n_id
stringlengths 5
10
| doc_id
stringlengths 64
67
| lang
stringclasses 1
value | text
stringlengths 200
88.7k
|
---|---|---|---|
pib-883 | a744eda8fe1ef0cb84ac23f4e77602319fdaa77f253c094d613c0a91aea79a5c | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ছত্তিশগড়ের বাস্তারের জগদলপুরে ২৭ হাজার কোটি টাকার নানাবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী
নাগারনারে এনএমডিসি স্টিল লিমিটেড-এর ইস্পাত প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়
জগদলপুর রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
ছত্তিশগড়ে নানাবিধ রেল এবং সড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে
তারকি-রায়পুর ডেম্যু ট্রেন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে
নয়াদিল্লি, ৩ অক্টোবর, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ছত্তিশগড়ের বাস্তারের জগদলপুরে ২৭ হাজার কোটি টাকার নানাবিধ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। এইসব প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে - বাস্তার জেলার নাগারনারে এনএমডিসি স্টিল লিমিটেড-এর ২৩,৮০০ কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্প, নানাবিধ রেল ও সড়ক প্রকল্প। সেইসঙ্গে তিনি তারকি-রায়পুর ডেম্যু ট্রেন পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিকশিত ভারতের স্বপ্ন তখনই ফলদায়ক হতে পারবে, যখন প্রত্যেকটি রাজ্য, প্রত্যেকটি জেলা এবং দেশের প্রত্যেকটি গ্রাম উন্নত হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, ২৭ হাজার কোটি টাকার আজকের এইসব প্রকল্পের সম্পাদনের মধ্য দিয়ে এই অঙ্গীকারকেই পূর্ণতা দেওয়া হচ্ছে।
এইসব উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তিনি ছত্তিশগড়ের জনসাধারণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিকশিত ভারতের জন্য সামাজিক এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে করতে হবে। তিনি বলেন এ বছর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বরাদ্দ ১০ লক্ষ কোটি টাকা, যা প্রায় ছ’গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেল, সড়ক, বিমান, তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প, পরিবহণ, দরিদ্রদের আবাসন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান – এই সমস্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ইস্পাতের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ইস্পাত উৎপাদনে গত ৯ বছরে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, ইস্পাত উৎপাদনকারী রাজ্য হিসেবে ছত্তিশগড় এইসব ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে। নাগারনারে আজ সর্বাধুনিক ইস্পাত প্রকল্পের উদ্বোধন করে তিনি একথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে উৎপাদিত ইস্পাত গাড়ি শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং দেশের প্রতিরক্ষা নির্মাণ ক্ষেত্রকে নতুন শক্তি যোগাবে। বাস্তারে উৎপাদিত ইস্পাত সেনাবাহিনীকে শক্তি যোগানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে। তিনি বলেন, এই ইস্পাত প্রকল্প বাস্তার এবং সন্নিহিত এলাকার প্রায় ৫০ হাজার যুব সম্প্রদায়কে কর্মসংস্থানের সুযোগ যোগাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের গৃহীত প্রকল্পে উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলা হিসেবে বাস্তারের মতো জেলার ক্ষেত্রে নতুন এই ইস্পাত প্রকল্প এক নতুন দিক নির্দেশ করবে।
যোগাযোগ ক্ষেত্রের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্রাধিকারের দিকগুলি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ছত্তিশগড়ে অর্থনৈতিক করিডর এবং আধুনিক মহাসড়কের উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের তুলনায় ছত্তিশগড়ের রেল বাজেটে বরাদ্ধ প্রায় ২০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, স্বাধীনতার বহু বছর পর তারকি নতুন রেল লাইন উপহার পাচ্ছে। দেশের রেল মানচিত্রে একটি নতুন ডেম্যু ট্রেনকে তারকির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, রাজধানী রায়পুর যাতায়াত অনেক সুগম হবে ও আনুষঙ্গিক নানা সুবিধা মিলবে। জগদলপুর এবং দান্তেওয়াড়ার মধ্যে রেল লাইন ডবল করার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়ে যাবে ও লজিস্টিক্স খরচ কমবে।
প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রেল লাইনের ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকরণের কাজ ছত্তিশগড়ে সম্পূর্ণ হয়েছে। এই রাজ্যে বন্দে ভারতও চলাচল করছে। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পে ছত্তিশগড়ের ৩০টিরও বেশি রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৩০টি স্টেশনের পুনরুন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর ইতিমধ্যেই স্থাপন করা হয়েছে। বিলাসপুর, রাইপুর, দুর্গ স্টেশন সহ জগদলপুর রেল স্টেশনকেও আজ এই তালিকায় যুক্ত করা হল বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, আগামীদিনে জগদলপুর রেল স্টেশন শহরের একটি মূল কেন্দ্র হয়ে দাঁড়াবে। এখানে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের আধুনিকীকরণ করা হবে। গত ৯ বছরে রাজ্যের ১২০টিরও বেশি স্টেশনে নিখরচায় ওয়াই-ফাই পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে।
শ্রী মোদী বলেন, ছত্তিশগড়ের মানুষের জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য বিকাশে সরকার যাবতীয় প্রয়াস নিয়েছে। আজকের এইসব প্রকল্প উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে, নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করবে এবং রাজ্যে নতুন শিল্পকে উৎসাহ দেবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শেষে বলেন, যে ছত্তিশগড়ের উন্নয়ন যাত্রায় সরকার যাবতীয় সমর্থন এবং দেশের পরিবর্তনের যাত্রাপথে এই রাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ছত্তিশগড়ের রাজ্যপাল শ্রী বিশ্বভূষণ হরিচন্দন রাজ্যের বিকাশে চিন্তাশীল ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
ছত্তিশগড়ের রাজ্যপাল ছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শ্রী মোহন মাণ্ডভি।
(PG/AB/DM |
pib-890 | a03a3ca7a23986dedfb1a9dbac9173b4baa6eb54fda0d803c3f5a8bedc048c99_1 | ben | নারীওশিশুবিকাশমন্ত্রক
নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক পঞ্চম জাতীয় পুষ্টি অভিযান মাস উদযাপন করছে
নয়াদিল্লি, ৩১ অগাস্ট, ২০২২
ছয় বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরী, গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদাত্রী মহিলাদের পুষ্টির মানোন্নয়নে ভারত সরকার পোষণ অভিযান ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মিশন মোডে অপুষ্টি সমস্যা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এই পোষণ অভিযান চালু করেন। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হ’ল – সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অপুষ্টিজনিত সমস্যার মোকাবিলা করা।
নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পঞ্চম জাতীয় পোষণ মাস উদযাপন করছে। এবারের পোষণ মাস প্রধাণত গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে পালন করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হ’ল – ‘মহিলা এবং স্বাস্থ্য ও বাচ্চা ও শিক্ষা’। দেশব্যাপী তৃণমূল স্তরে অপুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। ছয় বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরী, গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদাত্রী মহিলাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। ‘সুস্থ ভারত’ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে মূলত সরকারের এই উদ্যোগ।
পঞ্চায়েত স্তরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। পোষণ পঞ্চায়েত কমিটি ঘনিষ্ঠভাবে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে কাজ করবে।
অঙ্গনওয়াড়ি পরিষেবায় সুস্বাস্থ্যের জন্য অভ্যাস গড়ে তুলতে সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাজ্যগুলি ‘সুস্থ বালক স্পর্ধা’ কর্মসূচির আয়োজন করবে। বিভিন্ন লায়ন্স ক্লাব, রোটারি ক্লাব, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাধ্যমে এই কর্মসূচিগুলি রূপায়ণ করা হবে।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সুস্থ মা ও শিশুর জন্য আদিবাসী এলাকায় ঐতিহ্যবাহী খাবারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাজ্যগুলিতে ‘আম্মা কি রসোই’ বা ‘ঠাকুমা/দিদিমার রান্নাঘর’ – এর মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের রন্ধনপ্রণালী দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে স্থানীয় খেলনার মাধ্যমে শিক্ষাদানের জন্য জাতীয় স্তরে খেলনা তৈরির কর্মশালার আয়োজন করা হবে।
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন বিভাগগুলি, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশা কর্মী, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কম্যুনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বিদ্যালয় শিক্ষা, পাঞ্চায়েতি রাজ বিভাগ ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে মহিলা ও শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।
পুষ্টিসম্পন্ন ভারত গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন রয়েছে, তা পূরণ করতে জনআন্দোলনকে জনঅংশীদারিত্বে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই পঞ্চম জাতীয় পোষণ মাস উদযাপন করা হচ্ছে।
PG/PM/SB
(Visitor Counter : 376 |
pib-891 | d4c4f357e148dc9e22afcf080ffb5312d09109ad6ae8c40ab2b036ac5dafd114 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী ১৯ নভেম্বর অরুণাচল প্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ সফরে যাবেন
উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করতে এ এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রী অরুণাচল প্রদেশে প্রথম গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন
৬৪০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি বাণিজ্য ও পর্যটনে গতি আনবে
প্রধানমন্ত্রী ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কামেং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন
প্রধানমন্ত্রী বারাণসীতে এক মাসব্যাপী ‘কাশী তামিল সঙ্গমম’-এর উদ্বোধন করবেন
‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ – এই ভাবনার ওপর অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে
নয়াদিল্লি, ১৭ নভেম্বর ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ১৯ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ ও অরুণাচল প্রদেশ সফর করবেন। সকাল ৯-৩০ মিনিট নাগাদ ইটানগরে দোন্যি পোলো বিমানবন্দরটির উদ্বোধন করবেন এবং ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কামেং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এরপর তিনি যাবেন উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে। সেখানে তিনি বেলা ২টো নাগাদ ‘কাশী তামিল সঙ্গমম’-এর উদ্বোধন করবেন।
অরুণাচল প্রদেশে প্রধানমন্ত্রী
উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী অরুণাচল প্রদেশের ইটানগরে দোন্যি পোলো বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করবেন। এটি হবে এই রাজ্যের প্রথম গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের নামটি অরুণাচল প্রদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। ‘দোন্যি’ অর্থাৎ, সূর্য এবং ‘পোলো’ অর্থাৎ, চাঁদ।
বিমানবন্দরটি ৬৯০ একর জমির ওপর ৬৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২,৩০০ মিটার। সবরকম আবহাওয়ায় চলাচলের অনুকূল এই বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের টার্মিনালটি আধুনিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এতে থাকছে শক্তিসাশ্রয়ী পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদের সুযোগ।
ইটানগরে নতুন এই বিমানবন্দরটি কেবলমাত্র এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে তাই নয়, বাণিজ্য ও পর্যটনে গতি আনবে। এই অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৬০০ মেগাওয়াট কামেং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। ৮,৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলায় ৮০ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে এই প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে। সবুজ শক্তি উৎপাদনের প্রতি দেশ যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তা পূরণে এই কেন্দ্রটি অনেকটাই সাহায্য করবে।
বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ চিন্তাধারার ওপর নির্ভর করে সরকার ‘কাশী তামিল সঙ্গমম’-এর আয়োজন করেছে। কাশীতে এক মাসব্যাপী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হল তামিলনাড়ু এবং কাশীর মধ্যে বহু প্রাচীন যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনরুদ্ধার। প্রাচীনকাল থেকেই এই দুই স্থান দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানটি পড়ুয়া, দার্শনিক, ব্যবসায়ী, শিল্পী, বিদ্বান ব্যক্তি সহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের স্থান হয়ে উঠবে। এখানে তাঁরা তাঁদের জ্ঞান বিতরণ করবেন এবং একে অন্যের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হবেন। তামিলনাড়ু থেকে প্রায় ২,৫০০ প্রতিনিধি কাশীতে আসবেন। আয়োজিত হবে আলোচনাসভার। এক মাসব্যাপী হস্তশিল্প প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। থাকবে বইমেলার ব্যবস্থাও। এছাড়া, দেখানো হবে তথ্যচিত্র। ঐতিহাসিক স্থান ও এই দুই জায়গার খাবার-দাবার সম্পর্কেও বিবরণ তুলে ধরা হবে অনুষ্ঠানে।
নতুন শিক্ষানীতি, ২০২০-তে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাচীন সম্পদের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আইআইটি মাদ্রাজ এবং বিএইচইউ এই কর্মসূচির জন্য দুটি প্রধান কেন্দ্র।
PG/PM/DM
( |
pib-892 | e9d55e7e1db7334519fff560dc12583aad6a278a380fd88990016b4e9d4b01e8 | ben | শেল-থুম মন্ত্রালয়
এ.ৱাই.পি.না চহি ৮ মায় পাক্না ইমপ্লিমেন্ত তৌরকপদা সবস্ক্রাইবর করোর ৫.২৫ হেন্না এনরোল তৌখ্রে
ভারত সরকারগী ফ্লেগশিপ সোসিএল সেক্যুরিতী স্কিম অমা ওইরিবা অতল পেন্সন য়োজনা না মায় পাক্না ইমপ্লিমেন্ত তৌরকপা চহি নিপাল মপুং ফাখ্রে। স্কিম অসি অখন্ননা অনওর্গাইজ সেক্তরদা থবক তৌরিবা ৱার্করশিংগী ওইনা ভারতকী নাগরিক পুম্নমক্তা ওল্দ এজ ইনকম সেক্যুরিতী ফংহনবগী পান্দমগা লোয়ননা প্রধান মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীনা ২০১৫গী মে ৯দা হৌদোকখি।
স্কিম অসি লৈবাক পুম্বদা রাজ্য অমসুং য়ুনিয়ন তেরিতেরী পুম্নমক কবর তৌদুনা অপুনবা এনরোলমেন্ত করোর ৫.২৫ হেনবগা লোয়ননা পুন্না ইমপ্লিমেন্ত তৌখি। এ.পি.ৱাই. এনরোলমেন্ত অসি মসি হৌদোকখিবদগী হৌরগা মখা তানা হেনগৎলকপা উবা ফংলি। অনৌবা এনরোলমেন্তদা শেনবা চহি ২০২০-২১গা য়েংনবা শেনবা চহি ২০২১-২২দা চাদা ২৫ হেনগৎখিবা অদুগা য়েংনবদা শেনবা চহি ২০২১-২২গা য়েংনবদা শেনবা চহি ২০২২-২৩দা চাদা ২০ হেনগৎখি। ঙসি ফাওবদা এ.পি.ৱাই.দা অপুনবা এসেতস উন্দর মেনেজমেন্ত অসি লুপা করোর ২৮,৪৩৪ হেনলে অমদি স্কিম অসি হৌদোকপদগী হৌরগা স্কিম অসি চাদা ৮.৯২গী ইনবেস্তমেন্ত রিতর্ন অমা জেনরেত তৌরে।
অনৌবা এ.পি.ৱাই. একাউন্ত অসি চহি ১৮-৪০গী মনুংদা লৈবা মশাগী সেবিং বেঙ্ক একাউন্ত লৈবা অমদি ইনকম তেক্স থিদবা মীওই ভারতকী নাগরিক অমা হেক্তনা হাংবা য়াই। এ.পি.ৱাই.গী মখাদা সবস্ক্রাইবর অমনা মখোয়গী কন্ত্রিব্যুসনগী মখা পোন্না চহি ৬০ শুবদগী থা খুদিংগী লুপা ১০০০দগী লুপা ৫০০০ ফাওবগী ওইবা পুন্সি চুপ্পগী মিনিমম গরেন্তীদ পেন্সন অমা ফংগনি মদু এ.পি.ৱাই. স্কিম য়াওবগী চহিদা য়ুমফম ওইগনি।
পি.এফ.আর.দি.এ.না মতম পুম্নমক্তা ভারত সরকারনা য়েংলিবা মীৎয়েংগী মতুং ইন্না ভারতপু পেন্সন সোসাইতী অমা ওইহন্নবগী মায়কৈদা থবক তৌরি।
হৌখিবা চহি ৮দা এ.পি.ৱাই.গী মখাদা মিং চনখিবা সবসক্রাইবরশিংগী মশিংগী বেঙ্কশিংগী ওইবা অকুপ্পা ৱারোল
|
|
বেঙ্কশিংগী কেতগরী
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
শেনবা চহি 2022-23 মনুংদা তিনশিনখিবশিং
|
|
দা ওইখিবা
|
|
দা ওইখিবা
|
|
পব্লিক সেক্তর বেঙ্কশিং
|
|
16.581
|
|
29.859
|
|
64.443
|
|
105.35
|
|
154.183
|
|
209.195
|
|
278.487
|
|
86.607
|
|
365.095
|
|
368.77
|
|
রিজনেল রুরেল বেঙ্কশিং
|
|
4.763
|
|
11.152
|
|
19.871
|
|
31.711
|
|
43.301
|
|
57.107
|
|
75.280
|
|
24.267
|
|
99.548
|
|
100.41
|
|
প্রাইবেত বেঙ্কশিং
|
|
2.531
|
|
5.586
|
|
9.829
|
|
13.297
|
|
18.20
|
|
23.193
|
|
29.210
|
|
5.13
|
|
34.347
|
|
34.54
|
|
স্মোল ফাইনান্স বেঙ্ক
|
|
-
|
|
-
|
|
-
|
|
0.09
|
|
0.157
|
|
0.351
|
|
0.862
|
|
0.785
|
|
1.648
|
|
1.67
|
|
পেমেন্ত বেঙ্ক
|
|
-
|
|
-
|
|
-
|
|
0.481
|
|
3.44
|
|
8.188
|
|
12.880
|
|
2.159
|
|
15.039
|
|
15.12
|
|
কো-ওপরেতিব বেঙ্কশিং
|
|
0.22
|
|
0.339
|
|
0.456
|
|
0.543
|
|
0.705
|
|
0.80
|
|
0.928
|
|
0.141
|
|
1.069
|
|
1.10
|
|
দি.ও.পি.
