার ৭০৮ টন এবং ২২ হাজার ৪২৭ টন ছিল। সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৪৮ হাজার ৬৬২ টন, ২১ হাজার ১৯৫ টন এবং ২৬ হাজার ১৪৮ টন। যেসব কৃষি ও উদ্যান পালন সামগ্রী পচনশীল, যেগুলি মূল্য সহায়ক আওতাভুক্ত নয়, এ ধরনের কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে সরকার মার্কেট ইন্টারভেনশন স্কিম বাস্তবায়িত করেছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল – কৃষকরা কোনও বছর প্রচুর ফসল ফলালে উৎপাদিত ফসলের দাম কৃষি কাজের ব্যয়ের থেকেও কম পাওয়া গেলে তাঁদের রক্ষা করা। যাতে কৃষকদের অভাবী বিক্রি করতে না হয়, তার জন্যই এমআইএস – এর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অন্যতম শর্ত হল – আগের বছরের চেয়ে কৃষি কাজের ১০ শতাংশ বেশি ব্যয় হলে অথবা বাজারের দামের থেকে উৎপাদিত ফসলের দাম ১০ শতাংশ কম হলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। এই প্রকল্প রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের অনুরোধক্রমে গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৫০ শতাংশ ক্ষতি পূরণ দেয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ২৫ শতাংশ। বাকি অর্থ কেন্দ্র দিয়ে থাকে। কৃষকরা যাতে তাঁদের ন্যায্য পারিশ্রমিক পান, সরকার তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কৃষক ও কৃষি পণ্য সংস্থাগুলি অনলাইনের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে জাতীয় কৃষি বাজার কর্মসূচির সাহায্যে তাঁদের পণ্য বিক্রি করতে পারেন। বেসরকারি বাজার, সরাসরি বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া, হিমঘর, গুদামজাতকরণের মতো বিভিন্ন সুবিধা এগ্রিকালচার মার্কেটিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্কিমের সাহায্যে করা হচ্ছে। সরকার দেশে ১০ হাজারটি কৃষি পণ্য উৎপাদক সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে, যার সাহায্যে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী ভালো দাম পাবেন। সরকার এর জন্য ৫ই জুন কৃষি পণ্য ব্যবসা-বাণিজ্য অধ্যাদেশ ২০২০ জারি করেছিল। এর সাহায্যে বাধাহীনভাবে রাজ্যের অভ্যন্তরে এবং এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী বিক্রি করতে পারবেন। কৃষকরা নিজের বাড়ি থেকে, গুদাম বা হিমঘর থেকে সরাসরি তাঁদের পণ্য বিক্রিরও সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে, তাঁদের উৎপাদিত সামগ্রী অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বাজারের জন্য বাড়তি পয়সা দেওয়ার সমস্যাগুলি থেকে তাঁরা রেহাই পাবেন। রাজ্যসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। CG/CB/SB (Visitor Counter : 92
pib-800
5fa14e62ea1cd197da12b59876c6d49c35c96d808f506bbeda42c2f880a05c59
ben
কেন্দ্রীয়লোকসেবাআয়োগ যুগ্ম চিকিৎসা সেবা পরীক্ষা ২০১৯ নয়াদিল্লি, ২১ অগাস্ট, ২০১৯ ইউপিএসসি’র গত ২১শ জুলাই ২০১৯এর যুগ্ম চিকিৎসা সেবা পরীক্ষার লিখিত অংশের ফলাফলের ভিত্তিতে এই পরীক্ষার পরবর্তী পর্যায় অর্থাৎ সাক্ষাৎকার এবং পার্সোনালিটি টেস্টের জন্য নির্বাচিতদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এটি শর্তাধীন তালিকা। তালিকায় যেসব পরীক্ষার্থীর নাম রয়েছে তাদের পরীক্ষায় বসার প্রতিটি শর্ত পূরণ করতে হবে। পার্সোনালিটি টেস্টের সময় প্রার্থীদের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্প্রদায়, শারীরিক অক্ষমতা সংক্রান্ত আসল নথি দেখাতে হবে। এরজন্য প্রার্থীদের এইসব নথি প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে। পরিক্ষার নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রার্থীকে বিস্তারিত আবেদনপত্র পুরণ করতে হবে। এই আবেদনপত্র কমিশনের ওয়েবসাইট http://www.upsconline.nic.in-এ ২৬ তারিখ থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। আবেদনপত্র অনলাইনে জমা দিতে হবে। সফল পরীক্ষার্থীদের ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট জায়গায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ১০ই এপ্রিলের ই-গেজেট দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত আবেদনপত্র পূরণ করার সময় প্রার্থীদের সব নীতি-নির্দশিকা মেনে চলতে হবে। প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রামাণ্য নথি জমা দিতে না পারলে তাদের পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য হবে। পার্সোনালিটি টেস্টের ও সাক্ষাৎকারের জন্য প্রার্থীরা কোনও ট্রাভেল অ্যালাউন্স পাবেন না। সাক্ষাৎকারের তারিখ ই-মেলের মাধ্যমে পরে জানানো হবে। প্রার্থীদের কমিশনের ওয়েবসাইট http://www.upsc.gov.in নিয়মিত দেখার অনুরোধ করা হয়েছে। কোনও অবস্হাতেই কোনও প্রার্থীর পার্সোনালিটি টেস্টের তারিখ এবং সময় পরিবর্তন করা হবেনা। যে সমস্ত প্রার্থী পরীক্ষায় সফল হতে পারবেন না, তাঁদের চূড়ান্ত ফলাফল পার্সোনালিটি টেস্টের পর কমিশনের ওয়েবসাইটে ৩০ দিনের জন্য দেওয়া থাকবে। প্রার্থীরা তাঁদের রোল নাম্বার এবং জন্ম তারিখ লিখে ওই চূড়ান্ত ফলাফল দেখতে পাবেন। যদি কেউ এর মুদ্রিত কপি পেতে চান, তাহলে তাঁকে ডাকটিকিট সমেত নিজের ঠিকানা লিখে একটি খাম সহ অনুরোধপত্র পাঠাতে হবে। ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রার্থীদের সুবিধার জন্য অফিস চত্ত্বরে একটি সহায়তা কেন্দ্র খুলেছে। যেকোন কাজের দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ওই কেন্দ্রে গিয়ে অথবা ০১১-২৩৩৮৫২৭১/১১২৫ এবং ০১১-২৩০৯৮৫৪৩ নাম্বারে ফোন করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যাবে। CG/CB/NS (Visitor Counter : 114
pib-807
bc040f4fb4b771725b0d536543a5e4aa1dfee4e27c8353cfca0815bb503f198d
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর মধ্যপ্রদেশের বীনায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ভাষণের বঙ্গানুবাদ নতুন দিল্লি, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ভারত মাতার জয়, ভারত মাতার জয়, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ভাই শিবরাজ সিং চৌহ্বানজী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী শ্রী হরদীপ সিং পুরীজি মধ্যপ্রদেশের অন্যান্য সাংসদগণ, রাজ্যের মন্ত্রিগণ, বিধায়কগণ এবং আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনরা ! বুন্দেলখণ্ডের এই মাটি বীরদের মাটি, শূরবীরদের মাটি। এই মাটি বীনা এবং বেতোয়া উভয় নদীর আশীর্বাদ পেয়েছে। এবার আমার একমাসের মধ্যেই দ্বিতীয়বার সাগর শহরে এসে আপনাদের সকলের সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয়েছে। আর আমি শিবরাজজীর নেতৃত্বাধীন সরকারকেও অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানাই যে, আজ তাঁরা আমাকে আপনাদের সবার মধ্যে এসে এই সাক্ষাতের সুযোগ করে দিয়েছেন। গতবার আমি সন্ত রবিদাসজীর স্মৃতিতে নির্মীয়মান অনিন্দ্যসুন্দর স্মারকের ‘ভূমি পূজন’ উপলক্ষে আপনাদের মধ্যে এসেছিলাম। আজ আমার মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নকে নতুন গতি প্রদানকারী অনেক প্রকল্পের ভূমি পূজনের সৌভাগ্য হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি এলাকার শিল্পোদ্যোগ উন্নয়নে নতুন প্রাণশক্তি জোগাবে। এই প্রকল্পগুলি নির্মাণে কেন্দ্রীয় সরকার ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় করবে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন, ৫০ হাজার কোটি টাকা কত বড় অঙ্ক ? আমাদের দেশের অনেক রাজ্যের সারা বছরের বাজেটও এই অঙ্কের হয়না। যতটা আজ একটি অনুষ্ঠানে শিলান্যাস করা মধ্যপ্রদেশের এই উন্নয়নমূলক কর্মসূচিগুলোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার খরচ করতে চলেছে। এথেকে বোঝা যায় যে, মধ্যপ্রদেশের জন্য আমাদের সংকল্প কত বড়। এই প্রকল্পগুলি আগামীদিনে মধ্যপ্রদেশের হাজার হাজার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান করবে। এই প্রকল্পগুলি গরীব এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির অনেক স্বপ্ন বাস্তবায়িত করবে। আমি বীনা রিফাইনারির সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য অনেক পরিষেবার শিলান্যাসের জন্য মধ্যপ্রদেশের কোটি কোটি জনগণকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। বন্ধুগণ, স্বাধীনতার এই অমৃতকালে প্রত্যেক দেশবাসী আমাদের ভারতকে উন্নত করে তোলার সংকল্প নিয়েছেন। এই সংকল্পকে বাস্তবায়িত করতে হলে ভারতকে আত্মনির্ভর হতে হবে, যাতে আমাদের বিদেশ থেকে ন্যূনতম পণ্য আমদানি করতে হয়। আজ ভারতকে বিদেশ থেকে পেট্রল, ডিজেল তো আমদানি করতে হয়ই, আমাদের বিভিন্ন পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের জন্যও অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হয়। আজ বীনা রিফাইনারিতে যে পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সের শিলান্যাস হয়েছে, তা ভারতকে এধরণের পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর করে তোলার কাজ করবে। অনেকেই জানেন না যে, প্ল্যাস্টিক পাইপ, শৌচাগারে ব্যবহার্য প্ল্যাস্টিকের বালতি এবং মগ, প্ল্যাস্টিকের নল, প্ল্যাস্টিকের চেয়ার-টেবিল, বাড়ির দেওয়ালের রঙ, গাড়ির বাম্পার ও ড্যাসবোর্ড, বিভিন্ন প্যাকিং মেটিরিয়াল, নানারকম চিকিৎসা সরঞ্জাম যেমন গ্লুকোজের বোতল, মেডিকেল সিরিঞ্জ ইত্যাদি নানা ধরণের কৃষি উপকরণ ইত্যাদি অনেক নিত্য ব্যবহার্য পণ্য উৎপাদনে পেট্রোকেমিক্যালের অনেক বড় ভূমিকা থাকে। এবার বীনায় নির্মীয়মান এই আধুনিক পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স এই সম্পূর্ণ এলাকার উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আজ আমি আপনাদেরকে গ্যারান্টি দিতে এসেছি এর ফলে, এখানে অনেক নতুন নতুন শিল্পোদ্যোগ আসবে । ফলে এখানকার কৃষক এবং ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্লোদ্যোগীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি আমার নবীন ভাই-বোনেদের জন্য কয়েক হাজার নতুন কর্ম সংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আজকের নতুন ভারতে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর বা উৎপাদন শিল্প ক্ষেত্রেও প্রভূত পরিবর্তন আসছে। যেভাবে দেশের প্রয়োজনগুলি বাড়ছে, সেভাবেই আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরকেও আধুনিক করে তুলতে হবে। এই ভাবনা নিয়েই আজ এখানে এই অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রদেশের জনগণের স্বার্থে ১০টি নতুন শিল্পোদ্যোগ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হল। নর্মদাপূরমে পুনর্নবিকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন নির্ভর ম্যানুফ্যাকচারিং জোন থেকে শুরু করে ইন্ডোরে দুটি নতুন আইটি পার্ক, রতলামে মেগা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক স্থাপিত হওয়ায় এগুলি মধ্যপ্রদেশের শিল্পোদ্যোগ শক্তিকে অনেক বাড়িয়ে দেবে। আর যখন মধ্যপ্রদেশের শিল্পোদ্যোগ শক্তি বাড়বে, তখন সবাই লাভবান হবেন। এখানকার নবীন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা, এখানকার কৃষক, এখানকার ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্পোদ্যোগীদের রোজগার বাড়বে, সবাই অনেক বেশি রোজগারের সুযোগ পাবেন। আমার পরিবারের প্রিয় আপনজনরা, কোনও দেশ, বা যে কোনও রাজ্যের উন্নয়নের জন্য স্বচ্ছ প্রশাসন জরুরি, যাতে দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। মধ্যপ্রদেশের আজকের প্রজন্মের হয়তো তেমন মনে নেই, কিন্ত একটা সময় ছিল যখন মধ্যপ্রদেশ দেশের সবচাইতে দরিদ্র রাজ্যগুলির অন্যতম ছিল। স্বাধীনতার পর যাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যপ্রদেশের শাসন ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা দুর্নীতি এবং অপরাধ ছাড়া মধ্যপ্রদেশবাসীকে কিছুই দেননি, কিছুই দেননি। একটা সময় ছিল যখন মধ্যপ্রদেশে অপরাধীদের শাসন চলত। শাসন ব্যবস্থার ওপর মানুষের ভরসাই ছিল না । এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশে শিল্পোদ্যোগ কিভাবে শুরু হত ? কোনও ব্যবসায়ী এখানে আসার সাহস কী করে করত ? আপনারা যখন আমাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, আমাদের দলের সহকর্মীদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, তখন আমরা সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। আমরা মধ্যপ্রদেশকে ভয়মুক্ত করেছি। এখানকার আইন ব্যবস্থাকে পুনঃস্থাপিত করেছি। পূর্ববর্তী প্রজন্মের অনেকেরই হয়তো মনে আছে যে কিভাবে কংগ্রেস এই বুন্দেলখণ্ডকে সড়কপথ, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং জলসরবরাহের মতো পরিষেবাগুলি থেকে বঞ্চিত রেখেছিল। আজ আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকার প্রত্যেক গ্রামে সড়কপথ পৌঁছে দিয়েছে। প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছে। যখন এই রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হল, তখন ব্যবস্যা-বাণিজ্যের জন্যও এখানে একটি ইতিবাচক আবহ গড়ে উঠেছে। আজ বড় বড় বিনিয়োগকারীরা মধ্যপ্রদেশে আসতে চান, এখানে নতুন নতুন কারখানা চালু করতে চান।আমার দঢ় বিশ্বাস, আগামী কয়েক বছরে মধ্যপ্রদেশ শিল্পোদ্যাগ উন্নয়নের ক্ষে্ত্রে নতুন উচ্চতা স্পর্শ করবে। আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, আজকের নতুন ভারত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বদলাচ্ছে। আপনাদের হয়তো মনে আছে, আমি লালকেল্লার প্রাকার থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণের সময় সবাইকে দাসত্বের মানসিকতা থেকে মুক্তি এবং সকলের প্রচেষ্টা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করেছিলাম। আজ এটা দেখে আমার খুব গর্ব হচ্ছে যে ভারত ইতিমধ্যেই দাসত্বের মানসিকতাকে পিছনে ফেলে এখন স্বাধীন হওয়ার আত্মাভিমান নিয়ে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে। যে কোনও দেশ যখন এমন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে ওঠে, তখন তার সমাজ জীবনেও আমূল পরিবর্তন আসতে শুরু করে। তেমনই পরিবর্তনের ছবি সম্প্রতি আপনারা জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সময় দেখেছেন। দেশের প্রতিটি গ্রামের বাচ্চাদের মুখেও এখন জি-২০ শব্দটি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গুঞ্জরিত হচ্ছে। আপনারা সবাই দেখেছেন যে, ভারত কিভাবে এই জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজন করেছে। আপনারা আমাকে বলুন বন্ধুগণ, বলবেন তো, আমাকে জবাব দিন। হাত উপরে তুলে জবাব দিন। যারা পেছনে বসে আছেন, তাঁরাও জবাব দিন। সবাই বলুন, আপনারা বলুন যে, জি-২০-র সাফল্যে আপনারা গর্বিত হয়েছেন কিনা? দেশ গর্বিত হয়েছে কিনা? গর্বে আপনাদের বুক উঁচু হয়েছে কিনা! আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, আপনাদের যেরকম গর্ব হচ্ছে, আজ সারা দেশের তেমনই গর্ব হচ্ছে। এই যে জি-২০ শিখর সম্মেলন এত বড় সাফল্য অর্জন করেছে, এর কৃতিত্ব কার? জানেন এর কৃতিত্ব কার? কে এটা করে দেখিয়েছে? কে এটা করেছেন? না, এতে মোদির কোনও কৃতিত্ব নেই,আপনারা সবাই মিলে এটা সম্ভব করেছেন। এটাই আপনার শক্তি. বন্ধুরা, এটা ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সাফল্য। এটা ভারতের সম্মিলিত শক্তির প্রমাণ। আর এই সম্মেলনে অংশ নিতে সারা বিশ্ব থেকে যে বিদেশি অতিথিরা ভারতে এসেছেন, তাঁরাও বলছেন, এমন আয়োজন আগে কখনও দেখেননি। ভারত দেশের বিভিন্ন শহরে বিদেশী অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে, তাঁরা তাঁদের ভারতকে দেখেছে, তাঁরা এদেশের বৈচিত্র্য দেখে, ভারতের ঐতিহ্য দেখে, ভারতের সমৃদ্ধি দেখে খুব মুগ্ধ হয়েছেন। এখানে, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, ইন্দোর এবং খাজুরাহোতে জি-২০-র সভা আয়োজিত হয়েছিল এবং সেখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা আপনাদের প্রশংসা করছেন এবং আপনাদের গুণগান করছেন। জি-২০র সফল সংগঠন এবং এখানে কাজ করার সুযোগের জন্য আমি আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনারা মধ্যপ্রদেশের সাংস্কৃতিক, পর্যটন, কৃষি ও শিল্প সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন। এর ফলে সারা বিশ্বে মধ্যপ্রদেশের নতুন ভাবমূর্তিও উন্নত হয়েছে। জি-২০র সফল আয়োজন নিশ্চিত করার জন্য আমি শিবরাজজি এবং তাঁর গোটা টিমের প্রশংসা করছি। আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, একদিকে, আজকের ভারত বিশ্বের সাথে সংযোগ স্থাপনের সামর্থ্য দেখাচ্ছে। আমাদের ভারত বিশ্ব মঞ্চে বিশ্ব বন্ধু হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। অন্যদিকে কিছু দল আছে যারা দেশ ও সমাজকে বিভক্ত করতে লিপ্ত। তাঁরা একসাথে একটি ইন্ডি-অ্যালায়েন্স গঠন করেছে। কেউ কেউ এই ইন্ডি-অ্যালায়েন্সকে অহংকারী জোটও বলে থাকেন। তাঁদের নেতা ঠিক হয়নি, নেতৃত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। তবে সম্প্রতি মুম্বাইয়ে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। আমার মনে হয়, ওই বৈঠকে তাঁরা এই অহংকারী জোট ভবিষ্যতে কীভাবে চলবে তার নীতি ও কৌশল তৈরি করেছেন। তাঁরা নিজেদের একটি গোপন এজেন্ডাও রচনা করেছেন। আর এই নীতি কৌশল কী? এই নীতি হল ইন্ডি অ্যালায়েন্সের নীতি, এই নীতি হল ভারতের সংস্কৃতিকে আক্রমণ করা, এটাই অহংকারী জোটের নীতি। ইন্ডি অ্যালায়েন্সের সিদ্ধান্ত ভারতীয়দের আত্মবিশ্বাসে আঘাত করা। ইন্ডি অ্যালায়েন্সের অহংকারী জোটের উদ্দেশ্য হল হাজার হাজার বছর ধরে ভারতকে একত্রিত করার ধারণা, মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যকে ধ্বংস করা। যে সনাতন ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে, দেবী অহিল্যাবাই হোলকার দেশের নানা প্রান্তে সামাজিক কাজ করেছেন, নারী উন্নয়নের জন্য অভিযান চালিয়েছেন, দেশের আত্মবিশ্বাস রক্ষা করেছেন, এই অহংকারী জোট, এই ভারত-জোট সেই সনাতন মূল্যবোধগুলিকে শেষ করার চেষ্টা করছে, এই পরম্পরাকে সমাপ্ত করার একটি রেজোলিউশন নিয়ে এসেছেন। এই সনাতন ভাবধারায় উদবুদ্ধ হয়েই ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ ব্রিটিশদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পেরেছিলেন যে তিনি তাঁর ঝাঁসি ছাড়বেন না। যে সনাতনে গান্ধীজী সারাজীবন বিশ্বাস করেছেন, ভগবান শ্রী রাম তাঁকে সারাজীবন অনুপ্রাণিত করেছেন, তাঁর উচ্চারিত শেষ বাক্যটি ছিল- হে রাম! যে সনাতন ভাবধারা তাঁকে অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেছিল, এই ইন্ডি অ্যালায়েন্সের লোকেরা, এই অহংকারী জোট সেই সনাতন ঐতিহ্যের অবসান ঘটাতে চায়। স্বামী বিবেকানন্দ যে সনাতনের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করেছিলেন, ইন্ডি- অ্যালায়েন্সের লোকেরা সেই সনাতনকে শেষ করতে চায়। যে সনাতন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লোকমান্য তিলক ভারতমাতাকে স্বাধীন করার লক্ষ্য স্থির করেছিলেন, গণেশ পূজাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন, সর্বজনীন গণেশ উৎসবের ঐতিহ্য তৈরি করেছিলেন, আজ এই ইন্ডি অ্যালায়েন্স সেই সনাতন ভাবধারাকে ধ্বংস করতে চায়। বন্ধুগণ, এমনই ছিল সনাতন বাগধারার শক্তি যে, স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগদানের জন্য ফাঁসির সাজা হওয়া বীরেরা বলতেন, পরের জন্য আমি যেন এই ভারতমাতার কোলেই জন্ম নিই! যে সনাতন সংস্কৃতি আমাদের সাধক রবি দাসের ভাবনার প্রতিফলন, যে সনাতন সংস্কৃতি মাতা শর্বরীর পরিচয় তুলে ধরে, যে সনাতন সংস্কৃতি মহর্ষি বাল্মিকীর সৃষ্টির ভিত্তি, যে সনাতন সংস্কৃতি কয়েক হাজার বছর ধরে ভারতকে একত্রিত করে রেখেছে, এই ইন্ডি অ্যালায়েন্সের লোকেরা এই সনাতন সংস্কৃতিকেই টুকরো টুকরো করতে চায়। আজ তাঁরা প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেছে, আজ তাঁরা প্রকাশ্যে আক্রমণ শুরু করেছে। আগামীকাল তাঁরা আমাদের ওপর আক্রমণ আরও বাড়াবে। সেজন্যে দেশের প্রত্যেক প্রান্তে বসবাসকারী সনাতন ভাবধারায় বিশ্বাসী মানুষ, দেশকে যারা ভালোবাসেন, দেশের মাটিকে যারা ভালোবাসেন, দেশের কোটি কোটি জনগণকে যারা ভালোবাসেন, এরকম প্রত্যেকেরই সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে। এই সনাতন ভাবধারাকে মিটিয়ে তাঁরা আর একবার দেশকে হাজার বছরের দাসত্বের দিকে ঠেলে দিতে চায়। কিন্তু, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে এই ধরণের শক্তিকে রুখতে হবে, আমাদের সংগঠনের শক্তি এবং আমাদের সংহতি দিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে হবে। আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, ভারতীয় জনতা পার্টি রাষ্ট্রভক্তি, জনশক্তির ভক্তি এবং জনসেবার রাজনীতির জন্য সমর্পিত। বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার প্রদানই ভারতীয় জনতা পার্টির সুশানের মূল মন্ত্র। ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার একটি সংবেদনশীল সরকার। দিল্লি হোক কিম্বা ভোপাল, আজ সরকার আপনাদের বাড়িতে পৌঁছে আপনাদের সেবা করার চেষ্টা করে। যখন কোভিডের মতো এত ভয়ঙ্কর সংকট এসেছিল, তখন সরকার কোটি কোটি দেশবাসীকে বিনামূল্যে টিকাকরণের অভিযান চালিয়েছে। আমরা আপনাদের সুখ দুঃখের সাথী। আমাদের সরকার ৮০ কোটিরও বেশি দেশবাসীকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছে, যাতে গরীবের বাড়িতে উনুন জ্বলতে থাকে, যাতে গরীব মানুষকে খালি পেটে না থাকতে হয়। আমরা এই চেষ্টাই করেছি যাতে কোনো গরীব, দলিত, পিছিয়ে পড়া আদিবাসী পরিবারের মাকে পেটে গামছা বেধে ঘুমাতে না হয়। বাচ্চা অভুক্ত রয়েছে, এই চিন্তায় ছটফট না করতে হয়। আমিও একজন গরীব মায়ের সন্তান। তাই এই সংকটকালে দেশের দরিদ্রের রেশনের কথা ভেবেছি । আর আপনাদের আশীর্বাদে আজও আমি এই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, আমরা গোড়া থেকেই এই চেষ্টা করেছি, যাতে মধ্যপ্রদেশ উন্নয়নের নতুন নতুন উচ্চতা স্পর্শ করে, মধ্যপ্রদেশের প্রত্যেক পরিবারের জীবন-যাপন যেন সহজ হয়, প্রত্যেক বাড়িতে যেন সমৃদ্ধি আসে। মোদীর গ্যারান্টি ‘ ট্র্যাক রেকর্ড‘’ আপনাদের সামনে রয়েছে। এখন তাঁদের ‘ট্র্যাক রেকর্ড’-এর কথা স্মরণ করুন আমাদের ‘ট্র্যাক রেকর্ড’-এর সঙ্গে তুলনা করুন। মোদী গবীরদের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার গ্যারান্টি দিয়েছিল। আজ মধ্যপ্রদেশেই ৪০ লক্ষেরও বেশি পরিবার পাকা বাড়ি পেয়েছে। আমরা বাড়িতে বাড়িতে শৌচাগার তৈরি করে দেওয়ার গ্যারান্টি দিয়েছিলাম, তা আমরা বাস্তবায়িত করে দেখিয়েছি। আমরা দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসার গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। আমরা প্রত্যেক পরিবারের ন্যূনতম একজন সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলানোর গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। আমরা মা ও বোনেদের ধোঁয়া ও দূষণমুক্ত রান্নাঘরের গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। এই রকম প্রতিটি গ্যারান্টি আপনাদের সেবক এই মোদী আজ বাস্তবায়িত করছে। আমরা বোনেদের কল্যাণের কথা ভেবে এবারের রাঁখি পূর্ণিমায় রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দামও অনেকটা কমিয়ে দিয়েছি। এর ফলে, উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাভোগী বোনেরা এখন অন্যদের তুলনায় ৪০০ টাকা কম দামে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছেন। উজ্জ্বলা যোজনা কিভাবে আমাদের মা-বোন- কন্যাদের জীবন রক্ষা করছে, তা আমরা সবাই ভালোভাবেই জানি। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে কোনও মা, বোন বা কন্যাকে ধোঁয়ার মধ্যে বসে রান্না না করতে হয়। সেজন্য গতকালই কেন্দ্রীয় সরকার আর একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন দেশে আরও ৭৫ লক্ষ বোনকে বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশন দেওয়া হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হল, কেউ যেন বাদ না যায়। একবার তো আমরা সবাইকেই রান্নার গ্যাস সংযোগ প্রদানের কাজ সম্পূর্ণ করেছিলাম। কিন্তু, কিছু পরিবার তারপর সম্প্রসারিত হয়েছে, বিভাজিত হয়েছে। এখন প্রত্যেক দ্বিতীয় পরিবারগুলিরওতো গ্যাস চাই। এরকম যত নাম আমাদের কাছে এসেছে, তাদের জন্য আমরা এই নতুন প্রকল্প নিয়ে এসেছি । বন্ধুগণ, আমরা নিজেদের দেওয়া প্রত্যেকটি গ্যারান্টি বাস্তবায়িত করার জন্য সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে কাজ করছি। দেশে দালালতন্ত্র সমাপ্ত করে আমরা সুবিধাভোগীদের সম্পূর্ণ পরিষেবা প্রদানের গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি। এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী প্রত্যেক কৃষককে ইতিমধ্যেই সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২৮ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে । এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ করেছে। বন্ধুগণ, বিগত ৯ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার এই চেষ্টা চালিয়ে গেছে,যাতে কৃষকদের বিনিয়োগ কমানো যায়, তারা যেন সস্তায় সার কিনতে পারেন, সেজন্য আমাদের সরকার ৯ বছরে ১০ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি রাজকোষ থেকে খরচ করেছে। যে ইউরিয়ার বস্তা আমেরিয়ায় ভারীতয় অর্থমূল্যের ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়, সেই বস্তাই আমরা কিনে এনে কৃষকদের মাত্র ৩০০ টাকায় বিক্রি করি। সেজন্য গত ৯ বছরে ১০ লক্ষ কোটি টাকা রাজকোষ থেকে খরচ হয়েছে। আপনারা স্মরণ করুন, যে ইউরিয়ার নামে আগে হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে, যে ইউরিয়ার জন্য দেশের কৃষকদের ওপর লাঠিচার্জ করা হতো, এখন সেই ইউরিয়া কত সহজে প্রত্যেক জায়গায় পাওয়া যায়। আমার প্রিয় পরিবারের আপনজনেরা, সেচের গুরুত্ব কতটা, তা বুন্দেলখণ্ডের জনগণ থেকে বেশি কারা জানে। ভারতীয় জনতা পার্টির ডবল ইঞ্জিন সরকার বুন্দেলখণ্ডে অনেক সেচ প্রকল্প বাস্তবায়িত করেছে। কেন-বেতোয়া লিঙ্ক নালার মাধ্যমে বুন্দেলখণ্ড সহ এই এলাকার লক্ষ লক্ষ কৃষক অনেক লাভবান হবেন এবং সারাজীবন ধরে উপকৃত হবেন । তাঁদের আগামী প্রজন্মও উপকৃত হবেন। দেশের প্রত্যেক বোনকে তাঁর রান্নাঘরে নলের মাধ্যমে পরিশ্রুত পাণীয় জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের সরকার নিরন্তর পরিশ্রম করে চলেছে। মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই সারা দেশে প্রায় ১০ কোটি পরিবারের রান্নাঘরে নলের মাধ্যমে পরিশ্রুত পাণীয় জল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। মধ্যপ্রদেশেও ৬৫ লক্ষ পরিবারের রান্নাঘরে নলের মাধ্যমে পরিশ্রুত পাণীয় জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বুন্দেলখণ্ডের মা ও বোনেরা অনেক বেশি উপকৃত হচ্ছেন। বুন্দেলখণ্ডে অটল ভূজল যোজনার মাধ্যমে নতুন নতুন জলের উৎস তৈরি করার কাজও ব্যাপকস্তরে চলছে। বন্ধুগণ, আমাদের সরকার এই এলাকার উন্নয়নের জন্য, এই এলাকার গৌরব বৃদ্ধির জন্যও সম্পূর্ণরূপে দায়বদ্ধ, সম্পূর্ণরূপে আপনাদের প্রতি সমর্পিত প্রাণ । এবছর ৫ অক্টোবর রানী দূর্গাবতীজীর ৫০০ তম জন্মজয়ন্তী আসছে। আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপণার সঙ্গে এই পবিত্র দিনটি পালন করতে চলেছে। বন্ধুগণ, আমাদের সরকারের বিভিন্ন প্রচেষ্টা থেকে সব থেকে বেশি লাভবান হয়েছেন দেশের গরীব মানুষ, দলিত, পিছিয়ে পড়া ও বিভিন্ন জনজাতির মানুষ । বঞ্চিতদের অগ্রাধিকার “সবকা সাথ সবকা বিকাশ “ এই মডেল আজ গোটা বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। এখন ভারত বিশ্বের “টপ- থ্রি “ অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে চলেছে। ভারতকে “টপ- থ্রি“ অর্থনীতির দেশ করে গড়ে তুলতে মধ্যপ্রদেশের বড় ভূমিকা রয়েছে। আর আমি দৃঢ় নিশ্চিত যে, মধ্যপ্রদেশ সেই দায়িত্ব পালন করবে। এর ফলে এখানকার কৃষকদের, এখানকার শিল্পোদ্যোগগুলির এবং এখানকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন নতুন সুযোগ গড়ে উঠবে। আগামী ৫ বছর মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার সময়। আজ যে প্রকল্পগুলির ভিত্তিপ্রস্তর আমি স্থাপন করলাম, এগুলি মধ্যপ্রদেশের দ্রুত উন্নয়নকে আরও তরান্বিত করবে। আপনারা সবাই এত বিপুল সংখ্যায় এই উন্নয়নের উৎসবকে উদযাপন করতে এসেছেন, উন্নয়নের উৎসবে অংশীদার হয়েছেন, আর আমাদেরকে আশীর্বাদ দিয়েছেন, সেজন্য আমি আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই, অনেক অনেক শুভকামনা জানাই। আমার সঙ্গে বলুন- ভারত মাতার জয়, ভারত মাতার জয়, ভারত মাতার জয়, ধন্যবাদ AC/SB/CS (
pib-815
d730fd38ed1d6c12e5085aa5843fd88177d03d7a40a8de1ebb648dc42ee8ade4
ben
মহাকাশদপ্তর ইসরো'র অ্যামাজনিয়া-১ উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের পর ব্রাজিলের মন্ত্রী মার্কোস পন্টেসের সঙ্গে মহাকাশ ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডাঃ জিতেন্দ্র সিং'এর আলোচনা নতুন দিল্লি, ১ মার্চ, ২০২১ উত্তর পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর দফতর, কর্মীবর্গ, গণ অভিযোগ,পেনশন, আণবিক শক্তি ও মহাকাশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ জিতেন্দ্র সিং আজ জানিয়েছেন, আগামী দিনে মহাকাশ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশ্বের দরবারে ভারত সম্মান আরো বৃদ্ধি পাবে। ইসরো'র অ্যামাজনিয়া -১ উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের পর ব্রাজিলের মন্ত্রী মার্কোস পন্টেসের সঙ্গে মহাকাশ ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডাঃ জিতেন্দ্র সিং এ কথা জানান। তিনি বলেন এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। ডাঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ৫-৬ বছর ধরে মহাকাশ প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ডে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।এর ফলে মানুষের জীবন যাত্রা সহজ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, রেল হোক বা আধুনিক শহর, কৃষি হোক বা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মহাসড়ক বা প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন হয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রথমবার বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য ভারতের মহাকাশ প্রযুক্তিকে "আনলক" করার মতো প্রধানমন্ত্রীর বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে ডঃ জিতেন্দ্র সিংহ জানান যে আগামীদিনে এই পদক্ষেপ ‘জীবনযাত্রা,‘পরিবেশে' ও ‘মানবতার' ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। ব্রাজিলের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রী মার্কোস পন্টেস বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত-ব্রাজিলের যৌথ উদ্যোগ বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য নতুন সুযোগ এনে দেবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে। এদিনের আলাপচারিতায় ভবিষ্যতের মহাকাশ বিজ্ঞান মিশনে সহযোগিতা, সম্ভাবনা, ইসরোর পিএস-৪ অরবিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বার্তালাপ চালানো হয়।
pib-816
ce188e249b5f857872318dcd0de0512e2f4551aeab58cc9566b935e4b7cb7f79
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেশুভাই প্যাটেলের প্রয়াণে প্রধানমন্ত্রী শোকজ্ঞাপন নয়াদিল্লি, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেশুভাই প্যাটেলের প্রয়াণে শোকব্যক্ত করেছেন। একগুচ্ছ ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমাদের প্রিয় ও সম্মানীয় কেশুভাই প্রয়াত হয়েছেন। আমি অত্যন্ত ব্যথিত ও মর্মাহত। তাঁর অসামান্য নেতৃত্বদানের ক্ষমতা ছিল, তিনি সমাজের সকল শ্রেণীর খেয়াল রাখতেন। গুজরাটের উন্নয়ন এবং প্রতিটি গুজরাটবাসীর ক্ষমতায়নের জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। কেশুভাই জনসঙ্ঘ ও বিজেপি-কে শক্তিশালী করার জন্য গুজরাটের সব অঞ্চল সফর করেছিলেন। তিনি জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। কৃষকদের কল্যাণের বিষয়গুলি নিয়ে তিনি সর্বদা ভাবনাচিন্তা করতেন। বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী অথবা মুখ্যমন্ত্রী - সব দায়িত্ব পালনের সময়েই তিনি কৃষক-বান্ধব বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছিলেন। কেশুভাই আমাকে সহ অনেক তরুণ কার্যকর্তাকে গড়ে তুলেছিলেন। সকলে তাঁর সুন্দর স্বভাবের জন্য তাঁকে ভালোবাসতেন। তাঁর প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি। আজ আমরা সকলে মর্মাহত। তাঁর পরিবার ও গুণমুগ্ধদের আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাঁর ছেলে ভরতের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং আমি তাঁকেও সমবেদনা জানিয়েছি। ওম শান্তি।” CG/CB/DM (
pib-819
31720007bdd6344955c248de9da1d0ca44c6d359a0f00a3c9078d3eacc40270c
ben
পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক বর্ষশেষ পর্যালোচনা – ২০২০ পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক নয়াদিল্লি, ০১ জানুয়ারি, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা : কোভিড-১৯ এর দরুণ আর্থিক প্যাকেজের অঙ্গ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ উদ্যোগের আওতায় গত ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকদের বিনামূল্যে তিনটি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় তেল বিপণন সংস্থাগুলি গত ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত উজ্জ্বলা যোজনার সুফলভোগীদের ১৪১৩.৩৮ লক্ষ রিফিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহ করেছে। যোজনার আওতায় ৭ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি সুফলভোগী বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের সুবিধা গ্রহণ করেছে। ওপেন অ্যাকরেজ লাইসেন্সিং পলিসি – নিলাম পর্ব : ২০২০-তে ১৯ হাজার ৭৮৯ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত গত অক্টোবর পর্যন্ত ১১টি ব্লক নিলাম প্রক্রিয়ার আওতায় বরাত দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়া গ্যাস এক্সচেঞ্জ – এর সূচনা জুন মাসে : ইন্ডিয়া গ্যাস এক্সচেঞ্জ একটি গ্যাস বিপণন প্ল্যাটফর্ম। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হয়। ইন্ডিয়া গ্যাস এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থায় শীঘ্রই গ্যাস শিল্প ক্ষেত্র থেকে কয়েকটি কৌশলগত ক্ষেত্রে লগ্নির সম্ভাবনা রয়েছে। মোটর গাড়ির জ্বালানি সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও নীতি : পরিশ্রুত জ্বালানীর যোগান বাড়াতে এবং ভারত স্টেড-৬ মান্নতাসম্পন্ন জ্বালানির যোগান সুনিশ্চিত করতে গত পয়লা এপ্রিল থেকে মোটর গাড়ির জ্বালানির ক্ষেত্রে মান সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। জাতীয় গ্যাস গ্রিড : ২০২০-তে জাতীয় গ্যাস গ্রিডের অঙ্গ হিসাবে মোট ১ হাজার ৫৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা/গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি/সমঝোতা/বিনিয়োগ : শক্তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ়করণের অঙ্গ হিসাবে ভারত দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে অশোধিত তেল আমদানির উৎস হিসাবে রাশিয়া ও আঙ্গোলাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। শক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর সঙ্গে মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী জি-২০ দেশগুলির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। ওপেক সংগঠনের উচ্চস্তরীয় বৈঠকে এবং আন্তর্জাতিক শক্তি ফোরামের সভায় যোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী গত অক্টোবর মাসে ইন্ডিয়া এনার্জি ফোরাম শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী চতুর্থ সিইআরএ সম্মেলনের প্রথমবার উদ্বোধন করেন। ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল কর্মসূচি : ২০১৯-২০ ইথানল সরবরাহ বর্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি মিশ্রণের উদ্দেশ্যে ১৭২.৪৩ কোটি লিটার ইথানল সংগ্রহ করে। ইথানল মিশ্রণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য স্থির করা হয়েছে। সরকার এই প্রথম অতিরিক্ত চাল ও মেজ থেকে ইথানল উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে। পাইপ লাইন বাহিত গ্যাসের মাশুল যুক্তিসঙ্গত করা : পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ গত সেপ্টেম্বর মাসে পাইপ বাহিত প্রাকৃতিক গ্যাসের মাশুল ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে সংশ্লিষ্ট আইনে খসড়া সংশোধনীর প্রস্তাব করে, যাতে সমস্ত আন্তঃসংযুক্ত পাইপ লাইনগুলিকে মাশুল ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা যাবে। সুলভ পরিবহণের লক্ষ্যে বিকল্প সুস্থায়ী পন্থা : ২০১৮’র পয়লা অক্টোবর সুলভ পরিবহণের লক্ষ্যে বিকল্প সুস্থায়ী পন্থা বা ‘সতত’ কর্মসূচির সূচনা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় ২০২০-র ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭টি প্ল্যান্ট থেকে এবং ১৩টি বিক্রয় কেন্দ্র থেকে সিবিজি বা ঘনীভূত জৈব গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করার পিপি-এলসি নীতির সংস্কার করা হয়েছে, যাতে স্থানীয়ভাবে পণ্য সামগ্রীর উৎপাদনে আরও প্রসার ঘটানো যায়। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সুলভে আবাসন ভাড়া কর্মসূচির আওতায় তেল ও গ্যাস বিপণনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা/সংগঠনগুলির সঙ্গে পরামর্শ অনুযায়ী পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ৫০ হাজার আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে।
pib-822
c6ca8a97052c3a3cfb10f3979a6c743dd5d0794ec867c205c623c210f6709326_3
ben
কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা লিথুয়ানিয়ায় ভারতীয় মিশন খোলার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নতুন দিল্লি, ২৭ এপ্রিল, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা লিথুয়ানিয়ায় একটি ভারতীয় মিশন খোলার অনুমোদন দিয়েছে। লিথুয়ানিয়ায় এই ভারতীয় মিশন খোলার ফলে ভারতের কূটনৈতিক সীমা প্রসারিত হবে, লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর হবে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কাজকর্ম বাড়বে, দু’দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি পাবে, বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের রাজনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের বিদেশ নীতির উদ্দেশ্যগুলি পূরণে আরও সমর্থন পাওয়া যাবে। লিথুয়ানিয়ায় ভারতীয় মিশন সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তাদের যে কোনো প্রয়োজনে সহায়তা করবে। আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার হল বিকাশ ও উন্নয়ন বা ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’। লিথুয়ানিয়ায় ভারতীয় মিশন খোলার সিদ্ধান্ত এই লক্ষ্যে এক ইতিবাচক পদক্ষেপ। ভারতের কূটনৈতিক সীমা প্রসারিত হওয়ার অর্থ ভারতীয় কোম্পানীগুলির নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার লাভ এবং পণ্য ও পরিষেবার রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে দেশীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও, যা স্বনির্ভর বা আত্মনির্ভর ভারত গঠনে সহায়ক হবে। CG/SD/SKD/ (Visitor Counter : 135
pib-823
c664b0f2b36b504e700c7751a5ce3a335413e7e21077f02118e632000a7de93b
ben