|
|
0.753
|
|
1.899
|
|
2.453
|
|
2.703
|
|
3.02
|
|
3.321
|
|
3.623
|
|
0.215
|
|
3.839
|
|
3.84
|
|
অপুনবা
|
|
24.84
|
|
48.83
|
|
97.05
|
|
154.18
|
|
223.01
|
|
302.15
|
|
401.27
|
|
119.31
|
|
520.58
|
|
525.45 |
pib-896 | 330751c2dc912d513bd8015afed0218a7f07c0418707e23613da6451baf124d0_3 | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
২০১৯-এর জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অতিরিক্ত ৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা অনুমোদন
নয়াদিল্লি, ৯ অক্টোবর, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের পয়লা জুলাই ২০১৯ থেকে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার প্রস্তাব মঞ্জুর করা হয়। মূল্যবৃদ্ধির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বর্তমান মূল বেতন / অবসরকালীন ভাতার ১২ শতাংশ হারের অতিরিক্ত। সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ফলে, সরকারের কোষাগার থেকে প্রতি বছর ১৫,৯০৯ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা এবং ২০১৯-এর জুলাই থেকে ২০২০-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০,৬০৬ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তে ৪৯ লক্ষ ৯৩ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬৫ লক্ষ ২৬ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী উপকৃত হবেন।
মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ফলে সরকারের প্রতি বছর ৮,৫৯০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এবং ২০১৯-এর জুলাই থেকে ২০২০-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫,৭২৬ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে।
মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ফলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য সরকারের প্রতি বছর ৭,৩১৯ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা এবং ২০১৯-এর জুলাই থেকে ২০২০-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪,৮৭০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে।
মূল্যবৃদ্ধির ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে যাতে কোন সমস্যা না হয়, সেই কারণে প্রতি বছর দু’বার পয়লা জানুয়ারি এবং পয়লা জুলাই-এ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করা হয়।
CG/CB/DM
(Visitor Counter : 74 |
pib-897 | f5e1358a4f41f40f404d1ee91553f456cb2f9c6db54464eba389e3b78349faca_1 | ben | বস্ত্রমন্ত্রক
হস্তশিল্প রপ্তানি পরিষদ ৪৯ তম ভারতীয় হস্তশিল্প সামগ্রী মেলা -দিল্লি ফেয়ার স্প্রিং ২০২০ বাতিল ঘোষনা করেছে
নতুন দিল্লি, ২৯ মার্চ, ২০২০
দেশ এবং বিদেশ জুড়ে কোভিড-19 সংক্রমণ অতিমারীর প্রেক্ষিতে হস্তশিল্প রপ্তানি উন্নয়ন পরিষদ, দিল্লীতে ২০২০র ৪৯ তম ভারতীয় হস্তশিল্প সামগ্রী মেলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হস্তশিল্প রপ্তানি উন্নয়ন পরিষদের মহা নির্দেশক শ্রী রাকেশ কুমার জানিয়েছেন, দেশে এখন লক ডাউন পরিস্থিতি চলছে, এই অবস্থায় অদূর ভবিষ্যতে এত বড় আকারে মেলার আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব।
উল্লেখ্য, এই মেলা ১৫ই এপ্রিল থেকে ১৯শে এপ্রিল, ২০২০ হওয়ার কথা ছিল। তা আপাতত স্থগিত করে, কোভিড-19 পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামি জুন বা জুলাই মাসের কোনো এক সময় মেলার আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
৭ হাজার বিদেশী ক্রেতা সহ ১০ হাজারেরও বেশি দর্শক এবং তাঁদের প্রতিনিধিদের এই মেলায় অংশগ্রহণের সম্ভবনা ছিল। ৩২০০ জন প্রদর্শক, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সর্বোত্তম ভারতীয় হস্তশিল্প সামগ্রী প্রদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। ক্লাস্টার ভিত্তিক হস্তশিল্পের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বড়ো বড়ো শিল্প ক্লাস্টার যেমন মোরাদাবাদ, শাহারানপুর, যোধপুর, জয়পুর, আগ্রা, নারসাপুর, ফিরোজাবাদ, উত্তর পূর্বাঞ্চল সহ অন্যান্য অংশের হস্তশিল্প, এই মেলা আপাতত বাতিল হওয়ায় ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো।
৫০ তম ভারতীয় হস্তশিল্প সামগ্রী মেলা আগামী ১৪ থেকে ১৮ই অক্টোবর,২০২০ দিল্লি রাজধানী অঞ্চলে, গ্রেটার নয়ডার ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার এন্ড মার্টে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
(CG/PPM |
pib-904 | f34cefd45217afaf7f56e34fda2698bb30d7816a472b9bdb11c15ee0520428d1_3 | ben | পর্যটনমন্ত্রক
লকডাউনের পর অশোক হোটেল খোলার প্রথম দিনে প্রস্তুতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
নয়াদিল্লী, ২৫ আগস্ট, ২০২০
দিল্লীর বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর জারি করা নির্দেশের পরে পর্যটন মন্ত্রকের আওতাধীন আইটিডিসি হোটেলগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার অঙ্গ হিসেবে পর্যটন ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শ্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল সোমবার দিল্লীতে অশোক হোটেল পরিদর্শন করেন। ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সোমবার থেকে দেশের রাজধানীতে পুনরায় হোটেল খোলার কথা ঘোষণা করেছে।
পুনরায় হোটেল খোলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, দেশের রাজধানীতে হোটেল এবং রেস্তোরাঁ পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের পর্যটন ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং এই শিল্পে স্বস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে পর্যটন এবং আতিথেয়তার কথা মাথায় রেখে দিল্লীর জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে স্বাগতও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন আইটিডিসি সমস্ত কর্মীদের জন্য কোভিড-১৯ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলি কঠোরভাবে মেনে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর জারি করা হয়েছে । আইটিডিসি কোভিড-১৯ পরিস্থিতির বাস্তব সময়ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ করতে এবং প্রয়োজন মতো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এইমস-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ৮ই জুন থেকে পর্যটন ক্ষেত্রে হোটেল, রোস্তোরাঁ এবং আতিথেয়তা পরিষেবা চালু করার অনুমতি দিয়েছে। তবে তার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকা মেনে দেশ ব্যাপি হোটেল, রোস্তোরাঁ এবং অন্যান্য আবাসিক কেন্দ্রগুলি পরিচালিত হচ্ছে।
(CG/SS/NS |
pib-907 | c93bdf5457d58cc38ec744a9d9c898df001c2c67565587f13255fcb8bb944556 | ben | উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরউন্নয়নসংক্রান্তমন্ত্রক
এনইএসআইডিএস-এর আওতায় অনুমোদিত প্রকল্প
নতুন দিল্লি, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
উত্তর পূর্ব বিশেষ পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ এই দুই অর্থবর্ষে ৫৪টি প্রকল্প খাতে ১ হাজার ৩২০ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। প্রকল্প খাতে সমস্ত খরচ কেন্দ্রীয় সরকার বহন করে। রাজ্যসভায় আজ এক লিখিত জবাবে একথা জানান উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী জি কিষান রেড্ডি। তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পগুলি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রূপায়ণে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রক প্রকল্পগুলির রূপায়ণের কাজে নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে। সেই সঙ্গে প্রকল্প খাতে খরচ পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অনুযায়ী মেটানো হচ্ছে। প্রকল্পগুলির সঙ্গে জিও ট্যাগিং ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে যাতে প্রকল্পের প্রকৃত অগ্রগতির ওপর নজর রাখা যায়। মন্ত্রকের কারিগরি শাখার আধিকারিকরা প্রকল্প রূপায়ণের কাজে অগ্রগতি এবং খরচের বিষয়টির ওপর নজর রাখেন।
উত্তর পূর্ব বিশেষ পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির তহবিল অর্থবর্ষ শুরুর সময় রাজ্যগুলিকে বন্টন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় রূপায়িত প্রকল্পগুলির কাজকর্মের অগ্রগতি নিয়মিত খতিয়ে দেখা হয়। তবে, রাজ্য সরকারের কাছ থেকে পাওয়া অনুরোধের প্রেক্ষিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই সমস্ত প্রকল্পগুলি চিহ্নিত করা হয়, যা সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পটি রূপায়ণে বিশেষ পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে তহবিল বরাদ্দ করা হয় বলেও শ্রী রেড্ডি জানান।
CG/BD/AS/
(Visitor Counter : 101 |
pib-912 | fa4f38eb142962856c77ce962d761ee58d2ff8481ace8fe282818547f83c9a5e_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
হিমাচল প্রদেশের কুল্লুতে মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
নয়াদিল্লি, ২৭ অক্টোবর, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী হিমাচল প্রদেশের কুল্লুতে মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন পুরোদমে ত্রাণ ও উদ্ধারকার্যে যুক্ত রয়েছে।
এক ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “হিমাচল প্রদেশের কুল্লুতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখিত। ঐতিহাসিক মালানা গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি সমবেদনা জানাই। রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন পুরোদমে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে যুক্ত রয়েছে”।
CG/BD/SB
( |
pib-918 | 8e6cab9fa96f5d55ad3e70163585a59ebdb966c714f6043fec25f59bfc1454da | ben | নারীওশিশুবিকাশমন্ত্রক
পোষণ অভিযানের মাধ্যমে পুষ্টির মান উন্নত হচ্ছে
নতুন দিল্লি, ২৫ মার্চ, ২০২১
পোষণ অভিযান প্রকল্পকে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত একটি জন আন্দোলনে রূপান্তরিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপুষ্টিজনিত সমস্যার সমাধান করা।
ভারত সরকার অপুষ্টি দূর করতে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ও রোগ প্রতিরোধ করতে পুষ্টিকর সামগ্রী বিতরণ ও তার প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। সরকার স্বীকৃত পরীক্ষাগার গুলিতে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে পুষ্টির গুণগত মান এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুষ্টির গুনাগুন সম্পর্কে এবং খাদ্য সুরক্ষা ও খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ২০০৬ এর আইন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে নিয়মিতভাবে পরামর্শ দিয়ে থাকে। এর পাশাপাশি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে আয়ুষ পরিষেবা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পোষণ অভিযানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গুলিতে নির্দিষ্ট কর্মসূচি অনুযায়ী পুষ্টিকর খাদ্যদ্রব্য বিতরণের ব্যবস্থা করেছে।
আজ রাজ্যসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু বিকাশ মন্ত্রী শ্রীমতি স্মৃতি জুবিন ইরানি এই তথ্য জানিয়েছেন। |
pib-920 | f7a97784be7ed3771656dde3e89014c32718fae3377b9dcf9f0afde38bc2c46b | ben | রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
চৈত্র শুক্লাদি, উগাড়ি, গুড়ি পরব, চেতি চাঁদ, নভরে এবং সাজিবু চেইরাওবা’র প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতি দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন
নয়াদিল্লি, ০৫ এপ্রিল, ২০১৯
ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী রাম নাথ কোবিন্দ চৈত্র শুক্লাদি, উগাড়ি, গুড়ি পরব, চেতি চাঁদ, নভরে এবং সাজিবু চেইরাওবা’র প্রাক্কালে দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এক বার্তায় তিনি বলেছেন, “পবিত্র চৈত্র শুক্লাদি, উগাড়ি, গুড়ি পরব, চেতি চাঁদ, নভরে এবং সাজিবু চেইরাওবা উপলক্ষে আমি সহ-নাগরিকদের সকলের জন্য অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাই।
ঐতিহ্যগতভাবে এই উৎসবগুলিকে নববর্ষ ও গ্রীষ্ম ঋতুর সূচনা হিসাবে ধরা হয়। এই সব উৎসবের মধ্যে সমৃদ্ধি এবং কল্যাণের মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়। এই সব উৎসবের আনন্দের মূল সুরটি যেন প্রত্যেক ভারতীয়ের হৃদয়ে স্থান গ্রহণ করে।
এই উৎসব যেন মানুষের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধনকে শক্তিশালী করে এবং সমাজের মধ্যে সহমর্মিতা এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বকে সুদৃঢ় করে। |
pib-931 | 5e22e66bb19f53f33fc6439e81d1894c4596ecef0c1f2f9d12d1259e586dfa9b_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ফিডে অনলাইন দাবা অলিম্পিয়াডে বিজয়ীদের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
নতুনদিল্লি, ৩০শে আগস্ট, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ফিডে অনলাইন দাবা অলিম্পিয়াডে বিজয়ী দাবা খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “ফিডে অনলাইন দাবা অলিম্পিয়াডে আমাদের বিজয়ী দাবাড়ুদের অভিনন্দন জানাই। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় প্রশংসার যোগ্য। তাঁদের সাফল্য অন্য দাবা খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করবে। আমি রুশ দলকেও এই সঙ্গে অভিনন্দন জানাই”।
CG/CB
( |
pib-933 | 4421130ebdb1f28d549b5c0f88bfd169dcfcf1685dfad57cc4851d0a7a569374_1 | ben | ক্রেতা, খাদ্যএবংগণবন্টনমন্ত্রক
আইএসআই প্রতীকের অপব্যবহার
নয়াদিল্লি, ১৬ জুলাই, ২০১৯
আইএসআই চিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে ভারতীয় মানক সংস্থার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি এবং তদন্ত করা হয়েছে। এমনকি, নির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত গত চার বছরে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আইএসআই প্রতীকের অপব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২১৯টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে এবং ২১টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে পণ্যগুলি নমুনা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ার কারণে।
২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে মোট ১২৪টি জায়গায় এবং ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ১৪টি জায়গায় এ ধরনের তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে আটটি জায়গায় এই তল্লাশি চলে।
লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও গণবন্টন প্রতিমন্ত্রী শ্রী দানভে রাওসাহেব দাদারাও।
CG/SS/DM
(Visitor Counter : 64 |
pib-936 | 5d213f3bbb8b0b63e16064c99bf3d6a65ec96f7f73ee38b7614bb04e05d74594_2 | ben | কয়লামন্ত্রক
আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষে নালকো ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করবে : শ্রী প্রহ্লাদ জোশী
নয়াদিল্লী, ০৭ জানুয়ারি, ২০২১
কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী শ্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেছেন আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষে নালকো ৩০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।ওড়িশার রাজধানী ভূবনেশ্বরে আজ নালকোর সদর দপ্তরে সংস্থার ৪১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে একথা জানান তিনি। শ্রী জোশী বলেন, প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মধ্যে এই সংস্থা পঞ্চম জল সংশোধনাগার, পটাঙ্গি বক্সাইট খনি এবং উৎকল ডি অ্যান্ড ই কয়লা খনি অঞ্চল থেকে বক্সাইট পরিবহণের জন্য ৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
অনুষ্ঠানে শ্রী জোশী আরও বলেন, নালকোর এই পরিকল্পনা আগামীদিনে কৌশলগত ধাতব উৎপাদন ও ব্যবহার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে, দেশে অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত গঠনের স্বপ্ন স্বার্থক রূপ পাবে। তিনি আরও বলেন, দেশের খনিজ উৎপাদনে যেকোন বাধা এড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার খনিজ সমৃদ্ধ ওড়িশাকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করেছে। তিনি আরও বলেন, খনিজ উৎপাদন প্রক্রিয়া সহজ করে তুলতে রাজ্য সরকারগুলির পরামর্শের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার সংশ্লিষ্ট নিয়মে সংশোধন নিয়ে এসেছে। দেশের সমস্ত খনিজ অঞ্চলগুলিকে নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
শ্রী জোশী জানান, ওড়িশায় লৌহ আকরিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ত্বরান্বিত করার জন্য রাজ্য সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে ওড়িশা খনিজ নিগমকে দুটি লৌহ খনি ব্লক এবং ওড়িশা খনিজ অনুসন্ধান নিগম লিমিটেডকে একটি ব্লক বরাদ্দের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শ্রী জোশী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার গত বছর জানুয়ারিতে খনিজ আইন অধ্যাদেশ ২০২০ নিয়ে এসেছে। ওড়িশা সরকারের সহযোগিতায় নালকো সে রাজ্যে আঙ্গুলে বিশ্বমানের অ্যালুমিনিয়াম পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এরফলে সেই এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে যথেষ্ঠই উৎসাহ-উদ্দীপনা চোখে পড়েছে। |
pib-946 | 43f2325772e142b66715183254a4c324832b22f812e632d34f594c8689e15757_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
‘বৃষ্টির জল ধরো’ অভিযানের শুভ সূচনা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
নয়াদিল্লি, ২২ মার্চ, ২০২১
আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহযোগী শ্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতজি, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় শিবরাজ সিং চৌহানজি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথজি, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী রতনলাল কাটারিয়াজি, ভিন্ন ভিন্ন রাজ্য এবং জেলার সমস্ত মাননীয় আধিকারিকগণ, দেশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে যুক্ত হয়ে যাঁরা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন এরকম অসংখ্য গ্রাম প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যগণ, অন্যান্য সমস্ত জনপ্রতিনিধিগণ, আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
আজ আমার সৌভাগ্য যে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের গ্রামের নেতৃবৃন্দ যাঁরা প্রকৃতির জন্য, জলের জন্য, সেখানকার মানুষের সুখের জন্য সাধকের মতো সাধনা করছেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের সকলের কথা শুনেছি। তাঁদের কথা শুনে নতুন প্রেরণা পেয়েছি, নতুন প্রাণশক্তি এবং কিছু নতুন ভাবনায় উজ্জীবিত হয়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের এই প্রতিনিধিদের সঙ্গে আজ যে বার্তালাপ হয়েছে, যারা এই বার্তালাপ শুনেছেন, প্রত্যেকেই কিছু না কিছু শিখেছেন, আমিও শিখেছি, আমাদের আধিকারিকরাও শিখেছেন, আর জনগণেশও তাতে অনেক কিছু শেখার উপকরণ পাবেন।
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে জলশক্তির প্রতি সচেতনতা বাড়ছে, জল সংরক্ষণের প্রচেষ্টা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ আন্তর্জাতিক জল দিবস উপলক্ষে গোটা বিশ্বে জলের গুরুত্ব নিয়ে জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান চলছে। এই উপলক্ষে আমরা দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য একত্রিত হয়েছি। আজ এমন একটি অভিযান শুরু হচ্ছে যার সম্পর্কে আমি আমার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানেও বলেছি। কিন্তু আজ বিশ্বের সামনে এই যে উদাহরণ তুলে ধরতে পারছি, ভারতে জলের সমস্যা সমাধানের জন্য ‘বৃষ্টির জল ধরো’ আন্দোলনের শুভ সূচনার পাশাপাশি ‘কেন বেতবা লিঙ্ক’ খালের জন্য অনেক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অটলজি উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের লক্ষ লক্ষ পরিবারের কল্যাণে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাকে সাকার করার জন্য আজ চুক্তি হয়েছে। আমার মনে হয়, এটা নিশ্চিতভাবেই অনেক বড় কাজ হয়েছে। যদি আজ করোনা না হত, তাহলে ঝাঁসিতে গিয়ে, বুন্দেলখন্ডে গিয়ে উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের যে কোনও স্থানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগমে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারতাম, আপনাদের সকলের আশীর্বাদ নিতে পারতাম; আজ এত গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ সম্পন্ন হতে চলেছে!
ভাই ও বোনেরা,
একবিংশ শতাব্দীর ভারতের জন্য পর্যাপ্ত জল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রত্যেক বাড়িতে, প্রত্যেক খেতে জলের প্রয়োজন তো আছেই। জীবনের ও অর্থনীতির প্রত্যেক পর্যায়ের জন্য জল অত্যন্ত জরুরি। আজ যখন আমরা দ্রুতগতিতে উন্নয়নের কথা বলছি, প্রচেষ্টা চালাচ্ছি, তখন জল নিরাপত্তা ছাড়া, কার্যকর জল ব্যবস্থাপনা ছাড়া এই দ্রুতগতিতে উন্নয়ন সম্ভবই নয়। ভারতের উন্নয়নের দূরদৃষ্টি, ভারতের আত্মনির্ভরতার দূরদৃষ্টি আমাদের উৎসগুলির ওপর নির্ভরশীল, আমাদের জল সংযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। একথা গভীরভাবে উপলব্ধি করে কয়েক দশক আগে আমাদের এই লক্ষ্যে অনেক কিছু করার প্রয়োজন ছিল। আর আমি আপনাদের গুজরাটের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমরা যদি পরিকল্পনা মাফিক গণ-অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জল সাশ্রয়ের উদ্যোগ নিই, তাহলে জল নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না। জল আমাদের জীবনে টাকা-পয়সা থেকে অনেক বেশি মূল্যবান শক্তি হিসেবে উঠে আসবে। এ কাজ অনেক আগেই হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে যতটা হওয়া উচিৎ ছিল, যত ব্যাপকভাবে হওয়া উচিৎ ছিল, প্রত্যেকে মানুষের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে হওয়া উচিৎ ছিল, তাতে অনেক ফাঁক রয়ে গেছে। ফলস্বরূপ, ভারত যেভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে, পাল্লা দিয়ে জল সঙ্কটও সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে। দেশ যদি জল সাশ্রয়ের দিকে লক্ষ্য না দেয়, জলের অপচয় যদি থামানো না যায়, তাহলে আগামী দশকগুলিতে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিগড়ে যাবে। আর আমাদের পূর্বজরা আমাদের যত জল দিয়ে গেছেন, এটা আমাদের দায়িত্ব - আমাদেরকেও সমপরিমাণ জল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার জন্য দিয়ে যেতে হবে। এর থেকে বড় পূণ্য আর কিছু নেই, আর সেজন্য আমাদের শপথ নিতে হবে, আমরা যেন এক বিন্দু জলও নষ্ট হতে দেব না, অপচয় হতে দেব না, জলের সঙ্গে পবিত্র সম্পর্ক রাখব। আমাদের এই পবিত্রতাই জল বাঁচানোর ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। এটা দেশের বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব, আগামী প্রজন্মের জন্য জল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
ভাই ও বোনেরা,
আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি বদলাতে হবে। ভবিষ্যৎ সঙ্কটের জন্য এখন থেকে সমাধান খুঁজতে হবে। সেজন্য আমাদের সরকার ‘ওয়াটার গভর্ন্যান্স’কে সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিগত ছয় বছরে আমরা এই লক্ষ্যে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষি |
pib-948 | 36bc99d111d209f36100c1d9b9ce9b7d4dee253c542d4b376aaf0dbcbfbf43c4_3 | ben | যোগাযোগওতথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, গ্রামে ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে শুধু সুযোগ-সুবিধাই পৌঁছে দেওয়া হবে না, এর সাহায্যে গ্রামীণ স্তরে দক্ষ যুব শক্তি গড়ে তোলা হবে
নতুন দিল্লি, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
গ্রামীণ ডিজিটাল সংযোগ আর কোন নিছক চাহিদা নয়, বরং এটি একটি আবশ্যিক হয়ে উঠেছে । কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২-এ সম্প্রতি ঘোষিত গ্রামনোন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আয়োজিত ওয়েবিনারে একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী । ওয়েবিনারের বিষয় ভাবনা ছিল ‘কোন নাগরিক যাতে পেছনের সারিতে না পড়ে থাকেন’ । এর মূল লক্ষ্য হল কাউকে পিছিয়ে না রেখে প্রতিটি পরিবার এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে নানান চাহিদা পূরণের সঙ্গে সকলের উন্নতির অভিন্ন লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া । এই লক্ষ্য পূরণে দেশের শিল্প সংস্থার প্রতিনিধি, নীতি নির্ধারক এবং সরকারি আধিকারিকরা বাজেটের ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে ওয়েবিনারে মতামত জানিয়েছেন ।
ওয়েবিনারের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, গ্রামে ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে শুধু সুযোগ-সুবিধাই পৌঁছে দেওয়া হবে না, এর সাহায্যে গ্রামীণ স্তরে দক্ষ যুব শক্তি গড়ে তোলা হবে । তিনি বলেন, ব্রডব্যান্ড গ্রামীণ এলাকায় পরিষেবা ক্ষেত্রকে প্রসারিত এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে । এই লক্ষ্য অর্জনে গ্রামীণ স্তরে এধরণের সংযোগ গড়ে তোলা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়জনীয়তার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী ।
২০২২-২৩ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে টেলিকম ক্ষেত্রে উৎসাহদানে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার । গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাশ্রয়ী মূল্যে ব্রডব্যান্ড এবং মোবাইল পরিষেবার কীভাবে বিস্তার ঘটানো যায় তা নিয়েও উদ্যোগী কেন্দ্রীয় সরকার । ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রামকে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জোড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবারের বাজেটে ।
তাই বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনাগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং এরসঙ্গে যুক্ত সমস্ত পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালানোর জন্য যোগাযোগ মন্ত্রক একাধিক ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে । এদিনের এই ওয়েবিনারটির সঞ্চালনা করেন টেলি যোগাযোগ দফতরের সচিব শ্রী কে রাজারমন । উপস্থিত ছিলেন বিএসএনএল-এর সিএমডি শ্রী পি কে পুরওয়ার, ভারতী এয়ারটেলের সিইও শ্রী গোপাল ভিত্তল সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ । ডিজিটাল মাপকাঠি আর্থিক, সামাজিক উন্নয়ন সহ গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি । তাই ১০০ শতাংশ এই লক্ষ্য অর্জনে সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে । এদিন ওয়েবিনারে এই ব্রডব্যান্ড পরিষেবার সমস্যার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় । গ্রামীণ এলাকায় কীভাবে দ্রুত ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যায় তা নিয়েও অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মত প্রকাশ করেন ।
CG/SS/RAB
(Visitor Counter : 112 |
pib-949 | bd50d8af4bb66b8967a91e561f2a4cdcb866ed8b2b37e114977fd097c6caa6d5_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিকিৎসাকর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করলেন
নয়াদিল্লী, ৩ মে, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে কোভিড-১৯ অতিমারীর মোকাবিলার জন্য অতিরিক্ত মানব সম্পদ প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনা করলেন। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল যা উল্লেখযোগ্যভাবে কোভিড কর্তব্য পালনে চিকিৎসাকর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।
এনইইটি-পিজি অন্তত চারমাস স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং এই পরীক্ষা ২০২১ এ ৩১ আগস্টের আগে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষা নেওয়ার আগে পরীক্ষা ঘোষণার পর ছাত্রদের অন্তত একমাস সময় দেওয়া হবে। এরফলে কোভিড কর্তব্য পালনের জন্য আরও বহু সংখ্যক প্রশিক্ষিত চিকিৎসক পাওয়া যাবে।
এও সিদ্ধান্ত হয়েছে বিভাগীয় প্রধানের অধীনে কোভিড ব্যবস্থাপনা কাজে মেডিকেল ইন্টার্নদের বহালে অনুমতি দেওয়ার ইন্টার্নশিপ রোটেশনের অঙ্গ হিসেবে। এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রদের পরিষেবাও পাওয়া যাবে টেলি-পরামর্শ এবং মৃদু কোভিড আক্রান্তদের দেখভালের কাজে বিভাগীয় প্রধানের অধীনে নিয়মমাফিক প্রশিক্ষণের পরে। এরফলে কোভিড কর্তব্যে নিযুক্ত বর্তমান চিকিৎসকদের কাজের ভার কমবে এবং সার্বিক প্রয়াস বৃদ্ধি করবে।
চূড়ান্ত বর্ষের আবাসিক স্নাতকোত্তর ছাত্রদের পরিষেবা হিসেবে ব্যবহার করা হবে যতক্ষণ না নতুন স্নাতকোত্তর ছাত্ররা যোগ দিচ্ছে।
বিএসসি/জিএমএন শিক্ষিত সেবিকারদের পূর্ণ সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে কোভিড রোগীদের সেবার জন্য বরিষ্ঠ চিকিৎসক এবং নার্সদের তত্ত্বাবধানে।
যে সমস্ত ব্যক্তি কোভিড ব্যবস্থাপনার পরিষেবা দান করছেন তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে আগামী নিয়মিত সরকারি নিয়োগে, কোভিড কর্তব্য পালনে অন্তত ১০০ দিন পূর্ণ করার পর।
চিকিৎসাবিদ্যা পাঠরত ছাত্রছাত্রী এবং পেশাদারদের যাদের কোভিড সংক্রান্ত কাজে যুক্ত করা হবে তাদের উপযুক্ত টিকাকরণ করা হবে। ফলে সকল স্বাস্থ্য পেশাদার যারা যুক্ত আছেন তারা কোভিড-১৯ লড়াইয়ে সরকারের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিমা কর্মসূচির অধীনে আসবেন।
যে সমস্ত পেশাদার অন্তত ১০০ দিনের জন্য কোভিড কাজের জন্য রাজি হবে এবং সাফল্যের সঙ্গে তা পূর্ণ করবেন তাদের ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোভিড জাতীয় পরিষেবা সম্মান দেওয়া হবে।
চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট পেশাদাররা কোভিড ব্যবস্থাপনার মেরুদণ্ড এবং তারা অগ্রবর্তী কর্মীও। যথেষ্ট সংখ্যায় তাদের উপস্থিতি জরুরি রোগীদের প্রয়োজন ভালোভাবে মেটাতে। চিকিৎসা মহলের উল্লেখযোগ্য কাজ এবং গভীর দায়বদ্ধতার কথাও স্বীকার করা হয়।
কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০ ১৬ জুন নীতি-নির্দেশিকা জারি করে কোভিড ডিউটির জন্য চিকিৎসক, নার্স নিয়োগের সুবিধার জন্য। বিশেষ ১৫ হাজার কোটি টাকার জনস্বাস্থ্য জরুরি সাহায্য দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার কোভিড ব্যবস্থাপনার জন্য সুযোগ-সুবিধা এবং মানব সম্পদ বৃদ্ধি করতে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মাধ্যমে কর্মীদের যুক্ত করা, অতিরিক্ত ২২০৬ জন বিশেষজ্ঞ, ৪ হাজার ৬৮৫ জন মেডিকেল অফিসার এবং ২৫ হাজার ৫৯৫ জন স্টাফ নার্স এই প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হয়েছেন।
ক)ছাড়/সুবিধা/বৃদ্ধি
অন্তত চার মাসের জন্য এনআইআইটি-পিজি স্থগিত : কোভিড-১৯এর প্রাবল্যে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এনআইআইটি স্থগিত রাখা হয়েছে। এই পরীক্ষা ২০২১এর ৩১ আগস্টের আগে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে পরীক্ষা ঘোষণার পর অন্তত একমাস সময় দেওয়া হবে।
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারগুলিকে প্রতিটি এনআইআইটি পরীক্ষার্থীর কাছে পৌঁছনোর প্রয়াস নিতে হবে এবং তাদের অনুরোধ করতে হবে এই জরুরি সময়ে কোভিড-১৯ কর্মীদলে যোগ দেওয়ার জন্য। এই এমবিবিএস চিকিৎসকদের পরিষেবা ব্যবহার করা যেতে পারে কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায়। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকার এখন থেকে ইন্টার্নশিপ পর্যায়ক্রমের অঙ্গ হিসেবে বিভাগীয় প্রধানের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল ইন্টার্নদের কোভিড ব্যবস্থাপনা কাজে বহাল করতে পারে। চূড়ান্ত বর্ষের এমবিবিএস ছাত্রদের পরিষেবা ব্যবহার করা যেতে পারে টেলি-পরামর্শ এবং মৃদু কোভিড রোগীদের তত্বাবধানের মতো কাজে বিভাগীয় প্রধানের তত্ত্বাবধানে এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের পরে।
চূড়ান্ত বর্ষের স্নাতকোত্তরদের পরিষেবা চালু রাখতে : চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের পরিষেবা চালু রেখে ব্যবহার করা যেতে পারে যতক্ষণ না নতুন পিজি ছাত্রছাত্রীরা যোগ দেয়। সেইমতো বরিষ্ঠ আবাসিক/রেজিস্ট্রারদের পরিষেবাও চালু রেখে ব্যবহার করা যেতে পারে যতক্ষণ না নতুন নিযুক্তি হয়।
নার্সিং কর্মী : বিএসসি/জিএনএম শিক্ষিত নার্সদের ব্যবহার করা যেতে পারে আইসিইউ ইত্যাদির মতো জায়গায় সর্ব সময়ের কোভিড নার্সিং-এর কাজে। পোস্ট বেসিক বিএসসি এবং পোস্ট বেসিক ডিপ্লোমা নার্সিং ছাত্রীরা নথিভুক্ত নার্সিং অফিসার হিসেবে এবং তাদের পরিষেবাও ব্যবহার করা যেতে পারে কোভিড-১৯ রোগীদের সেবার জন্য হাসপাতালে নিয়ম-নীতি অনুযায়ী। চূড়ান্ত বর্ষের জিএনএম অথবা চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিরত বিএসসি নার্সিং ছাত্রীদের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী হাসপাতালে বরিষ্ঠ বিভাগীয় প্রধানের অধীনে সর্বসময়ের কোভিড নার্সিং কাজে লাগানো যেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা পেশাদারদের পরিষেবাও ব্যবহার করা যেতে পারে কোভিড ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে প্রশিক্ষণ এবং শংসার ভিত্তিতে।
তাই যে অতিরিক্ত মানব সম্পদ পাওয়া যাবে তা শুধুমাত্র কোভিড ব্যবস্থাপনার জন্যই ব্যবহার করা হবে।
খ) উৎসাহভাতা/পরিষেবার স্বীকৃতিদান
যেসমস্ত ব্যক্তি পরিষেবা দেবেন কোভিড ব্যবস্থাপনায় তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে আগামী সরকারি নিয়মিত নিয়োগে অন্তত ১০০ দিন কোভিড ডিউটি সম্পূর্ণ করার পর।
রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি দ্বারা চুক্তিবদ্ধ মানব সম্পদ নিযুক্তির জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের বিধি বিবেচনা করা যেতে পারে উপরোক্ত প্রস্তাবিত উদ্যোগ রূপায়ণের জন্য অতিরিক্ত মানব শক্তি নিযুক্তির জন্য। রাজ্যগুলি অবশ্য নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন বিধির অধীনে বেতন বিষয়ে। বিশেষ কোভিড পরিষেবার জন্য উপযুক্ত সাম্মানিক বিবেচনা করা যেতে পারে।
কোভিড সংক্রান্ত কাজে যেসমস্ত মেডিকেল ছাত্র এবং পেশাদাররা যুক্ত হতে চাইবেন তাদের উপযুক্ত টিকাকরণ করা হবে। সেইমতো সমস্ত স্বাস্থ্য পেশাদাররা যারা যুক্ত হবেন তারা সরকারের বিমা কর্মসূচির আওতায় আসবেন।
সেই সমস্ত পেশাদার যারা অন্তত ১০০ দিন কোভিড ডিউটি করবেন এবং সাফল্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ করবেন তাদের দেওয়া হবে ভারত সরকারের তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিশিষ্ট কোভিড জাতীয় পরিষেবা সম্মান।
রাজ্য সরকারগুলিও এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পেশাদার নিযুক্ত করতে পারবেন বেসরকারী কোভিড হাসপাতালে এবং বিশেষ এলাকায়।
স্বাস্থ্য এবং মেডিকেল দপ্তরে চিকিৎসক, নার্স, সংশ্লিষ্ট পেশাদার এবং অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ পূরণ করা যাবে দ্রুত ৪৫ দিনের মধ্যে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন বিধি অনুযায়ী চুক্তিবদ্ধ নিয়োগের মাধ্যমে।
রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে মানবশক্তি বৃদ্ধি করতে উপরোক্ত উৎসাহপ্রস্তাবগুলি বিবেচনা করার জন্য।
SC/AP/NS
(Visitor Counter : 213 |
pib-950 | 2a63b7002b50e9d1121113c57390f484e3103e677840d44c1d3093b272d5b601_3 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রদত্ত শ্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি
নয়াদিল্লি, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দ্বিপাক্ষিক প্রতিনিধিদলের মাননীয় সদস্যবৃন্দ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি বন্ধুরা,
নমস্কার!
প্রথমেই আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাজি ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। গত বছর আমরা যৌথভাবে উদযাপন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী, আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী। আবার, গত বছর ৬ ডিসেম্বর দিনটিতে আমরা একসঙ্গে বিশ্বের সর্বত্রই পালন করেছি প্রথম ‘মৈত্রী দিবস’। আমাদের স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ভারত সফরে এসেছেন। অমৃতকালের আগামী ২৫ বছরে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্পর্ক যে এক নতুন উচ্চতা স্পর্শ করতে চলেছে, এ বিষয়ে আমি আশাবাদী।
বন্ধুগণ,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাজির নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পথে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতাও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে গত কয়েক বছরে। আজ বাংলাদেশ হল উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের বৃহত্তম এক অংশীদার এবং এই অঞ্চলে আমাদের বৃহত্তম বাণিজ্যিক সহযোগী।
দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক তথা নাগরিক সম্পর্ক উন্নত হয়েছে নিরন্তরভাবে। দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরের সবক’টি বিষয় নিয়েই প্রধানমন্ত্রী হাসিনাজির সঙ্গে আজ আমার বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
আমরা উভয়েই বিশ্বাস করি যে কোভিড মহামারী এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক উন্নয়নের প্রেক্ষাপট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বলিষ্ঠ করে তোলার সময় ও প্রয়োজন এখন উপস্থিত।
দু’দেশের মধ্যে সংযোগ ও যোগাযোগের প্রসার এবং সীমান্ত বরাবর বাণিজ্যিক পরিকাঠামোর উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দু’দেশের অর্থনীতি আরও বেশি করে পারস্পরিক সম্পর্ককে মজবুত করে তুলতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে বৃদ্ধি পাবে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও সমর্থনও। আমাদের দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে দ্রুততার সঙ্গে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বর্তমানে ভারত হল এশিয়ার বৃহত্তম বিপণন কেন্দ্র। উন্নয়নের গতিকে দ্রুততম করে তুলতে দ্বিপাক্ষিক সুসংবদ্ধ অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলি নিয়ে আমরা অচিরেই আলাপ-আলোচনা শুরু করতে চলেছি।
তথ্যপ্রযুক্তি, মহাকাশ ও পরমাণু শক্তি হল বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কাছে খুবই আগ্রহের বিষয়। তাই, এই ক্ষেত্রগুলিতেও আমরা পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুন্দরবনের মতো একটি সাধারণ ঐতিহ্যের সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিষয়গুলিতেও আমরা আমাদের সহযোগিতাকে নিরন্তর রাখব।
বন্ধুগণ,
জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি বর্তমানে সবক’টি উন্নয়নশীল দেশের কাছেই একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পটির উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে সুলভ বিদ্যুতের যোগান বৃদ্ধি পেতে চলেছে। দু’দেশের বিদ্যুৎ সংবহন ব্যবস্থাকে যুক্ত করার বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনার পথ আমরা বেছে নিয়েছি। সংযোগ ও যোগাযোগের প্রসারে রূপসা নদীর ওপর রেল সেতুর উদ্বোধন আরও একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। খুলনা ও মঙ্গলা বন্দরের মধ্যে যে নতুন রেলপথ নির্মাণের কাজ চলছে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশই হল নির্মিত এই সেতুটি। বাংলাদেশে রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সমস্ত রকমভাবে সহযোগিতা ও সমর্থন যুগিয়ে যাবে ভারত।
বন্ধুগণ,
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছে ৫৪টি নদী। বহু শতক ধরেই দু’দেশের অধিবাসীদের জীবন ও জীবিকা এই নদীগুলির ওপর নির্ভরশীল। এই সমস্ত নদী, সে সম্পর্কে প্রচলিত লোকগাথা ও উপকথা, লোকসঙ্গীত ইত্যাদি আমাদের দু’দেশের মিলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরই পরিচয় বহন করে। কুশিয়ারা নদীর জল ভাগ করে নেওয়া সম্পর্কে আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেছি। এর ফলে উপকৃত হবে ভারতের দক্ষিণ আসাম এবং বাংলাদেশের শ্রীহট্ট অঞ্চল।
বন্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার মাত্রাকে আরও বৃদ্ধি করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার আলোচনা বেশ ফলপ্রসূই হয়েছে। প্রকৃত পরিস্থিতি অনুযায়ী বন্যা সম্পর্কিত তথ্য ও পরিসংখ্যান বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা ভাগ করে নিয়েছি এবং এ সম্পর্কিত সময়সীমাও আমরা আরও বৃদ্ধি করেছি।
সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিতেও আমরা বর্তমানে জোর দিয়েছি। ১৯৭১ সালের সেই শক্তি ও উদ্যমকে অক্ষুণ্ণ রাখতে আমাদের পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসকে যারা ধ্বংস করতে উদ্যত, তাদের বিরুদ্ধে জেহাদ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বন্ধুগণ,
যে স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, তাকে মূর্ত করে তুলতে প্রতিটি পদক্ষেপেই ভারত থাকবে বাংলাদেশের পাশে। এই অঙ্গীকারকে আরও একবার গ্রহণ করার চমৎকার সুযোগ আমরা পেয়েছি আমাদের আলোচনাকালে।
আমি আরও একবার আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাজি এবং ভারত সফররত তাঁর প্রতিনিধিদলকে। ভারতে তাঁদের অবস্থান সুন্দর হয়ে উঠুক, এই কামনা পোষণ করি।
আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
(PG/SKD/DM/ |
pib-953 | 24223533a74eca61f9e3deb419be09db86d6ea7086ab0f0a0473b2e50cedd4f2_1 | ben | কৃষিমন্ত্রক
কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের উদ্যোগ বাড়াতে- 'কৃষিতে যন্ত্রাংশের ব্যবহার নীতির' আওতায় আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে
নতুন দিল্লি,২২ জানুয়ারি,২০২২
ভারতে যথাযথ ভাবে চাষের বিষয়ে প্রচারে উৎসাহ জোগাতে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য ড্রোন প্রযুক্তিকে সাশ্রয়ী করে তুলতে এক নির্দেশিকা জারি করেছে। এর জন্য 'কৃষিতে যন্ত্রাংশের ব্যবহার নীতি' সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী কৃষকদের ক্ষেত্রীয় পর্যায়ে বৃহত্তর উপায়ে প্রযুক্তির বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ফার্ম মেশিনারি ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট,আইসিএআর প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র এবং রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে ড্রোন কেনার জন্য কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের খরচ হিসাবে ১০০ শতাংশ অর্থ বা ১০লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি কৃষকদের ক্ষেত্রীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের জন্য কৃষি ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের খরচের ৭৫% পর্যন্ত অনুদান পাবে।
তবে যারা ড্রোন কিনতে চায় না, কিন্তু তারা হাই-টেক হাব, ড্রোন নির্মাতা এবং স্টার্ট-আপ সংস্থা থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ড্রোন ভাড়া করবে, সেই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলিকে হেক্টর প্রতি ছয় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সেইসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংস্থা,যারা এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ড্রোন কিনবে ,তাদের হেক্টর প্রতি ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এই আর্থিক সহায়তা এবং অনুদান ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
এই পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশে সাধারণ মানুষের কাছে ড্রোনকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে এবং অভ্যন্তরীণ ড্রোন উৎপাদনে উল্লেখযোগ্যভাবে উৎসাহ জোগাবে।তবে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক এবং ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি রুটের মাধ্যমে ড্রোন পরিচালনার অনুমতি দেবে। উল্লেখ্য গত বছর ২৫ আগস্ট অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক দেশে ড্রোনের ব্যবহার ও পরিচালনা নিয়ন্ত্রণে ‘ড্রোন নিয়ম ২০২১’প্রকাশ করে। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগ কৃষি, বনজ সম্পদ রক্ষায়,শস্য সুরক্ষার জন্য কীটনাশক প্রয়োগ এবং মাটি ও ফসলের পুষ্টির জন্য স্প্রে করা সহ ড্রোন ব্যবহারের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি জারি করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে ক্লিক করুন - https://drive.google.com/file/d/122ZPb_8IfyiWKQvZTbLcRVnUOYC2LQyx/view
এই লিঙ্কে।
CG/SS
(Visitor Counter : 265 |
pib-954 | 264a2645740ae6c00726df866416f1711aaee3df4c63163ab5b55cf0f0d0afeb | ben | PIB Headquarters
কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পিআইবি’র প্রাত্যহিক সংবাদ
নয়াদিল্লি, ২২ এপ্রিল, ২০২০
কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সর্বশেষ তথ্য
এখনও পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৭০ জন আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থতার হার ১৯.৩৬ শতাংশ। দেশে গতকাল থেকে নতুন করে ১ হাজার ৩৮৩ জনের আক্রান্তের খবর মিলেছে। এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৮৪। গত ২৪ ঘন্টায় ৫০ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। ১৮৯৭ সালের মহামারী রোগব্যাধি আইনের আওতায় চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য অধ্যাদেশ জারির প্রস্তাবে মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিলেছে। আইসিএমআর – এর পক্ষ থেকে র্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট সংক্রান্ত পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সমস্ত রাজ্যের কাছে নীতি-নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার টেলিফোন মারফৎ সমীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হবে। এনআইসি-র সহায়তায় 1921 নম্বর থেকে নাগরিকদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হবে। এই সমীক্ষায় নাগরিকদের সর্বতোভাবে সাহায্য করার জন্য এবং কোভিড-১৯ প্রতিরোধ সংক্রান্ত মতামত জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617097 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি থেকে আরও কিছু কৃষিজ ও বনজ সামগ্রী, ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষামূলক বইয়ের দোকান এবং ইলেক্ট্রিক পাখার দোকানগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পুনর্বিন্যস্ত সংশোধিত নীতি-নির্দেশিকার আওতায় আরও কিছু ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করেছে। তবে, উপরোক্ত বিষয়গুলিতে ছাড়ের সুবিধা সংক্রমণের উৎস কেন্দ্র বা সংক্রামিত এলাকাগুলিতে প্রযোজ্য হবে না।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616915 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি থেকে বাড়িতেই প্রবীণ নাগরিকদের পরিচর্যাকারী, প্রি-পেইড মোবাইল রিচার্জের দোকান এবং শহর এলাকাগুলিতে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দেশ জুড়ে লকডাউনের প্রেক্ষিতে পুনর্বিন্যস্ত সংশোধিত নীতি-নির্দেশিকার আওতায় আরও কিছু ক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দিষ্ট কিছু পরিষেবা বা কাজকর্মের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের প্রেক্ষিতে মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সংশোধিত ঐ নীতি-নির্দেশিকার আওতায় ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে ছাড় ও সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখন জারি করা স্পষ্টীকরণে বলা হয়েছে, উপরোক্ত পরিষেবা ও কাজকর্মগুলিকে ছাড়ের তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616883 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের চিকিৎসক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন; কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেন তিনি
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী চিকিৎসকদের নিয়মিত কর্তব্যের পাশাপাশি, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁদের ভূমিকার প্রশংসা করলেন। তিনি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, এই লড়াইয়ে চিকিৎসকরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। কোভিড-১৯ এর মতো মারাত্মক অসুখ থেকে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও জীবন রক্ষার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী চিকিৎসকদের ভূমিকা ও কর্তব্যের প্রতি অভিনন্দন জানান।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616965 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে পেশাদার ব্যক্তি, চিকিৎসা কর্মী এবং কোভিড-১৯ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে হিসাত্মক ঘটনা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে পেশাদার ব্যক্তি, চিকিৎসা কর্মী এবং কোভিড-১৯ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে হিসাত্মক ঘটনা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। যারা এ ধরনের ঘটনায় যুক্ত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617162 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ এমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড হেলথ সিস্টেম প্রিপেয়ার্ডনেস প্যাকেজের জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা কোভিড-১৯ এমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড হেলথ সিস্টেম প্রিপেয়ার্ডনেস প্যাকেজের জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এই অর্থ তিনটি পর্যায়ে খরচ করা হবে। কোভিড-১৯ এমার্জেন্সি রেসপন্সের জন্য অবিলম্বে ৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা খরচ করা হবে। বাকি অর্থ মিশন মোড-ভিত্তিতে মাঝারি মেয়াদী সহায়তা হিসাবে খরচ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617070 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সুবিধা দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত সংগ্রহ করে রাখা এবং ভ্রাম্যমাণ রক্ত সংগ্রহ যানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দিলেন ডঃ হর্ষ বর্ধন
দেশ জুড়ে রেডক্রস সেনানীদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়ে ডঃ হর্ষ বর্ধন স্বেচ্ছাসেবী এই সংস্থাটিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত সংগ্রহ করে রাখার জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের গাড়িতে করে যাওয়া-আসার সুবিধা প্রদানের পরামর্শ দিলেন। আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী এই সংস্থার প্রতিনিধিদের এক আলোচনায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার পর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে তাঁদেরকে স্বেচ্ছায় রক্তদানের ব্যাপারে উৎসাহিত করার কথাও বলেন তিনি।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616886 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
ধরিত্রী মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসে ধরিত্রী মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। শ্রী মোদী বলেছেন, বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসে আমরা সকলে অসাধারণ যত্ন ও করুণার জন্য আমাদের ধরিত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আসুন, আমরা এক পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও আরও সমৃদ্ধশালী বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য শথপ নিই। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় যাঁরা অগ্রভাগে কাজ করছেন, তাঁদের সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616958 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মহামারীর সময় পণ্য পরিবহণে একগুচ্ছ সুবিধাদানের কথা ঘোষণা করলো ভারতীয় রেল
ভারতীয় রেল খালি কন্টেনার ও খালি ওয়াগনের যাতায়াতের ক্ষেত্রে গত ২৪শে মার্চ থেকে আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত কোনও রকম শুল্ক ধার্য করবে না। রেলের গুডস্ শেডগুলিতে স্বশরীরে না গিয়েও গ্রাহকরা বৈদ্যুতিন উপায়ে রশিদ পাচ্ছেন। কোনও গ্রাহক যদি বৈদ্যুতিন রশিদ না পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে পণ্যের গন্তব্য স্টেশনে ইনভয়েস কপি জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক বিকল্প পদ্ধতি অনুযায়ী পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617136 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
রেল আধিকারিকরা দৈনিক রাজ্যগুলিকে ২ লক্ষ ৬০ হাজার খাবার সরবরাহ করবে
রেল মন্ত্রকের আধিকারিকরা সমস্ত আগ্রহী জেলা প্রশাসনকে দৈনিক ২ লক্ষ ৬০ হাজার খাবার সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। দুর্গতদের মধ্যে এই খাবার সরবরাহ করা হবে। রেলের এই খাবার থালা প্রতি দাম মাত্র ১৫ টাকা।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=16168985 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
ভারতীয় বন্দরগুলিতে ভারতীয় নাবিকদের জন্য সাইন অন এবং সাইন অফ সংক্রান্ত আদর্শ কার্য পরিচালন বিধি জারি
ভারতের বন্দরগুলিতে ভারতীয় নাবিকদের সাইন অন এবং সাইন অফ সংক্রান্ত আদর্শ কার্যপরিচালন বিধি জারির বিষয়টিকে কেন্দ্রীয় জাহাজ পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মান্ডভিয়া স্বাগত জানিয়েছেন। এক ট্যুইটে তিনি এই নির্দেশ জারির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই নির্দেশিকা জারির ফলে সমুদ্র বন্দরগুলিতে নাবিকদের সিফটিং – এর ক্ষেত্রে সুবিধা মিলবে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616999 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমগুলিকে পরামর্শ
দেশের বিভিন্ন অংশে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে যেখানে যেখানে গণমাধ্যমের কর্মীরা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত খবর ও তথ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সমস্ত মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমগুলিকে পরামর্শ জারি করা হয়েছে। মন্ত্রকের পরামর্শে বলা হয়েছে - সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যান ও আলোকচিত্রী সহ সংবাদ মাধ্যমের যে সমস্ত কর্মী দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত খবর ও তথ্য সংগ্রহের কাজে যুক্ত রয়েছেন এবং এ ধরনের কাজের জন্য তাঁদের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতে হচ্ছে – এই বিষয়গুলিকে বিবেচনায় রেখে কর্তব্য পালনের সময় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সমস্ত মিডিয়া হাউস কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যান সহ কার্যালয়ের কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617020 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
ইপিএফও ১৫টি কর্মদিবসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ৬ লক্ষ ৬ হাজার সহ মোট ১০ লক্ষ ২ হাজার দাবি-দাওয়ার নিষ্পত্তি করেছে
এই ১০ লক্ষ ২ হাজার দাবি-দাওয়া হিসাবে মোট ৩ হাজার ৬০০ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা মেটানো হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা মেটানো হয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত দাবি-দাওয়া অনুযায়ী। লকডাউন চলাকালীন ইপিএফও-র এক-তৃতীয়াংশ কর্মী স্বাভাবিক কাজকর্ম সম্পাদন করলেও ৯০ শতাংশ কোভিড-১৯ সংক্রান্ত দাবি-দাওয়া তিনটি কর্মদিবসেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617159 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কিছু দপ্তর বন্ধ করে দেওয়ার কোনও সরকারি নির্দেশিকা নেই, পিআইবি ফ্যাক্টচেকে এ সংক্রান্ত খবর ভ্রান্ত বলে জানানো হয়েছে; ‘সে নমস্তে’ নামে কোনও ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ চালু করা হচ্ছে না বলে জানানো হচ্ছে
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616896 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন; দরিদ্রদের স্বার্থে উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণ আরও বাড়াতে বললেন তিনি
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের ১ হাজারেরও বেশি রান্নার গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের ডিস্ট্রিবিউটরদের ভূমিকার প্রশংসা করে শ্রী প্রধান প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়ানোর কথা বলেন।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616614 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
রাষ্ট্রপতি ভবনে নিশ্চিত কোভিড-১৯ আক্রান্ত একটি ঘটনা প্রসঙ্গে তথ্য
রাষ্ট্রপতি ভবন চত্বরে একজনের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মেলায় সংবাদ মাধ্যমের খবর ও সন্দেহের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জনানো হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616940 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী ই-লার্নিং বিষয় সম্বলিত পঠন-পাঠন পদ্ধতি প্রেরণের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় স্তরের কর্মসূচি ‘বিদ্যাদান ২.০’ সূচনা করলেন
কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী রমেশ পোখরিয়াল ‘নিশাঙ্ক’ ই-লার্নিং বিষয় সম্বলিত পঠন-পাঠন পদ্ধতি প্রেরণের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় স্তরের কর্মসূচি ‘বিদ্যাদান ২.০’র সূচনা করেন। জাতীয় স্তরে এ ধরনের কর্মসূচি চালু করার উদ্দেশ্য হ’ল – কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ই-শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা মেটানো।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617143 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
উপ-রাষ্ট্রপতি এক সবুজায়িত ও পরিচ্ছন্ন বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানালেন
উপ-রাষ্ট্রপতি শ্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু এক সবুজায়িত ও পরিচ্ছন্ন বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের সমবেত প্রয়াস গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবেশের সুরক্ষা আমাদের সকলের কাছে এক সামাজিক কর্তব্য। বিশ্ব ধরিত্রী দিবসের প্রাক্কালে এক বার্তায় শ্রী নাইডু বলেন, আসুন আমরা প্রকৃতি মায়ের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই। কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, আমাদেরকে উন্নয়নমূলক ও অর্থনৈতিক রণকৌশলগুলির পুনর্বিশ্লেষণ ও আত্মসমীক্ষার প্রয়োজন।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616763 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
খাদ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও পুষ্টি ক্ষেত্রের ওপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে জি-২০ দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের এক্সট্রা অর্ডিনারি বৈঠকে অংশ নিলেন শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর
শ্রী তোমর খাদ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও পুষ্টি ক্ষেত্রের ওপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে জি-২০ দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের এক্সট্রা অর্ডিনারি বৈঠকে অংশ নেন। তিনি জানান, কোভিড-১৯ মহামারীজনিত লকডাউন সত্ত্বেও কৃষি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত যাবতীয় কাজকর্ম ভারত সরকার ছাড় দিয়েছে। সেই সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সামাজিক দূরত্ব, সুস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপরেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616889 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মহামারীজনিত লকডাউনের সময় দেশে অত্যাবশ্যক সামগ্রীর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার সময় মতো পদক্ষেপ নিয়েছে
কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক কোভিড-১৯ জনিত মহামারীর প্রেক্ষিতে লকডাউন চলাকালীন সময় পাইকারি বাজারগুলিতে ভিড় এড়াতে এবং সরবরাহ-শৃঙ্খল অব্যাহত রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় কৃষি বাজার সংক্রান্ত ই-ন্যাম পোর্টালটি নতুন রূপে চালু করা হয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616771 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় রাসায়নিক পদার্থ, সার ও ওষুধপত্রের যোগান বাড়াতে সর্বাত্মক প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে : সদানন্দ গৌড়া
কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রী শ্রী পি ভি সদান্দন গৌড়া জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁর মন্ত্রক দেশে ওষুধপত্র, সার ও জীবাণু নাশক রাসায়নিক পদার্থের পর্যাপ্ত পরিমাণে যোগান অব্যাহত রাখতে সবরকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616771 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
মহামারীর সময় অত্যাবশ্যক পরিষেবার আওতায় প্লাম্বারদের চাহিদা পূরণে স্কিল ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে ৯০০ জন স্বীকৃত প্লাম্বারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে
কোভিড-১৯ মহামারীজনিত জটিল পরিস্থিতিতে প্লাম্বিং-এর মতো অত্যাবশ্যক পরিষেবার চাহিদা পূরণে ইন্ডিয়ান প্লাম্বিং স্কিলস্ কাউন্সিল ৯০০ জন স্বীকৃত প্লাম্বারের তথ্য সম্বলিত এক ডেটাবেস তৈরি করেছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1616886 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষিতে ১৫ই অক্টোবর পর্যন্ত হোটেল বা রেস্তরাঁ বন্ধ রাখার কোনও নির্দেশিকা পর্যটন মন্ত্রক জারি করেনি
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617014 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ট্রাইফেডের কিছু উদ্যোগ
কোভিড-১৯ মহামারীজনিত বর্তমান পরিস্থিতি দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের পাশাপাশি, আদিবাসী মানুষজনের কাছে জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। আদিবাসী মানুষরা বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে, বর্তমান সময় বনজ সামগ্রী সংগ্রহ ও মজুত করে রাখার ব্যস্ততম মরশুম হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই, আদিবাসী মানুষের জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে বনজ সামগ্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কেন্দ্রীয় আদিবাসী মন্ত্রকের অধীন ট্রাইফেড লকডাউন চলাকালীন সময় উদ্ভূত সমস্যাগুলি মোকাবিলায় সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে। অভূতপূর্ব বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাইফেড আদিবাসী মানুষের স্বার্থে অবিলম্বে মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় আদিবাসী মানুষের স্বার্থ সুরক্ষায় গৃহীত এই পদক্ষেপগুলিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এগুলি হ’ল – প্রচার ও সচেতনতা গড়ে তোলা, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নন-টিম্বার বনজ সামগ্রী সংগ্রহ।
স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনার অঙ্গ হিসাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য বন ধন সামাজিক দূরী জাগ্রুকতা অভিযান চালু করা হয়েছে। এছাড়াও, বন ধন স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে নিরাপদভাবে নিজেদের কাজকর্ম পরিচালনার জন্য মাস্ক ও হাইজিন সামগ্রী, যেমন – সাবান, জীবাণু নাশক উপকরণ প্রভৃতি দেওয়া হচ্ছে। আদিবাসী মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষার জন্য মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী ব্যবস্থার অঙ্গ হিসাবে মন্ত্রক বনজ সামগ্রী সংগ্রহকারী কোটি কোটি আদিবাসী মানুষের ত্রাণ সহায়তার জন্য লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বে নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী যেসব ক্ষেত্রে ছাড় বা সুবিধার কথা ঘোষণা করা হচ্ছে, তাতে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ১৬ই এপ্রিল সংশোধিত নীতি-নির্দেশিকা জারি করে তপশিলি উপজাতি ও অন্যান্য অরণ্যবাসীদের স্বার্থে নন-টিম্বার শ্রেণীর গৌণ বনজ সামগ্রী সংগ্রহ ও তার প্রক্রিয়াকরণে অনুমতি দেওয়া হয়। আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আদিবাসী মানুষের জীবনযাপনে সহায়তার জন্য গৌণ বনজ সামগ্রীর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সংশোধনের ব্যাপারে ট্রাইফেড-কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছে। মন্ত্রকের এই নির্দেশ অনুযায়ী, ট্রাইফেড গত ১৭ই এপ্রিল সমস্ত রাজ্যের প্রাইমারী মার্কেটগুলিতে সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। উদ্দেশ্য, বনজ সামগ্রীর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য আদিবাসী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617038 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
তথ্য ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কম্যুনিটি পর্যায়ে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে সহায়তা দিয়েছে
তথ্য ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক দেশের ২২টি রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে সহায়তা দিয়ে থাকে। এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরেছে। এইভাবে, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির সরকারের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গৃহীট বিভিন্ন পদক্ষেপগুলিকে সহায়তা যুগিয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617176 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
কোভিড-১৯ মহামারীর সময় কর্মীদের সুরক্ষায় উত্তর দিল্লির পুর নিগম সুসংবদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে
কোভিড-১৯ মহামারীর জটিল এই পরিস্থিতিতে উত্তর দিল্লির পুর নিগম তার কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য একাধিক সুসংবদ্ধ প্রয়াস নিয়েছে। শহরের বিভিন্ন সংক্রামিত এলাকায় পরিষেবা দেওয়ার সময় কর্মীদের সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে। উত্তর দিল্লি পুর নিগম প্রত্যেকটি সংক্রামিত এলাকার কাছাকাছি একটি করে ডকিং স্টেশন গড়ে তুলেছে। এই স্টেশনগুলিতে এসে পৌঁছনোর পর নিগমের বিভিন্ন শাখার কর্মীরা তাঁদের দৈনন্দিন কাজ শুরু করেন। কর্মীদের এই স্টেশনগুলি থেকে সংক্রামিত এলাকাগুলিতে কাজকর্ম করার জন্য পিপিই কিট দেওয়া হয়। নিগমের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, সংক্রামিত এলাকায় প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের সুরক্ষা যাতে আরও জোরদার করা যায়। উদ্দেশ্য, ঐ কর্মীরা যাতে সংক্রমণ মুক্ত হয়ে স্টেশনে ফেরেন। এছাড়াও, কর্মীদের কাজ শেষ হওয়ার পর পৃথক এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়। কর্তব্য পালনের সময় যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি মেনে চলা যায়, তার জন্য উত্তর দিল্লির পুর নিগম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিস্তারিত বিবরণের জন্য https://pib.gov.in/PressReleseDetail.aspx?PRID=1617007 – এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
পিআইবি’র আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য
· মহারাষ্ট্র : রাজ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ২১৮। মঙ্গলবার নতুন করে ৫৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মুম্বাইয়ে আরও ৩৫৫ জনের আক্রান্তের খবর মিলেছে। এখনও পর্যন্ত ৭৭৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মুম্বাইয়ে ৫৩ জন সাংবাদিকের নমুনায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মেলায় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিন মাধ্যমগুলির জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। রাজ্যে আগত আন্তঃমন্ত্রক কেন্দ্রীয় দলটি আজ ধারাবি এলাকা পরিদর্শন করেন।
· গুজরাট : রাজ্যে নতুন করে ১৫২ জনের খবর মেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ১৭৮ হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন এবং ৯০ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যার ভিত্তিতে গুজরাট দেশের মহারাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
· রাজস্থান : রাজ্যে বুধবার আরও ৬৪ জনের আক্রান্তের খবর মিলেছে। এর ফলে, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৭৯৯। রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, দিল্লির যে বেসরকারি পরীক্ষাগারে ৪ হাজার নমুনা পাঠানো হয়েছিল, তার পরিণাম আসা শুরু হয়েছে।
· চন্ডীগড় : চন্ডীগড় প্রশাসন জানিয়েছে, যে এলাকাগুলি করোনা মহামারীর জন্য সীল করে দেওয়া হয়েছে, সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাক-সব্জি ও রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষ যাতে ইলেট্রিশিয়ান, প্লাম্বার ও এসি মেশিন মেকানিকদের পরিষেবা নিতে পারেন, তার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
· পাঞ্জাব : কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সুষ্ঠুভাবে গম সংগ্রহ সুনিশ্চিত করতে পাঞ্জাব মান্ডি পর্ষদ ৪০৯টি চাল বিক্রয় কেন্দ্রকে রবি বিপণন মরশুম থেকে গম সংগ্রহের জন্য সহায়ক মান্ডি ইয়ার্ডে পরিণত করেছে।
· হরিয়ানা : রাজ্যে শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের কাজকর্ম শুরু করার জন্য saralharyana.gov.in পোর্টাল থেকে অনুমতি আদায় করতে পারবেন। যানবাহনের আন্তঃরাজ্য চলাচলের জন্য অনুমতি নেওয়া যাবে covidpass.egovernments.org পোর্টালে আবেদন করে।
· হিমাচল প্রদেশ : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি কার্ফিউ আগামী তেসরা মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ভারতের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে রাজ্যকে এন-৯৫ সার্জিকাল মাস্ক সরবরাহের জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
· জম্মু ও কাশ্মীর : আজ নতুন করে ২৭ জনের আক্রান্তের খবর মিলেছে। এরা সকলেই কাশ্মীর ডিভিশনের। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০৭। সেনাবাহিনী শ্রীনগর ও জম্মুতে একটি করে কোভিড-১৯ হাসপাতাল গড়ে তুলেছে।
· অরুণাচল প্রদেশ : রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার ৩৬৬ জন গ্রাহক বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার পেয়েছেন। বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে করে অত্যাবশ্যক সামগ্রী সরবরাহ রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে চালু রয়েছে।
· আসাম : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী এক ট্যুইটে জানিয়েছেন, লকডাউন চলাকালীন সময় অভিভাবকদের কিছুটা রেহাই দিতে বেসরকারি বিদ্যালয়গুলি এপ্রিল মাসের পঠন-পাঠন শুল্ক বাবদ ৫০ শতাংশ ছাড় দেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আসামের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় ৮ লক্ষ ৫১ হাজারেরও বেশি সুফলভোগীর প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।
· মিজোরাম : রাজ্যের পুলিশ প্রধান সীমান্ত সীল করার কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় দু’জন পুলিশ কর্মীর ওপর আক্রান্তের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
· নাগাল্যান্ড : রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, পিপিই কিট সংগ্রহ ও তার গুণমান পরীক্ষার জন্য দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
· সিকিম : রাজ্যের উত্তর জেলা প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার আওতায় আগামী ২৩শে এপ্রিল থেকে ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলিতে চাল ও ডাল বন্টন শুরু করবে।
· ত্রিপুরা : রাজ্যের খোয়াই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ প্যাকেজের আওতায় ইঁটভাটা শ্রমিকদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ১৫৭ জন এ ধরনের প্রবাসী শ্রমিক লাভবান হয়েছেন।
· কেরল : রাজ্যে নিশ্চিত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৬। রাজ্য সরকারি করচারীদের পাঁচ মাস ধরে ৬ দিনের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ৪৩ দিন পর রাজ্যের পাথানামথিত্তার ৬২ বছর বয়সী এক মহিলার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
· তামিলনাডু : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অগ্রভাগে থাকা কর্মীদের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের একজনকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতি পূরণ ও চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৬। নিশ্চিত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। ৬৩৫ জনকে সুস্থ হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
· পন্ডিচেরী : মুখ্যমন্ত্রী সহ সমস্ত মন্ত্রী ও বিধায়কদের কোভিড পরীক্ষা করা হবে।
· কর্ণাটক : রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৫। আজ আরও ৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হওয়ার পর ১২৯ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
· অন্ধ্রপ্রদেশ : রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ৫৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। নিশ্চিত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮১৩। মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। ১২০ জনকে সুস্থ হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেড জোনের জন্য ১ জন করে বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে।
· তেলেঙ্গানা : হায়দরাবাদ থেকে প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সূর্যপেত এলাকায় দ্রুত কোভিড সংক্রমণের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাজ্যে মঙ্গলবার আরও ২৬ জনের আক্রান্তের খবর মিলেছে। নিশ্চিত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে এখন ৯২৮।
CG/BD/SB
( |
pib-955 | e2f87f4fedd02adfa215c25bc1ad1e93ec57554e5166fd97563451c1c79a5183_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর প্রয়াণে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
নয়াদিল্লি, ৮ জানুয়ারি, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর প্রয়াণে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন। কেশরীনাথ ত্রিপাঠী বিহার, মেঘালয় ও মিজোরামের রাজ্যপাল হিসেবে স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করেছেন। শ্রী মোদী বলেছেন, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি-র সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কেশরীনাথ ত্রিপাঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন।
এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন :
“কেশরীনাথ ত্রিপাঠীজি সমাজ সেবা এবং পাণ্ডিত্যের জন্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় ছিলেন। সাংবিধানিক বিষয়ে তাঁর অগাধ জ্ঞান ছিল। উত্তরপ্রদেশে বিজেপি-র সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন। তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পরিবার-পরিজন ও গুণগ্রাহীদের সমবেদনা জানাই। ওঁ শান্তি!”
PG/CB/DM
( |
pib-957 | 15deb5bcaf3a68a6993676a72642086a02191375046e6bc0984053b7d2ed49fc_2 | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
চিকিৎসা সরঞ্জাম সংক্রান্ত নীতি অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা
এই নীতির সুবাদে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রের বাজার বর্তমানের ১১০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে আগামী ৫ বছরে ৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছোবে বলে আশা করা যায়
নতুন দিল্লি, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ জাতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নীতি ২০২৩-এ অনুমোদন দিয়েছে।
ভারতে স্বাস্থ্য পরিচর্যা ক্ষেত্রের অবিচ্ছিন্ন অঙ্গ হল, এই চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্র। দেশে এবং দেশের বাইরে কোভিড-১৯-এর মোকাবিলায় যেভাবে প্রচুর পরিমাণে ভেন্টিলেটর, ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট, আরটিপিসিআর কিট, ইনফ্রারেড থার্মোমিটার, পিপিই কিট কিংবা এন-৯৫ মাস্ক-র মতো সরঞ্জাম তৈরি হয়েছে তাতে এই ক্ষেত্রের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আরও।
ভারতের চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্র হল একটি উদীয়মান ক্ষেত্র-যা বিকশিত হচ্ছে দ্রুতগতিতে। ২০২০-তে এই ক্ষেত্রের বাজার ছিল ১১০০ কোটি ডলার-এর মতো, যা বিশ্বের বাজারের প্রায় ১.৫%। এই ক্ষেত্র বিকাশ ও স্বনির্ভরতার সম্ভাবনায় পূর্ণ এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য পরিচর্যার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম। ইতোমধ্যেই, সরকারী চিকিৎসা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে উৎপাদন ভিত্তিক উৎসাহ দান কর্মসূচি – পিএলআই চালু করেছে। এর আওতায় মোট ১,২০৬ কোটি টাকার বিনিয়োগ সম্বলিত ২৬টি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই লগ্নি হয়েছে ৭১৪ কোটি টাকা। পিএলআই কর্মসূচির আওতায় ৩৭টি পণ্য উৎপাদনের মোট ১৪টি প্রকল্প চালু হয়েছে। শুরু হয়ে গেছে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের উৎপাদন-যেমন লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর, এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান, ম্যামোগ্রাম, সি-আর্ম, এমআরআই কয়েল, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্স-রে টিউব ইত্যাদি। আরও ১২টি পণ্যের উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে শীঘ্রই। দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশে ৮৭ প্রকারের পণ্য বা যন্ত্রাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যে মোট ২৬টি প্রকল্পের মধ্যে ৫টিতে সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুসারে এই ক্ষেত্রের উন্নয়ন বাস্তবায়িত হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকারের বিভিন্ন দফতর। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রটির বৈচিত্র্যের কথা মাথায় রেখে নিয়ন্ত্রণবিধি, বিপণন কিংবা দক্ষতার উন্নয়নের প্রশ্নে কেন্দ্রীয় স্তরের দফতরগুলির পাশাপাশি প্রাদেশিক দফতরগুলি কাজ করছে।
জাতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নীতি ২০২৩ এই ক্ষেত্রের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে সুলভ ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি উদ্ভাবনার প্রশ্নেও সহায়ক হবে বলে আশা। শিল্প মহলের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানব সম্পদের সংস্থান, অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ এবং উপযুক্ত নিয়ন্ত্রণ কাঠামো মারফৎ সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক-ইন-ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের পালেও হাওয়া লাগবে।
জাতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নীতি ২০২৩-র মূল বৈশিষ্ট্য:
দিশা : দ্রুত বিকাশের পথে হেঁটে এক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠা এবং আগামী ২৫ বছরে বিশ্ব বাজারের ১০-১২ শতাংশ দখল করা। এই নীতির সুবাদে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রের বাজার বর্তমানের ১১০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে আগামী ৫ বছরে ৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছোবে বলে আশা করা যায়।
লক্ষ্য : সর্বজনীন চিকিৎসা পরিষেবা, উৎকর্ষ, রোগ-প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যের বিকাশ, গবেষণা, উদ্ভাবনা এবং দক্ষ মানব সম্পদ।
চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রের বিকাশে কৌশল :
এক্ষেত্রে ৬টি প্রধান নীতিগত ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হবে।
নিয়ন্ত্রণবিধির সরলীকরণ :
লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এক জানালা ব্যবস্থা, বিআইএসের ভূমিকা বাড়ানো, মূল্যমান সংক্রান্ত সামঞ্জস্য।
পরিকাঠামোগত উন্নয়ন :
বিশ্বমানের পরিকাঠামো সহ বড় ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন পার্ক, প্রয়োজনীয় জাতীয় লজিস্টিকস নীতি,২০২১-র আওতায় প্রয়োজনীয় পরিষেবা।
গবেষণা ও উদ্ভাবন :
এক্ষেত্রে কাজ হবে গবেষণা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবন সংক্রান্ত জাতীয় নীতির ভিত্তিতে। গড়ে তোলা হবে উন্নতমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
বিনিয়োগ আকর্ষণ :
মেক-ইন-ইন্ডিয়া, আয়ুষ্মান ভারত কর্মসূচি, স্টার্ট আপ অভিযান প্রভৃতির মাধ্যমে বেসরকারী লগ্নি আকর্ষণের পাশাপাশি কাজ চলবে সরকারী ও বেসরকারী অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে।
AC / AC/AG
( |
pib-960 | d915c4522576a932e4367d1706abcf45681a0a5a86c494a9d7069441ccea7eb4_5 | ben | বস্ত্রমন্ত্রক
কারিগরি বস্ত্রের রপ্তানীর পরিমাণ ২০০ কোটি মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি করে তিন বছরে ৫ গুণ বেশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে -শ্রী পীযূষ গোয়েল
নয়াদিল্লী, ৫ নভেম্বর, ২০২১
কেন্দ্রীয় বস্ত্র, শিল্প ও বাণিজ্য, উপভোক্তা বিষয়ক খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন কারিগরি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বস্ত্রের রপ্তানীর পরিমাণ তিন বছরে ৫ গুণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী ইন্ডিয়ান টেকনিকাল টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশনএর সভায় বলেন কেন্দ্র বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে উৎসাহ ভিত্তিক উৎপাদন প্রকল্প শুরু করেছে। এছাড়াও বস্ত্র শিল্পে উন্নত পরিকাঠামো, সস্তায় জমি এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শ্রী গোয়েল বলেন, বস্ত্রশিল্পের মানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ব্যবহারকারীদের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকা উচিৎ নয়। কারিগরি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বস্ত্রের গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য তিনি সরকারি তহবিল ব্যবহার করে সরকারি বেসরকারী অংশীদারিত্বের পরামর্শ দেন। বিগত ৫ বছরে ভারতে কারিগরি কাজে ব্যবহৃত বস্ত্রের উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এই শিল্পের বৃদ্ধির হার বছরে ৮ শতাংশ। আগামী ৫ বছরে তা ১৫-২০ শতাংশ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শ্রী গোয়েল বলেন, বর্তমানে ১৮ লক্ষ কোটি টাকা বা ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কারিগরি বস্ত্র শিল্পের বাজার রয়েছে। ভারতের এই বাজারে অংশীদারিত্ব ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগামীদিনে এই পরিমাণ বৃদ্ধি করে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বের বাজারে সবথেকে বড় অংশীদার হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিম ইউরোপ, চীন ও জাপান। শ্রী গোয়েল জানান উন্নত প্রযুক্তি এবং দেশীয় পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত সামগ্রীর মাধ্যমে ভারত এই শিল্পে তার উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে চায়। মন্ত্রী আরও জানান সরকার ২০২০র ফেব্রুয়ারীতে ন্যাশনাল টেকনিকাল টেক্সটাইল মিশনের সূচনা হয়েছে। ভারতকে আত্মনির্ভর এবং রপ্তানীমুখী অর্থনীতিতে পরিণত করাই যার অন্যতম উদ্দেশ্য।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কারিগরি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বস্ত্রে মূলত পাট, সিল্ক ও সাধারণ সুতো ব্যবহার করা হয়। তবে পলিমার, কার্বন, ধাতু এমনকি কাঁচ যোগ করে এর গুণমান বৃদ্ধি করা হয়। কারিগরি বস্ত্রে মূলত ১২ রকমের ভাগ রয়েছে। ভারতে কারিগরি ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য যে কাপড় উৎপাদিত হয় সেই কাপড় প্যাকেজিং ক্ষেত্রে ৩৮ শতাংশ, ভৌগলিক বিভিন্ন কাজে বা জিওটেকে ১০ শতাংশ এবং কৃষিক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে উন্নতমানের বস্ত্র তৈরিতে ত্রিমাত্রিক বুনন সহ নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। আইআইটি-র মতো উন্নত গবেষণা কেন্দ্রগুলিতে কারিগরি কাজে ব্যবহৃত কাপড় নিয়ে গবেষণা চলছে। নীতি আয়োগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার নেতৃত্বে উদ্ভাবন ও গবেষণার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ৩৬টি প্রস্তাবকে অনুমোদন দিয়েছে। আরো ৪০টি প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।