অর্থমন্ত্রক এলআইসি এজেন্ট এবং কর্মীদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি অনুমোদন করেছে অর্থ মন্ত্রক নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ অর্থ মন্ত্রক আজ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া -র এজেন্ট ও কর্মীদের জন্য একগুচ্ছ কল্যাণমূলক কর্মসূচি অনুমোদন করেছে। এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিগুলি এলআইসি রেগুলেশন ২০১৭ সংশোধনী, গ্র্যাচুইটির ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি এবং ফ্যামিলি পেনশনের সমহার ইত্যাদি সংক্রান্ত। এলআইসি এজেন্ট ও কর্মীদের জন্য অনুমোদিত কল্যাণমূলক কর্মসূচিগুলি নিম্নরূপ: - এলআইসি এজেন্টদের জন্য গ্র্যাচুইটির ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫ লক্ষ টাকা করা হচ্ছে। এতে এলআইসি এজেন্টদের কাজের পরিবেশ ও আর্থিকভাবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। - পুনর্নিযুক্ত এজেন্টরা রিন্যুয়াল কমিশন পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এতে তাঁদের আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে। বর্তমানে এলআইসি এজেন্টরা পুরনো সংস্থার অধীনে কোনও সম্পূর্ণ হওয়া কাজের ক্ষেত্রে রিন্যুয়াল কমিশন পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন না। - এজেন্টদের জন্য মেয়াদী বীমার অঙ্কের স্তর বর্তমানে ৩ হাজার – ১০ হাজার টাকা। সেটি বাড়িয়ে ২৫ হাজার – ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মেয়াদী বীমার অঙ্কের এই বৃদ্ধিতে বিশেষ করে উপকৃত হবেন মৃত এজেন্টদের পরিবারগুলি। - এলআইসি কর্মীদের পরিবারের কল্যাণে ফ্যামিলি পেনশনের হার সবক্ষেত্রেই হবে ৩০ শতাংশ। - ১৩ লক্ষেরও বেশি এজেন্ট এবং ১ লক্ষেরও বেশি নিয়মিত কর্মী, যাঁরা এলআইসি-র উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন এবং ভারতে বীমাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁরা এইসব কল্যাণমূলক কর্মসূচি থেকে উপকৃত হবেন। AC/AP/SB (
pib-824
e3c2483045533ef9f964808f6508d1de7e90bd658ef23dfb99f6405417835ac2_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার বিষয়ে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নতুন দিল্লি, ২৭শে অগষ্ট, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার বিষয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্য রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে উৎপাদন বাড়িয়ে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বেসরকারী সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ বাড়িয়ে এই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিং এবং তাঁর সহযোগীরা প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার জন্য নিরলসভাবে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, আজকের এই আলোচনা সভা লক্ষ্য অর্জনে নিশ্চিতভাবে পথ দেখাবে। ভারত যখন স্বাধীনতা লাভ করেছিল, সেই সময়ই প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে প্রয়োজনীয় পরিবেশ গড়ে তুলতে যথেষ্ট সুযোগ ছিল বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে যথাযথ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি এখন বদলাচ্ছে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কার আনার জন্য নিয়মিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ার সরলীকরণ, বিভিন্ন সংস্থার এই ক্ষেত্রে যোগদান নিশ্চিত করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা এবং রপ্তানী বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আধুনিক ও আত্মনির্ভর ভারত গড়ার জন্য প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ পদ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা এখন বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আত্মপ্রত্যয়ী ভারতের প্রতিফলন ঘটেছে। তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং সহযোগিতা চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের মাধ্যমে আরো ভালোভাবে হচ্ছে। এর ফলে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একইভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ৭৪ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যদিয়ে নতুন ভারতের আত্ম প্রত্যয় বৃদ্ধির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। শ্রী মোদী বলেছেন, দেশে উৎপাদিত সামগ্রী কেনার জন্য ১০১ রকমের পণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতি হবে। তিনি আরো বলেছেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহের ক্ষেত্রে এবং দেশে উৎপাদিত সামগ্রীর পরীক্ষা – নিরীক্ষার জন্য সরকার, বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলি বীমাকরণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে তাতে কর্মচারী এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র – দুপক্ষেরই লাভ হবে। অত্যাধুনিক সরঞ্জামে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবনের উপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ডিআরডিওর পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থাগুলি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, বিদেশী সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্ব দিয়েছেন। সংশোধন, সংস্কার এবং রূপান্তর – এই মন্ত্রে সরকার, কাজ করে চলেছে। স্বত্বাধিকার, কর ব্যবস্থা, ঋণ খেলাপি এবং মহাকাশ এবং আনবিক শক্তির ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার হাতে নেওয়া হয়েছে। পরিকাঠামোর উন্নয়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরপ্রদেশ এবং তামিলনাডুতে দুটি প্রতিরক্ষা করিডর তৈরি করা হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ এবং তামিলনাডু সরকারের সঙ্গে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। আগামী ৫ বছরে এক্ষেত্রে ২০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এবং নতুন উদ্যোগের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের উৎসাহিত করতে আইডেস্ক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখান থেকেও ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে। ৫০টির বেশি নতুন উদ্যোগী সংস্থা উন্নত প্রযুক্তি এবং তার সাহায্যে সেনাবাহিনীতে ব্যবহারের জন্য উৎপাদিত পণ্যের কাজ শুরু হয়েছে। ভারতকে ক্ষমতাশালী করে তুলতে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে আরো সহনশীল হয়ে উঠতে হবে। আরো স্থায়ী ব্যবস্থা এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখতে নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করতে হবে। প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনের ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার এই ধারণার সাহায্যে ভারত, একদিন তার বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলিকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হয়ে উঠবে। এর ফলে কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং সামগ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন এবং তা বিদেশে রপ্তানীর নীতি তৈরি করা হয়েছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় নীতি গড়তে বিভিন্ন পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী, জনসাধারণের কাছে আহ্বান করেছেন। তাঁর বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আত্মনির্ভর ভারত অভিযানে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের সমস্যা আমরাই মেটাবো,আজ আমাদের মধ্যে এই মানসিকতাই তৈরি হয়েছে। (CG/CB/SFS
pib-825
4e35d472b07e4ef192fbe4f2b57885e941079402c93add305ee99ba11502255f_2
ben
আদিবাসীবিষয়কমন্ত্রক ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রকল্পের আওতায় বিপণনের জন্য বনাঞ্চলে উৎপাদিত ১৪ টি পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নতুন দিল্লি, ৩০ জানুয়ারি, করোনা জনিত অতিমারি পরিস্থিতির জন্য সারা দেশজুড়ে অন্যান্য সম্প্রদায়ের পাশাপাশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষও চরম অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। এরকম একটি পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের মাধ্যমে কয়েকটি টি বন্যজাত পণ্যকে বিপণনের ব্যবস্থা আগেই করেছে। মেকানিজম ফর মারকেটিং অফ মাইনর ফরেস্ট প্রডিউস মারফত দেশের ২১ টি রাজ্যে রাজ্য সরকারের অধীন সংস্থাগুলির সহায়তায় এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত 3 হাজার কোটি টাকার অর্থের সংস্থান হয়েছে। এবার আদিবাসী মন্ত্রকে পক্ষ থেকে বন্যজাত আরো ১৪ টি পণ্যকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তসর ককুন, ক্যাসিউ কার্নেল, এলিফ্যান্ট অ্যাপেল ড্রাই, বাম্বু শুট, মালকানগানি সিড, মহুল লিভস, নাগোড, গোখ্রু, পিপলা, গামহার, ওরক্সিলুমিনডিকাম, ওয়াইলড মাশরুম ড্রাই, শৃঙ্গরাজ এবং ট্রিমস।
pib-827
342019350612ab45385a7a01be1abcc61c30b514bbd5bd442477d8ea7f6bcede
ben
যোগাযোগওতথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক বর্ষশেষ পর্যালোচনা – ২০২১ : ডাকবিভাগ নয়াদিল্লি, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ভারতীয় ডাকবিভাগ ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মূলভিত্তি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ডাকবিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। দেশের সাধারণ মানুষকে ডাকবিভাগ বিভিন্নভাবে পরিষেবা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে – চিঠিপত্র বিলি, ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে আমানত সংগ্রহ, ডাক জীবন বিমার মাধ্যমে বিমার সুবিধা এবং গ্রামীণ ডাক জীবন বিমা প্রভৃতি। বিভাগীয় পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি, ভারতীয় ডাক সরকারের নাগরিক-কেন্দ্রিক অন্যান্য পরিষেবা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে – মহাত্মা গান্ধী নারেগা কর্মসূচিতে মজুরি প্রদান, বয়স্কদের পেনশন সুবিধা প্রভৃতি। এবারের বর্ষশেষ পর্যালোচনায় ডাকবিভাগের বিভিন্ন সাফল্য ও অগ্রগতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। • পরিষেবা ব্যবস্থায় রিয়েল টাইম আপডেট – দেশে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ডাকঘর সহ ৯৮ হাজার ৪৫৪টি গ্রামীণ ডাকঘরে পোস্টম্যান মোবাইল অ্যাপ চালু হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে স্পীড পোস্ট ও রেজিস্টার পোস্ট পরিষেবা দেওয়া হয়। • ‘নান্যথা’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দপ্তর-ভিত্তিক ডাকঘরগুলির সঙ্গে ৯৮ শতাংশ লেটারবক্স অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। • ডাকবিভাগের স্পীড পোস্ট পরিষেবায় গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৪১৩ কোটি টাকারও বেশি ৩৪ কোটি ৯৭ লক্ষ সামগ্রী পরিচালনা করা হয়েছে। • ডাকবিভাগ এখনও পর্যন্ত অর্ডিনারি পোস্টে ১৬৬ কোটি ৭৩ লক্ষেরও বেশি আধার কার্ড বিলি করেছে। এছাড়াও, স্পীড পোস্টের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ আধার পিভিসি কার্ড বিলি করেছে। • ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের সঙ্গে ডাকবিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, নিগমের পলিসি বন্ডগুলির মুদ্রিত নথিপত্র ডাকবিভাগ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। • ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ডাকবিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, স্পীড পোস্টের মাধ্যমে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। • জম্মু ও কাশ্মীর ডাক সার্কেলে ডাক পরিষেবা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে অতিরিক্ত ১৭টি মেইল মোটর সার্ভিস যান সংগ্রহ করা হয়েছে। • ২০২১-২২ অর্থবর্ষে দেশের অন্যান্য ডাক সার্কেলে ৭৫টি নতুন এ ধরনের যান সংগ্রহ করা হয়েছে এবং একাধিক পুরনো বা অকেজো গাড়ি বাতিল হয়েছে। • বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে ইলেক্ট্রনিক অ্যাডভান্সড ডেটা আদান-প্রদানে বহুপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত। এর ফলে, ডাকবিভাগের বিভিন্ন সামগ্রীর শুল্ক দপ্তরের কাছ থেকে দ্রুত ছাড়পত্র মিলবে। • ডাকবিভাগ আন্তর্জাতিক ডাক-সামগ্রীগুলির শুল্ক দপ্তরের কাছ থেকে দ্রুত ছাড়পত্রের জন্য পোস্টাল বিল অফ এক্সপোর্ট সফটওয়্যার গড়ে তুলছে। • কেন্দ্রীয় যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী গত ৩ নভেম্বর সুরাটে ডাকবিভাগে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টারের উদ্বোধন করেছেন। এর ফলে, বাণিজ্যিক রপ্তানি বাড়বে এবং রপ্তানিকারীদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। • কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ-এর সময় ডাকবিভাগ শুল্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতায় কোভিড আপৎকালীন বিভিন্ন সামগ্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এ ধরনের আপৎকালীন সামগ্রী বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিতে ডাক ভবন ও সমস্ত এক্সচেঞ্জ অফিসে কোভিড সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হয়। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি : • ভারতীয় ডাকবিভাগ ১ লক্ষ ৫৬ হাজারেরও বেশি ডাকঘরের মাধ্যমে ২৯ কোটি ২৯ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় ডাকঘর সেভিং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পরিষেবা দিচ্ছে। ডাকঘর সেভিং ব্যাঙ্ক কর্মসূচিতে আমানতের পরিমাণ ১২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭৩ কোটি টাকা। ডাক বিভাগের যে কোর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা রয়েছে, তা বিশ্বের সর্ববৃহৎ। কোর ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় ইতিমধ্যেই ২৪ হাজার ৯৭১টি ডাকঘরকে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও, ১ লক্ষ৮ ২৯ হাজারেরও বেশি ডাকঘরের শাখা রিয়েল টাইম-ভিত্তিক কোর ব্যাঙ্কিং পরিষেবা সদ্ব্যবহার করছে। • ডাকবিভাগ গ্রামীণ মানুষের জন্য ডাকঘরের মাধ্যমে ৫টি স্বল্প সঞ্চয় কর্মসূচিতে পরিষেবা দিচ্ছে। এগুলি হ’ল – মাথলি ইনকাম স্কিম, সিনিওর সিটিজেন সেভিংস স্কিম, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট এবং কিষাণ বিকাশপত্র। এই পরিষেবাগুলি ডাকঘরের স্থানীয় শাখার মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়। • শিশুকন্যাদের আর্থিক ক্ষমতায়নে অত্যন্ত জনপ্রিয় সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৬ লক্ষেরও বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যেখানে আমানতের পরিমাণ ৮০ হাজার ৫০৯ কোটি টাকারও বেশি। দেশে মোট সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্টের মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশই ডাকঘরের সঙ্গে যুক্ত। • ডাকবিভাগ একাধিক বিমা ও পেনশন পরিষেবা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে – প্রধানমন্ত্রী জনসুরক্ষা কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা এবং অটল পেনশন যোজনা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচিগুলির পরিষেবা পৌঁছে দিতে ডাকবিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ডাক জীবন বিমা/গ্রামীণ ডাক জীবন বিমা – ভারতীয় ডাকবিভাগের জীবন বিমা এবং গ্রামীণ জীবন বিমা পরিষেবায় আমানতের অর্থ ২ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এছাড়াও, বিমাকৃত ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি। এই দুটি বিমা তহবিলে মোট সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা। নাগরিক-কেন্দ্রিক পরিষেবা : • ডাকঘর পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র : পাসপোর্টের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে বিদেশ মন্ত্রক ও ডাকবিভাগ ডাকঘরগুলিতে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে পারস্পরিক সম্মত হয়। সেই অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৪২৮টি ডাকঘর পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র চালু হয়েছে। ডাকঘর পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১২ লক্ষেরও বেশি পাসপোর্ট আবেদন খতিয়ে দেখা হয়েছে। • আধার নথিভুক্তি ও আপডেট সেন্টার : ডাকঘরের মাধ্যমে আধার নথিভুক্তি ও সংশোধন/সংযোজন পরিষেবা দেওয়া হয়। এজন্য ৪২ হাজারেরও বেশি ডাক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে ১৩ হাজার ৩৫২টি ডাকঘর আধার কেন্দ্র চালু হয়েছে, যেখানে বিনামূল্যে আধারের জন্য নাম নথিভুক্তি করা হয়ে থাকে। • প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর : ডাকবিভাগ গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষেত্রে ৩ কোটি ২৯ লক্ষ প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর পরিষেবা দিয়েছে। • ডাকবিভাগ গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১ লক্ষ ২৯ হাজারেরও বেশি শাখা ডাকঘরের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় ১২ কোটি ৮৭ লক্ষ ক্ষেত্রে ১৯ হাজার ৪০২ কোটি টাকার অনলাইন ডাক ও আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করেছে। গড়ে প্রতি মাসে এ ধরনের লেনদেনের সংখ্যা ১ কোটি ৯৫ লক্ষ। • ডাকঘর কমন সার্ভিস সেন্টার : ভারতীয় ডাকবিভাগ নাগরিক-কেন্দ্রিক পরিষেবা আরও পারদর্শিতার সঙ্গে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে কমন সার্ভিস সেন্টারের সঙ্গে ৫ বছর মেয়াদী সহযোগিতা গড়ে তুলেছে। এর অঙ্গ হিসাবে ৯১ হাজারেরও বেশি ডাকঘর থেকে কমন সার্ভিস সেন্টারের বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। চরম বাম উগ্রপন্থা অধ্যুষিত সুনির্দিষ্ট ৯০টি জেলায় ডাকঘরের নতুন শাখা চালু : নিরাপত্তা সম্পর্কিত কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট কমিটির কাছে পাঠানো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দেশে চরম বাম উগ্রপন্থা অধ্যুষিত সুনির্দিষ্ট ৯০টি জেলায় ৪ হাজার ৯০৩টি নতুন ডাকঘর শাখা খোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এখনও পর্যন্ত এ ধরনের ১ হাজার ৭৮৯টি শাখা চালু হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক বাকি ৩ হাজার ১৪১টি ডাকঘরের শাখা খোলার অনুমতি দিয়েছে। সমস্ত ডাক সার্কেলকে এই ৩ হাজার ১৪১টি শাখা মার্চ মাসের মধ্যে চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্তরে গণঅভিযোগ নিষ্পত্তি ও নজরদারি ব্যবস্থা : ডাকবিভাগ প্রথম এজেন্সি হিসাবে প্রশাসনিক সংস্কার তথা গণঅভিযোগ দপ্তরের সঙ্গে সহযোগিতায় ১ লক্ষ ৫০ হাজারেরও বেশি ডাকঘরে গণঅভিযোগ নিষ্পত্তি ও নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে দৈনিক গড়ে ১৬টি করে সমস্যার নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া সেল : ডাকবিভাগের একটি স্বতন্ত্র সংস্থা সোশ্যাল মিডিয়া সেল। এই সংস্থা ডাকবিভাগের ট্যুইটার, ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম অ্যকাউন্টগুলি পরিচালনা করে। ইন্ডিয়া পোস্ট কল সেন্টার : ভারতীয় ডাকবিভাগ ২০১৮’র পয়লা জুন বারাণসীতে ইন্ডিয়া পোস্ট কল সেন্টার চালু করে। এই কল সেন্টার সপ্তাহে সবদিন দিবারাত্রি সারা বছর চালু। কলসেন্টারটি চালু হওয়ার সময় থেকে ডাকবিভাগের বিভিন্ন পরিষেবা সম্পর্কে ১ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি ফোনকল পাওয়া গেছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ডাকবিভাগের উদ্যোগ : ডাকবিভাগ মহামারীর সময় সাধারণ মানুষের কাছে বিভিন্ন ডাক পরিষেবা পৌঁছে দিতে এবং পরিষেবা সম্পর্কিত অভাব-অভিযোগের নিষ্পত্তিতে একটি স্বতন্ত্র কোভিড-১৯ অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল গঠন করে। গত পয়লা জানুয়ারি থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি তিন দিনে প্রায় ৮৮০টি করে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। • ডাকঘরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় বিলি করা খাদ্যশস্যের ব্যাপারে আরও বেশি প্রচার চালাতে ডাকবিভাগ কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তোলে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের এই কর্মসূচি সম্পর্কিত বিভিন্ন সৃজনশীল প্রচার সামগ্রী দেশের বিভিন্ন ডাকঘরে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও, ‘দাওয়াইভি কড়াইভি’ সম্পর্কিত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সৃজনশীল প্রচার সামগ্রী দেশের সমস্ত ডাকঘরের পাশাপাশি, ডাকবিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রচার করা হয়। সকলের জন্য টিকা, সকলকে বিনামূল্যে – এই অভিযানেও ডাকবিভাগ সামিল হয়। ডাকবিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে এই অভিযান সম্পর্কে প্রচার চালানো হয়। • দেশে ১০০ কোটি টিকাকরণের অসামান্য নজির আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরতে ডাকবিভাগ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের বিভিন্ন সৃজনশীল প্রচার সামগ্রী ডাকঘরগুলিতে প্রদর্শিত করে। • আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে ডাকবিভাগ তার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনলাইন ক্যুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী চারজনের নাম গত ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন ঘোষণা করা হয়। এদের প্রত্যেককে ডাকবিভাগের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। • আজাদি কা অমৃওত মহোৎসবের অঙ্গ হিসাবে ভারতীয় ডাক গত ১১-১৭ অক্টোবর পর্যন্ত আইকনিক সপ্তাহ উদযাপন করে। সপ্তাহব্যাপী একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, যেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ওয়েবিনার আয়োজিত হয়। • ডাকবিভাগ গত ১৪ অক্টোবর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডে উদযাপন করে। এই উপলক্ষে সারা দেশে ১ হাজার ৬০০-রও বেশি শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে ১ লক্ষ ১৬ হাজার আধার নথিভুক্তিকরণ ও সংশোধন/সংযোজনের কাজ হয়। CG/BD/SB (Visitor Counter : 249
pib-832
cefd8aad748076fc2099e1278486966b0c33e768161f7ac41604755d5af72515_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর ঝাড়খন্ডের প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ঝাড়খন্ডের প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঝাড়খন্ডের প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা। সাহসিকতা ও করুণার সমার্থক হ’ল ঝাড়খন্ড। রাজ্যের মানুষ সর্বদাই সম্প্রীতি ও প্রকৃতির সান্নিধ্য থেকেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তাঁরা সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন। ঝাড়খন্ড অগ্রগতির নতুন উচ্চতায় পৌঁছাক এবং ভগবান বীরসা মুন্ডার এক সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী তথা আনন্দময় রাজ্য গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক। CG/BD/SB (Visitor Counter : 55
pib-833
6d53032a1b4fffe8f399b778b4989df5fbd79016e5a26ac4764287f54a83dd89_1
ben
সড়কপরিবহণওমহাসড়কমন্ত্রক চলচিত্র অভিনেতা অক্ষয় কুমার পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রচারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, জাহাজ, জলসম্পদ, নদী উন্নয়ন এবং গঙ্গা পুনরুজ্জীবন দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী নিতীন গড়কড়ী আজ পথ নিরাপত্তা বিষয়ে জন সচেতনতার লক্ষ্যে তিনটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচিত্র প্রকাশ করেছেন। শ্রী আর বালকি পরিচালিত এই ছবিগুলিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন চলচিত্রাভিনেতা শ্রী অক্ষয় কুমার। নতুন দিল্লীতে এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শ্রী গড়কড়ী অক্ষয় কুমারকে পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্র্যান্ড-দূত হিসাবে নিয়োগের কথা ঘোষনা করেন। সামাজিক ক্ষেত্রে অক্ষয় কুমারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে মন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক ছবি ‘প্যাডম্যান’, ‘টয়লেট এক প্রেম কথা’-র উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ছবিগুলি পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্বাস্হ্য বিষয়ে সরকারের বক্তব্যকে তুলে ধরার বিষয়ে বিশেষভাবে সহায়ক হয়েছে। শ্রী গড়কড়ী দূর্ঘটনা মুক্ত এক সমাজ গড়ে তুলতে পথ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সু-অভ্যাসের আহ্বান জানান। অভিনেতা শ্রী অক্ষয় কুমার এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিগুলি নির্মাণে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন ভারতীয় সড়কগুলিকে নিরাপদ করে তুলতে সরকারের এই উদ্যোগে যুক্ত হতে পেরে তিনি গর্ববোধ করছেন এবং সমাজের ভালোর জন্য এই ধরনের পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া বলেন- দূর্ঘটনা কমানোর অর্থ দেশের সমৃদ্ধিকে বাড়ানো, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মক্ষম মানুষের পথ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর ফলে তাদের পরিবার বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের সচিব শ্রী ওয়াই-এস মালিক উপস্হিত ছিলেন। CG/PB/NS/… (Visitor Counter : 87
pib-834
4811123a7e57721cef793006ae4ee783955ba7491be2a11262485fae5cab6dbf_1
ben
মহাকাশদপ্তর বর্ষশেষ পর্যালোচনা : মহাকাশ দপ্তর নয়াদিল্লি, ০৩ জানুয়ারী, ২০১৯ মনুষ্য বাহিত যান মহাকাশে পাঠানো নিয়ে ঘোষনা : দেশের ৭২তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাকার থেকে ভাষন দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষনা করেছিলেন যে, ২০২২ সালের মধ্যে ভারত মহাকাশে মনুষ্য বাহিত যান পাঠানোর সংকল্প হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন এ ধরনের মহাকাশ যান পাঠিয়েছে। গত বছর ২৮ অগাস্ট নতুন দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় মহাকাশ গবেষনা সংস্হা বা ইসরোর চেয়ারম্যান ডঃ কে শিভন বলেন, ইসরো একটি নির্দিষ্ট সময়ে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছে। ইসরো এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির সন্ধান দিয়েছে, যেমন- ক্রিউ এসকেপ সিস্টেম বা মহাকাশযান থেকে বৈজ্ঞানিকদের নিষ্ক্রমণ, তাপ সুরক্ষা ব্যবস্হা, ভাসমান ব্যবস্হা অব্যহত রাখা প্রভৃতি। এই প্রযুক্তিগুলি সফলভাবে প্রদর্শিত হয় স্পেশ ক্যাপসুল রিকভারি এক্সপেরিমেন্ট বা এসআরই-২০০৭, ক্রিউ মডিউল, অ্যাটমসফারিক রি-এন্ট্রি এক্সপেরিমেন্ট বা কেয়ার-২০১৪-র সাহায্যে। ইসরোর উৎক্ষেপণ : ক) ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল তার ৪২তম উৎক্ষেপণে ৭১০ কেজির কার্টোস্যাট-২ রিমোট সেন্সিং উপগ্রহটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। ৩০টি সহযাত্রী উপগ্রহ নিয়ে সমেত বছর ১২ই জানুয়ারি। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র শার থেকে ঐ উৎক্ষেপণ যানটি সফর শুরু করে। এরমধ্যে ভারতীয় উপগ্রহ ছিল দুটি, বাকি আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রের যে ২৮টি উপগ্রহ ছিল, তার মধ্যে ছিল কানাডা, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, কোরিয়া, ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপগ্রহ ছিল। খ) ২০১৮-র ২৯ মার্চ ভারতের জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল সফলভাবে জিস্যাট-৬এ উপগ্রহটি জিওসিনক্রোনাস ট্রান্সফার কক্ষে উৎক্ষেপণ করে। প্রসঙ্গত, জিস্যাট-৬এ একটি সংযোগমূলক উপগ্রহ যেটি মোবাইল সংযোগ পরিষেবায় সাহায্য করে থাকে। গ) ২০১৮-র ১২ এপ্রিল ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল পিএসএলভি সি৪১ তার ৪২তম উৎক্ষেপণে ১,৪২৫ কেজির আইআরএনএসএস-২ উপগ্রহটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। এই উপগ্রহটিও শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। ঘ) ২০১৮-র ১৬ সেপ্টেম্বর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র শা থেকে পোলার স্যাটেলাইন লঞ্চ ভেহিকল সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে দুটি উপগ্রহ নোভাসার এবং এস১-৪--। ঙ) ২০১৮-র ২৯ নভেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল সফলভাবে ৩১টি উপগ্রহকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে। চ) জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক থ্রি তার দ্বিতীয় উন্নয়নমূলক উৎক্ষেপণে জিস্যাট-২৯ সংযোগ বিষয়ক উপগ্রহটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র শার থেকে। ছ) ২০১৮-র ৫ ডিসেম্বর খুব ভোরে ফ্রেঞ্চ গায়ানার মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ইসরোর সবথেকে ভারী এবং প্রযুক্তিগতভাবে সবচেয়ে উন্নত সংযোগমূলক উপগ্রহ জিস্যাট-১১টি উৎক্ষেপণ করা হয়। জ) ২০১৮-র ১৯ ডিসেম্বর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সংযোগমূলক উপগ্রহ জিস্যাট-৭এ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে ইসরোর জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল । ২০১৮র ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পিএসএলভি মহাকাশ উৎক্ষেপণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কর্মসূচিটি অনুমোদন করে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩০টি পিএসএলভি উৎক্ষেপণে অর্থ প্রদান করা হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক থ্রি মহাকাশ উৎক্ষেপণের ধারাবাহিকতা কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের কাজেও অর্থ মঞ্জুরের বিষয়টি মঞ্জুর করে। শনি গ্রহের চেয়েও ছোট গ্রহের আবিস্কার : আমেদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি -এর অধ্যাপক অভিজিৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদদের একটি দল সূর্যের মতো একটি তারার কাছাকাছি শনি গ্রহের চেয়েও ছোট একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। গ্রহটির নামকরণ করা হবে এপিআইসি ২১১৯৪৫২০১বি বা কে২-২৩৬বি। এই আবিস্কারের ফলে আমাদের সৌর জগতের আশেপাশে যেসব তারা রয়েছে এবং তার থেকে দূরে যেসব তারা রয়েছে, তার কাছাকাছি গ্রহের আবিস্কার যেসব দেশ করেছে, তাদের অন্যতম হয়ে গেল ভারত। মহাশূন্যে যাত্রার জন্য মহাকাশযান থেকে নিষ্ক্রমণের যে ব্যাবস্হা রয়েছে সে সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সফল ভারতের ইসরো : ২০১৮-র ৫ জুলাই এই পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছে ভারত। শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়। উপযুক্ত ভারতীয় শিল্প সংস্হাগুলিকে অভ্যন্তরীণভাবে প্রস্তুত করা লি-আয়ন প্রযুক্তি হস্তান্তর : ইসরোর একটি বৃহৎ কেন্দ্র- বিক্রম সারাভাই মহাকাশ কেন্দ্র -র সাহায্যে উপযুক্ত শিল্প সংস্হাগুলির প্রয়োজনে এই প্রযুক্তি হস্তান্তর করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। জম্মুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসরোর মধ্যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর : ২০১৮-র ১১ অক্টোবর জম্মুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসরো এবং ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ বিজ্ঞানকেন্দ্র স্হাপনের ব্যাপারে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করা হয়। অপর একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে ঝাড়খন্ডের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেন্ট্রাল সায়েন্টিফিক ইন্সট্রুমেন্টস অর্গানাইজেশন-এর মধ্যে, যাতে, মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করা যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং ইসরোর মধ্যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে জরুরী জবাব পাওয়ার জন্য একটি অত্যাধুনিক সুসংহত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ গড়ে তোলার জন্য ২০১৮র ২০ সেপ্টেম্বর নতুন দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং ইসরোর মহাকাশ দপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়। বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর : ২০১৮-য় ভারত বিভিন্ন বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর সম্পর্কে জানানো-ও হয়। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- ভারত ও তাজিকিস্তানের মধ্যে উন্নয়নের স্বার্থে মহাকাশ প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কিত সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর। ২০১৮-র ৮ অক্টোবর তাজিকিস্তানের দুশানবে-তে সমঝোতাপত্রটি স্বাক্ষরিত হয়। আর একটি উল্লেখযোগ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারত ও উজবেকিস্তানের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে বহির্মহাকাশ অন্বেষণে সহযোগিতা বিষয়ক। উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি গত বছর যখন ভারত সফরে আসেন, সেইসময় পয়লা অক্টোবর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে, বহির্মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ভারত ও আলজেরিয়ার মধ্যে ২০১৮-র ১৯ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত চুক্তিটির কথাও। ২০১৮-র ১৯ জুলাই নতুন দিল্লিতে ভারত ও ব্রুনেই দারেসসালামের মধ্যে উপগ্রহ এবং মহাকাশযানগুলির টেলিমেট্রি ট্র্যাকিং সম্পর্কিত সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বহির্মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের প্রয়োজনে আরও একটি সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ২০১৮-র ২৬ জুলাই। ২০১৮-র ফেব্রুয়ারিতে মাসকটে বহির্মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের প্রয়োজনে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারতের ইসরো এবং ওমানের মধ্যে। মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং প্রয়োগ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্যই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। পাশাপাশি, মহাকাশ বিজ্ঞান এবং গ্রহ অন্বেষণ বা মহাকাশ যানের ব্যবহার এবং একইসঙ্গে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগ-ও এই সমঝোতাপত্রের আওতায় এসেছে। CG/SSS/NS (Visitor Counter : 553
pib-840
d6493139058dec25ccc7093eb6cbb37badffb96cc91204ca5efb11d65ca2a569_2
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর ঘূর্ণীঝড় ফণী’র প্রস্তুতি পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর পৌরহিত্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক নয়াদিল্লি, ০২ মে,, ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লীতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ঘূর্ণীঝড় ফণী’র প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন। বৈঠকে মন্ত্রিসভার সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব সহ ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উচ্চপদস্হ আধিকারিকরা উপস্হিত ছিলেন। বৈঠকে ঘূর্ণীঝড় ফণী’র সম্ভাব্য গতিপথ এবং এই ঘূর্ণীঝড়ের প্রেক্ষিতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্হা গ্রহণ ও প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। ঘূর্ণীঝড়ের প্রভাব ও মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একাধিক দল এবং সেনাকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি পানীয় জলের বন্দোবস্ত সহ বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং টেলি-যোগাযোগ পরিষেবা বজায় রাখতে উপযুক্ত ব্যবস্হা গ্রহণ করা হচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্হিতি পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য প্রভাবিত রাজ্যগুলির আধিকারিকদের সঙ্গে দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্হা এবং ত্রাণ ও উদ্ধারকার্যে সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্হ আধিকারিকদের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। CG/BD/NS (Visitor Counter : 105
pib-841
d271c2f8aec7a26e8a86b50ca8fb755280fa9680d1998edc5e18e5a852a3e65f_1
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর ভারত লুক্সেমবুর্গের মধ্যে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তির তালিকা নয়াদিল্লী, ২০ নভেম্বর, ২০২০ | | ক্রমিক | | চুক্তি | | বিবরণ | | ১. | | ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ এবং লুক্সেমবুর্গ স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে সমঝোতাপত্র | | আর্থিক পরিষেবা শিল্পে সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির শেয়ার বাজারে নিয়ম বজায় রাখা, পরিবেশ, সামাজিক ও প্রশাসনিক এবং স্থানীয় বাজারে পরিবেশ বান্ধব আর্থিক সহায়তা | | ২. | | স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং লুক্সেমবুর্গ স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে সমঝোতাপত্র | | আর্থিক পরিষেবা শিল্পে সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির শেয়ার বাজারে নিয়ম বজায় রাখা, পরিবেশ, সামাজিক ও প্রশাসনিক এবং স্থানীয় বাজারে পরিবেশ বান্ধব আর্থিক সহায়তা | | ৩. | | ইনভেস্ট ইন্ডিয়া ও লুক্সিননোভেশন-এর মধ্যে সমঝোতাপত্র | | ভারতীয় ও লুক্সেমবুর্গের সংস্থাগুলির মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়তা গড়ে তোলা, এর মধ্যে রয়েছে দুটি দেশের বিনিয়োগকারীদের প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগে উৎসাহদান ও অন্যান্য সহায়তা
pib-847
ef4b445b0fc7147ee6439b847c89f6e4e3b4c803be7812cf5a673b346403ea08
ben