CG/CB/NS
(Visitor Counter : 213 |
pib-961 | 33cc576dc148fa634c42b8f261f9dfd2db49edb26d415722feebcdc52dcb0dbc | ben | স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণের সংখ্যা ১৮১ কোটি ২৪ লক্ষ ছাড়িয়েছে
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের প্রায় ১৮ লক্ষ টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে
দেশে সুস্পষ্ট ভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আজ দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ১০৬, যা মোট আক্রান্তের ০.০৬ শতাংশ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৪৯
জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৮.৭৪ শতাংশ
সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার বর্তমানে ০.৪০ শতাংশ
নয়াদিল্লি, ২১ মার্চ, ২০২২
দেশে মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৮১ কোটি ২৪ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩০৩। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের কোভিড-১৯ টিকাকরণ গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই বয়সী শিশুদের ১৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৮৪টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে।
আজ সকাল ৭-টা পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী মোট টিকাকরণের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:
|
|
স্বাস্থ্যকর্মী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১,০৪,০৩,০৪৬
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৯৯,৯০,৭১৭
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
৪৩,৫৯,৭২২
|
|
অগ্রভাগে থাকা করোনা-যোদ্ধা
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১,৮৪,১২,১৭২
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১,৭৪,৮৯,০৮৮
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
৬৬,৬৬,৪৯৪
|
|
১২-১৪ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১৭,৯৯,৬৮৪
|
|
১৫-১৮ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
৫,৬২,১৫,৩৬৫
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৩,৫৫,২৯,০৬৬
|
|
১৮-৪৪ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
৫৫,৩৭,৯৫,১১৪
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৪৫,৯৫,৬৩,৩৯৩
|
|
৪৫-৫৯ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
২০,২৬,১৪,৬২১
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১৮,৩৮,০৬,৬২৯
|
|
৬০ বছরের বেশি বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১২,৬৬,৪৪,৪৭৬
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১১,৪৪,৮৪,৮৯৭
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
১,০৭,২২,৮১৯
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
২,১৭,৪৯,০৩৫
|
|
মোট
|
|
১,৮১,২৪,৯৭,৩০৩
দেশে সুস্পষ্ট ভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আজ দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ১০৬, যা মোট আক্রান্তের ০.০৬ শতাংশ।
একই ভাবে জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার ৯৮.৭৪ শতাংশ।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৫২ জন। এরফলে, মহামারী শুরুর সময় থেকে মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৭৪।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৪৯।
দেশে নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৭৮ কোটি ৩০ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৫৭।
দেশে একদিকে যখন নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বেড়েছে, অন্যদিকে তখন সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার বর্তমানে ০.৪০ শতাংশ। একইভাবে, দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার ০.৪০ শতাংশ।
CG/BD/DM/
(Visitor Counter : 85 |
pib-962 | 07021d7d585a8236f5acff2c7c732706de867d0961ac1c4418b081d2e2531ddb | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন
বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৭০ হাজার কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে
“আজ সারা বিশ্ব ভারতের উন্নয়ন যাত্রার শরিক হতে আগ্রহী”
“আজ ভারত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত যা বর্তমান সময়কালে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সরকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সরকার তার প্রগতিশীল আর্থিক ও সামাজিক সিদ্ধান্তগুলির জন্য সকলের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছে”
নয়াদিল্লি, ১৩ জুন, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতীয় রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৭০ হাজার কর্মীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। যাঁরা নিয়োগপত্র পেলেন তাঁরা আর্থিক পরিষেবা, ডাক, স্কুলশিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, রাজস্ব, পারমাণবিক শক্তি, হিসাবরক্ষক ও ব্যয় দপ্তর এবং প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, রেল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিভিন্ন পদে যোগদান করবেন। এই রোজগার মেলায় দেশের ৪৩টি জায়গা থেকে নবনিযুক্তরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।
রোজগার মেলাকে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের নতুন একটি পরিচিতি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আজ ৭০ হাজারের বেশি চাকরি প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি ও এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলি নিয়মিত এ ধরনের রোজগার মেলা আয়োজন করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। স্বাধীনতার অমৃতকালের সদ্য সূচনা হয়েছে। এই সময়কালে যাঁরা সরকারি চাকরিতে যোগদান করলেন তাঁরা আগামী ২৫ বছরে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। শ্রী মোদী নবনিযুক্তদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের এই উপলক্ষে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর হয়ে ওঠার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ‘মুদ্রা’, ‘স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া’, ‘স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া’র মতো প্রকল্পগুলি আজ তরুণ প্রজন্মকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলছে। যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে সরকারি চাকরি দেওয়া হচ্ছে তা অভূতপূর্ব। নতুন ব্যবস্থাপনায় এসএসসি, ইউপিএসসি এবং আরআরবি নিয়োগ সংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলি এই প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, সরল ও সহজ করে তুলেছে। আগে যেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১-২ বছর সময় লেগে যেত, এখন তা মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই শেষ করা যাচ্ছে।
শ্রী মোদী বলেন, “আজ সারা বিশ্ব ভারতের উন্নয়ন যাত্রার শরিক হতে আগ্রহী।” ভারত এবং তার অর্থনীতির প্রতি বিশ্ব আস্থাশীল। দেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে - আর্থিক মন্দা, বিশ্বজুড়ে মহামারী এবং চলমান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটা। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির ভারতে উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদাহরণ তুলে ধরেন। এর ফলে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগের ফলে দেশে নানা সামগ্রীর উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, নতুন নতুন শিল্প সংস্থা গড়ে উঠছে। ফলস্বরূপ, রপ্তানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাব হিসেবে দ্রুত হারে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতির কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, অনুসৃত নীতিগুলির ফলে দেশে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ৬.৫ শতাংশ আসছে অটোমোবাইল শিল্প থেকে। বিদেশে যাত্রীবাহী গাড়ি, পণ্যবাহী গাড়ি, দুই ও তিন চাকার গাড়ির রপ্তানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১০ বছর আগে এই শিল্পের মোট পরিমাণ ছিল ৫ লক্ষ কোটি টাকা। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। “ভারতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎসাহভিত্তিক উৎপাদন প্রকল্পগুলি অটোমোবাইল শিল্পকে সাহায্য করছে।” এর ফলে ভারতের লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী প্রচুর কাজ পাচ্ছেন।
শ্রী মোদী এক দশক আগের পরিস্থিতির তুলনা করে বলেন, আজ দেশ অনেক নিরাপদ এবং শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। অতীত দিনে প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্ত বলে পরিচিত ছিল। “আজ ভারত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত যা আজকের দিনে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সরকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সরকার তার প্রগতিশীল আর্থিক ও সামাজিক সিদ্ধান্তগুলির জন্য সকলের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছে।” আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারত আজ সহজ জীবনযাত্রা, পরিকাঠামো নির্মাণ এবং সহজে ব্যবসা করার স্থান হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতে সামাজিক ক্ষেত্র সহ সব ক্ষেত্রের পরিকাঠামোর জন্য বিপুল বিনিয়োগ হচ্ছে। সামাজিক ক্ষেত্রের পরিকাঠামো নির্মাণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি জল জীবন মিশনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন। এই প্রকল্পে প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা ইতোমধ্যেই ব্যয় হয়েছে। প্রকল্পটির যখন সূচনা হয় সেই সময় দেশের প্রতি ১০০টি বাড়ি পিছু ১৫টি বাড়িতে নলবাহিত পানীয় জলের সংযোগ ছিল যা আজ বেড়ে হয়েছে ৬২। এই প্রকল্পের দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ১৩০টি জেলায় প্রতিটি বাড়িতে নলবাহিত পানীয় জল পৌঁছে গেছে। এর ফলে জলবাহিত রোগ থেকে নাগরিকদের রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিশুদ্ধ পানীয় জলের কারণে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ ডায়ারিয়ায় মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন, যার ফলে প্রায় ৮ লক্ষ কোটি টাকার অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। তিনি সকলকে সরকারি প্রকল্পগুলির নানাবিধ প্রভাব উপলব্ধি করতে আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বংশপরম্পরার রাজনীতি এবং স্বজনপোষণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একটি রাজ্যে টাকার বিনিময়ে চাকরির কেলেঙ্কারির খবর উঠে আসছে। যুব সম্প্রদায়কে এ ধরনের ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি সতর্ক করে দেন। রেস্তোরাঁয় যেমন প্রতিটি পদের জন্য অর্থ নির্ধারণ করা থাকে, সেরকমই ঐ রাজ্যে চাকরির প্রত্যেকটি পদের জন্য অর্থ নির্ধারিত ছিল। তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের এক প্রাক্তন রেলমন্ত্রীর আমলে জমির বিনিময়ে চাকরি কেলেঙ্কারির কথাও তুলে ধরেন। সিবিআই এর তদন্ত চালাচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত বহু মামলা আদালতের বিচারাধীন। যেসব রাজনৈতিক দল বংশপরম্পরায় রাজনীতি করে এবং চাকরি দেওয়ার নাম করে দেশের যুব সম্প্রদায়ের সম্পদ লুঠ করে তাদের থেকে সকলকে সাবধানে থাকতে হবে। “চাকরি পাওয়ার জন্য ‘রেট কার্ড’-এর দিন গত হয়েছে, বর্তমান সরকার দেশের নাগরিকদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে উদ্যোগী।”
শ্রী মোদী তাঁর ভাষণে বলেন, ভাষাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু তাঁর সরকার ভাষাকে কর্মসংস্থানের শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত করেছে। মাতৃভাষায় চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার ফলে দেশের যুব সম্প্রদায় আজ উপকৃত হচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এবং সরকারি কর্মীরা দেশের দ্রুতহারে উন্নয়নে সামিল হয়েছেন। অতীতে সাধারণ নাগরিকদের সরকারি দপ্তরে যেতে হত। কিন্তু আজ সরকার নাগরিকদের দরজায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছে। মানুষের চাহিদা ও প্রতিটি অঞ্চলের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। সরকারি দপ্তরগুলি জনগণের বিভিন্ন আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল পরিষেবা পৌঁছ দেওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এবং জন-অভিযোগের নিষ্পত্তি দ্রুতহারে হচ্ছে।
তাঁর ভাষণের শেষে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজ যাঁরা নিয়োগপত্র পেলেন তাঁদের সংবেদনশীল হয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। “আপনারা এই সংস্কারকে গিয়ে নিয়ে যাবেন আর তার জন্য আপনারা যা কিছু দেখবেন, সেটিই শেখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।” তিনি অনলাইন পোর্টাল iGoT-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এই পোর্টাল বর্তমানে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ ব্যবহার করেছেন। তিনি সদ্য নিযুক্তদের এর সুফল নেবার আহ্বান জানান। “আসুন, অমৃতকালের পরবর্তী ২৫ বছরে আমরা সকলে মিলে উন্নত ভারত গড়ার জন্য কাজ করি।”
প্রেক্ষাপট
কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার রোজগার মেলার মাধ্যম বাস্তবায়িত হচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই মেলা অনুঘটকের কাজ করে। এর মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়নযজ্ঞের শরিক হচ্ছেন তাঁরা। সদ্য নিযুক্তরা iGoT কর্মযোগী পোর্টালের সাহায্যে বৈদ্যুতিন প্রক্রিয়ায় ৪০০টি পাঠক্রমের সুবিধা নিতে পারেন।
CG/CB/DM/…..
( |
pib-963 | be4d2b2095388a939ee3bbae64439ce7de8e262e7af09567fb1e5d81a56c8996 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
আন্তর্জাতিক বিচার বিষয়ক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
নয়াদিল্লি, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিচার বিষয়ক সম্মেলনে ভাষণ দিয়েছেন। এই সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পাশাপাশি, হাইকোর্টগুলির বিচারপতি, বিশিষ্ট আইনজীবী এবং বিদেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারার আনন্দ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ সারা বিশ্বের মানুষকেই আস্থা ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আরও বলেন, একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের সূচনাতেই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান দশকটি কেবল ভারতেই নয়, সারা বিশ্বেই দ্রুত পরিবর্তনের সময়। আর্থ-সামাজিক, প্রযুক্তিগত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসছে। তবে, পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে যুক্তি ও ন্যায়ের সমানাধিকারের মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই, এবারের সম্মেলনের মূল বিষয় ‘বিচার বিভাগ ও পরিবর্তনশীল বিশ্ব’ – যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক ও তাৎপর্যপূর্ণ।
শ্রী মোদী বলেন, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মের সার্ধশতবার্ষিকী উদযাপনের সময় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মহাত্মাকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় মহাত্মা আইনজীবী হিসাবে মামলায় কমিশন দিতে হ’ত বলে মামলা নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সততা ও সেবায় মহাত্মার আস্থার কারণ হচ্ছে তাঁর শিক্ষাদীক্ষা ও ভারতের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির চর্চা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় দর্শনের ভিত্তি হচ্ছে ‘আইন-ই রাজার রাজা’ এবং ‘আইন-ই সর্বোচ্চ’।
তিনি আরও বলেন, এই দর্শনের প্রতি বিশ্বাসই ১৩০ কোটি ভারতবাসীকে বিচার-ব্যবস্থার সাম্প্রতিক রায়গুলির ক্ষেত্রে স্থিরতা ও সংযম রাখতে সাহায্য করেছে।
ডঃ বি আর আম্বেদকরের উক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংবিধান কেবল আইনজীবীদের একটি নথি নয়, বরং এক জীবনচক্র এবং সংবিধানের মূল ভাবনা সর্বদাই একটি যুগের আত্মা-স্বরূপ”। সংবিধানের এই আদর্শকেই আদালতগুলি এগিয়ে নিয়ে চলেছে এবং ‘আমাদের আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাকেও সজীব রেখেছে’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সব ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হওয়ার সময় একে অপরের সীমাবদ্ধতাগুলি জেনে, বহু ক্ষেত্রে সংবিধানের তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করেই দেশ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সঠিক দিশা খুঁজে পেয়েছে”।
দেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি সেকেলে আইন খুব দ্রুত বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজ ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করতে দ্রুতগতিতে একাধিক নতুন আইনও প্রণয়ন করা হয়েছে।
‘লিঙ্গ সমতা’র বিষয়টিতে এবারের সম্মেলনে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে জেনে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “বিশ্বের কোনও দেশ, কোনও সমাজ লিঙ্গ সমতা ছাড়া অগ্রগতি ও উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে না। এমনকি, ন্যায়-বিচারেরও দাবি জানাতে পারে না”। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার লিঙ্গ সমতা নিয়ে আসার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে, যুদ্ধ বিমানের পাইলট বাছাই প্রক্রিয়ায় বদল, এমনকি খনিগুলিতে রাত্রিকালীন কাজের সুযোগ প্রদানে ক্ষেত্রেও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি জানান, ভারত বিশ্বের স্বল্প সংখ্যক সেই কয়েকটি দেশের মধ্যে পড়ে, যেখানে কর্মরত মহিলাদের ২৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সবেতন ছুটির সুবিধা রয়েছে।
এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য বিচার ব্যবস্থাকে অভিনন্দন জানান। প্রসঙ্গত তিনি জানান, ভারত সমগ্র বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে, কিভাবে পরিবেশকে সুরক্ষিত রেখে পরিকাঠামো গড়ে তোলা যায়।
দ্রুত ন্যায় বিচার প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ই-আদালত সংক্রান্ত সুসংহত মিশন মোড কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রতিটি আদালতকে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে। জাতীয় স্তরে বিচার বিভাগীয় তথ্য লেনদেন ব্যবস্থা বা ডেটা গ্রিড গড়ে তোলা হয়েছে, তার ফলে আদালতগুলির স্বাভাবিক কাজকর্ম আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। ভারতে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থায় আরও গতি সঞ্চার করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবিক বিবেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেও প্রধানমন্ত্রী অভিমত প্রকাশ করেন।
CG/BD/SB
(Visitor Counter : 80 |
pib-964 | 0d1bfa618352ebfa1d6a23e796628487231e81441b7b5be1397e02a5187d2c31_3 | ben | রেলমন্ত্রক
প্রধানমন্ত্রী বারাণসী রেল স্টেশনে নতুন একটি একজিকিউটিভ লাউঞ্জ জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন
কলকাতা, ২৬ অক্টোবর, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বারাণসী রেল স্টেশনে নতুন একটি একজিকিউটিভ লাউঞ্জ বা আরামকক্ষ জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। এই উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল শ্রীমতী আনন্দীবেন প্যাটেল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রী সুনীত শর্মা, উত্তর রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী আশুতোষ গঙ্গোয়াল, রাষ্ট্রায়ত্ত আইআরসিটিসি-র চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শ্রীমতী রজনী হাসিজা, লক্ষ্ণৌ-এর ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী এস কে সাপরা -সহ উত্তর রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সুপ্রাচীন বারাণসী শহরের প্রবেশ দ্বার বারাণসী রেল স্টেশনে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উত্তর রেল সেখানে একটি নতুন লাউঞ্জ বা আরামকক্ষ গড়ে তুলেছে। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ যাত্রী বারাণসী শহরে আসেন। তাঁদের আধুনিক স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে বারাণসী রেল স্টেশনে এই লাউঞ্জ গড়ে তোলা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত আইআরসিটিসি এই লাউঞ্জ পরিচালনার দায়িত্বে থাকছে। স্টেশনে আগত যাত্রীরা যাত্রা শুরুর পূর্বে এবং স্টেশনে এসে পৌঁছনোর পর খানিক সুখ-বিলাসিতার জন্য এই লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রাচীন পঞ্চতত্ত্বের আদর্শের ওপর ভিত্তি করে এই আরামকক্ষের নকশা তৈরি করা হয়েছে।
যাত্রীরা এই লাউঞ্জে মাশুলে মেটানোর মাধ্যমে মিউজিক, ওয়াইফাই ইন্টারনেট কানেকশন, টিভি, ট্রেন ইনফরমেশন ডিসপ্লে, উষ্ণ ও শীতল পানীয়, সুস্বাদু বিভিন্ন ধরনের খাবার, আরামকেদারা, লাগেজ রেক ও লকার, রেস্ট রুম -সহ শৌচালয়, সংবাদপত্র-পত্রিকা প্রভৃতির সুবিধা নিতে পারবেন। এছাড়াও, অত্যাধুনিক এই লাউঞ্জে কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফটোস্ট্যাট ও ফ্যাক্সের মতো সুবিধা রয়েছে। এমনকি, লাউঞ্জে যে ট্র্যাভেল ডেস্ক রয়েছে সেখান থেকে টিকিট, হোটেল ও ক্যাব বুকিং করা যাবে।
দিল্লিতে রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে বারাণসী স্টেশনে আধুনিক এই লাউঞ্জ উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। শ্রী বৈষ্ণো আরও বলেন, রেল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সার্বিক মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে পর্যটন ও তীর্থযাত্রার আরও প্রসার ঘটবে। পক্ষান্তরে, স্থানীয় অর্থনীতির অগ্রগতি ঘটবে ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
SSS/BD/DM/
(Visitor Counter : 10 |
pib-968 | 50f5b079a47d5e0ce9221060baa65b5ecc6ccce35dfb42db33cc0d10fa6ce98c_2 | ben | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
নাগপুরের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স অ্যাকাডেমিতে সিনিয়র অ্যাডমিনিট্রটিভ গ্রেড পদমর্যাদার একটি নির্দেশকের পদ তৈরিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
নতুন দিল্লি, ২৫শে মে, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী নাগপুরের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স অ্যাকাডেমিতে সিনিয়র অ্যাডমিনিট্রটিভ গ্রেড পদমর্যাদার একটি নির্দেশকের পদ তৈরি করা হবে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স অ্যাকাডেমি বা এনডিআরএফ অ্যাকাডেমির নির্দেশক এই সংস্থার পুরো দায়িত্বে থাকবেন। উচ্চপদস্থ অভিজ্ঞ একজন আধিকারিক সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী তার কাজকর্ম পরিচালনা করবে। এই অ্যাকাডেমিতে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিডি ভলেন্টিয়াস, বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির বিভিন্ন বাহিনীর থেকে প্রতিবছর ৫০০০ এর বেশি সদস্যকে এখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। চাহিদা অনুযায়ী এখানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর পরিবর্তন ঘটানো হয়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এসডিআরএফ –এর সদস্যরা সহ অন্যান্য বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের এখান থেকে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।
প্রেক্ষাপট :
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স অ্যাকাডেমি ২০১৮ সালে নাগপুরে স্থাপিত হয়। ন্যাশনাল সিভিল ডিফেন্স কলেজ –কে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। অ্যাকাডেমির মূল ভবনটি তৈরি করার কাজ চলছে। এখন এনসিডিসি-র ভবন থেকে অ্যাকাডেমির কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, অসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের স্বেচ্ছাসেবক বা সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ারদের এখান থেকে আন্তর্জাতিকমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি সহ অন্যান্য দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরাও এখান থেকে প্রশিক্ষণ পান।