আবাসনএবংশহরাঞ্চলেরদারিদ্র্যদূরীকরণমন্ত্রক আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসাবে পিএমএওয়াই-ইউ প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়দের জন্য স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা – খুশিও কা আশিয়ানা’র সূচনা করেছে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষদের মধ্যে ‘হাউসিং ফর অল’ – এর বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে দেশ জুড়ে আবাস পর সংবাদ আলোচনা শুরু হয়েছে নয়াদিল্লি, ১৭ জুলাই, ২০২১ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বিশ্বে সবচেয়ে বড় ব্যয় সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় দুটি নতুন উদ্যোগের সূচনা করা হয়েছে। ‘খুশিও কা আশিয়ানা’ শীর্ষক স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর হাউসিং ফর অল প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য দেশ জুড়ে ৭৫টি আলোচনাচক্র এবং কর্মশালার আয়োজন করা হবে। এই উদ্যোগের শিরোনাম ‘আবাস পর সংবাদ’। আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের পিএমএওয়াই-ইউ প্রকল্পটির ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি হয়েছে ২৫ জুন। এই প্রকল্পে কেন্দ্র ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ সাহায্য করেছে। ১ কোটি ১২ লক্ষ গৃহ নির্মাণের যে পরিকল্পনা এই প্রকল্পের আওতায় নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৫০ লক্ষ গৃহ নির্মাণ সম্পূর্ণ। আরো ৮৩ লক্ষ বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্র আজাদি কা অমৃত মহোৎসব কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ৭৫ বছরে ভারতের প্রগতি যাত্রা এবং দেশের মানুষ ও সংস্কৃতির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও নানা সাফল্য এর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এরই অঙ্গ হিসাবে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের এই প্রয়াস। দুটি কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাধারণ পরিচালন বিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। পিএমএওয়াই-ইউ এর সুবিধাভোগী, ছাত্রছাত্রী, যুবক-যুবতী, সুশীল সমাজের সদস্যরা ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণে মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানাবেন। এই চলচ্চিত্রের বিষয় থাকবে পিএমএওয়াই-ইউ প্রকল্পের ছ’বছরের অভিজ্ঞতা, মানুষের জীবনে এর প্রভাব এবং সুবিধাভোগীদের জীবনে এই প্রকল্প কতটা মর্যাদা এনে দিয়েছে এবং ক্ষমতায়নে সাহায্য করেছে। প্রাপ্ত বয়স্ক সকল ভারতীয়ই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পয়লা সেপ্টেম্বর। ৩০ সেপ্টেম্বর এই প্রতিযোগিতার ফল ঘোষিত হবে। তিনটি আলাদা বিভাগে ২৫টি করে পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কার হিসাবে একটি শংসাপত্র ছাড়াও নগদ ২৫ হাজার টাকা, ২০ হাজার টাকা বা ১২ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হবে। আবাস ফর সংবাদের মাধ্যমে হাউসিং ফর অল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং, শহরাঞ্চলের উন্নয়ন, পরিকল্পনা, আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের অভিজ্ঞতা ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে আলোচনা করবে। পয়লা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলি ৭৫টি আলোচনাচক্র অথবা কর্মশালার আয়োজন করবে। সব ধরনের কোভিড বিধি মেনে অফলাইনে এই কর্মশালার আয়োজন করা যাবে। তবে, অনলাইন ব্যবস্থাতেও এ ধরনের কর্মশালা বা আলোচনাচক্রের আয়োজন করার সুযোগ থাকছে। অংশগ্রহণকারী সকলে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের থেকে শংসাপত্র পাবেন। এই দুটি কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। কর্মশালা আয়োজনের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ঋণদাতা সংস্থাগুলি মন্ত্রকের ওয়েবসাইট https://pmay-urban.gov.in/ বা মোবাইল অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করতে পারে। এই দুটি উদ্যোগের মাধ্যমে নিজের পাকা বাড়ি পাওয়ার আনন্দের অনুভূতি এবং নতুন বাড়িকে ঘিরে প্রত্যাশার স্বপ্ন গড়ে উঠেছে, সেগুলি সকলের মধ্যে প্রচার করা হবে। CG/CB/SB (Visitor Counter : 200
pib-850
167f59596db483213c3bd82019efcf1d2f5cfb06d052f9408e8a7b8633024eb8
ben
শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক শিল্পোদ্যোগীদের উৎসাহপ্রদান নতুন দিল্লি, ১৯ মার্চ, ২০২১ ভারত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি স্টার্ট আপ, যা ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি সূচনা হয়েছিল। এর মাধ্যমে ভারত সরকার শিল্পোদ্যোগীদের উৎসাহ প্রদান করে চলেছে। সূচনার পর থেকে ২০২১ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত মোট ৪৪ হাজার ৭৬৬ টি শিল্পোদ্যোগকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্য ভিত্তিক শিল্পোদ্যোগের সংখ্যা হচ্ছে- মহারাষ্ট্র- ৮৩৫৩ কর্ণাটক- ৫৯৯৯ দিল্লি- ৫৫৮৭ উত্তর প্রদেশ-৩৮৮০ গুজরাট-২৬২২ হরিয়ানা-২৪৯৫ তেলেঙ্গানা-২৪৬২ তামিলনাডু-২৩৩৮ কেরালা-২০৪৯ রাজস্থান-১৩৫০ পশ্চিমবঙ্গ-১২৭৪ মধ্যপ্রদেশ-১২৬৮ ওড়িশা-৮১৫ অন্ধ্রপ্রদেশ-৭২৪ বিহার-৬৯৭ ছত্রিশগড়-৫২৮ ঝাড়খন্ড-৪০৮ পাঞ্জাব-৩৯২ উত্তরাখণ্ড-৩৫৬ আসাম-৩৩০ জম্মু-কাশ্মীর-১৯২ গোয়া-১৮৬ চন্ডিগড়-১৬৭ হিমাচল প্রদেশ-১০৬ পুদুচেরি-৪৪ মনিপুর-৪২ ত্রিপুরা-৩৪ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ-১৬ নাগাল্যান্ড-১৬ দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ-১৩ মেঘালয়-৯ অরুণাচল প্রদেশ-৪ মিজোরাম-৪ সিকিম-৪ লাদাখ-১ লাক্ষাদ্বীপ-১ মোট- ৪৪৭৬৬। আজ রাজ্যসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিল্প ও বানিজ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সোমপ্রকাশ এই তথ্য জানিয়েছেন।
pib-856
a3972d0e0c82ac3bd0a571f5c20910432066f4038fc2be5fe2aa273b686021ac_1
ben
স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক টিকাকরণের বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণার অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নয়াদিল্লী, ১১ জুন, ২০২১ কেন্দ্র ১৬ জানুয়ারি থেকে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে একযোগে সরকারি উদ্যোগে টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করেছে। কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। সারা বিশ্ব জুড়ে টিকা নেওয়ার বিষয়ে অনীহা বা ইতস্তত মনোভাব রয়েছে। এই সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানসম্মত তথ্যের সাহায্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচারাভিযান চালাতে হবে। কোভিড-১৯ টিকাকরণ সংক্রান্ত প্রচারের কৌশলের অঙ্গ হিসেবে ২৫শে জানুয়ারি একটি বৈঠক হয়। এই বৈঠকে সব রাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন ডিরেক্টরদের টিকাকরণের কৌশল সম্পর্কে জানানো হয়। স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি টিকার বিষয়ে প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল অবলম্বন করে। মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমে বিভিন্নভাবে প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, টিকা নেওয়ার বিষয়ে কারও কারও মধ্যে অনীহা দূর করতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে কোভিড টিকা এবং কোভিড সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রচার চালানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের সঙ্গে এ বিষয়ে একযোগে কাজ করছে। CG/CB /NS (Visitor Counter : 336
pib-858
a31d3f1162d4022ea10c74b99eeda9fdb9719f326ece144d684c4c00e614696b_1
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর উচ্চাকাঙ্খী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ৮ বছর শীর্ষক কয়েকটি নিবন্ধ ও ট্যুইট থ্রেড সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি, ০৭ জুন, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ওয়েবসাইট narendramodi.in থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বপ্ন পূরণে কিভাবে ভারত সরকার কাজ করেছে, সে সম্পর্কিত কয়েকটি নিবন্ধ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। এ সম্পর্কে তিনি MyGov প্ল্যাটফর্মের ট্যুইট থ্রেড শেয়ার করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইটে বলেছেন, “আমাদের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বপ্ন পূরণে ভারত সরকার কিভাবে কাজ করেছে, সে সম্পর্কিত তথ্যমূলক কয়েকটি নিবন্ধ এখানে রয়েছে। #8YearsOfAspirationalMiddleClass”। সহজে জীবনযাপনের মান গত ৮ বছরে কিভাবে বেড়েছে, সে সম্পর্কিত ট্যুইট থ্রেড তিনি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। #8YearsOfAspirationalMiddleClass”। CG/BD/SB (
pib-862
775265496c21f8b871a55a73ef17f9813aaa87daec0d17af8ba5a2b9c3f795d3_1
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর সিভিল সার্ভিসেস দিবস উপলক্ষে প্রাইম মিনিস্টার্স অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ নয়াদিল্লি, ২১ এপ্রিল, ২০২২ আমার মন্ত্রিসভার মাননীয় সদস্য ডঃ জিতেন্দ্র সিং-জি, শ্রী পি কে মিশ্রাজি, শ্রী রাজীব গৌবাজি, শ্রী ভি শ্রীনিবাসনজি এবং এখানে উপস্থিত সিভিল সার্ভিসেস-এর সকল সদস্য আর ভার্চ্যুয়ালি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়া সকল বন্ধুগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, সিভিল সার্ভিসেস বা অসামরিক পরিষেবা দিবস উপলক্ষে আপনাদের মতো সমস্ত কর্মযোগীদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আজ যে বন্ধুরা এই পুরস্কার পাচ্ছেন, তাঁদের গোটা টিম এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যকেও আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। কিন্তু আমার এই অভ্যাস পুরোটা ঠিক নয়। সেজন্য আমি বিনামূল্যে শুভেচ্ছা জানাতে চাই না। আমরা কি এর সঙ্গে কিছু জিনিসকে যুক্ত করতে পারি? এটা এমনি আমার মনে হয়েছে, একটা ভাবনা এসেছে, কিন্তু আপনারা তাকে নিজেদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সিস্টেমের দাড়িপাল্লায় এমনি মাপতে শুরু করে দেবেন না। যেমন আমরা এটা বলতে পারি যে, যেখানে আমাদের সিভিস সার্ভিসেস-এর সঙ্গে যুক্ত যতগুলি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, তা সে বিদেশ মন্ত্রকের অধীনে হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে, পুলিশ বিভাগের অধীনে হোক অথবা মুসৌরিতে হোক, কিংবা রেভেনিউ হোক, যেখানে যেখানে আপনাদের প্রশিক্ষণ হয়, প্রতিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কথা বলছি। কারণ অনেকটাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে এই বিপুল কর্মকাণ্ড চলছে। প্রত্যেক সপ্তাহে এক-দেড় ঘন্টা ভার্চ্যুয়ালি এই যত পুরস্কার বিজেতা রয়েছেন, তাঁরা শুধু নিজের রাজ্য থেকেই এই সম্পূর্ণ পরিকল্পনাটি কেমন করে, কিভাবে শুরু করেছিলেন, কী কী সমস্যা এসেছিল, তার সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশন ভার্চ্যুয়ালি এই সমস্ত ট্রেনিদের সামনে তুলে ধরবেন। তাঁরাও প্রশ্ন করবেন, আপনারা উত্তর দেবেন, আর এভাবে প্রত্যেক সপ্তাহে পুরস্কার বিজেতাদের সঙ্গে যদি তাঁদের বিশেষ আলাপ-আলোচনা হয় তাহলে আমি মনে করব যে নতুন প্রজন্ম উঠে আসছে। তাঁরা এই কথাবার্তার মাধ্যমে একটি প্র্যাক্টিকাল অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। আর সেজন্য যাঁরা এই পুরস্কারগুলি অর্জন করেছেন, তাঁদের মনে কাজের প্রতি যুক্ত থাকার একটি পুলক জাগবে। ধীরে ধীরে তাঁদের কাজে আরও ইনোভেশন বা উদ্ভাবন দেখা যাবে, অ্যাডিশন বা সংযুক্তি দেখা যাবে। আরও একটি কাজ। এই যে আজ ১৬ জন বন্ধু এই পুরস্কার পেলেন, আমরা সবাই দেশের বৈদিক জেলাগুলির সিভিল সার্ভেন্টদের এখানে আমন্ত্রণ জানাতে পারি। এই ১৬টির মধ্য থেকে আপনারা যে কোনও একটি স্কিমকে বেছে নিন। যে কোনও একজন ব্যক্তিকে ইনচার্জ করে দিন, আর আপনারা পরিকল্পনা করুন যে তিন মাস, ছয় মাসের প্রোগ্রামের অন্তর্গত এগুলিকে কিভাবে বাস্তবায়িত করবেন? নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে কী কী করবেন? আর মনে করুন, গোটা দেশের মধ্যে ২০টি জেলা এমন বেরিয়ে এল, যারা একটি নির্দিষ্ট স্কিমকে নিয়েছে। তাহলে তখন সেই ২০টি জেলার ভার্চ্যুয়াল সামিট করে, যে ব্যক্তির নেতৃত্বে যে টিম সাফল্যের সঙ্গে এই কাজ করেছে, তাঁদের সঙ্গে সকলের কথাবার্তা হোক। আর রাজ্যগুলির মধ্য থেকে এগুলি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কারা সবচাইতে ভালো করছে, কারা টপ করছে, তা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিমাপ করে সেই জেলাটি কিভাবে কাজ করেছে, তার মতো করে অন্যদের পরিবর্তিত করার জন্য আমরা কী কী করতে পারি? এভাবে গোটা দেশে ‘ওয়ান স্কিম ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট’ হিসেবে এই প্রতিযোগিতাকে আরও ওপরে নিয়ে আসতে পারি কিনা? এভাবে যখন এক বছর পরে পরস্পরের সঙ্গে দেখা হবে, তখন সে বিষয়ে সাফল্য বা সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধানগুলি নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। এখন তাঁদেরকে আর পুরস্কার দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু কথা তো চলতে পারে যে ভাই, এই যে স্কিমটি, ২০২২-এ এই স্কিমে যাঁদের সম্মানিত করা হয়েছে, তাঁরা তাঁদের কাজকে এতদূর পৌঁছে দিয়েছে। যদি আমি মনে করি যে আমরা একে নিছকই প্রাতিষ্ঠানিক করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক করছি, তাহলে আমি দেখেছি যে সরকারের স্বভাব, যতক্ষণ পর্যন্ত তা কোনও কাগজের চৌকাঠ পার হয়ে কিছু বেরিয়ে না আসে, ততদিন সেই জিনিসটা এগিয়ে যেতে পারে না। সেজন্য কোনও জিনিসকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে হলে, এর জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়, আর প্রয়োজন হলে এমন একটা ব্যবস্থাও দাঁড় করিয়ে দিতে হয়। তাহলে এমনও হতে পারে যে আদারওয়াইজ বা ভিন্নভাবে কী হবে, সেটা বোঝা যাবে! কেউ একজন ভাবতেই পারেন যে, ভাই চলুন, কিছু মানুষ তো এরকমও হয় যাঁরা মনে যেটা ভাবেন, সেটাই করে ছাড়েন। তাঁরা যদি ভাবেন, আমাকে অ্যাচিভ করতে হবে, অর্জন করতে হবে তাহলে ৩৬৫ দিন তাঁদের মস্তিষ্কে ওই রোখটাই চেপে থাকে। সবকিছুকে তাঁরা এটার সঙ্গে জুড়ে দেন, আর এক-আধটি বিষয় অর্জন করে নেন, আর পুরস্কারও পেয়ে যান। কিন্তু বাকি দিকগুলির দিকে যদি তাকান, সেখানে তাঁরা হয়তো অনেকটা পিছিয়ে পড়ে থাকেন। তাহলে এ ধরনের ত্রুটিগুলিও আর টের পাওয়া যায় না। একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার আবহ গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের কিছু নতুন ভাবতে হবে। তাহলে হয়তো আমরা যেটা চাইছি যে একটা পরিবর্তন আসুক, হয়তো আমরা তখন সেই পরিবর্তন দেখতে পাব। বন্ধুগণ, আপনাদের মতো কর্মযোগী বন্ধুদের সঙ্গে এ ধরনের বার্তালাপ করতে আমার খুব ভালো লাগে। সম্ভবত, ২০-২২ বছর ধরে ঠিক সময়মতো আমি এই কাজটি করে আসছি। আগে আমি মুখ্যমন্ত্রী রূপে করতাম, একটা ছোট পরিধির মধ্যে করতাম। প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার পর একটি বড় পরিধির মধ্যে করি, আর অনেক বড় বড় মানুষদের সঙ্গে কথাবার্তা হয়। সেজন্য একভাবে আমি আপনাদের কাছ থেকে প্রতি বছরই অনেক কিছু নতুন নতুন শিখি, আবার অনেক কথা আপনাদের কাছে পৌঁছেও দিতে পারি। এভাবে এই বার্তালাপ আমার সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগের একটি খুব ভালো মাধ্যম হয়ে উঠেছে। একটা পরম্পরা তৈরি হয়েছে। আর আমি অত্যন্ত আনন্দিত, আমি খুব খশি যে আমাদের মধ্যে করোনার কালখণ্ড কিছুটা সমস্যাসঙ্কুল হলেও, নিয়মিত দেখা করতে না পারলেও, সব সময়ই আমার চেষ্টা ছিল যে আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে থাকি, আপনাদের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে থাকি, অনেক কিছু বোঝার চেষ্টা করি, আর যদি সম্ভব হয় তাহলে যদি আপনাদের কাছ থেকে শেখা উন্নত জীবনধারণের দিশা আমার ব্যক্তিগত জীবনে রপ্ত করতে পারি তাহলে তা করি। আর কোথাও ব্যবস্থার মধ্যে যদি পরিবর্তন আনতে হয়, তাহলে ব্যবস্থার মধ্যে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করি। এটাই একটি প্রক্রিয়া যা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়। প্রত্যেকের কাছ থেকে শেখার সুযোগ থাকেই। প্রত্যেকের কাছেই কিছু না কিছু দেওয়ার সামর্থ্য থাকে, আর যদি আমরা সেই ভাবকে বিকশিত করতে পারি, তাহলে স্বাভাবিক রূপেই সেগুলিকে স্বীকার করার, মেনে নেওয়ার, নিজের জীবনে প্রয়োগ করার ইচ্ছাও জাগে। বন্ধুগণ, এবারের এই আয়োজন সেই রুটিন প্রক্রিয়ার অন্তর্গত নয়। এবারের এই আয়োজনকে আমি অত্যন্ত বিশেষ বলে মনে করি। এটিকে এজন্যই বিশেষ বলে মনে করছি কারণ, স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে যখন দেশ ৭৫ বর্ষ পূর্তি পালন করছে, তখন আমরা এই সমারোহে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হচ্ছি। আমরা কি একটি কাজ করতে পারি? আমি মনে করি যে এটা আমরা করতেই পারব কারণ, কিছু জিনিস হয় যা সহজ রূপে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনায় আমাদের মাতিয়ে তোলে। মনে করুন, আপনি যে জেলায় কাজ করেন, বিগত ৭৫ বছর ধরে সেই জেলার প্রধান রূপে যাঁরা যাঁরা কাজ করেছেন –তাঁদেরকে কোনও উপলক্ষ্যে নিমন্ত্রণ করলেন। তাঁদের মধ্যে থেকে অনেকেই হয়তো এখনও বেঁচে আছেন আবার অনেকে নেই। যারা বেঁচে আছেন, তাঁরাই আপনার সম্পদ। এই স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবকে উপলক্ষ্য করে একবার আপনার জেলায় তাঁদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানান। তাঁদেরও ভালো লাগবে, প্রায় ৩০-৪০ বছর পর আমন্ত্রণ পেয়ে তাঁরা সেখানে যাবেন। আপনাদেরও ভালো লাগবে, তাঁদের সঙ্গে পুরনো মানুষদের দেখা-সাক্ষাৎ, পুরনো ঘটনার স্মৃতি, পুরনো সাফল্যের বর্ণনা – এগুলি আপনাকে উজ্জীবিত করবে। অর্থাৎ, সেই জেলা ইউনিটে কেউ ৩০ বছর আগে হয়তো কাজ করেছেন, কেউ হয়তো ৪০ বছর আগে কাজ করেছেন। তাঁরা যখন এবার বাইরে থেকে নিজেদের জীবনের কিছু কিছু ব্যর্থতা আর সম্পূর্ণ সাফল্যের খতিয়ান নিয়ে সেখানে আসবেন, তখন তাঁরা আপনার টিমের জন্য একটি নতুন প্রাণশক্তি নিয়ে আসবেন, আর যাঁরা সেখানে রয়েছেন, তাঁদেরও ভালো লাগবে যে ইনি দেশের ক্যাবিনেট সেক্রেটারি! এক সময় এখানে ছিলেন, এখন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হয়ে গেছেন! তাঁদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হয়ে উঠবে, আর আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে আমরা এই লক্ষ্যে সেই ক্ষমতাবান মানুষের সাহায্যে অতি সহজে অনেক সমস্যারও সমাধান করে ফেলতে পারব। কাজেই এ ধরনের চেষ্টা করা উচিৎ। আমার মাথায় এরকম ভাবনা এজন্য এসেছে, আপনাদের বলছি, হয়তো আমি নাম ভুলে গিয়েছি, গোডবোলেজি ছিলেন নাকি দেশমুখজি! ক্ষমা করবেন আমাকে, আমি নামটা ভুলে গিয়েছি। তিনি আমাদের ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি এমনকি অবসর গ্রহণের পরও নিজের সম্পূর্ণ সময় তাঁর পুরনো জেলাগুলিতে ঘুরে ঘুরে নবীন প্রশাসকদের নানা রকম পরামর্শ দিয়ে তাঁদেরকে সাহায্য করে গেছেন। তিনি একবার গুজরাটে জন্ডিস নিবারণ বিষয়ক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য এসেছিলেন। আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তখন তো সংযুক্ত মুম্বাই রাজ্য ছিল। মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট আলাদা রাজ্য ছিল না। তখন তিনি আমাকে বলেছিলেন যে তিনি এক সময় বনাসকাঁঠায় ছিলেন সেখানকার ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিসেবে, আর তারপর মহারাষ্ট্র গঠিত হলে তিনি মহারাষ্ট্র ক্যাডারে চলে যান, আর তারপর দীর্ঘকাল মহারাষ্ট্রে সেবা করার পর তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদে চলে যান। কিন্তু এইটুকু শুনেই আমার মন তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। আমি তাঁর ভক্ত হয়ে পড়ি। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, সে সময় বনাসকাঁঠা ক্যাডারে কেমন কাজ হত? আপনারা কিভাবে কাজ করতেন? অর্থাৎ, অনেক ছোট ছোট বিষয় থাকে, কিন্তু তার সামর্থ্য অনেক বড় হয়। আর একটি মনোটোনাস জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য ব্যবস্থায় প্রাণশক্তি সঞ্চারের খুব প্রয়োজন হয়। ব্যবস্থাকে এগোতে হলে তাকে জীবন্ত করে তুলতে হয়। ব্যবস্থাকে গতিশীল করে তুলতে হয়। আর যখন পুরনো মানুষদের সঙ্গে দেখা হয় তখন তাঁদের সময়ে ব্যবস্থা কিভাবে বিকশিত হয়েছিল, সেই ব্যাকগ্রাউন্ড ইনফরমেশন, সেই প্রেক্ষিত সংগ্রহ করুন, ভালোভাবে জানুন।