CG/CB/SFS
(Visitor Counter : 132 |
pib-970 | 3ae64407d6a29bce4251184f1b1afcba4adc34243324778b2319df81af961c08_4 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
নতুন দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার’ প্রদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
নয়াদিল্লি, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহোদয়, এখানে উপস্থিত সমস্ত সম্মানীত ব্যক্তিবর্গ এবং আজ যাঁদের সম্মান জানানো হয়েছে, সেই সমাজের প্রতি সমর্পিতপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ। আমি সবার আগে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি, কারণ, অন্য একটি কাজে ব্যস্ত থাকায় এখানে আসতে দেরী হয়েছে। আজ বিশ্ব যখন পূজনীয় বাপুর সার্ধশত জন্মবর্ষ পালন করছে, সেই বছরে ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার’ পাবার গুরুত্বই আলাদা। যেসব ব্যক্তি ও সংগঠন এই পুরস্কার পাচ্ছেন, যেমন - কন্যাকুমারীর বিবেকানন্দ কেন্দ্র, একল বিদ্যালয়ের মতো সংগঠনগুলি সমাজের প্রান্তিক মানুষদের সন্তানদের শিক্ষা প্রসারে ও জীবনযাপনের মানোন্নয়নে সমর্পণ ভাব নিয়ে কাজ করে চলেছে - তাঁদেরকে আমার অনেক অনেক অভিনন্দন।
গান্ধীজীকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তাঁকে স্বাধীনতা ও পরিচ্ছন্নতার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হলে তিনি কোনটিকে বেছে নেবেন? তিনি বলেছিলেন যে, ‘আমি পরিচ্ছন্নতাকেই বেছে নেব’। স্বাধীন ভারতে পূজনীয় বাপুর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের সকলের। দেশের যে কোনও প্রান্তে আজ যাঁরাই পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে বা শৌচালয় নির্মাণে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আমার কাছে সম্মানীয় ব্যক্তিত্ব। দেশের শিশুদের মধ্যাহ্ন ভোজনের প্রকল্প সমস্ত রাজ্যেই চালু রয়েছে। কিন্তু অক্ষয়পাত্র সংগঠন এই সেবাকর্মকে একটি সংগঠিত অভিযানে পরিণত করেছে। কয়েকদিন আগেই বৃন্দাবনে গিয়ে আমার অক্ষয়পাত্র সংস্থার ৩০০ কোটিতম থালি পরিবেশনের সৌভাগ্য হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারও দেশে অপুষ্টি নিবারণে একটি বড় অভিযান চালিয়েছে। কারণ, আমরা মনে করি, ভারতের শিশুরা সুস্থ থাকলেই দেশ ও দেশের ভবিষ্যৎ সুস্থ থাকবে। এই অভিযানে সারা দেশে উল্লেখযোগ্য গণঅংশীদারিত্ব রয়েছে। আর জনগণ যখন স্বেচ্ছায় কোনও অভিযানে অংশগ্রহণ করেন, তখন তার শক্তি অবলীলায় বেড়ে যায়।
দেশের স্বাধীনতায় মহাত্মা গান্ধীর সাফল্য এসেছে সারা দেশে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী অসংখ্য মানুষের ত্যাগ ও তিতিক্ষার ফলে। যত বছর দেশ পরাধীন ছিল, তত বছর ধরেই দেশের কোনও না কোনও প্রান্ত থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামীরা উঠে এসেছেন। কিন্তু গান্ধীজী এই আন্দোলনকে গণআন্দোলনে পরিণত করতে পেরেছিলেন বলেই সাফল্য পেয়েছিলেন। তিনি বলতেন, আমরা সমাজের যে কোনও কাজই যদি নিষ্ঠার সঙ্গে করি, তা হলেই আমরা স্বাধীনতার জন্য কাজ করব। এই মনোভাব দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গণঅংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করেছে। গান্ধীজীর প্রদর্শিত সেই পথ ধরেই আমরা তাঁর সার্ধশত জন্মবর্ষে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছি। ২০২২ সালে দেশ যখন স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উৎসব পালন করবে, তার আগেই আমরা গান্ধীজীর স্বপ্নের ভারত গড়ে তুলতে চাই। পূজনীয় বাপু একজন বিশ্ব মানব ছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানের চরম ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি সপ্তাহে একদিন জন্ডিস ও কুষ্ঠ রোগীদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। কুষ্ঠ রোগীদের প্রতি সমাজের মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য তাঁর অনুগামী সস্কাওয়াজী প্রায় চার দশক ধরে কাজ করে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে কুষ্ঠ নিয়ে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে সম্মানীত করার মাধ্যমে পূজনীয় বাপুকে সত্যিকরের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের এই প্রচেষ্টাকে আমি অভিনন্দন জানাই। বিশ্বব্যাপী মহাত্মা গান্ধীর সার্ধ জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে সারা পৃথিবীর ১৫০টি দেশের ১৫০জন বিখ্যাত শিল্পী গান্ধীজির প্রিয় ভজন “বৈষ্ণব জন তো তেনে কহিয়ো” সুন্দরভাবে গেয়েছেন। যে কেউ চাইলে ইউ টিউবে তাঁদের গাওয়া গানগুলি শুনতে পাবেন। এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে সারা পৃথিবীতে ভারতের সম্মান বাড়ছে। বিশ্ববাসী আজ অনুধাবন করছেন যে, গান্ধীজির আদর্শ মানবকল্যাণে কতটা উপকারী! সেজন্যে ভারতের প্রতিটি শিশু, প্রত্যেক নাগরিক গর্ব করতে পারেন। আপনাদের সবাইকে আরেকবার শুভেচ্ছা জানিয়ে, পূজনীয় বাপুর চরণে প্রণাম জানিয়ে, বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
(Visitor Counter : 251 |
pib-971 | f2f82fa42bbc18037188c79b69481b1dbf037ad2e6049cf5276befe266374778 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারপ্রাপকদের সঙ্গে ২৪ জানুয়ারি মত বিনিময় করবেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী
নয়াদিল্লি, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৪ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় তাঁর ৭ নং লোককল্যাণ মার্গ বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারপ্রাপকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
উদ্ভাবন, সমাজসেবা, জ্ঞানচর্চা, খেলাধূলা, শিল্প-সংস্কৃতি এবং সাহসিকতা - এই ছ’টি ক্ষেত্রে যেসব ছেলে-মেয়েরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার দিয়ে থাকে। প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপককে একটি পদক, শংসাপত্র এবং নগদ ১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। ২০২৩-এর প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১১ জন শিশুকে বাছাই করা হয়েছে। ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাসিন্দা এইসব পুরস্কারপ্রাপকদের মধ্যে পাঁচজন বালিকা।
PG/CB/DM/
( |
pib-977 | 78f0617715453dbfaf5a760973e2fd1bb0f5cf14c433764b0ba9636d43ee5a77_3 | ben | মন্ত্রিসভারঅর্থনৈতিকবিষয়সংক্রান্তকমিটি
আখ চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
২০২২-২৩-এর চিনি মরশুমে আখ উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষায় মূল্য স্থির হয়েছে ক্যুইন্টাল প্রতি ৩০৫ টাকা
নয়াদিল্লি, ৩ আগস্ট, ২০২২
দেশের আখ চাষীদের সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ২০২২-২৩ বছরের চিনি মরশুমে আখ চাষীদের জন্য ভালো ও ন্যায্য দাম সুনিশ্চিত করতে ক্যুইন্টাল প্রতি মূল্য স্থির হয়েছে ৩০৫ টাকা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাবটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিগুলির সঠিক বাস্তবায়নের ফলে গত আট বছরে দেশে আখ চাষের উৎপাদন বৃদ্ধির পথ ধরে চিনি শিল্প বর্তমানে স্বনির্ভরতার এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। চিনি শিল্প, সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার, কেন্দ্রের বিভিন্ন দপ্তর এবং কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিষয়টি বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়াও, চিনি শিল্পক্ষেত্রে সরকার গৃহীত বিভিন্ন ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের আখের উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে তেমনই চিনি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্প এবং সেগুলির গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কাজকর্মও অনেক আধুনিক হয়ে উঠেছে। আরও বেশি এলাকাকে যেমন আখ উৎপাদন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজকর্মের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে, তেমনই কৃষকদের আয় ও উপার্জনও তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের আয় ও উপার্জন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে বিশেষভাবে লাভবান হবেন প্রায় ৫ কোটি আখ চাষী। সেইসঙ্গে উপকৃত হবেন চিনিকলগুলির সঙ্গে যুক্ত ৫ লক্ষ শ্রমিক-কর্মী।
এই প্রসঙ্গে আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি চিনি মরশুমে চিনি উৎপাদনের দিক থেকে ভারত ব্রাজিলকেও ছাড়িয়ে গেছে। গত আট বছরে চিনির উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে দেশের প্রয়োজন মিটিয়েও বেশ ভালো পরিমাণ চিনি বর্তমানে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ মরশুমে বিদেশে চিনি রপ্তানি করা হয়েছে যথাক্রমে ৬ লক্ষ, ৩৮ লক্ষ, ৫৯.৬০ লক্ষ এবং ৭০ লক্ষ মেট্রিক টন। আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে আখ চাষী এবং চিনি উৎপাদকদের অবদানও এখন যথেষ্ট মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
PG/SKD/DM/
( |
pib-982 | d652393c6aeed124abfdb942663b50dd9bda42aed53e7fafefc00ae900de5288 | ben | রেলমন্ত্রক
স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা প্রসারের জন্য রেল দৃষ্টি ড্যাসবোর্ডের উদ্বোধন করলেন শ্রী পীযূষ গোয়েল
নয়াদিল্লি, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ভারতীয় রেলে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে এবং ডিজিটাল মাধ্যমে রেলের সমস্ত উদ্যোগকে তুলে ধরতে ‘রেল দৃষ্টি’ ড্যাসবোর্ডের উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় রেল ও কয়লা মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য একটি মঞ্চে তুলে ধরতে এবং রেলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হিসেব নির্দেশ ও অন্যান্য তথ্য দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের কাছে পৌঁছে দিতে এটি চালু করা হয়েছে। ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেটের মাধ্যমে এই ড্যাসবোর্ডটি দেখা যাবে। এই বিশেষ অ্যাপ্লিকেশনটি সহজে মোবাইলে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে। রেল দৃষ্টি ড্যাসবোর্ডের ইউআরএল-টি হল “raildrishti.cris.org.in”। সোমবার এই বিশেষ পরিষেবার সূচনা অনুষ্ঠানে রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান শ্রী ভি কে যাদব, সিআরআইএস-এর এমডি ও সংস্হার অন্যান্য উচ্চপদস্হ আধিকারিকরা উপস্হিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শ্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সুদক্ষ নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের জনসাধারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত সব কৃষক, যুব সম্প্রদায়, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ব্যক্তিবর্গ সহ প্রতিটি মানুষের কাছে দায়বদ্ধ হয়ে উঠেছে। ভারতের ইতিহাসে এই সরকারই প্রথম প্রত্যেক বছর জনসাধারণের সামনে নিজেদের কাজের মূল্যায়ন পেশ করেছে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম তথ্য জানানোর জন্য সংবাদ মাধ্যম ও ডিজিটাল মঞ্চকে ব্যবহার করেছে। সরকার প্রত্যেকটি মন্ত্রকে কাজকর্মে স্বচ্ছতা আনার প্রয়াসও গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী গান্ধীজিকে উদ্ধৃত করে বলেন, “আমি গণতন্ত্র বলতে এমন একটা কিছু বুঝি যা দুর্বলকে সবলের সমান সুযোগ দেয়।” রেল দৃষ্টি ড্যাসবোর্ডটি রেলের চলতি প্রকল্পগুলি সম্বন্ধে দেশের সাধারণ মানুষকে তথ্য প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। ভারতীয় রেলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিরকম ভাবে রূপান্তর আনা হচ্ছে রেলযাত্রীরা তা এই ড্যাসবোর্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন। ড্যাসবোর্ডের মাধ্যমে সকলে রেল সংক্রান্ত সবরকম তথ্য যেকোন সময়েই দেখতে পাবেন, বলে শ্রী গোয়েল উল্লেখ করেন।
তিনি ‘রেল দৃষ্টি’ ওয়েবসাইটটিকে সহজতর ও ব্যবহার-বান্ধব করে তোলার উপদেশ দেন।
রেল দৃষ্টি ড্যাসবোর্ডে সমস্ত তথ্য ১৫টি বিভাগে পাওয়া যাবে। বিভাগগুলি হল- এক নজরে, পরিষেবা, চলমান ট্রেন, আইআরসিটিসি রান্নাঘর, অভিযোগ, সাফল্য, স্টেশনগুলির ছবি, ঐতিহ্য, শ্রমিক কল্যাণ, বিল, পণ্য বহন থেকে আয়, ফ্রেট লোডিং/আনলোডিং, যাত্রী পরিষেবা থেকে আয়, ব্যয় ও সুগম- পণ্য-বহন সংক্রান্ত তথ্যের অ্যাপ।
CG/SC/NS
(Visitor Counter : 145 |
pib-983 | 9ae152d018999c2dd172e982ce68eed7eea4addb259016218f057dc54427fda6 | ben | গ্রামোন্নয়নমন্ত্রক
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা -গ্রামীণ ৫ বছর পূরণ
নতুন দিল্লি,২০ নভেম্বর, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা -গ্রামীণ ৫ বছর পূরণে 'আবাস দিবস' উদযাপনের প্রাক্কালে আজ রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ভূমি পুজো, গৃহ প্রবেশ, সুবিধাভোগীদের বাড়ি পরিদর্শন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা- গ্রামীণ সম্পর্কে সুবিধাভোগীদের বোঝানো ইত্যাদি কাজ চালানো হয়।২০২২ সালের মধ্যে 'সকলের জন্য মাথার উপর ছাদ'- মহৎ এই উদ্দেশ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা -গ্রামীণ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক সুযোগ সুবিধা সহ ২.৯৫ কোটি গৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
২০১৬ সালে পিএমএওয়াই-জি চালু হওয়ার পর থেকে চলতি অর্থ বর্ষ পর্যন্ত ২.৬২কোটি গৃহ নির্মাণের লক্ষ্য নেওয়া হয়।ইতিমধ্যেই ২.২০ সুবিধাভোগী এই গৃহ নির্মাণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছেন। ২.১৬ কোটি গৃহের জিও ট্যাগিং-এর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।২.০৯ কোটি গৃহ নির্মাণের জন্য অনুমোদিত হয়েছে।১.৯৮ কোটি সুবিধাভোগী প্রথম কিস্তি, ১.৮০ কোটি সুবিধাভোগী দ্বিতীয় কিস্তি এবং ১.৬৩ কোটি সুবিধাভোগী তৃতীয় কিস্তির টাকা পেয়েছেন।চলতি বছরের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ১.৬৩ কোটি গৃহ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।২০২১-২২ অর্থ বর্ষে এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ৭৭৭৫.৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত বাড়িগুলিতে প্রাথমিক সুযোগ সুবিধা যেমন শৌচাগার নির্মাণ, নল বাহিত পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ,এলপিজি গ্যাস সংযোগ ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে।এছাড়াও ভূমিহীন পরিবারগুলি যাতে দ্রুত এই প্রকল্পের সুযোগ পান তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির উল্লেখিত পিএমএওয়াই-জি-এর অধীনে প্রযুক্তিগত এবং প্রযুক্তিগত নয় এমন সমস্যাগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগগুলির সমাধান করার জন্য ই-টিকিট ব্যবস্থাপনা মডিউল চালু করা হয়েছে।এমনকি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাতে সরাসরি প্রকল্পের অর্থ জমা হয় তার জন্য আধার ভিত্তিক পেমেন্টের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
CG/SS/SB
(Visitor Counter : 210 |
pib-985 | f097870e7d3b528d06c3f5b16cfd10040544c93485cd0c113d8479109af44b8c | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী আজ গুজরাটের আদালাজে শ্রী অন্নপূর্ণাধাম ট্রাস্টের ছাত্রাবাস ও শিক্ষা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন; জনসহায়ক ট্রাস্টের হীরামণি আরোগ্যধামের ভূমি পুজো করেন
“সমস্ত সম্প্রদায় তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা পালন করে এবং পাতিদার সম্প্রদায় সমাজের জন্য তাঁদের ভূমিকা পালনে কখনই পিছিয়ে থাকে না”
“প্রধানমন্ত্রী বলেছেন স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার প্যাটেলকে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ভারত”
“অপুষ্টি প্রায়শই খাদ্যের অভাবের পরিবর্তে খাদ্য সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের ফলে হয়”
“শিল্প ৪.০ – এর মান অর্জনে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারে গুজরাট, কারণ এই রাজ্যের তা করার ক্ষমতা ও স্বভাব রয়েছে”
নয়াদিল্লি, ১২ এপ্রিল, ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গুজরাটের আদালাজে শ্রী অন্নপূর্ণাধাম ট্রাস্টের ছাত্রাবাস এবং শিক্ষা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জনসহায়ক ট্রাস্টের হীরামণি আরোগ্যধামের ভূমি পুজো করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্রভাই প্যাটেল।
এদিনের অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে শ্রী অন্নপূর্ণাধামের আধ্যাত্মিক, ঐশ্বরিক ও সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুষ্টির ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুজরাটের স্বভাব। সমস্ত সম্প্রদায় তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা পালন করে এবং পাতিদার সম্প্রদায় সমাজের জন্য তাদের ভূমিকা পালনে কখনই পিছিয়ে থাকে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমৃদ্ধির দেবী মা অন্নপূর্ণাকে সকলেই গভীরভাবে শ্রদ্ধা করেন। বিশেষ করে, পাতিদার সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, সম্প্রতি মা অন্নপূর্ণার মূর্তি কানাডা থেকে কাশীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি জানান, “আমাদের সংস্কৃতির এমন কয়েক ডজন নিদর্শন বিগত কয়েক বছরে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে”।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সংস্কৃতিতে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে সর্বদাই অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং আজ শ্রী অন্নপূর্ণাধাম এই দিকগুলিকে প্রসারিত করেছে। যে নতুন সুবিধাগুলি আসছে, তাতে গুজরাটের সাধারণ মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে, একসঙ্গে ১৪ জনের ডায়ালিসিসের সুবিধা, ২৪ ঘন্টা রক্ত সরবরাহ সহ ব্লাড ব্যাঙ্ক সেই প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করবে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার জেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে ডায়ালিসিসের সুবিধা চালু করেছে।
ভালো কাজের জন্য ট্রাস্ট এবং এর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গঠনমূলক কাজের সঙ্গে আন্দোলনকে সামিল করা বিশিষ্টজনদের বড় বৈশিষ্ট্য। ‘নরম অথচ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ’ মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্ব এবং প্রাকৃতিক চাষের উপর জোর দেওয়ার জন্য প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সমবেত উপস্থিত জনসাধারণকে যেখানেই সম্ভব প্রাকৃতিক চাষের উপর জোর দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের উন্নয়নে সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে উন্নয়নের নতুন মানদন্ড তৈরি করেছে। তিনি বলেন, উন্নয়নের এই ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার প্যাটেলকে সকলে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, যাঁর নাম সারা বিশ্বে পৌঁছে গেছে।
শ্রী মোদী বলেন, মা অন্নপূর্ণার ভূমি গুজরাটে অপুষ্টির কোনও জায়গা থাকা উচিৎ নয়। তিনি জানান, অজ্ঞতার কারণেও প্রায়শই অপুষ্টি হয়। তিনি সুষম খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারের উপর জোর দেন। খাদ্যকে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উল্লখে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপুষ্টি প্রায়শই খাদ্যের অভাবের পরিবর্তে খাদ্য সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবে হয়ে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, মহামারির সময় সরকার ৮০ কোটিরও বেশি মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাদ্যশস্য নিশ্চিত করেছে। গত রাতে মার্কিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁর কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, তিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন যে, যদি ডাব্লুটিও-র নিয়মগুলি শিথিল করে অনুমতি দেওয়া হয়, তা হলে ভারত অন্য দেশে খাদ্যশস্য সরবরাহ করতে পারে। শ্রী মোদী বলেন, মা অন্নপূর্ণার কৃপায় ভারতীয় কৃষকরা ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বের তত্ত্বাবধান করছেন।
গুজরাটে টিকাদান অভিযানের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শিল্প উন্নয়নের সর্বশেষ প্রবণতার চাহিদা অনুযায়ী, দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে প্রচারের প্রয়োজনীয়তার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। ফার্মাসি কলেজ তৈরির প্রাথমিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই পদক্ষেপ ওষুধ শিল্প ক্ষেত্রে রাজ্যের অগ্রণী ভূমিকা তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, দক্ষতা বিকাশে সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রচেষ্টার বহুমুখী প্রভাব রয়েছে। শিল্প ৪.০ মান অর্জনে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারে গুজরাট। কারণ, এই রাজ্যের তা করার ক্ষমতা ও স্বভাব রয়েছে।
ডায়ালিসিস রোগীদের আর্থিক ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব জায়গায় বিনামূল্যে ডায়ালিসিস পরিষেবা ছড়িয়ে দেওয়ার উপর জোর দেন। একইভাবে, জনঔষধি কেন্দ্র সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ সরবরাহ করে রোগীদের খরচ কমিয়ে দিয়েছে। স্বচ্ছতা, পোষণ, জনঔষধি, ডায়ালিসিস প্রচারাভিযান স্টেন্ট এবং হাঁটু প্রতিস্থাপনের খরচ কমানোর মতো পদক্ষেপগুলি সাধারণ মানুষের উপর বোঝা লাঘব করেছে। একইভাবে, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত রোগীদের বিশেষ করে মহিলাদের সাহায্য করেছে বলেও শ্রী মোদী জানান।
ছাত্রাবাস ও শিক্ষা কমপ্লেক্সে ৬০০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১৫০টি থাকার ঘর ও বোর্ডিং-এর সুবিধা রয়েছে। অন্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে – জিপিএসসি, ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ই-পাঠাগার, সম্মেলন কক্ষ, স্পোর্টস্ রুম, টিভি রুম এবং শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসার সুবিধা ইত্যাদি।
জনসহায়ক ট্রাস্ট হীরামণি আরোগ্যধাম গড়ে তুলবে। এখানে একসঙ্গে ১৪ জনের ডায়ালিসিসের সুবিধা, ২৪ ঘণ্টা রক্ত সরবরাহ সহ ব্লাড ব্যাঙ্ক, ২৪ ঘণ্টা খোলা মেডিকেল স্টোর, আধুনিক প্যাথলজি ল্যাবরেটরি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য উচ্চ গুণমানসম্পন্ন সরঞ্জাম সহ সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকবে। এটি আয়ুর্বেদ, হোমিওপ্যাথি, আকুপাংচার, যোগ থেরাপি ইত্যাদির জন্য উন্নত সুবিধা সহ একটি ডে-কেয়ার সেন্টার হয়ে উঠবে। প্রাথমিক চিকিৎসার বিষয়ে প্রশিক্ষণ, চিকিৎসক ও টেকশিয়ান প্রশিক্ষণের সুবিধাও থাকবে এখানে।
CG/SS/SB
( |
pib-987 | 1b90659bd283039173d081197baf6ab933600ba9ec770ec9b2f540aef80817bd | ben | অর্থমন্ত্রক
কলকাতায় ভারত আন্তর্জাতিক মেগা বাণিজ্য মেলায় করদাতাদের জন্য আয়কর দপ্তরের লাউঞ্জ
কলকাতা, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮
এ মাসের ১৪ – ২৫ ডিসেম্বর কলকাতায় আয়োজিত ভারত আন্তর্জাতিক মেগা বাণিজ্য মেলায় আয়কর দপ্তরের পক্ষ থেকে করদাতাদের জন্য একটি লাউঞ্জ খোলা হয়েছে। কর সংক্রান্ত আইন ও অন্যান্য বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীত দিনে নতুন দিল্লি, মুম্বাই এবং ভুবনেশ্বরের কয়েকটি স্থানে করদাতাদের মধ্যে প্রত্যক্ষ কর সংক্রান্ত আইনগুলি বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য এই ধরণের লাউঞ্জ খোলা হয়েছিল। এছাড়া, এই লাউঞ্জের মাধ্যমে আয়কর দপ্তর এবং স্কুলের ছাত্রছাত্রী সাধারণ যুবক, যারা ভবিষ্যতে আয়করদাতা হয়ে উঠবে, তাদের সঙ্গে একটি সরাসরি যোগাযোগ গড়ে ওঠে।
করদাতাদের জন্য এই ধরণের লাউঞ্জে সাধারণত কিভাবে ‘প্যান’ – এর জন্য আবেদন জানাতে হয়, আধারের সঙ্গে তা সংযুক্ত করতে হয় এবং অন্যান্য প্যান সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ই-ফাইলিং এবং বিভিন্ন ধরণের ফর্ম বিষয়েও জানানো হয়। এছাড়াও, বিনামূল্যে টিআরপি-র মতো পরিষেবা এখান থেকে দেওয়া হয়। করদাতাদের জন্য তথ্য সম্বলিত বিভিন্ন পুস্তিকা ই-ফরম্যাট এবং কাগজে ছাপা অবস্থায় দেওয়া হয়। এই লাউঞ্জেই অংশগ্রহণকারীরা ‘পরিচ্ছন্ন অর্থ’ – এর আন্দোলনকে সমর্থন বিষয়ে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা থাকে। কম বয়সীদের মধ্যে ভবিষ্যতে করদান বিষয়ে বোধ গড়ে তুলতে এবং তাদের উৎসাহিত করতেও এই লাউঞ্জে ‘ভারচ্যুয়াল রিয়েলিটি গেম’ – এর ব্যবস্থা থাকে। দেশ গঠনের কাজে করদাতাদের ভূমিকা বিষয়ে নাটক এবং ক্যুইজ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এই ধরণের লাউঞ্জের প্রচার চালানো হয়। এছাড়া, শিশুদের জন্য অঙ্কণ প্রতিযোগিতার ব্যবস্থাও থাকে।
কোনও করদাতা কর সংক্রান্ত সমস্যা বিষয়ে এই লাউঞ্জ থেকে তথ্য ও সহায়তা পেতে পারেন। তাই, এর মাধ্যমে যে কেবলমাত্র আয়কর দপ্তরের প্রচারের ব্যবস্থা হয় শুধু তাই নয়, এই দপ্তরের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের আয়কর ডাইরেক্টরেটের পক্ষ থেকে এই প্রথম কলকাতায় এই ধরণের লাউঞ্জ খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
CG/PB/SB
(Visitor Counter : 93 |
pib-988 | 6a737ffbb9ee094f6f5c50a64abd45abdb0f54a193185100918a59e7e34bb7f8 | ben | মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক
জলের গুণমান ও মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে
কলকাতা, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯
আইআইটি খড়্গপুরের একদল গবেষক আর্থিক বিকাশের সঙ্গে জলবাহিত অসুখের ক্ষেত্রে ভূগর্ভস্থ জলে বিষাক্ত পদার্থের মিশ্রণ কমানোর যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরিচালিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিগত ৩২ বছরে দেশে ডায়রিয়ার মতো জলবাহিত অসুখের কারণে প্রায় ১৫.৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সমীক্ষায় আরও প্রকাশ, দেশের গ্রামাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ জলে বিষাক্ত পদার্থের মিশ্রণ বেড়েছে। তবে, ২০০২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কিছু কিছু এলাকায় ভূগর্ভস্থ জলে দূষণের পরিমাণ লক্ষ্যণীয় হারে কমেছে বলে জানা গেছে।
ভারতকে বাদ দিয়ে যদি অবশিষ্ট বিশ্বের দিকে নজর দেওয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষের স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সঠিক ধারণাই নেই। এমনকি, ১০০ কোটি মানুষ এখনও প্রকাশ্য স্থানে শৌচকর্ম করে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়েও ভারতে ৫০ কোটির বেশি মানুষ প্রকাশ্য স্থানে শৌচকর্ম করতেন। এর ফলে, সংশ্লিষ্ট এলাকার জলের উৎসগুলি বিষাক্ত পদার্থের সংমিশ্রণে এসে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হত এবং এর গুরুতর প্রভাব পড়ত পরিবেশগত এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। আইআইটি খড়্গপুরের স্কুল অফ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপার্টমেন্ট অফ জিওলজি অ্যান্ড জিওফিজিক্স বিভাগের অধ্যাপক অভিজিৎ মুখার্জি পরিচালিত সমীক্ষায় এই সমস্ত তথ্য উঠে এসেছে।
অবশ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সারা ভারতে সুস্থায়ী উন্নয়নের উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে স্বচ্ছ ভারত অভিযান রূপায়িত হচ্ছে। তবে, ভূগর্ভস্থ জল তথা মানুষের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এই অভিযানের প্রভাব এখনও নিরূপণ করা হয়নি। এই প্রথমবার গবেষকরা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জলে বিষাক্ত পদার্থের সংমিশ্রণের বিষয়টি এবং মানব দেহে ডায়রিয়ার মতো ঘটনার সঙ্গে এর প্রভাবের দিকটি জানার চেষ্টা করেছেন। সমীক্ষায় বিগত তিন দশক ধরে সারা ভারত জুড়ে ভূগর্ভস্থ জলের গুণমানে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের বিষয়টি নিরূপণের চেষ্টা হয়েছে।
দেশের গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা অন্যান্য আর্থিক অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্যের বিশ্লেষণ বাদ দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাপকাঠি নিরূপণের বিষয়টিও এই সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, সমীক্ষায় ১৯৯২ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কাছ থেকে প্রাপ্ত উপগ্রহ-ভিত্তিক ‘নাইটলাইট’ তথ্য কাজে লাগানো হয়েছে। এই তথ্যকে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে কাজে লাগানো হয়েছে এবং যোগসূত্র গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, সঠিক স্বাস্থ্যবিধান এবং আর্থিক অগ্রগতির বিষয়গুলি মনুষ্য স্বাস্থ্য, নিম্নমানের শিক্ষা ব্যবস্থা, উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্মের মতো আচরণে পরিবর্তন নিয়ে আসতে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়াও বলা হয়েছে, সুঅভ্যাস মেনে চলতে পারলে জলবাহিত রোগের বোঝা কমানো সম্ভব।
জলের গুণমান এবং জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রের মানোন্নয়নে উপরোক্ত সমীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা হয়েছে আর্থিক উন্নয়নের সঙ্গে এই তথ্যের কি সম্পর্ক রয়েছে। সমীক্ষায় প্রকাশ, ২০১৪ সাল থেকে জলের গুণমান এবং মনুষ্য স্বাস্থ্যক্ষেত্রে তুলনামূলক অগ্রগতি হয়েছে। তবে, সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত পানীয় জলের ভূগর্ভস্ত উৎস গড়ে তোলা এখনও সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক মুখার্জি জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ জল সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত কিনা তা পর্যালোচনার জন্য আরও বেশি তথ্যের প্রয়োজন। তথাপি, জলের গুণমান খারাপ এমন এলাকাগুলিতে মানুষের কু-অভ্যাসের ফলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যক্ষেত্রের মানেও ক্রমাবনতি ঘটছে।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্যাপক জনবহুল এলাকাগুলিতে জলের গুণমান হ্রাস পেয়েছে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও বস্তিজনিত সমস্যা বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ভারতের মতো দেশে সাধারণ মানুষের জীবনে এই দুটি বিষয়ের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। তথাপি, বিগত তিন দশকে বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে ভূগর্ভস্থ জলে বিষাক্ত পদার্থের সংমিশ্রণ প্রায় ৩.০৯ শতাংশ এবং ডায়রিয়ার ঘটনা প্রতি বছর ২.৬৯ শতাংশ হারে কমেছে। ভারতের অধিকাংশ এলাকাতেই ভূগর্ভস্থ জলে বিষাক্ত পদার্থের সংমিশ্রণ এবং এর ফলে জটিল ডায়রিয়ায় আক্রান্তের ঘটনা কমেছে। এটা সম্ভব হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, শহরাঞ্চলের বিকাশ এবং ভূমির ব্যবহারে পরিবর্তন আনার দরুণ।
গবেষকরা সমীক্ষায় মত প্রকাশ করেছেন, সামাজিক আচার-আচরণ, বিভিন্ন ধরনের কু-অভ্যাস, ব্যবহার ও অপব্যবহার তথা বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মতো বিষয়গুলির সঙ্গে নিরক্ষতার সম্পর্ক রয়েছে। পক্ষান্তরে সচেতনতার অভাব বেড়েছে, বৃদ্ধি পেয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার প্রবণতা এবং এর প্রভাব পড়েছে ভূগর্ভস্থ জলে বিষাক্ত পদার্থের সংমিশ্রণের।
CG/BD/DM
(Visitor Counter : 11 |
pib-991 | bd3fe0fab495b241716bf511a47f93bc088ca3f1265b3c282e412f6dd772f308_2 | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
অচিরাচরিত হাইড্রোকার্বন গ্যাস অনুসন্ধান ও তার ব্যবহারের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নীতি কাঠামো অনুমোদন করল
নয়াদিল্লি, ০১ আগস্ট, ২০১৮
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে শেল তেল অথবা গ্যাস, কয়লাখনিতে জমে থাকা মিথেন প্রভৃতির মতো অচিরাচরিত হাইড্রোকার্বনের অনুসন্ধান ও তার ব্যবহারের নীতি অনুমোদিত হয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও লিজ দেওয়া অঞ্চলে অচিরাচরিত হাইড্রোকার্বনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাবার লক্ষ্যে বর্তমান ঠিকাদারদের উৎসাহিত করতে চালু প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্টস্, সিবিএম কনট্রাক্টসের আওতায় এই অনুসন্ধানের কাজ পরিচালিত হবে।
মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে বরাত দেওয়া অঞ্চলে সংরক্ষিত হাইড্রোকার্বনের ব্যবহার সম্ভব হবে। অন্যথায়, হাইড্রোকার্বনের ভান্ডার অনাবিস্কৃত ও অব্যবহৃত অবস্থায় থেকে যাবে। একই সঙ্গে, অনুসন্ধান ও উৎপাদনমূলক কাজকর্মে নতুন বিনিয়োগ আসবে। নতুন হাইড্রোকার্বন ভান্ডার আবিষ্কারের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে। নতুন হাইড্রোকার্বনের উৎপাদন লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত হাইড্রোকার্বন ভান্ডার আবিষ্কার ও তার ব্যবহারের ফলে নতুন বিনিয়োগ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরফলে, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতি সঞ্চার ও অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ লাভবান হবেন।
CG/BD/SB……
(Visitor Counter : 136 |
pib-993 | 82e8f7346e511b86fdee4379b52548cc2930164a3d2a6127db75a1fca3712218_1 | ben | সামাজিকন্যায়ওক্ষমতায়নমন্ত্রক
প্রধানমন্ত্রীর লেখা “এক্সাম ওয়ারিয়র” বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক সংস্করণ প্রকাশ করলেন শ্রী থাওয়ার চাঁদ গেহলত
নয়াদিল্লি, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর লেখা “এক্সাম ওয়ারিয়র” বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক বা ব্রেইল সংস্করণ আজ এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ণ মন্ত্রী শ্রী থাওয়ার চাঁদ গেহলত। হিন্দি ও ইংরাজিতে বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক সংস্করণ প্রকাশ করেছে রাজস্হান নেত্রহীন কল্যাণ সংঘের ব্রেল প্রেস। বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক সংস্করণ এমন সময়ে প্রকাশ করা হল, যখন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পরীক্ষা আসন্ন। দুর্বল দৃষ্টিসম্পন্ন পাঠকদের স্বার্থে বইটিতে যেসমস্ত ছবি রয়েছে তা বিশদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর লেখা এই বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক সংস্করণ প্রকাশের জন্য রাজস্হান নেত্রহীন কল্যাণ সংঘের অসামান্য ভূমিকার উচ্ছসিত প্রশংসা করে শ্রী গেহলত বলেন, বইটির স্পর্শ বর্ণমালাভিত্তিক সংস্করণ প্রকাশ হওয়ার ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ দুর্বল দৃষ্টিসম্পন্ন ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবেন এবং তাদের উৎসাহিত করতেও সাহায্য করবে।
CG/BD/NS
(Visitor Counter : 55 |
pib-995 | b2e970a24454eb51f32db96df156b460b759115082b47237ab43ee4ad028ad3a | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী কানপুর মেট্রো রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন
নতুন দিল্লি, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ কানপুর মেট্রো রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। তিনি কানপুর মেট্রো রেল প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং আইআইটি মেট্রো স্টেশন থেকে গীতা নগর পর্যন্ত মেট্রো সফর করেন। শ্রী মোদী এদিন বিনা-পাঙ্কি মাল্টিপ্রোডাক্ট পাইপলাইন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। এই পাইপলাইনটি মধ্যপ্রদেশের বিনা শোধনাগার থেকে কানপুরের পাঙ্কি পর্যন্ত বিস্তৃত। এতে এই অঞ্চলে বিনা শোধনাগার থেকে পেট্রোলিয়াম পণ্য খুব কম সহজেই পাওয়া যাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি।
মেট্রো সংযোগ ও পাইপলাইন প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী কানপুরের সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান। এই শহরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সাহচর্যের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, কানপুরের মানুষ হাসি-খুশিতেই বিশ্বাসী। তিনি দীনদয়াল উপাধ্যায়, অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং সুন্দর সিং ভান্ডারির মতো অদম্য ব্যক্তিদের গঠনে এই শহরের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। শ্রী মোদী বলেন, এদিনটি উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সোনালী অধ্যায়। তিনি জানান, “উত্তর প্রদেশের ডাবল ইঞ্জিন সরকার অতীতের সমস্ত ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা দ্বিগুণ গতিতে কাজ করছি”।
প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের চিত্র পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্রের জন্য পরিচিত একটি রাজ্য এখন প্রতিরক্ষা করিডরের কেন্দ্রস্থল। এই রাজ্যের ওপরই দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব রয়েছে। সময়সীমা মেনে চলার কর্মসংস্কৃতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যে কাজের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে তা শেষ করতে ডাবল ইঞ্জিন সরকার দিনরাত কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার কানপুর মেট্রোর ভিত্তিরপ্রস্তর স্থাপন করেছে এবং সরকার তা জাতির উদ্দেশে উৎসর্গও করেছে। আমাদের সরকার পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে এবং তার কাজ শেষ করেছে”। তিনি উত্তরপ্রদেশে গড়ে ওঠা বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দেশের দীর্ঘতম এক্সপ্রেসওয়ের কথাও তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, এখন উত্তরপ্রদেশে ডেডিকেটের ফ্রেইট করিডোর হাব তৈরি করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী এদিন জানান, ২০১৪ সালের আগে উত্তরপ্রদেশে মেট্রোর মোট যাত্রা পথের দৈর্ঘ্য ছিল ৯ কিলোমিটার। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তা বেড়ে ১৮ কিলোমিটার হয়। আজ কানপুর মেট্রো মেট্রোর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় রাজ্যে মেট্রো যাত্রা পথের দৈর্ঘ্য ৯০ কিলোমিটার ছাড়িয়েছে।
অতীতের অসম উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে একটি অংশের উন্নয়ন হলে অন্য অংশ পিছিয়ে পড়তো। তিনি জানান, “রাজ্যস্তরে, সমাজের এই বৈষম্য দূর করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণেই আমাদের সরকার সবকা সাথ সবকা বিকাশের মন্ত্রে কাজ করছে”। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের চাহিদা বুঝে ডাবল ইঞ্জিন সরকার কঠিন কাজ করছে। এর আগে উত্তরপ্রদেশের কোটি কোটি বাড়িতে পাইপ বাহিত জল ছিল না। এখন সরকার ‘হর ঘর জল’ মিশনের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিয়েছে।
ডাবল ইঞ্জিন সরকার উত্তরপ্রদেশকে উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার জানে কিভাবে বড় লক্ষ নির্ধারণ করতে হয় এবং তা অর্জন করতে হয়। তিনি রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি, শহর ও নদীর স্বচ্ছতা, যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির উদাহরণ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের শহুরে দরিদ্রদের জন্য ২০১৪ সালের আগে মাত্র ২.৫ লক্ষ বাড়ি ছিল। গত সাড়ে চার বছরে উত্তরপ্রদেশ সরকার ১৭ লক্ষ বাড়ি তৈরির অনুমোদন দিয়েছে। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি যোজনার আওতায় রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি মানুষকে ৭০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মহামারী পরিস্থিতিতে সরকার রাজ্যের ১৫ কোটিরও বেশি নাগরিককে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছে। ২০১৪ সালে দেখে যেখানে মাত্র ১৪ কোটি এলপিজি গ্যাস সংযোগ ছিল, এখন তা বেড়ে ৩০ কোটি হয়েছে। তিনি জানান, শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশেই ১.৬০ কোটি পরিবার নতুন এলপিজি গ্যাস সংযোগ পেয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী যোগী সরকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশ সরকার মাফিয়া সংস্কৃতি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসা ও শিল্প সংস্কৃতির উন্নতি সাধনে সরকার কানপুরে একটি মেগা লেদার ক্লাস্টার তৈরি করেছে। এমনকি, প্রতিরক্ষা করিডোর এবং ‘এক জেলা এক পণ্য’-এর মতো প্রকল্পগুলি কানপুরের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উপকৃত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আইনের ভয়ে অপরাধীরা পেছনের সারিতে রয়েছে। সম্প্রতি সরকারি অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উদ্ধারের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
CG/SS/SKD/
( |
pib-997 | b9bdad025081df292754cefba099618d506bb8978c74755c5788e8baf693685b_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
মধ্যপ্রদেশে বৃষ্টি ও বন্যাদুর্গতদের পিএমএনআরএফ থেকে এককালীন সাহায্যের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন
নতুনদিল্লি, ৪ঠা আগস্ট, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মধ্যপ্রদেশে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে মৃতদের নিকটাত্মীয়কে এককালীন ২ লক্ষ টাকা সাহায্য দেবার প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। আহতদের ৫০হাজার টাকা দেবার প্রস্তাবও তিনি অনুমোদন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক ট্যুইট বার্তায় বলা হয়েছে , “ প্রধানমন্ত্রী @narendramodi মধ্যপ্রদেশে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে মৃতদের নিকটাত্মীয়কে এককালীন ২ লক্ষ টাকা সাহায্য দেবার প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। আহতদের ৫০হাজার টাকা দেওয়া হবে। “
CG/CB/
( |
pib-998 | 6421e26be20db4531f7f2894fbf5003a0b73e3b93474b8752624ea14956f73ca_3 | ben | রেলমন্ত্রক
ভারতীয় রেল, ১৫ই ডিসেম্বর থেকে ঘোষিত শূন্যপদগুলি পূরণের জন্য কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা নিতে শুরু করবে
নতুন দিল্লি, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২০
ভারতীয় রেল, ১৫ই ডিসেম্বর থেকে ঘোষিত শূন্যপদগুলি পূরণের জন্য কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু করবে।
ভারতীয় রেল, ৩ রকমের শূন্যপদ ঘোষণা করেছিল। গার্ড, অফিস ক্লার্ক, কর্মাশিয়াল ক্লার্ক ইত্যাদি সহ ননটেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটাগরিস –এর জন্য ৩৫২০৮টি পদ, স্টেনো এবং অন্যান্য বিভিন্ন পদের জন্য মন্ত্রণালয়ের ও পৃথক পৃথক ক্ষেত্রে ১৬৬৩টি পদ এবং রেল লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ পয়েন্টসম্যান ইত্যাদির লেভেল ওয়ান শূন্যপদের জন্য ১ লক্ষ ৩৭৬৯টি পদে লোক নেওয়া হবে। এই শূন্যপদগুলির জন্য রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডগুলিতে ২ কোটি ৪০ লক্ষের বেশি আবেদনপত্র জমা পড়ে। এই পদগুলির জন্য কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা, কোভিড – ১৯ মহামারী এবং তার ফলশ্রুতিতে লকডাউন জারি হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
আবেদনগুলি পরীক্ষা – নিরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু কোভিডের কারণে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার ফলে পরীক্ষা সংক্রান্ত পদ্ধতি শুরু করা যায় নি।
রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড, সমস্ত ঘোষিত শূন্যপদের জন্য কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা নিতে দায়বদ্ধ। মহামারীর কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি তারা প্রতিমুহূর্তে পর্যালোচনা করেছে। এখন আইআইটিগুলির জন্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা এবং নিট পরীক্ষা আয়োজন করায় তার থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, কোভিড মহামারীর কারণে যেসব পরীক্ষা প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল, রেল তা শুরু করতে পারে।
পরীক্ষা আয়োজন করার জন্য বিশেষ পরিচালন প্রক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে। শারীরিক দূরত্ব সহ অন্যান্য নিয়মকানুন মেনে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারী দপ্তর ও রাজ্য প্রশাসন প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করে এই পদ্ধতি মেনে চলছে।
রেল, এখন প্রস্তাব দিয়েছে আগামী ১৫ই ডিসেম্বর থেকে প্রথম পর্যায়ের অনলাইন কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু করবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে।
(CG/CB/SFS |
pib-1004 | 54ec1c990ce8c7b2d1d9444502a9cf538a4a53d882f536761ad001084c20b766_1 | ben | পঞ্চায়েতিরাজমন্ত্রক
দেশে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারী সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে
এই ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় জনগণের প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা; কোনো অঞ্চলে প্রবেশ এবং বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য চেকপোস্ট তৈরি করা; সরকারি এলাকাগুলির নিয়মিত স্যানিটাইজেশন এবং কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি; ক্রয় কেন্দ্রগুলির নিয়মিত পরিদর্শন ইত্যাদি
নতুন দিল্লি, ২১ এপ্রিল, ২০২০
দেশে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারী সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে। কয়েকটি এমন উদ্যোগ যা সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত হিসাবে অন্যরাও অনুসরণ করতে পারে :
কর্ণাটক: গ্রামবাসীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত রামনগরা জেলার কানকাপুরা তহসিলের উয়াম্বল্লি হারাম পঞ্চায়েতে আশাকর্মীদের থার্মাল স্ক্যানার সরবরাহ করা হয়েছে।
পাঞ্জাব: পাঞ্জাবের পাঠানকোট জেলার হারা গ্রামের গ্রামপ্রধান, পঞ্চায়েতকে সুরক্ষিত রাখতে সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন। কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী প্রতিরোধে নানা উপায় সম্পর্কে পরিবারগুলিকে ব্যাখ্যা করার জন্য ঘরে ঘরে প্রচার চালিয়েছেন এবং নিজের তৈরি মাস্ক বিতরণ করেছেন। তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলির সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তা বন্ধ করে দেন এবং গ্রামে প্রবেশের জন্য সমস্ত পথে চেক পোস্ট তৈরি করেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে গ্রামের সরকারী স্কুলটিকে কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করেন।
রাজস্থান: নাগৌর জেলার জায়াল গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে গ্রামে গ্রামে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট স্প্রে করে স্যানিটাইজেশন, মাস্ক বিতরণ, রেশন বিতরণ, গৃহহীনদের জন্য রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। যে কেন্দ্রগুলি থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে, সেগুলি পর্যায়ক্রমে উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পরিদর্শন করছেন। দরিদ্রদের রান্না করা খাবার এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের উত্সাহ দেওয়া হচ্ছে।
গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মকর্তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে, সামাজিক সংগঠনগুলি গ্রাম পঞ্চায়েত বিদ্যালয়গুলিতে ত্রাণ-বিতরণ কেন্দ্র চালু করেছে।
একটি সমাজসেবা সংস্থা রেশন বিতরণের পাশাপাশি গবাদি পশুদের জন্যও পশুখাদ্য সরবরাহ করছে।
করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য জনগণকে বাড়িতে থাকতে বলা হচ্ছে। সরকার প্রদত্ত নির্দেশাবলী লিফলেট ছাপিয়ে বিতরণ, পঞ্চায়েতের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো এবং লাউড স্পিকার ও অন্যান্য উপায়ে যতটা সম্ভব জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার করা হচ্ছে।
তেলঙ্গানা:
তেলঙ্গানার জেলাশাসকরা বিভিন্ন সরকারি শস্য ক্রয়কেন্দ্রগুলিতে কোনও অনিয়ম ঘটছে কিনা তা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে আচমকা পরিদর্শনে যান। ইয়াদাদ্রি এবং ভৈনসা জেলার শস্য সংগ্রাহকরাও তেমনি প্রাথমিক প্রক্রিয়া সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বেশ কিছু গ্রাম পরিদর্শন করেছেন এবং কৃষকদের খাদ্যশস্য সংগ্রহ নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রদানের আশ্বাস দেন।
হিমাচল প্রদেশ:
কিন্নর জেলার দুনি পঞ্চায়েতের মহিলা মণ্ডলগুলি নিজেদের অর্থে মাস্ক সেলাই করে বিতরণ করছেন। এই মহিলারা প্রতিদিন ২০০ টিরও বেশি মাস্ক সেলাই করছেন এবং গ্রামবাসীদের, বিশেষ করে দরিদ্র শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করছেন।