আমাদের সেই পরম্পরাকে চালানোর জন্য নয়, তেমনভাবে বদলানোর জন্যও নয়। কোনটা চালাব আর কোনটা বদলাব সেটা বোঝার জন্য আগের অভিজ্ঞতা অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়। আমি চাইব যে স্বাধীনতার এই অমৃতকালে আপনারা নিজেদের জেলায় যাঁরা আগে ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর রূপে কাজ করে গেছেন, সম্ভব হলে তাঁদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের কর্মসূচি তৈরি করুন। আপনাদের সেই সাক্ষাৎ আপনাদের গোটা জেলার জন্য এক একটি নতুন অভিজ্ঞতার ডালি নিয়ে আসবে। তেমনই রাজ্যে যাঁরা চিফ সেক্রেটারি রূপে কাজ করে গেছেন, একবার যদি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সবাইকে একসঙ্গে ডেকে নেন, দেশে যাঁরা ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রূপে কাজ করেছেন তাঁদেরকে যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী একবার ডেকে নেন, তাহলে এমনও হতে পারে যে স্বাধীনতার অমৃতকালে বিগত ৭৫ বছরের এই যাত্রাপথে যাঁরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিভিন্ন অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কেউ হয়তো সর্দার প্যাটেলের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন, এই আজকে যেমন সিভিল সার্ভিসেস পুরস্কার অনেকে পাচ্ছেন সেরকম পুরস্কার হয়তো কেউ সর্দার প্যাটেলের হাত থেকে পেয়েছেন। এরকম সফল নেতৃত্ব প্রদানকারী মানুষের মধ্যে আজ যাঁরা জীবিত আছেন, দেশের অগ্রগতির জন্য যাঁরা কিছু না কিছু অবদান রেখেছেন, আজ দেশ যেখানে পৌঁছেছে সেখানে পৌঁছে দিতে তাঁদের নেতৃত্ব ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। তাঁদের সবাইকে স্মরণ করা, তাঁদেরকে মান-সম্মান করা – এটাও স্বাধীনতার অমৃতকালে এই গোটা সিভিল সার্ভিসেসকে অনার করার মতো, সম্মানিত করার মতো বিষয় হয়ে উঠবে। আমি চাইব, এই ৭৫তম বর্ষ পূর্তির যাত্রার সাফল্যকে আমরা তাঁদের প্রতি সমর্পিত করি, তাঁদের গৌরব গান করি আর একটি নতুন চেতনা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাই, আর এই লক্ষ্যে আমরা অবশ্যই নতুন নতুন চেষ্টা করতে পারি। বন্ধুগণ, আমাদের যে অমৃতকাল, এই অমৃতকালে আমাদের যে শুধুই বিগত সাত দশকের জয় জয়কার করতে হবে এমনটা নয়। আমি মনে করি আমরা ৭০ বছর থেকে ৭৫-এ হয়তো এসে পৌঁছেছি, স্বাভাবিক নিয়মের মধ্যেই, রুটিনের মধ্যেই পৌঁছেছি। ৬০ থেকে ৭০-এ পৌঁছেছি, ৭০ থেকে ৭৫-এ পৌঁছেছি, রুটিনের মধ্যেই পৌঁছেছি। কিন্তু ৭৫ থেকে ১০০, ২০৪৭ সাল পর্যন্ত পৌঁছতে এই রুটিন হলে চলবে না। এই রুটিনের মাধ্যমে আমরা ‘india@100’-এ পৌঁছতে পারি না। আমাদের আজকের অমৃত মহোৎসবে এটাই একটা ‘ওয়াটার শেড’ হতে পারে, যাতে এখন আগামী ২৫ বছরকে আমাদের একটি একক রূপেই দেখা উচিৎ। বিচ্ছিন্নভাবে দেখা উচিৎ নয়। আর আমাদের ‘india@100’ তে সুপরিকল্পিত ভাবে পৌঁছাতে, এখন থেকেই তার লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগুতে হবে, আর এই লক্ষ্য যে গোটা দেশের জন্য একরকম হতে হবে তা নয়, আপনি যে জেলায় কাজ করেন, আগামী ২৫ বছরে আপনার জেলা কোথায় পৌঁছবে? আমরা এই জেলাকে ২৫ বছর পর কিরকম দেখতে চাই - সেটা আপনার সামনে টেবিলে কাগজের ওপর লিখিতভাবে পরিকল্পনা ছকে নিতে হবে আর তা আপনার জেলার অফিসগুলিতে টাঙিয়ে দিতে হবে। আমাদের এই এই ক্ষেত্রে এতটা অর্জন করতেই হবে। তাহলে আপনারা দেখবেন, এর সঙ্গে একটি নতুন প্রেরণা, নতুন উৎসাহ, নতুন উদ্দীপনা যুক্ত হবে, আর মাল্টিপ্লায়ার অ্যাক্টিভিটি বা গুণিতক সক্রিয়তা নিয়ে আমরা জেলাকে ওপরে নিয়ে যাচ্ছি। আর এখন কেন্দ্র আমাদের। ভারত কোথায় পৌঁছবে, রাজ্য কোথায় পৌঁছবে, আমরা ৭৫ বছর এই সমস্ত লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছি। এখন আমাদের সামনে রয়েছে ‘india@100’। এখন আর দেশ, রাজ্যের কথা ভেবে লাভ নেই। আমাদের জেলাকে আমরা আগামী ২৫ বছরে কোথায় নিয়ে যাব? গোটা দেশের নিরিখে আমার জেলাকে এক নম্বরে পৌঁছে দিয়ে ছাড়ব। এমন কোনও ক্ষেত্র বাকি থাকবে না, যেখানে আমার জেলা পিছিয়ে থাকবে। যতই প্রাকৃতিক সমস্যাসঙ্কুল জেলা হোক না কেন, আমরা যা ভেবেছি তা করে ছাড়ব। এই প্রেরণা, এই উদ্দীপনা, এই স্বপ্ন, এই সঙ্কল্প আর সেগুলিকে বাস্তবায়িত করার জন্য ক্রমাগত পৌরুষ, পরিশ্রম আর সাফল্যের সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এটাই আমাদের জন্য, আমাদের সিভিল সার্ভিসেস-এর জন্য নতুন প্রেরণার কারণ হয়ে উঠবে। বন্ধুগণ, প্রত্যেক ভারতবাসী আজ আপনাদের দিকে যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাকিয়ে আছেন, তা পূরণ করার জন্য আপনাদের প্রচেষ্টায় যেন কোনও ত্রুটি না থাকে তা সুনিশ্চিত করতে আজ আপনাদেরও সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের কাছ থেকে প্রেরণা নিতে হবে। তিনি তাঁর একটি বার্তার মাধ্যমে আমাদেরকে যেমন প্রেরণা যুগিয়ে গেছেন, তাঁর সেই বার্তায় তিনি যে সঙ্কল্পের জন্য আমাদের প্রেরণা যুগিয়েছেন, আমাদের সেই সঙ্কল্পগুলিকে আরও একবার উচ্চারণ করতে হবে। আমাদের আরও একবার নিজেদেরকে তার জন্য বচনবদ্ধ করতে হবে, শপথ নিতে হবে। এখান থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছি, আর আমাদের সামনে তিনটি লক্ষ্য স্পষ্ট থাকা চাই। আমি মনে করি, এই তিনটি লক্ষ্যে কোনও কম্প্রোমাইজ হওয়া উচিৎ নয়। কারণ, এই তিনটি লক্ষ্যই এমন নয় যে এখানে অন্য কিছু হতে পারে। এই তিনটি লক্ষ্য ছাড়া আরও অন্য লক্ষ্য থাকতে পারে। কিন্তু আজ আমি এখানে কেবল এই তিনটি লক্ষ্য নিয়েই কথা বলতে চাই। প্রথম লক্ষ্য হল যে অবশিষ্টে আমাদের এই দেশে যে ব্যবস্থাই চালাই না কেন, যতটা বাজেটই খরচ করি না কেন, যে পদ, প্রতিষ্ঠা আমরা অর্জন করি না কেন, সেগুলি সব কাদের জন্য মশাই! এগুলি সব কেন মশাই! এই পরিশ্রম কিসের জন্য মশাই? এই আড়ম্বর কিসের জন্য মশাই! এই কথাগুলি ভাবুন। সেজন্যই আমি বলতে চাইব যে আমাদের প্রথম লক্ষ্য হল দেশের সাধারণ গরীব মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা। তাঁদের জীবনকে সুগম করে তোলা। এই অনুভব আপনাদের প্রত্যেকের মনে থাকতে হবে। দেশের সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলার জন্য তাঁদের যেন সরকারি দপ্তরগুলিতে বেশি দৌড়-ঝাঁপ না করতে হয়, সবকিছু যেন তাঁরা সহজভাবে পেতে পারেন। এই লক্ষ্যটাই সদা-সর্বদা আমাদের সামনে থাকা উচিৎ। আমাদের প্রচেষ্টা এই লক্ষ্যে হওয়া উচিৎ যে দেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্নগুলিকে যেন সঙ্কল্পে পরিবর্তিত করতে পারি। তাঁদের স্বপ্নগুলিকে কিভাবে সঙ্কল্পে পরিবর্তিত করতে পারব, সেই স্বপ্নগুলিকে সঙ্কল্পে পরিবর্তনের যাত্রাপথে একটি পজিটিভ অ্যাটমসফিয়ার, একটি ইতিবাচক এবং স্বাভাবিক আবহ কিভাবে সৃষ্টি করব, এটা আপনাদের দায়িত্ব, এটা সরকারি ব্যবস্থার দায়িত্ব। আমাদের সকলের হাতে সেই কর্তৃত্ব রয়েছে, সেই ক্ষমতা রয়েছে। আপনাদের শুধু এটা দেখতে হবে যে দেশের নাগরিকদের সঙ্কল্পগুলিকে বাস্তবায়নের যাত্রাপথে কোন বাধা আসছে কিনা। যদি আসে তাহলে তাহলে নিজের সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সেই বাধাকে দূর করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সঙ্কল্প বাস্তবায়িত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ করে যেতে হবে। সেজন্য স্বপ্নগুলিকে সঙ্কল্পে পরিণত হতে হবে, আর সঙ্কল্পগুলিকে বাস্তবায়নের জন্য সম্পূর্ণ যাত্রাপথে আমাদের নেতৃত্বাধীন সম্পূর্ণ টিমের প্রত্যেকের সঙ্গে সহযোদ্ধার মতো হাতে হাত ধরে কাজ করে এগোতে হবে। আপনার এলাকার সাধারণ মানুষের ‘ইজ অফ লিভিং’-কে বাড়ানোর জন্য আপনারা যা যা করতে পারেন, যেভাবে করতে পারেন, সেটাই আপনাদের করা উচিৎ। আমি যদি দ্বিতীয় লক্ষ্যের কথা বলি, তাহলে আজ আমরা যে গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়নের কথা শুনি, বিগত কয়েক দশক ধরেই আমরা শুনে আসছি, সম্ভবত তখন ভারত দূর থেকে এই বিষয়গুলিকে দেখছিল। কিন্তু আজ পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। আজ ভারতের ‘পজিশনিং’ বা অবস্থানগত নীতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে আমরা দেশের মধ্যে যাই করি না কেন, তাকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিতে করা এখন আমাদের জন্য সময়ের চাহিদা। ভারত বিশ্বে কিভাবে শীর্ষ স্থানে পৌঁছবে, যদি বিশ্বের গতিবিধিকে না বুঝতে পারি, না মাপতে পারি, না জানতে পারি যে আমাদের কোথায় যেতে হবে, তাহলে কেমন করে চলবে! আমাদের শীর্ষ স্থানে যেতেই হবে,আর তার জন্য আমাদের কোন পথ ধরে চলতে হবে, কোন কোন এলাকা দিয়ে যেতে হবে, এটা আমাদের চিহ্নিত করে আর তার তুলনামূলক গবেষণা করে তবেই এগোতে হবে। আর এভাবেই এগোতে হবে। আমাদের যত প্রকল্প, আমাদের গভর্ন্যান্সের যে মডেল রয়েছে, তাকে আমরা এই সঙ্কল্পের সঙ্গে বিকশিত করব। আমাদের এমনটি করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। আমাদের এমন চেষ্টা করতে হবে যাতে এতে নবীনতার ছোঁয়া লাগে, আমাদের আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। আমরা বিগত শতাব্দীর ভাবনা, বিগত শতাব্দীর নিয়ম-নীতি নিয়ে আগামী শতাব্দীতে নিজেদের মজবুত করার সঙ্কল্পগুলিকে নিতে পারি না, আর সেজন্য আমাদের ব্যবস্থায়, আমাদের নিয়মে, আমাদের পরম্পরায় আগে কোনও পরিবর্তন আনতে ৩০-৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও চলত। কিন্তু পরিবর্তিত বিশ্বে, আর দ্রুতগতিতে পরিবর্তনশীল বিশ্বে আমাদের প্রতিটি মুহূর্তের হিসেবে চলতে হবে বলে আমার মনে হয়। যদি আমি আজ তৃতীয় লক্ষ্যের কথা বলি যা এক প্রকার আমি পুনরুচ্চারণ করছি, কারণ এই কথাটি আমি বারবার বলে আসছি, সিভিল সার্ভিসেস-এর সবচাইতে বড় কাজ হল, কখনও আমাদের লক্ষ্য যেন আমাদের চোখের সামনে থেকে না সরে যায়। ব্যবস্থায় আমরা যখন যে পদেই থাকি না কেন, কিন্তু আমরা যে ব্যবস্থা থেকে উঠে এসেছি, সেই ব্যবস্থায় আমাদের এটা প্রাইম রেসপনসিবিলিটি বা প্রধান দায়িত্ব হল দেশের ঐক্য এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করা। এক্ষেত্রে আমরা কোনও কম্প্রোমাইজ করতে পারি না। এক্ষেত্রে কোনরকম সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না। স্থানীয় স্তরেও আমরা যখনই কোনও সিদ্ধান্ত নিই, তখন সেই সিদ্ধান্ত যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, প্রশংসা কুড়াক না কেন, আকর্ষণীয় লাগুক না কেন, কিন্তু অন্তিম পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আমাদের ওই দেশের একতা ও অখণ্ডতার দাড়িপাল্লাতেও একবার মেপে নিয়ে দেখতে হবে। এটা ভাবতে হবে যে একটি ছোট্ট গ্রামে আমি যে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছি, সেটি সেখানে যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, তা কি দেশের একতা ও অখণ্ডতা রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে? আমি কোনও বৈষম্যের বীজ বপন করছি না তো? আজ তো এটিকে দেখতে ও শুনতে খুবই ভালো লাগছে, প্রিয় লাগছে, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে মহাত্মা গান্ধী প্রায়ই ‘শ্রেয়’ এবং ‘প্রেয়’-র মধ্যে তুলনামূলক দৃষ্টান্ত দিতেন। আমাদের সেই পরামর্শগুলি পড়ে নেওয়া উচিৎ। আমাদের নেতিবাচকতা ছেড়ে এটাও দেখা উচিৎ যে, আমাদের কোনও সিদ্ধান্ত দেশের একতাকে শক্তিশালী করার স্পিরিটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কিনা। শুধু তা দেশের একতা ও অখণ্ডতাকে ভাঙছে না - এটাই যথেষ্ট নয়, আমাদের সিদ্ধান্ত দেশের একতা ও অখণ্ডতাকে আরও মজবুত করে তুলছে কিনা, সেটাই দেখার বিষয়। বৈচিত্র্যময় ভারতের মধ্যে আমাদের ক্রমাগত একতার মন্ত্রকে সম্বল করে সমস্ত সমস্যার সমাধান করে যেতে হবে, আর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এটাই করে যেতে হবে। কিভাবে তা করব তা পথও আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে। সেজন্য আমি আগেও বলেছি, আজ আরও একবার বলছি এবং ভবিষ্যতেও বলতে থাকব। আমাদের প্রত্যেক কাজের মূলমন্ত্র একটাই হওয়া উচিৎ - ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট, নেশন ফার্স্ট’। আমার দেশ সবার ওপরে, আমার দেশকে সর্বোপরি রেখেই আমাদের যেখানে পৌঁছতে হয় সেখানে পৌঁছব। গণতান্ত্রিক দেশে শাসন ব্যবস্থা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের দ্বারা সঞ্চালিত হতে পারে, আর এটাও গণতন্ত্রে প্রয়োজনীয়। কিন্তু প্রশাসনের যে ব্যবস্থা রয়েছে তার কেন্দ্রে থাকে দেশের একতা ও অখণ্ডতা, আর নিরন্তর ভারতের একতাকে মজবুত করার মন্ত্রকে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বন্ধুগণ, এখন যেমন আমরা কখনও জেলাস্তরে কাজ করি, বা রাজ্যস্তরে কাজ করছি, আবার কখনও কেন্দ্রীয় স্তরে কাজ করি। প্রত্যেক স্তরের জন্য কোনও নির্দিষ্ট সার্কুলার জারি করা সম্ভব নয়। যেমন ধরুন, নতুন ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি বা নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি মেনে আমাদের নিজের জেলার জন্য কী কী করতে হবে! এর মধ্যে কোনগুলি যথারীতি আমাদের জেলায় রয়েছে, আর কোনটা নতুন করে বাস্তবায়িত করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত তো আপনাদেরই নিতে হবে! এবারের অলিম্পিকের পর দেশের মধ্যে খেলাধূলার প্রতি যে সচেতনতা বেড়েছে সেটা আমরা সবাই অনুভব করছি। সেই সচেতনতাকে আমাদের জেলাস্তরে একভাবে ইনস্টিটিউশনালাইজ করে বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে প্রত্যেকের জেলাতেও কিভাবে খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলি কে নেবে? এক্ষেত্রে নেতৃত্ব কে দেবে? এর জন্য কি ক্রীড়া বিভাগ দায়িত্ব নেবে, নাকি সম্পূর্ণ টিমের দায়িত্ব থাকবে? এখন যদি আমি ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র কথা বলি, তাহলে কি আমার জেলায় ডিজিটাল ইন্ডিয়ার জন্য কিছু করার কথা আমি একটি টিম তৈরি করে ভাবতে পারি না? আজ পথ দেখানোর জন্য নতুন কিছু করতে হলে এমন প্রয়োজন সব সময় পড়ে না। এখন যেমন, আজ এখানে দুটি কফি টেবিল বুক-এর লঞ্চিং রয়েছে, কিন্তু একথা ভুললে চলবে না যে এই কফি টেবিল বুক-এর কোনও হার্ডকপি নেই। ই-কপি আছে। আমরা কি আমাদের জেলায় এর হার্ডকপি তৈরি করে বিতরণের চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি? না হলে আমরা শয়ে শয়ে কপি ছেপে দেব, আর তারপর সেটা নেওয়ারই কেউ থাকল না। আমরা অবশ্যই বানাব যদি আজ আমরা দেখতে পাই যে এখানে ই-কফি টেবিল বুক তৈরি হয়েছে, তার মানে আমাদেরও অভ্যাস তৈরি করতে হবে যে প্রয়োজন পড়লে আমরাও ই-কফি টেবিল বুকই বানাব। অর্থাৎ, এই জিনিসগুলি, জিনিসগুলিকে পার্কোলেট করা বা পরিশ্রুত করার ক্ষেত্রে আমাদের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা যেন আলাদা করে বলতে না হয়। আমার বলার তাৎপর্য এটাই যে আজ জেলাগুলিকে গাইড করার জন্য যে আলাদা কোনও ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, তার কোনও প্রয়োজন নেই। সবকিছু অ্যাভেইলেবল রয়েছে, পর্যাপ্ত রয়েছে। জেলায় কোনও জিনিসকে বাস্তবায়িত করতে জেলার পুরো টিমকে দায়িত্ব নিতে হবে, তাঁদেরকে উঠে দাঁড়াতে হবে, তাঁদেরকেই অর্জন করতে হবে। তাহলে অন্যান্য কাজের ওপরও এর পজিটিভ ইম্প্যাক্ট বা ইতিবাচক প্রভাব নিজে থেকেই পড়তে শুরু করবে। বন্ধুগণ, ভারতের মহান সংস্কৃতির এটাই বিশেষত্ব যে আমরা দেশের কথা ভাবব, আর একথা আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি যে আমাদের দেশ রাজ্য ব্যবস্থাগুলির মাধ্যমে গড়ে ওঠেনি। আমাদের দেশ রাজ সিংহাসনগুলির উত্তরাধিকার বহন করে না। রাজ সিংহাসনগুলির সাহায্যেও এই দেশ গড়ে ওঠেনি। এই দেশ শতাব্দীর পর শতাব্দীকাল ধরে, হাজার হাজার বছর ধরে, দীর্ঘ কালখণ্ড ধরে, নিজস্ব পরম্পরা অনুসরণ করেই গড়ে উঠেছে। এই পরম্পরা হল – জনসাধারণের সামর্থ্যকে সঙ্গে নিয়ে চলার পরম্পরা। আজ আমরা যা কিছু অর্জন করেছি, যা কিছু পেয়েছি তা গণ-অংশীদারিত্বের তপস্যার পরিণাম, গণশক্তির তপস্যার পরিণাম। গণ-অংশীদারিত্ব ও গণশক্তির তপস্যাই কোনও দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অবদান রেখে, সময়ের চাহিদা অনুসারে সমস্ত প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে সেই পরিবর্তনগুলিকে স্বীকার করে, আর যা কিছু কালবাহ্য তাকে বর্জন করে ভারত এগিয়েছে। আমরা সেই সমাজ, আমরা সেই জীবন্ত সমাজ, যেখানে সমাজ নিজেই সময়ের অনুপযোগী পরম্পরাগুলিকে ভেঙেচুড়ে উঠিয়ে ফেলে দিতে পারে। আমরা চোখ বন্ধ করে কোনও কিছুকে ধরে বেঁচে থাকার মতো মানুষ নই। আমরা সময়ের সঙ্গে সময়ানুকূল পরিবর্তনের মাধ্যমেই এগিয়ে যাওয়া জনগণ। বিশ্বে …, আমি একদিন …, অনেক আগের কথা, আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল। তখন তো রাজনীতিতে আমার তেমন কোনও পরিচয় গড়ে ওঠেনি। আমি আমার দলের একজন ছোট কর্মকর্তা ছিলাম। কোনও কারণে আমার কিছু বিষয় সমাধানের জন্য আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলতে হয়েছিল। সেখানে আমার সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিল আমি বলেছিলাম, বিশ্বের কোথাও যদি কোনও সমাজ আস্তিক হয় বা নাস্তিক হয়, কেউ এই ধর্মকে মানে, কেউ ওই ধর্মকে মানে, কিন্তু মৃত্যুর পর কী হবে - এই বিষয় নিয়ে কেউ বেশি কথা বলার চেষ্টা করেনা, বা পূর্ব ধারণাগুলি অনুসারে যা যা আমরা জানি তাকে পরিবর্তন করার সাহস কেউ করে না। কেউ বৈজ্ঞানিক হতে পারেন, কেউ অন্য কিছু। কিন্তু সময় থাকতে পৃথিবী ছেড়ে কেউ চলে যেতে পারে কিনা, এ নিয়ে কথা বলার সাহস কেউ করেন না। যিনি যে রকম ধর্মীয় পরিবেশে বা পরম্পরা অনুসারে বড় হয়েছেন, মৃত্যুর পর কী হবে সেই প্রসঙ্গ যখন আসে, তখন প্রত্যেকেই সেই পরম্পরার বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস রাখেন না। আমি আরও বলেছিলাম, হিন্দু একটা এমন সমাজ, ভারতে হিন্দুদের একটি এমন সমাজ রয়েছে, যাঁদের অনেককে মৃত্যুর পর গঙ্গার তীরে চন্দন কাঠের চিতায় শরীর জ্বালিয়ে দিলে তাঁদের মনে হয় যে আমার অন্তিম সংস্কার পূর্ণ হয়েছে। সেই ব্যক্তি ঘুরতে ঘুরতে যখন ইলেক্ট্রিক শ্মশান ভূমিতে চলে যান, তখনও তাঁর কোনও লজ্জা করে না। এই সমাজ পরিবর্তনশীলতায় কতটা নমনীয়, এই নমনীয়তা আমাদের একটি কতো বড় শক্তি, তার সপক্ষে এর থেকে বড় উদাহরণ আর কিছু হতে পারে না। বিশ্বে যতই আধুনিক সমাজ থাক না কেন, মৃত্যুর পর তাঁদের যে ধারণা, তাকে পরিবর্তনের সামর্থ্য থাকে না। কিন্তু আমরা সেই সমাজের মানুষ, এই মাটিতে সেই শক্তি রয়েছে যে আমরা মৃত্যুর পরও বিভিন্ন ব্যবস্থায় যত বিভিন্ন রকম প্রথা অনুসরণ করে থাকি, যদি আধুনিকতার প্রয়োজনে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়, তাঁকে স্বীকার করতে তৈরি থাকি, আর সেজন্য আমি মনে করি, এর পরিণাম হল যে, এই দেশ নিত্যনতুন, নিত্য পরিবর্তনশীল, নবীনকে স্বীকার করার সামর্থ্যসম্পন্ন একটি সমাজ ব্যবস্থা। আজ সেই মহান পরম্পরাকে গতি প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা কি সেই গতি প্রদানের কাজ করছি? ফাইলের গতি বাড়ালেই জীবনের গতি বদলায় না বন্ধুগণ! আমরা সেই একটি সামাজিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শাসন ব্যবস্থার সামর্থ্য গড়ে তোলার কথা ভাববো, আর যখন ভাববো যে আমার সমগ্র সমাজ জীবনকে নেতৃত্ব দিতে হবে! তখন আমাদের এই দায়িত্ব বর্তায়, শুধুই রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশে তাঁদের জন্য কাজ নয়, প্রত্যেক ক্ষেত্রে বসে থাকা আমার সিভিল সার্ভিসে-এর বন্ধুগণকে সমাজের উন্নয়নের কথা ভেবেই লিডারশিপ দিতে হবে, আর সমাজে পরিবর্তনের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালনকারীদের নিজস্ব ধারা তৈরি করতে হবে। তবেই গিয়ে আমরা পরিবর্তন আনতে পারব বন্ধুগণ! আমি মনে করি, এই পরিবর্তন আনার সামর্থ্য আজ দেশের রয়েছে। শুধু আমরাই বিশ্বাস করে বেঁচে আছি এমনটা নয়, বিশ্ববাসী অনেক বড় আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। তখন আমাদের কর্তব্য বর্তায় যে সেই কর্তব্য পূরণের জন্য আমরা নিজেদেরকে সজ্জিত করে তুলি। এখন যেমন আমরা প্রায়ই নিয়ম এবং আইনের বন্ধনে এমনভাবে জড়িয়ে যাই যে বুঝে উঠতে পারি না! কোথাও এমনটা করে সামনে যে একটি নতুন শ্রেণী তৈরি হয়েছে, যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, আমরা তাঁদের সাহসকে, তাঁদের সামর্থ্যকে আমাদের এই নিয়মের আবর্জনায় ওদেরকেও জর্জরিত করে তুলছি কিনা, তাঁদের সামর্থ্যকেও প্রভাবিত করে তুলছি কিনা, যদি এমনটি করে থাকি, তাহলে হয়তো আমরা সময়ের চাহিদা মেনে তার সঙ্গে চলার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলছি। তাহলে সমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য, ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রতিটি পদক্ষেপকে সঠিক লক্ষ্যে, সঠিক সামর্থ্য নিয়ে বাড়াতে হবে। এই সামর্থ্যকে হারালে চলবে না। আমরা যদি এ থেকে বেরিয়ে আসি, তাহলে এই পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করতে পারবো না, আর আমাদের দেশও আজ হয়তো দেখছে, এখন আইটি সেক্টর বা তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র, এতে বিশ্বে ভারতের যে অগ্রণী ভূমিকা, এতে যাঁরা শুরুর দিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়েছেন, তাঁরা হলেন আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের ২০, ২২, ২৫ বছর বয়সী নব যুবক-যুবতীরা। কিন্তু যদি মনে করেন আমরা এদের অগ্রগতির পথে বাঁধা দিতাম, আইনকানুনের মাধ্যমে তাঁদের অগ্রগতিকে প্রতিহত করতাম, তাহলে আমাদের এই তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র আজ এতটা পুষ্পিত ও পল্লবিত হত না আর তাঁরা বিশ্বে নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারতেন না। বন্ধুগণ, আমরা যখন ছিলাম না, তখনও তাঁরা এগিয়েছেন, সেজন্য আমাদের কখনও কখনও ভাবা উচিৎ যে দূরে থেকে তালি বাজিয়ে, উৎসাহ দিয়েও বিশ্বকে বদলানো যেতে পারে। আজ আমরা স্টার্ট-আপ নিয়ে গর্ব করতে পারি। ২০২২-এর প্রথম ত্রৈমাসিক এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ২০২২-এর প্রথম ত্রৈমাসিকের ছোট্ট সময়ের মধ্যেই আমার দেশের নবীন প্রজন্মের মানুষেরা স্টার্ট-আপ-এর দুনিয়ায় ১৪টি ইউনিকর্ন-এর স্থান অর্জন করেছে। বন্ধুরা, এটা অত্যন্ত বড় সাফল্য। যদি ১৪টি ইউনিকর্ন মাত্র তিন মাসের মধ্যে আমার দেশের নবীন প্রজন্মের মানুষরা গড়ে তুলতে পারেন, মাত্র তিন মাসে যদি এমন উচ্চতা অর্জন করতে পারেন, এক্ষেত্রে আমাদের কী ভূমিকা? কখনও কখনও তো আমরা জানতেই পারি না যে আমাদের জেলায় কোন কোন নবীন মানুষ এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, আর তাঁরা হয়তো কোনও টু-টিয়ার, থ্রি-টিয়ার সিটির কোণায় বসে কাজ করে যাচ্ছেন। যখন খবরের কাগজে তাঁদের সাফল্যের কথা ছাপা হয়, তখনই জানতে পারি যে অমুক জিনিসটা অর্জন করেছে। এর মানে এটাই যে শাসন ব্যবস্থার বাইরে সমাজের সামর্থ্যশক্তি অনেক বড় হয়। আমরা কি তার পোষক হতে পারি? সেজন্যে দেখতে হবে যে, আমরা এই ক্রিয়াকে উৎসাহিত করছি কি করছি না? আমরা তাকে রেকগনাইজ করছি কি করছি না? কখনও এমন তো নয় যে ভাই তুমি তো যা করার করে নিয়েছ, কিন্তু আগে কেন আমার সঙ্গে দেখা করোনি? এই বলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছি যে, সরকারের কাছে আগে কেন আসেনি? আরে, তাঁর প্রয়োজন হয়নি বলে আসেনি! সে নিজের সময় নষ্ট করতে চায়নি। কিন্তু আপনাদের যে সে অনেক কিছু দিয়েছে, আপনি যে তাঁকে নিয়ে গর্ব করতে পারছেন, এটাই তো অনেক! আপনারা তাঁদের গৌরব গান করুন। বন্ধুগণ, আমি দুটি জিনিসের উল্লেখ করেছি। কিন্তু এরকম অনেক জিনিস আছে, এমনকি কৃষির ক্ষেত্রেও আছে। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের দেশের কৃষকরা আধুনিকতার দিকে এগিয়ে চলেছে। হয়তো এমন কৃষকের সংখ্যা কম হবে, কিন্তু যদি আমরা খতিয়ে দেখি, আমার নজরে তাঁরা কী পড়ছেন? তাঁদের কী দেখতে পাচ্ছি? কিন্তু বন্ধুগণ, আমরা যদি এই জিনিসগুলি করি, তাহলে আমি মনে করি যে অনেক বড় পরিবর্তন আসবে। আরও একটি কথা আমি বলতে চাই। কখনও কখনও আমি দেখেছি যে শুধুই সময় নিয়ে খেলা অধিকাংশ মানুষের স্বভাবের অংশ হয়ে ওঠে। আরে ছাড়ো ভাই! চলো ভাই! আমি এখানে আর কতদিন থাকব। একটি জেলায় দু’বছর বা তিন বছর তো অনেক হয়ে গেছে। ক’দিন পরে চলে যাব - এই দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে চলবে না। তাহলে কী হয় … আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু যখন একটি অ্যাশিওর্ড ব্যবস্থা আমরা পেয়ে যাই, জীবনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়ে যায়, তখন কখনও কখনও আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার ভাবটা আর থাকে না। তখন মনে হয়, এখন তো সবকিছুই আমার আছে। নতুন সঙ্কটের মুখোমুখি কেন হব? জীবন তো এমনই চলে যাবে। এভাবেই ছেলে-মেয়েরাও বড় হয়ে যাবে। কোথাও না কোথাও সুযোগ পেয়ে যাবে। আমি কেন আর দৌড়-ঝাঁপ করব। আর এভাবেই আমরা নিজের প্রতিও উদাসীন হয়ে পড়ি। ব্যবস্থার কথা ছাড়ুন! নিজের সাফল্যের ক্ষেত্রেও আমরা পরিশ্রম করতে উদাসীন হয়ে পড়ি। এটা ইতিবাচকভাবে বাঁচার পদ্ধতি নয় বন্ধুগণ! নিজের প্রতি কখনও উদাসীন হওয়া উচিৎ নয়। প্রাণভরে বাঁচার আনন্দ নেওয়া উচিৎ আর সব সময়েই কিছু করে দেখানোর উদ্দীপনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিৎ। তবেই গিয়ে জীবনকে উপভোগ করার, ভালোভাবে বাঁচার মজা আসে। পেরিয়ে যাওয়া মুহূর্তে আমি কী পেয়েছি, বিগত দিনে আমি কী করেছি, এর হিসাব-নিকাশ করার স্বভাব রাখলে চলবে না। তাহলে জীবন ধীরে ধীরে নিজেকেই নিজের কাছে উদাস করে দেবে, আর তারপর বেঁচে থাকার সেই উদ্দীপনাই আর থাকবে না বন্ধুগণ! আমি তো কখনও কখনও ঘনিস্টজনদের জিজ্ঞেস করি যে, সেতার বাদক আর একজন টাইপিস্ট – দু’জনের মধ্যে পার্থক্য কী? একজন কম্পিউটার অপারেটর আঙুল দিয়ে খেলা করেন, কিন্তু ৪০-৪৫ বছর বয়সে পৌঁছেই কেমন ঝিমিয়ে পড়েন। তাঁদের সঙ্গে দেখা হলে অনেক সময় ওপর দিকে চোখ তুলেই তাকাতে চান না। কখনও কখনও তো এক-দু’বার বললে আপনার কথাই শুনতে পাবেন না। অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে যদি জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে জবাব পাবেন, হ্যাঁ সাহেব, জীবনে কী আছে! অর্ধমৃতের মতো জীবনধারণ করছি। জীবন বোঝা হয়ে উঠেছে। ভেবে দেখুন! তিনি করেন তো আঙুলেরই কাজ। টাইপরাইটারে আঙুল দিয়ে কাজ করেন। এতে তিনি নিজের জীবনকে বোঝা ভাবছেন। আর অন্যদিকে একজন সেতার বাদক তিনিও আঙুল দিয়ে খেলা করেন, আর ৮০ বছর বয়সেও যদি তাঁর দিকে তাকান দেখবেন যে তাঁর চেহারায় কতো ঔজ্জ্বল্য। তাঁর জীবন যেন পরিপূর্ণ। স্বপ্ন নিয়েই বেঁচে থাকা একজন মানুষকে দেখতে পাবেন বন্ধুগণ! এই দু’জনেই কিন্তু আঙুল দিয়ে কাজ করে জীবন কাটিয়েছেন, কিন্তু একজন ধুঁকতে ধুঁকতে অর্ধমৃত হয়ে বাঁচেন, আর অন্যজন দৃপ্ত পদক্ষেপে জীবনকে উপভোগ করেন। এই পরিবর্তনটি আমাদের জীবনকে ভেতর থেকে বাঁচার সঙ্কল্পকে জাগিয়ে তুলতে পারে। এই সেই পরিবর্তন যা আমাদের জীবনকেও বদলে দিতে পারে বন্ধুগণ! সেজন্য আমি বলি বন্ধুগণ, আমার স্ট্রিমে দেশের প্রত্যেক কোণায় আমার লক্ষ লক্ষ বন্ধু রয়েছেন, যাঁদের জীবনে চেতনা নিয়ে তাঁরা বাঁচেন, সামর্থ্য নিয়ে বাঁচেন, কিছু করে দেখানোর সঙ্কল্প নিয়ে বাঁচেন। সেজন্যই তাঁরা জীবনে ভালোভাবে বাঁচার আনন্দ উপভোগ করেন বন্ধুগণ! কখনও কখনও আমাকে মানুষ জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনি ক্লান্ত হন না? হয়তো এটাই কারণ যা আমাকে ক্লান্ত হতে দেয় না। আমি প্রতিটি মুহূর্তকে বাঁচতে চাই, উপভোগ করতে চাই। প্রতিটি মুহূর্তকে বেঁচে অন্যদের জীবনকে সুন্দর করে তোলার জন্য বাঁচতে চাই। বন্ধুগণ, এই নিজের জীবনকে বোঝা ভেবে চলার পরিণাম কী এসেছে? পরিণাম এটা এসেছে, যে চৌকাঠ তৈরি হয়েছে, আমরা যেখানেই যাই আমরা নিজেদের সেই চৌকাঠের চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকিয়ে নিই, আর এক্ষেত্রে নিজেকে ওই চৌকাঠের আয়তন অনুযায়ী নিজেদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার পারদর্শীতাও আমরা অর্জন করি। এভাবে একটা সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে অনেকেরই হয়তো খুব ভালো লাগে, কিন্তু আমার মনে হয় যে হয়তো এটা কোনও জীবনই হতে পারে না বন্ধুগণ! যেখানে প্রয়োজন সেখানে এরকম করুন। যেখানে প্রয়োজন সেখানে প্রয়োজনে ঢাল হয়ে আগলান। কিন্তু, ঢাল হয়েই সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য কিভাবে পা বাড়াবেন, সেই উদ্ভাবনও, সেই পথ খুঁজে নেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। আমরা কি সহজ রূপে আমাদের প্রশাসনে প্রতিনিয়ত সংস্কারকে আমাদের সহজ স্বভাবে পরিবর্তিত করতে পারি? ছোট ছোট বিষয়ের জন্য প্রয়োজনে যদি কমিশন বসাতে হয়, তাহলে বসাবেন। খরচ কম করতে হবে? কমিশন বসান। প্রশাসনে পরিবর্তন আনতে হবে? কমিশন বসান। ছয় মাস কিংবা ১২ মাস পরে রিপোর্ট আসবে, তারপর সেই রিপোর্ট দেখার জন্য আরও একটি কমিটি গঠন করুন। সেই কমিটির ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করুন। এখন এভাবেই আমরা কাজ করি। এর মূল উদ্দেশ্য হল, প্রশাসনের সংস্কার। সময় অনুসারে পরিবর্তন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কোনও সময় যুদ্ধ হলে হাতি আসে। তারপর হাতিওয়ালারা হাতি ছেড়ে ঘোড়া চালাতে শুরু করেন। ফলস্বরূপ আজ তাঁরা হাতিও চালাতে পারেন না, ঘোড়াও চালাতে পারেন না। অন্যকিছুর দরকার হয়। এই সংস্কার খুব সহজ নয়। কিন্তু যুদ্ধের চাপ আমাদের সংস্কার করতে বাধ্য করে। আমাদের দেশের আশা-আকাঙ্ক্ষা আমাদের বাধ্য করছে কি করছে না? যতক্ষণ পর্যন্ত দেশের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে আমরা বুঝতে না পারি, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিজের মতো করে প্রশাসনে সংস্কারও আনতে পারি না। প্রশাসনে সংস্কার একটি দৈনন্দিন প্রক্রিয়া হওয়া উচিৎ। সহজ প্রক্রিয়া হওয়া উচিৎ আর প্রয়োগসম্পন্ন ব্যবস্থা হওয়া উচিৎ। যদি প্রয়োগ সফল না হয় তাহলে ছেড়ে চলে যাওয়ার সাহস থাকা উচিৎ। আমি যে ভুল করেছি সেটা স্বীকার করে আমার নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার সামর্থ্য থাকা উচিৎ। তবেই গিয়ে পরিবর্তন আসে বন্ধুগণ! এখন আপনারা দেখুন, শত শত আইন এমন ছিল যেগুলি আমার মনে হয় বর্তমান সময়ের নিরিখে দেশের নাগরিকদের জন্য বোঝা হয়ে উঠেছিল। আমাকে যখন প্রথমবার ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী পদ প্রার্থী রূপে আমার দল ঘোষণা করে, তখন আমি ভাষণ দিচ্ছিলাম। দিল্লিতে একটি ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আমাকে ডেকেছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনের ৪-৬ মাস আগের কথা। তখন সেখানে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে আপনি কী করবেন? আমি বলি যে রোজ একটি করে সময়ের অনুপযোগী আইনকে বাতিল করব। নতুন আইনও প্রণয়ন করব। তখন আমার এ কথা শুনে তাঁরা খুব আশ্চর্য হন। আর আমি দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম পাঁচ বছরে ১,৫০০টি আইন বাতিল করাই। বন্ধুগণ আমাকে বলুন, এই আইনগুলি নিয়ে আমরা কেন বেঁচে থাকব? আজও আমার মনে দৃঢ় প্রত্যয় রয়েছে, হয়তো এরকম আরও আইন রয়েছে যেগুলি অকারণ রয়েছে। কেউ যদি এর অসাড়তার কথা ব্যাখ্যা করতে পারেন, তাহলে করুন। উদ্যোগ নিয়ে আমাদের কাছে নিয়ে আসুন আর সেই আইনকে বাতিল করান। দেশকে এ ধরনের আবর্জনা থেকে বের করে আনুন। তেমনই কমপ্লায়েন্স বা সম্মতি নিয়ে পরিচালনা এবং অনুসরণ নিয়েও আমার কিছু কথা বলার আছে। একই ধরনের কমপ্লায়েন্স … আমরা না জানি নাগরিকদের কাছ থেকে কী কী চাইতে থাকি বন্ধুগণ! আমাকে ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বললেন, বিশ্বের যাবতীয় কাজ বাকি থাকুক, আপনি সম্ভব হলে এই বিষয়টা দেখুন সাহেব। এই কমপ্লায়েন্স থেকে দেশকে মুক্ত করুন, নাগরিকদের মুক্ত করুন। এখন স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব চলছে। এত বছর পরেও কেন নাগরিকরা এই ধরনের জঞ্জালে আকীর্ণ হয়ে থাকবেন। মনে করুন একটা দপ্তরে ছয়জন মানুষ বসে আছেন। প্রত্যেক টেবিলওয়ালার কাছে তথ্য রয়েছে। কিন্তু তবুও আলাদা করে চাওয়া হবে। পাশের টেবিল থেকে তথ্যটা নিতে বাবুদের বাধে। কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের একই অফিসে এসে ছয়টা টেবিলে একই তথ্য ও দস্তাবেজ বারবার জমা দিতে হয়। আজ প্রযুক্তির যুগ। আমরা এমন ব্যবস্থা কেন বিকশিত করব না যে তাঁদেরকে একবারের বেশি আর তথ্য দিতে হবে না। আমরা কেন দেশকে কমপ্লায়েন্সের বোঝা থেকে মুক্ত করতে পারব না? আমি তো অবাক! এখন আমাদের ক্যাবিনেট সেক্রেটারি একটা উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রত্যেক অপরাধের জন্য নাগরিকদের ক্ষেত্রে নানা রকম শাস্তি রয়েছে। আমি এমন একটা আইন দেখেছি যে কারখানায় যে টয়লেট রয়েছে, সেখানে যদি প্রত্যেক ছয় মাসে চুনকাম না করা হয় তাহলে ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তির জেল হবে। এখন বলুন, আমরা কেমন দেশ চাইছি, কোথায় পৌঁছে দিতে চাইছি? এখন সময় এসেছে যে এই সমস্ত আবর্জনা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। আর এই মুক্তি দেওয়ার একটা সহজ প্রক্রিয়া থাকা উচিৎ। এর জন্য কোনও সার্কুলার পাঠানোর প্রয়োজন থাকা উচিৎ নয়। আপনারা যদি মনে করেন যে এটা রাজ্য সরকারের বিষয়, তাহলে রাজ্য সরকারকে বলুন! আপনারা যদি মনে করেন যে এটা কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারকে বলুন! লজ্জা করবেন না বন্ধুগণ! আমার বলার উদ্দেশ্য হল আমরা নাগরিকদের যতটা চাপমুক্ত করব, তাঁরা অনেক বেশি প্রস্ফুটিত হবে, অনেক বেশি শক্তি নিয়ে প্রস্ফুটিত হবে। আমার অল্প বুদ্ধিতে যা বুঝি, বড় গাছের নিচে যতই ভালো ফুলের গাছ লাগাতে চাই না কেন, বড় গাছের ছায়ার চাপ এতটা থাকে যে সেখানে ফুল জন্ম নিতে পারে না। সেই ফুলের গাছগুলিকেই যদি খোলা আকাশের নিচে ছেড়ে দেওয়া যায়, তাহলে তারাও শক্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে উঠবে। তাঁদের সেই বোঝা থেকে মুক্ত করে দিন। বন্ধুগণ, সাধারণত দেখা গেছে, যেমনটি চলছে, সেই ব্যবস্থার মধ্যেই আমরা নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নিতে থাকি। যেমন করেই হোক দিন কাটাতে থাকি। সময় কাটানোর চেষ্টা করতে থাকি। বিগত সাত দশক ধরে যদি আমরা এগুলির সমীক্ষা করতাম, তাহলে একটি বিষয় অবশ্যই সকলের সামনে স্পষ্ট হত। যখনই কোনও সঙ্কট এসেছে, কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় এসেছে, কোনও বিশেষ ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তখনই গিয়ে আমরা পরিবর্তন এনেছি। যেমন সম্প্রতি করোনা আসায় আমরা নিজেদের হিতে, নিজেদের স্বার্থে অনেক পরিবর্তন এনেছি। কিন্তু এটা কি সুস্থ ব্যবস্থা? বাইরে থেকে চাপ পড়লে তবেই গিয়ে আমরা বদলাব, এটা কোনও পদ্ধতি হল? আমরা আগে থেকেই নিজেদের প্রয়োজনীয় সংস্কার কেন করব না? কেন করব না বন্ধুগণ! যাতে আমাদের সঙ্কটের সময় নতুন করে রাস্তা খুঁজতে না হয়। একটা সময় ছিল যখন আমরা, দেশবাসীরা অভাবের মধ্যে দিন কাটাতাম। আর সেজন্যই আমাদের এত নিয়ম গড়ে উঠেছিল। অভাবের মধ্যে কিভাবে বাঁচতে হবে তা ঠিক করার জন্য এত নিয়ম তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু যখন আমরা অভাব থেকে বেরিয়ে এসেছি তখন আইনগুলিকেও তো অভাব থেকে বের করে আনতে হবে ভাই! বোইভবের মধ্যে, বিপুলতার লক্ষ্যে কেমন ভাবা উচিৎ তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। বৈভবের জন্য, বিপুলতার জন্য যদি আমরা না ভাবি, কৃষিতে যেহেতু আমরা এগিয়ে গিয়েছি, যদি আমরা তার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে না ভাবি, তাহলে কেমন করে চলবে? আমাদের দেশে যদি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা আগে থেকেই গড়ে উঠত, তাহলে আজ কৃষকদের জন্য কৃষি কখনই বোঝা হয়ে উঠত না। আর সেজন্য আমি বলি যে সঙ্কটের সময় পথ খোঁজার পদ্ধতি তো সরকার শিখে নিয়েছে, কিন্তু স্থায়ীভাবে ব্যবস্থাগুলিকে বিকশিত করার পথ আমাদেরকে খুঁজতে হবে। আর আমাদেরকে এটাও ভিস্যুয়ালাইজ করতে হবে যে যখন আমাদের এই এই সমস্যা আসে তার জন্য কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে, বা অমুক সমস্যাকে কিভাবে শেষ করতে হবে, তার সমাধান কিভাবে করতে হবে তা নিয়ে কাজ করা উচিৎ। তেমনই আমাদের নানা চ্যালেঞ্জের পেছনে বাধ্য হয়ে যে ছুটতে হয়, এটাও ঠিক পদ্ধতি নয়। আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা, আমাদের পূর্ব্জদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলির, আমাদের সমস্যাগুলির পূর্বানুমান করা উচিৎ। আজ আধুনিক প্রযুক্তি যেহেতু পুরো বিশ্বকে বদলে দিয়েছে, সেসব প্রযুক্তির সাহায্যে আমাদের প্রশাসনের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলি সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক থাকা উচিৎ। আমরা নিজেদেরকেই সেজন্য প্রস্তুত করব। সেজন্যই আমি চাইব যে গভর্ন্যান্স রিফর্মকে আমাদের দৈনন্দিন কর্মে পরিণত করতে হবে। ক্রমাগত চেষ্টা থাকতে হবে, আর আমি তো বলব যে তবেই আমরা যখন অবসর গ্রহণ করবো, তখন মন থেকে একটা আওয়াজ বেরিয়ে আসবে যে, আমার কর্মকালে আমি প্রশাসনে এই এত এত রিফর্ম করেছি, এত এত সংস্কার এনেছি, আর তার ব্যবস্থাগুলিকে বিকশিত করতে আমার প্রশাসনিক দক্ষতাকাজে লেগেছে, আর আগামী ২৫-৩০ বছর সেগুলি দেশের কাজে লাগবে। এই ধরনের পরিবর্তন আনতে পারলে সবকিছুই পরিবর্তিত হতে পারে। বন্ধুগণ, বিগত ৮ বছরে দেশে অনেক বড় বড় কাজ হয়েছে। এর মধ্যে অনেক অভিযান এমন ছিল, যেগুলির মূলে ছিল ‘বিহেভিয়ারাল চেঞ্জ’ বা প্রকৃতিগত পরিবর্তন। এটা খুব কঠিন কাজ আর রাজনৈতিক নেতারা তো একে কখনও হাত দেওয়ারই সাহস করেন না। কিন্তু আমি রাজনীতি থেকে নিজেকে ঊর্ধ্ব তোলার চেষ্টা করেছি। গণতন্ত্রে একটা ব্যবস্থা আছে। আমাকে শাসন ব্যবস্থার মধ্যেই কাজ করে এগিয়ে আসতে হয়েছে, এটা ভিন্ন কথা। আমি মূলত রাজনীতির মাধ্যমে উঠে আসিনি। তাই আমার স্বভাবও রাজনীতিবিদদের মতো হয়নি। আমি গণনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা মানুষ। সারা জীবন সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকা মানুষ। বন্ধুগণ, এই যে ‘বিহেভিয়ারাল চেঞ্জ’ বা প্রকৃতিগত পরিবর্তন এটার পেছনে আমার অনেক চেষ্টা ছিল। সমাজের মৌলিক জিনিসগুলিতে পরিবর্তন আনার যে প্রচেষ্টা হয়েছে, সাধারণ মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য আমার আশা-আকাঙ্ক্ষা তারই একটি অঙ্গ। আমি যখন সমাজের কথা বলি, তখন প্রশাসনে যাঁরা বসে আছেন তাঁদেরকে আমি আলাদা চোখে দেখি না। আমি মনে করি তাঁরা কোনও ভিন্ন গ্রহ থেকে আসেননি। তাঁরা তো এই প্রশাসনেরই অঙ্গ। আমরা কি যে পরিবর্তনগুলির কথা সবসময় বলি, যেগুলি হতে দেখি, সেগুলি সম্পর্কে ভাবি? কখনও কোনও আধিকারিক আমাকে বিয়ের কার্ড দিয়ে নিমন্ত্রণ করতে এলে আমার যে স্বভাব সেটা আমি ছাড়তে পারি না। সেজন্যই হয়তো যাঁরা আমার কাছে বিয়ের কার্ড নিয়ে আসেন, তাঁরা কোনও দামি কার্ড নিয়ে আসেন না। অনেক সস্তা কার্ড নিয়ে আসেন। কিন্তু তার ওপরে প্লাস্টিকের কভার থাকে ট্রান্সপারেন্ট। এটা দেখলেই সহজভাবে আমি জিজ্ঞাসা করে ফেলি যে আপনি এখনও ‘সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক’ ব্যবহার করছেন? তখন বেচারা লজ্জায় পড়ে যান। আমার বক্তব্য হল, আমরা দেশের কাছে অনেক কিছু প্রত্যাশা করি কিন্তু নিজেরাই ‘সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক’ ব্যবহার করে ফেলি। আমরা কি খতিয়ে দেখেছি যে নিজেরা ‘সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক’-এর ব্যবহার বন্ধ করেছি কিনা? আমার দপ্তরে আমি যেখানে বসে আছি, যে কাজ করছি, সেখানে এ ধরনের কোনও প্লাস্টিক ব্যবহার হচ্ছে না তো? আমি তো এত বড় পদে কাজ করি। আমি কি আমার জীবনে পরিবর্তন আনতে পারছি? আমার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে পারছি? আমরা বিষয়গুলিকে ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে হাত লাগাই, কারণ, আমরা এত বেশি বড় বিষয়গুলির মধ্যে ডুবে থাকি যে আমরা প্রায়ই ছোট ছোট বিষয়গুলি থেকে দূরে চলে যেতে থাকি। আর যখন ছোট বিষয়গুলি থেকে আমরা দূরে চলে যাই, তখন গরীব মানুষদের দিক থেকেও অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি হয়ে যায় বন্ধুগণ! আমাদের এই দেওয়ালগুলিকেই ভাঙতে হবে। এখন ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর জন্য আমাদেরকে আবার চেষ্টা করতে হয়। প্রত্যেক ১৫ দিনে দপ্তরে কী চলছে। দেখুন, পরিচ্ছন্নতার জন্য কোনও কাজ হচ্ছে কিনা! আমরা কী প্রত্যেক ২ বছর, ৩ বছর কিংবা ৫ বছরের মধ্যে আমাদের দপ্তরে কোনও পরিবর্তন এনেছি? বন্ধুগণ, আমরা আমাদের দপ্তরের এমন স্বভাব পরিবর্তন করতে পেরেছি? যদি এমন কোনও স্বভাবের পরিবর্তন না করে থাকি, তাহলে সাধারণ নাগরিকদের থেকে বেশি প্রত্যাশা করা উচিৎ নয়। তাঁদের যেমন স্বভাব গড়ে উঠেছে, তা থেকে বেশি প্রত্যাশা করা উচিৎ নয়, আর একথা আমি এজন্য বলছি বন্ধুগণ, আমরা এতদিন ধরে এই ব্যবস্থাকেই মেনে এসেছি, স্বীকার করেছি। এখন আমরা ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র কথা বলি, ফিনটেক নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়। আজ কেন্দ্রীয় সরকার ফিনটেক-এ যে গতি এনেছে, ডিজিটাল লেনদেনের বিশ্বে যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে তা অভূতপূর্ব। আজ যখন কাশীর কোনও যুবক-যুবতী পুরস্কার পান, আমাদের আধিকারিকদের তালি বাজানোর ইচ্ছা হয়, কারণ তাঁরা ঠেলাগাড়ি ও ফুটপাথের পাশে বসা ব্যবসায়ীদের অনেকের ডিজিটাল পেমেন্টেরও কাজ করছেন আর এই সাফল্যের চিত্রও পড়ে ও দেখে তাঁদের ভালো লাগে। কিন্তু মনে করুন আমাদের কারও বাবা, যিনি ডিজিটাল লেনদেন করেন না তাঁকে যদি আমরা উদ্বুদ্ধ না করতে পারি, তেমনই আমার ব্যবস্থায় বসে থাকা অনেক মানুষ যারা ডিজিটাল লেনদেন করেন না, তাঁদেরকে যদি আমরা উদ্বুদ্ধ না করতে পারি, তার মানে আমি এই গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছি। সিভিল সার্ভিস ডে-তে এ ধরনের কথা বলা উচিৎ কি উচিৎ নয় তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। আপনারা তো এখানে দু’দিন ধরে বসবেন। তখন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তায় আমার ছাল ছাড়িয়ে নেবেন জানি। কিন্তু তবুও বন্ধুগণ আমি বলতে চাই, যে বিষয়গুলি ভালো লাগে বা আমরা সমাজে প্রত্যাশা করি, নিজের ক্ষমতার জায়গায় কোথাও না কোথাও সেগুলি শুরু করা উচিৎ, আমাদের এই চেষ্টা করা উচিৎ। যদি আমরা যদি এই জিনিসগুলিকে চেষ্টা করি তাহলে আমরা অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারি। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে। এখন জিইএম পোর্টালের কথা যদি ধরি, আমাদের কি বারবার সার্কুলার বের করে বলতে হবে যে, আপনার দপ্তরের ১০০ শতাংশ কেনাকাটাকে কিভাবে জিইএম পোর্টালে নিয়ে আসতে হবে? কিভাবে জিইএম পোর্টালকে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে? বন্ধুগণ, আমাদের ইউপিআই ব্যবস্থা এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রশংসা কুড়োচ্ছে। আমাদের সকলের মোবাইলে কি ইউপিআই ব্যবস্থা রয়েছে? আমরা কি সকলে ইউপিআই-কে নিজেদের অভ্যাসে পরিণত করেছি? আমাদের পরিবারের সকলেকি ইউপিআই-কে নিজেদের অভ্যাসে পরিণত করেছে? আমাদের হাতে অনেক বড় সামর্থ্য রয়েছে। কিন্তু আমি যদি আমার ইউপিআই-কে স্বীকার না করি আর আমি বলি যে গুগল তো বাইরের দেশ থেকে এসেছে, তাহলে বন্ধুগণ, যদি ইউপিআই-এর মধ্যে এই ভাব থাকে তখন আমাদের ইউপিআই-ও গুগল থেকে এগিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে, এতটা শক্তি রাখতে পারে। ফিনটেক-এর বিশ্বে নাম করতে পারে। প্রযুক্তির জন্য ফুলপ্রুফ সিদ্ধ হয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কে এর প্রশংসা হচ্ছে। আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থা ছিল কিন্তু আমরা তার অংশ কেন হয়ে উঠিনি? আমি দেখেছি, আমরা কেউ পেছনে পড়লেই তবে করি। আমি দেখেছি যে আমাদের যত ইউনিফর্মড ফোর্সেস আছে, তারা নিজেদের ক্যান্টিনের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে। তারা ডিজিটাল পেমেন্টই গ্রহণ করে। কিন্তু আজও আমাদের সেক্রেটারিয়েটের মধ্যে যে ক্যান্টিন রয়েছে সেখানে এই ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এই পরিবর্তন কি আমরা আনতে পারি না? আমার বক্তব্যকে ছোট বলে মনে হতে পারে, কিন্তু যদি আমরা চেষ্টা করি বন্ধুগণ, তাহলে আমরা অনেক বড় কাজ করতে পারি, আর আমাদের সমাজের অন্তিম মানুষটি পর্যন্ত যথাযথ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত একটি পারফেক্ট সিমলেস মেকানিজম বা চালু করার চেষ্টা করে যেতে হবে, আর যতটা বেশি আমরা এই মেকানিজম দাঁড় করাতে পারব, আমি মনে করি সমাজের প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা অন্তিম ব্যক্তিটির ক্ষমতায়নের যে মিশন নিয়ে আমাদের সরকার এগিয়ে চলেছে, সেই মিশনকে আজ আমরা খুব ভালোভাবে বাস্তবায়িত করতে পারি। বন্ধুগণ, আমি আপনাদের অনেকটা সময় নিয়ে নিলাম। অনেক বিষয় নিয়ে আপনাদের সঙ্গে কথা বললাম। কিন্তু আমি চাইব যে আমরা এই জিনিসগুলিকে করি, এই জিনিসগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাই। এই সিভিল সার্ভিসেস ডে যেন আমাদের মনে একটি নতুন প্রাণশক্তির সঞ্চার করার অবসর হয়ে ওঠে। এখানে নতুন সঙ্কল্প গ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে। নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে যে নতুন মানুষেরা আমাদের মধ্যে আসবেন, আমরা যেন তাঁদের হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যাই। সেজন্য এই ব্যবস্থার অংশ হয়ে ওঠার জন্য নিজেদেরকে উদ্দীপনায় ভরিয়ে তুলতে হবে। আমরা নিজেরাই সক্রিয়ভাবে, আনন্দে জীবন কাটিয়ে যাতে নিজেদের বন্ধুবান্ধবদের ও সহনাগরিকদেরকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি! এই একটি প্রত্যাশার সঙ্গে, একে ব্যবস্থার অঙ্গ করে তোলার জন্য উদ্দীপনায় ভরিয়ে তুলি। নিজেদের প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ করে তুলে সম্পূর্ণভাবে বাঁচার মাধ্যমে নিজের বন্ধুদেরও এগিয়ে নিয়ে যাই, এই প্রত্যাশা রেখে আমি আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভকামনা জানাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ। CG/SB/DM/ (
pib-863
a860e84218765d8b9a79876a2505b80935069b5d251cd1741f18cff383c01c56
ben
কৃষিমন্ত্রক লকডাউন চলাকালীন কৃষক এবং কৃষিকাজের সুবিধার্থে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে নতুন দিল্লি, ১৩ এপ্রিল, ২০২০ ভারত সরকারের কৃষি, সমবায় ও কৃষক কল্যাণ দফতর লকডাউনের সময়কালে কৃষক এবং কৃষিকাজের সুবিধার্থে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।সেগুলি হল- ১) জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশনের আওতায় রাজ্যগুলিকে বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।১০ বছরের কম যারা এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন তাদের জন্য বীজ সম্পর্কিত বিভিন্ন ভর্তুকির ব্যবস্থা করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব, পার্বত্য অঞ্চল এবং জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও কেবল এনএফএসএম-এর আওতায় নির্দিষ্ট কিছু বীজের ক্ষেত্রে এই ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২) ২৪মার্চ থেকে লকডাউন চলাকালীন "প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮.৩১ কোটি কৃষক পরিবার উপকৃত হয়েছে এবং এর জন্য ১৬,৬২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৩)"প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা" এর আওতায় প্রায় ৩,৯৮৫ মেট্রিক টন ডাল রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সরবরাহ করা হয়েছে। ৪)পাঞ্জাবে, জৈব পদ্ধতিতে তৈরি পণ্যগুলি "পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা" এর অধীনের আওতায় তৈরি বিশেষভাবে ডিজাইন করা বৈদ্যুতিন ভ্যানের দ্বারা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ৫)মহারাষ্ট্রে ৩৪ টি জেলায় ২৭,৭৯৭ টি এফপিও অনলাইনে / প্রত্যক্ষ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৭,১১,১৭১কুইন্টাল ফল ও শাকসবজি বিক্রি করা হয়েছে। (CG/SS
pib-867
5a51c799f23f4eef320cf6ce27a9e0e36e0faab260deb178fd2bde64e10dac0e_2
ben
মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে আত্মরক্ষার জন্য সরকার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে – শ্রী রমেশ পোখরিয়াল ‘নিশাঙ্ক’ নয়াদিল্লি, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ স্কুল শিক্ষায় সরকারের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি ‘সমগ্র শিক্ষা’র আওতায় সরকারি স্কুলগুলিতে ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীদের আত্মরক্ষায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছাত্রীদের জন্য গঠিত কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়গুলিতেও এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর জন্য স্কুল পিছু প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকার তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। স্কুলগুলি প্রতি বছর তিন মাস এই অনুদান পেয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, জওহর নবোদয় বিদ্যালয় এবং সেন্ট্রাল টিবেটিয়ান স্কুলস্ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিদ্যালয়গুলির ছাত্রীদের জুডো, তায়েকওন্ডো, বক্সিং-সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ‘সক্ষম’ কর্মসূচির আওতায় মহিলাদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বিভিন্ন সময়ে অনুরোধ জানিয়েছে যে, কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেন এই কর্মসূচিটিকে বাস্তবায়িত করেন। দিল্লি পুলিশের নারী ও শিশুদের জন্য গঠিত বিশেষ ইউনিটটি বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বহুজাতিক সংস্থা, হাসপাতাল, অ-সরকারি সংগঠন, এনসিসি এবং হোটেলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনুরোধক্রমে মহিলাদের আত্মরক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে। CG/CB/SB (Visitor Counter : 47
pib-869
43dab9ea9f400eb48fef82afed6193fc85929607f23410fd7e82ef72e2ebd0c6_4
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় তথা ‘গ্লোবাল সাউথ’ সম্পর্কে পারস্পরিক সহযোগিতার এক পর্যালোচনা বৈঠকে মিলিত হলেন ভারত ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় নয়াদিল্লি, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সারা বছর ধরে ভারত ও জাপানের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনার বাতাবরণকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন ভারত ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়। নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের এক একান্ত অবসরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী মিঃ ফুমিও কিশিদা এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়ে আজ দু’দেশের মিলিত সহযোগিতার বিষয়গুলি পর্যালোচনা করেন। তাঁরা বলেন, ভারত ও জাপানের যথাক্রমে জি-২০ এবং জি-৭ সভাপতিত্বকালে অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত রয়েছে সারা বছর জুড়েই। বিশেষত, বিশ্বের দক্ষিণাংশের দেশগুলির উদ্বেগ ও আশা-আকাঙ্ক্ষার বিষয়গুলি সম্পর্কে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও অগ্রগতির বিষয়গুলি ছিল আজ দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচ্যসূচির তালিকায়। পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বিনিয়োগ প্রচেষ্টা এবং জ্বালানি উদ্ভাবন ক্ষেত্রে ভারত-জাপান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রীই। ভারত-জাপান বিশেষ কৌশলগত তথা বিশ্ব অংশীদারিত্বের বিষয়টিকে আরও গভীরে নিয়ে যাওয়ার সপক্ষে দুই বিশ্ব নেতাই তাঁদের অঙ্গীকারের কথা আজ পুনর্ব্যক্ত করেন। AC/SKD/DM (
pib-870
b71f0f62a28ad6f54feaa3c59cb8114285c2e9412b4c27cbf05a4aa916cde5a0_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর এইচপিসিএল-এর মুম্বাই এবং বিশাখাপত্তনম শোধনাগারের অসাধারণ দক্ষতায় খুশি প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি, ১৬ মে, ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এইচপিসিএল-এর মুম্বাই এবং বিশাখাপত্তনম শোধনাগারের অসাধারণ দক্ষতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ট্যুইটারে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানান, জ্বালানী ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকদের চাহিদা মেটাতে এইচপিসিএল নিজের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কাজ করছে। উল্লেখ্য, এইচপিসিএল-এর মুম্বাই এবং বিশাখাপত্তনম শোধনাগার লক্ষ্যমাত্রার ১১৩ শতাংশ অর্জন করেছে জানুয়ারি-মার্চ ২০২৩ ত্রৈমাসিকে। ৪.৯৬ এমএমটি তেল পরিশোধনের কাজ হয়েছে, এই সময়- যা একটি রেকর্ড। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে বলেন; “শক্তি ক্ষেত্রের জন্য সুখবর।” PG/AC/NS (
pib-874
46e1a84198c09b421f0c6f4be02096c58b8487bc4e401d18fa64f07a8021e880_3
ben
রেলমন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গে নিমতিতা রেল স্টেশনে দুর্ভাগ্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা নয়াদিল্লি, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পূর্ব রেলের মালদায় নিমতিতা স্টেশন চত্বরে গত রাতে ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ দুর্ভাগ্যজনকভাবে এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ভারতীয় রেল এই ঘটনার নিন্দা করেছে। ঘটনার অব্যবহিত পরেই রেলের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য শুরু হয়। রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং রেলের অন্যান্য বিভাগ আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়। উল্লেখ করা যেতে পারে, আইন-শৃঙ্খলার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত এবং আইন-শৃঙ্খলা পুরোপুরি বজায় রাখার দায়িত্বও রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের। এমনকি, রেল প্ল্যাটফর্মে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের গভর্নমেন্ট রেল পুলিশের । মালদার নিমতিতা স্টেশন চত্বরে যেখানে গত রাতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে সেই এলাকাটি হাওড়া রাজ্য রেল পুলিশের আওতাধীন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই জিআরপি-র পক্ষ থেকে গতকাল ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৭, ৩২৬ এবং ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক এই বিস্ফোরণের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের শ্রম মন্ত্রী শ্রী জাকির হুসেন সহ ২৫ জন আহত হন। আহত ১০ জনকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
pib-876
1ac9417aa1b791e72dc0b84e6ceb5956ccff0b33313317850a78c584af342e9d
ben
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাটের আমেদাবাদে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টারের উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নতুন দিল্লি, ১০ জুন, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাটের আমেদাবাদে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার -এর সদর দপ্তরের উদ্বোধন করেছেন। এই উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এই স্পেস সেন্টারটির উদ্বোধন উপলক্ষে শ্রী শাহ বলেন, ভারত মহাকাশ ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক অর্জন করেছে। ভারত এবং ইসরো মহাকাশ ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত যে সাফল্য অর্জন করেছে তা দেশের কল্যাণে এসেছে। ইসরোর প্রয়াসে বেসরকারি সংস্থা ও স্টার্টআপগুলিকে যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ভারত মহকাশ ক্ষেত্রে আরও কয়েক ধাপ অগ্রসর হতে পারে। দু-বছর আগে প্রধানমন্ত্রী এধরণের একটি কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রয়াস নিয়েছিলেন। আজ তার উদ্বোধন হল। শুধু তাই নয়, এই কেন্দ্রটির মাধ্যমে ভারতীয় মহাকাশ ক্ষেত্র দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা পালন করবে। শ্রী শাহ আরও বলেন, আমরা স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করতে চলেছি। কিন্তু ২০১৪-র পূর্বে শাসন ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলি নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখিয়েছে। সাধারণ মানুষ, ভারতীয় বিজ্ঞানীমহল এবং সমাজকে বহু বিষয়ে উপেক্ষা করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলির জন্য অনুকূল নীতি না থাকায় সেগুলির পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশ ঘটেনি। অবশ্য, ২০১৪-তে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার বহু ক্ষেত্রের জন্য উপযুক্ত নীতি গ্রহণ করে সেখানে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। মহাকাশ ক্ষেত্রও এরমধ্যে একটি। তিনি জানান, আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে নতুন স্বাস্থ্য নীতির যোগসূত্র গড়ে তুলে ভারতকে বিশ্বের উৎপাদন হাবে পরিণত করার প্রয়াস শুরু হয়েছে। এছাড়াও স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, উড়ান, পিএলআই কর্মসূচির মত একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে দেশের যুবারাও উন্নয়নের পথে অবদান রাখতে পারেন। আজ প্রধানমন্ত্রী যে ইন-স্পেস সদর দপ্তরটির উদ্বোধন করেছেন, তা মহাকাশ ক্ষেত্রে সম্ভাবনার পথ খুলে দেবে। শ্রী শাহ আরও বলেন, একবিংশ শতাব্দীর ভারত যে লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সমস্ত সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে দেশবাসীর সম্ভাবনার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অটল আস্থাই প্রতিফলিত হয়। শ্রী শাহ দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সরকারের প্রয়াসগুলি মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা নেবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী মানুষের কল্যাণে মহাকাশ ক্ষেত্র ও মহাকাশ প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন। প্রধামন্ত্রী শ্রী মোদীর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে শ্রী শাহ বলেন, মহাকাশ ক্ষেত্রে সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা যাই হোক না কেন, মেধার প্রয়োগে কোন বিধি-নিষেধ থাকা উচিত নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত মেধাবী যুবারা যাতে উপযুক্ত মঞ্চ পান, তার জন্য অনুসন্ধানমূলক কাজকর্মকে একেবারে তৃণমূলস্তরে নিয়ে যেতে হবে। CG/BD/AS/ (Visitor Counter : 89
pib-877
2cf226699d863bd5fc5490d23ab7ef129fde0063093ca1dc03cdc5a7a11ecfca_3
ben
প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর প্রধানমন্ত্রী গত কয়েক বছরে তাঁর বিদেশ সফরের সময় মহাত্মা গান্ধীর উদ্দেশে তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য সংক্রান্ত একটি থ্রেড ভাগ করে নিয়েছেন নয়াদিল্লি, ২০ মে, ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গত কয়েক বছরে তাঁর বিদেশ সফরে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ সংক্রান্ত শ্রী রাধামোহন সিং-এর একটি থ্রেড ভাগ করে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ওই থ্রেডের জবাব দিয়েছেন। “সুন্দর থ্রেড, যা সুন্দর সুন্দর স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছে। ভারত গান্ধীজির জন্মভূমি হওয়ার জন্য গর্বিত এবং আমরা সব সময় মানবতার জন্য তাঁর স্বপ্নকে সাকার করার কাজ করে যাব।” (CG/AP/DM/
pib-878
78e15a2dce569bf620bf82eb3077511a0a12f9ab78fae2017a8c3f5e51e53702
ben
রাষ্ট্রপতিরসচিবালয় প্রবল গরমের জন্য ‘চেঞ্জ অফ গার্ড’ অনুষ্ঠান রবিবারের বদলে করা হ’ল প্রতি শনিবার নয়াদিল্লি, ০২ মে, ২০১৯ প্রবল বিরূপ আবহাওয়ার কারণে পরবর্তী আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রবিবারের ‘চেঞ্জ অফ গার্ড’ অনুষ্ঠান ৫ই মে এই রবিবার থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। তবে, ঐ অনুষ্ঠান হবে প্রতি শনিবার ঐ একই সময়ে অর্থাৎ ১৫ নভেম্বর থেকে ১৪ই মার্চ পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে ১০টা ৪০ মিনিট এবং ১৫ই মার্চ থেকে ১৪ই নভেম্বর পর্যন্ত সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। ‘চেঞ্জ অফ গার্ড’ অনুষ্ঠান দেখার জন্য অনুরোধ করা যাবে অনলাইনে https://rb.nic.in/rbvisit_cog.aspx এই ওয়েবসাইট মারফৎ। প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে দর্শকদের ওয়েবসাইটটি দেখতে অনুরোধ করা হচ্ছে। CG/AP/SB (Visitor Counter : 64