কিন্নর জেলার রোপা উপত্যকার গোবাং পঞ্চায়েতে সকল গ্রামের সমস্ত সরকারি এলাকা এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানকে স্যানিটাইজ করেছে। তাছাড়া গ্রামবাসীদের নিয়মিত সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউন নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করতে সচেতন করছে।
(CG/SB |
pib-1008 | 17432063b9a39afb239b990b64d6c67c20bb233841dc2674dec85fa0b2d36eda_2 | ben | বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক
ডিবিটি-বিআইআরএসি কোভিড-১৯ গবেষণা কনসোর্টিয়ামের টীকা, পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রযুক্তির সাহায্য সংক্রান্ত ৭০টি প্রস্তাবে অর্থ সাহায্যের অনুমোদন
নতুন দিল্লি, ১০ই মে, ২০২০
সার্স-কোভ-২ এর নিরাপদ ওষুধ দ্রুত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে কোভিড – ১৯ গবেষণা কনসোর্টিয়ামের জন্য জৈব প্রযুক্তি দপ্তর এবং বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিসট্যান্স কাউন্সিল প্রস্তাব আহ্বান করেছে। কোভিড – ১৯ এর ওপর গবেষণার কাজে বিআইআরএসি –এর এই তহবিল শিল্প সংস্থা, শিক্ষাবিদ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাহায্যের জন্য গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা কোভিড – ১৯ এর পরীক্ষা, টীকা, চিকিৎসা পদ্ধতি, নতুন ওষুধ এবং অন্য রোগে ব্যবহৃত পুরোনো ওষুধকে এই অসুখের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায় কি না, তা নিয়ে গবেষণার কাজ করছে। এরকমের উদ্যোগকে সাহায্য করাই বিআইআরএসি-র উদ্দেশ্য। সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ৭০টি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে টীকা তৈরির জন্য ১০টি, রোগ নির্ণয়ের সামগ্রী তৈরির জন্য ৩৪, চিকিৎসা পদ্ধতির গবেষণার জন্য ১০টি, অন্য ওষুধকে ব্যবহার করার জন্য ২টি, প্রস্তাব ছাড়াও সংক্রমণ আটকাতে ১৪ রকমের প্রকল্পেও অর্থ ব্যয় করা হবে।
জৈব প্রযুক্তি দপ্তর, টীকা তৈরির কাজে গতি আনতে প্রাণীর শরীরে তা প্রয়োগের জন্য কয়েকটি সংস্থাকে চিহ্নিত করেছে। আইআইটি ইন্দোর, ছদ্ম সার্স – কোভ – ২ ভাইরাস তৈরি করবে। গবেষণার জন্য শরীরে বাইরে কৃত্রিমভাবে ভাইরাস উৎপাদন করে, সেটি টেস্টটিউবে নিয়ে পরীক্ষা – নিরীক্ষা করাই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এঞ্জেন বায়োসায়েন্সেস লিমিটেড, আরেকটি টীকার জন্য বিক্রিয়ক তৈরি করবে। জেনোভা এবং সিএমসি ভেলোর ‘এমআরএনএ’ টীকা উদ্ভাবনের কাজ করছে।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল টেকনোলজি, কোভিড – ১৯ এর জন্য এমন একটি টীকা তৈরির কাজ করছে, যেটি নাক দিয়ে নেওয়া যাবে।
কোভিড – ১৯ শনাক্তকরণের জন্য ‘আরটি পিসিআর’ কিট তৈরির জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে। বিআইআরএসি, ৩৪টি কোম্পানী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একাজে অর্থ সাহায্য দিচ্ছে।
জৈব প্রযুক্তি দপ্তর, সরকারী, বেসরকারী অংশীদারিত্বে ন্যাশনাল বায়োমেডিক্যাল রিসোর্স ইন্ডিজেনিজাশন কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে। এই সংস্থা, টীকা, কোভিড – ১৯ এর চিকিৎসা এবং রোগ শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন উপাদান তৈরিতে সাহায্য করবে।
বিআইআরএসি, ব্যক্তি সুরক্ষা সামগ্রী , ফেসশীল্ড, এন৯৫ মাস্ক এবং অ্যাম্বু ব্যাগ তৈরির জন্যও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করছে।
(CG/CB/SFS |
pib-1012 | 794c2274202e7896cfee07ce63bf8a1e9a1ea011c2da026a8d74eb64588f14cc | ben | প্রতিরক্ষামন্ত্রক
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্টার্টআপ
নতুন দিল্লি, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতাধীন প্রতিরক্ষা উৎপাদন দফতর ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ পরবর্তী ৫ বছরে ‘প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎকর্ষতার জন্য উদ্ভাবনী’ -এর মতো কেন্দ্রীয় সাহায্য প্রাপ্ত প্রকল্পে ৪৯৮.৭৮ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তায় অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হলো প্রায় ৩০০টি স্টার্টআপ, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এবং ব্যক্তিগত উদ্ভাবনী সংস্থাগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া ও প্রতিরক্ষা উদ্ভাবনী সংস্থার মাধ্যমে ২০টি অংশীদারিত্ব ইনকিউবেটর গড়ে তোলা। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও আত্মনির্ভরতার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর জন্য মহাকাশ ক্ষেত্রের উন্নতিসাধনে একাধিক স্টার্টআপ, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়েছে। স্টার্টআপগুলির উন্নতিসাধনে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা উন্নয়ন সংস্থা ‘ডেয়ার টু ড্রিম’ প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন তহবিল চালু করেছে। ডেয়ার টু ড্রিম হলো একটি সর্বভারীয় উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা। স্টার্টআপ এবং উদ্ভাবকদের প্রতিরক্ষা ইকো ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রাখতে এটি সাহায্য করেছে। টিডিএফ প্রকল্পটি হলো ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতাধীন। এটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ।
প্রতিরক্ষা উৎপাদনে গবেষণা ও উন্নয়ন মূলক কাজকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ডিআরডিও-র মাধ্যমে ডেভলপমেন্ট কাম প্রোডাকশন পার্টনার , প্রোডাকশন এজেন্সি এবং ডেভলপমেন্ট পার্টনার –এর জন্য নীতি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ডিআরডিও বিভিন্ন ভারতীয় গবেষণা ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে। সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য দেশের একাধিক আইআইটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি সেন্টার ফর এক্সিলেন্স খোলা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি ক্ষেত্রে উন্নতিসাধনেও সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির জন্য স্টান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর জারি করা হয়েছে। এমনকি সরঞ্জাম রপ্তানির জন্য অনুমতি গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির বিষয়ে প্রচারের জন্য ডিফেন্স অ্যাটাচ প্রকল্প চালু করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ক্ষেত্রে যুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে উৎসাহ যোগানো হয়েছে। বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশগুলিতে দেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির জন্য দ্রুত ছাড়পত্রের সুবিধার্থে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর পৌরোহিত্যে একটি উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এমনকি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির সঙ্গে ওয়েবিনার আয়োজন করা হচ্ছে।
লোকসভায় আজ শ্রীমতী দেবশ্রী চৌধুরী এবং শ্রীমতী পুনম মহাজনের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রী অজয় ভাট।
CG/SS/SKD/
(Visitor Counter : 81 |
pib-1014 | a28111928f42a17a9744de52cb1f6662b8d41df1e369ffb7223a841844e7a727 | ben | বস্ত্রমন্ত্রক
কেন্দ্র কাঁচা পাটের মূল্যের নির্ধারিত উর্ধ্বসীমা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২২-এর ২০-শে মে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে
উর্ধ্বসীমা প্রত্যাহারের ফলে কৃষক, জুট মিল এবং পাটের সঙ্গে যুক্ত অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প লাভবান হবে
দাম কমার প্রবণতার ফলে পাটজাত সামগ্রী রপ্তানীতে সুবিধা হবে, পাট শিল্পের আর্থিক লেনদেনের প্রায় ৩০% রপ্তানী বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল
নয়াদিল্লী, ১৯ মে, ২০২২
কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কাঁচাপাট বিক্রির ক্ষেত্রে কুইন্টাল প্রতি ৬ হাজার ৫০০ টাকার যে সর্বোচ্চ মূল্যমান নির্ধারণ করেছিল, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টিডি৫ গুণমান সম্পন্ন কাঁচাপাটের এই মূল্য ২০২১এর ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। জুট মিল এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি এতদিন এই হারে কাঁচাপাট কিনত।
জুট কমিশনারের দপ্তর সংগঠিত ও অসংগঠিত সূত্র মারফত কাঁচাপাটের দাম সংক্রান্ত নানা তথ্য সংগ্রহ করেছে। দেখা গেছে পাটের বর্তমান দাম নির্ধারিত দামের কাছাকাছি। যেহেতু কাঁচাপাটের দাম ৬ হাজার ৫০০ টাকার আশেপাশে রয়েছে তাই কেন্দ্রীয় সরকার এর সর্বোচ্চ দাম প্রত্যাহার সংক্রান্ত একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ২০২২ এর ২০শে মে অর্থাৎ আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে।
পাটের ওপর এই মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিধি প্রত্যাহারের ফলে কৃষক, মিল এবং জুট সংক্রান্ত অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ সংস্থাগুলি উপকৃত হবে। প্রায় ৭ লক্ষের বেশি মানুষ পাটের ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল। এঁরা ছাড়াও ৪০ লক্ষ পাটচাষি সরকারের সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন। দাম কমার প্রবণতার ফলে পাটজাত সামগ্রী রপ্তানীতে সুবিধা হবে, পাট শিল্পের আর্থিক লেনদেনের প্রায় ৩০% রপ্তানী বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল ।
CG/CB/NS
(Visitor Counter : 122 |
pib-1015 | 59b1f2feb17d081fcd717c0c85ef0d7c0f95c7139e10fb0e572c7adc0a0bddf4_2 | ben | প্রতিরক্ষামন্ত্রক
ডিআরডিও এসপিও২ ভিত্তিক পরিপূরক অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে: বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে অভিনব এই ব্যবস্থা আশীর্বাদ স্বরূপ
নতুন দিল্লি, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
চরম প্রতিকূল সুউচ্চ পার্বত্য এলাকায় মোতায়েন সেনা জওয়ানদের জন্য প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে এক পরিপূরক ব্যবস্থা বা এসপিও২ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। ডিআরডিও-র বেঙ্গালুরুতে যে ডিফেন্স বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইলেক্ট্রো মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। বিশেষ এই পদ্ধতির সাহায্যে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ নিরূপনের ওপর ভিত্তি করে পরিপূরক অক্সিজেন যোগান দেওয়া হবে, যার ফলে হাইপোক্সিয়া বা রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি জনিত পরিস্থিতি থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করা যাবে। উল্লেখ করা যেতে পারে, সুউচ্চ পার্বত্য এলাকায় রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি হওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এধরণের পরিস্থিতি অত্যন্ত মারাত্মক হয়ে ওঠে। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও পরিপূরক অক্সিজেন সরবরাহের এই ব্যবস্থা আশীর্বাদ স্বরূপ।
হাইপোক্সিয়া এমন একটি অবস্থা যার ফলে টিসু বা কোষগুলিতে অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস পেলে দেহের সহজাত শক্তি হঠাৎ করে লোপ হায়। এধরণের পরিস্থিতি জীবনহানির ক্ষেত্রে মারাত্মক হয়ে ওঠে। একই ধরণের পরিস্থিতি কোভিড আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও দেখা দেয়। সেই সময় দৈহিক চাহিদা মেটাতে পরিপূরক অক্সিজেনের যোগান দিতে হয়।
পরিপূরক অক্সিজেন যোগান দেওয়ার এই পদ্ধতি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে কম বায়ুর চাপেও ইলেক্ট্রনিক হার্ডওয়্যার যন্ত্রটি স্বাভাবিক ভাবে কাজকর্ম করতে পারে। এমনকি এই যন্ত্রটি কম তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার মধ্যেও কাজ করতে সক্ষম। যন্ত্রটির ইলেক্ট্রনিক হার্ডওয়্যারটি রোগীর কব্জিতে পরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর, কব্জি থেকে পালসের গতিবিধি নিরূপণ করে প্রয়োজন ভিত্তিতে মূল যন্ত্রটিতে সংকেত পাঠায়। এই সংকেতের ভিত্তিতে পরিপূরক অক্সিজেন সরবরাহ যন্ত্রটি থেকে রোগীর দেহে প্রয়োজন অনুযায়ী অক্সিজেন যোগান দেওয়া হয়। এই যন্ত্রটিতে এক লিটার থেকে এক কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের এক ধরণের পাম্প মেশিন রয়েছে, যার সাহায্যে অক্সিজেন মানবদেহে যোগান দেওয়া হয়।
সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত এই যন্ত্রটি সমতল থেকে সুউচ্চ পার্বত্য ভূমি পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। এমনকি এই যন্ত্রটির মূল্য কম হওয়ায় বিপুল পরিমাণে উৎপাদন শুরু হয়েছে। একারণেই অক্সিজেনের প্রয়োজনিয়তা রয়েছে এমন কোভিড রোগীদের কাছে বাড়িতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।
CG/BD/AS/
(Visitor Counter : 427 |
pib-1017 | 22b4068a57d47016d2b370d353d5d34c165453e0bd88d126c91cbcbc33228845 | ben | নতুনওপুনর্নবীকরণযোগ্যজ্বালানিমন্ত্রক
পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানিকে আরও উন্নত করতে সরকারের প্রয়াস
নতুন দিল্লি, ২১ ডিসেম্বর, ২০২১
পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি খাতে কেন্দ্রীয় সরকার উৎপাদনের পরিমাণ বাড়িয়েছে। এই পরিমাণ ২০১৪ সালের মার্চ মাসে ছিল ৭৬.৩৭ গিগাওয়াট। পরে তা ২০২১- এর নভেম্বরে বেড়ে হয়েছে ১৫০.৫৪ গিগাওয়াট। অর্থাৎ বৃদ্ধির পরিমাণ ৯৭ শতাংশ।
দেশে পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে সরকার বিভিন্ন প্রয়াস গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে-
১) স্বয়ংক্রিয় রুট- এর মাধ্যমে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ অনুমোদন করা।
২) ৩০ জুন ২০২৫-এর মধ্যে চালু করা প্রকল্প গুলির জন্য সৌর ও বায়ু শক্তির আন্তঃরাজ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আন্তরাষ্ট্রীয় ট্রান্সমিশন সিস্টেম চার্জ মকুব।
৩) নতুন ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি নির্গমনের জন্য নতুন সাবস্টেশন তৈরির ক্ষমতা।
৪) ২০২২ সাল পর্যন্ত পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি ক্রয় বাধ্যতামূলক অর্থাৎ রিনিউএবেল পারচেজ অব্লিগেশন, কার্যকর করা।
৫) প্লাগ এবং প্লে ভিত্তিক পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি ক্ষেত্রের জন্য জমি বরাদ্দ করে পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি পার্ক স্থাপন করা।
৬) প্রধানমন্ত্রী কিষান উর্যা সুরক্ষার মতো প্রকল্প গুলি পরিচালিত করা।
৭) সোলার ফটোভোলটাইক সিস্টেম এবং ডিভাইস স্থাপনের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা।
৮) বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং সহজতর করার লক্ষ্যে প্রকল্প উন্নয়ন সেল তৈরি করা।
৯) তালিকা ভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড বিডিং নির্দেশিকা জারি করা।
১০) লেটার অফ ক্রেডিট সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা।
১১) গ্রীন টার্ম অ্যাহেড মার্কেট তৈরি করা, যাতে দেশে পাওয়ার এক্সচেঞ্জ-এর মাধ্যমে জ্বালানি পেতে সুবিধা হয়।
লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ এবং নতুন ও পুনর্নবীকরণ জ্বালানি মন্ত্রী শ্রী আর কে সিং এই তথ্য জানিয়েছেন।
CG/SB
(Visitor Counter : 115 |
pib-1024 | 6a68ffcf75b3f3b4be333fa785a172cacd0539002fb99a6f662a40df334a0cfa_3 | ben | অর্থমন্ত্রক
কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস্ - এর দায়িত্ব নিলেন শ্রী গিরিরাজ প্রসাদ গুপ্তা
নয়াদিল্লি, ০১ আগস্ট, ২০১৯
শ্রী গিরিরাজ প্রসাদ গুপ্তা আজ দিল্লিতে কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস্ পদের দায়িত্ব নিলেন। এর আগে ভারত সরকার পয়লা আগস্ট থেকে অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগে কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস্ পদে ১৯৮৩ ব্যাচের ইন্ডিয়াল সিভিল অ্যাকাউন্টস্ সার্ভিস আধিকারিক শ্রী গিরিরাজ প্রসাদ গুপ্তাকে নিয়োগ করে।
শ্রী গুপ্তা কেন্দ্রীয় সরকারের সরকারি কাজে অগাধ ও মূল্যবান অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আধিকারিক। অর্থ মন্ত্রক, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের উচ্চ পদে তিনি কাজ করেছেন।
শ্রী গুপ্তা ফরিদাবাদের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের অধিকর্তা পদেও কাজ করেছেন। অতিরিক্ত কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টস্ হিসাবে প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর বা ডিবিটি’র জন্য তথ্য প্রযুক্তি পরিকাঠামোর মেরুদন্ড হিসাবে পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম – এর উন্নয়ন ও রূপায়ণে অবদান রেখেছেন। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য আর্থিক ব্যবস্থাপনার মডিউল তৈরির বিষয়েও তাঁর ভূমিকা ছিল। ভূটানে যৌথ উদ্যোগের বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থ বিভাগের অধিকার্তা হিসাবেও কাজ করেছেন শ্রী গুপ্তা।
CG/AP/SB
(Visitor Counter : 76 |
pib-1028 | e54f1a78d5aafb21bb112cdc985ecbcafc045f67c00e303803ede26dcd9bb9ad_2 | ben | কৃষিমন্ত্রক
কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মহামারীর প্রেক্ষিতে খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং পুষ্টি নিয়ে কোভিড-১৯ জি -২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি ব্যতিক্রমী বৈঠকে অংশ নিয়েছেন
শ্রী তোমার সেই বৈঠকে ভারত সরকারের লকডাউন সময়কালে সমস্ত কৃষিক্ষেত্রকে সামাজিক দূরত্বের নিয়মাবলী মেনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করেন
জি -20 কৃষিমন্ত্রীদের বৈঠকে ঘোষণাপত্র গৃহীত
কৃষিমন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, খাদ্য অপচয় এড়ানো এবং প্রত্যেক দেশের সীমানা ছাড়িয়ে খাদ্য সরবরাহ মূল্য শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন
নতুন দিল্লি, ২১ এপ্রিল, ২০২০
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমার সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারীর প্রেক্ষিতে খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং পুষ্টি নিয়ে জি -২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি ব্যতিক্রমী বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। তিনি সেই বৈঠকে লকডাউন সময়কালে দেশে খাদ্যের জোগান অব্যাহত রাখতে সমস্ত কৃষিক্ষেত্রকে সামাজিক দূরত্বের নিয়মাবলী এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করেন। শ্রী তোমার গুরুত্ব দিয়ে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্নভাবে এই সংকট মোকাবিলায় অন্যান্য দেশগুলিকে সমর্থনের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আর ভারত তার দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষি উৎপাদনেও পিছিয়ে থাকবে না।
ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ সহ খাদ্য সরবরাহ মূল্যের শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা সুনিশ্চিত রাখার উপায় এবং প্রক্রিয়া নিয়ে এই ‘জি -২০গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল বৈঠকটির আয়োজন করেছিল সৌদি আরব । এতে সমস্ত জি -২০ সদস্য, কিছু অতিথি দেশের কৃষিমন্ত্রী এবং কিছু কৃষি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা যোগ দেন। শ্রী তোমার জি -২০গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীদের একত্রিত করার জন্য সৌদি আরবের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
পরে এই বৈঠকে, জি - ২০গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীরা একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। জি - ২০গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিতে খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি এড়াতে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে খাদ্য সরবরাহ মূল্য শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারীর পটভূমিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সংকল্প করেছেন। তাঁরা দেশগুলিতে খাদ্য সুরক্ষা এবং পুষ্টির মান বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করা, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, রোগ প্রতিরোধক আবিষ্কারের জন্য গবেষণা, দায়বদ্ধ বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং শিষ্টাচার বিনিময় করবেন যা কৃষিক্ষেত্র এবং খাদ্য ব্যবস্থার স্থায়িত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতার উন্নতি করবে ।
জি - ২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কৃষিমন্ত্রীরা জীবজগতের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর ব্যবস্থা সম্পর্কে বিজ্ঞান ভিত্তিক আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা জারি করতে সম্মত হয়েছেন।
(CG/SB |
pib-1029 | 933abafa8be4f9c71068f791b39b74cd0790bc17a9894444cbbf909e1d0377cd | ben | শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
রপ্তানি বৃদ্ধির প্রয়াস
নয়াদিল্লি, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২০২০-২১ অর্থবর্ষে এপ্রিল-নভেম্বরের মধ্যে ভারতে সামগ্রিক রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৪.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সামগ্রিক আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯৩.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর ফলে, বাণিজ্য উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির সময়সীমা বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক ও করের জন্য একটি নতুন প্রকল্প চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। রপ্তানিকারীদের সুবিধার্থে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক সুবিধার্থে একটি কমন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে রপ্তানিকারীরা খুব সহজেই পণ্য রপ্তানি করার ক্ষেত্রে শংসাপত্র পাবেন। কৃষি, উদ্যানপালন, পশুপালন, মৎস্য চাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কৃষি সামগ্রী রপ্তানি ক্ষেত্রে গতি আনতে একটি ‘কৃষি রপ্তানি নীতি’ বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ১২টি পরিষেবা ক্ষেত্রে অগ্রণী সংস্থার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করে পরিষেবা রপ্তানির বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় রপ্তানিযোগ্য পণ্য সামগ্রীগুলিকে চিহ্নিত করে সেই জেলাগুলিতে রপ্তানি কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে জেলাগুলিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে। পাশাপাশি, দেশের বাণিজ্য, পর্যটন, প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগের লক্ষ্যে ভারতীয় মিশনগুলির সক্রিয় ভূমিকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ সংস্থাগুলিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যাতে তারা পণ্য রাপ্তানি ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। এমনকি, অভ্যন্তরীণ শিল্প সংস্থাগুলিকেও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে একথা জানিয়েছেন বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরী। |
pib-1030 | 5b7c576f8ae7518e39d4cfa404b53b45ccef17734a827cd8e0b95338650edcdd_2 | ben | প্রতিরক্ষামন্ত্রক
আন্দামান ও নিকোবর কমান্ডের তিন বাহিনীতে উন্নতমানের হাল্কা হেলিকপ্টার এমকে থ্রি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
নতুন দিল্লি, ২৮ জানুয়ারি, ২০২২
সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে তুলতে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত উন্নতমানের হাল্কা হেলিকপ্টার এমকে থ্রি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দামান ও নিকোবর কমান্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পোর্টব্লেয়ারে ২৮শে জানুয়ারি লেফটেন্যন্ট জেনারেল অজয় সিং আইএনএস উৎকর্ষতে এই হেলিকপ্টার অনুর্ভুক্ত করেছেন। এর ফলে, আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড আরও শক্তিশালী হল।
হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার এমকে থ্রি তৈরি করেছে। কেন্দ্রের আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে প্রতিরক্ষা বাহিনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিকপ্টারগুলি অন্তর্ভুক্ত হল। হ্যাল এপর্যন্ত ৩০০টির বেশি এধরণের হেলিকপ্টার সরবরাহ করেছে। এই হেলিকপ্টারে কাঁচের ককপিট, ‘শক্তি’ ইঞ্জিন, সমুদ্রে টহল দেবার জন্য অত্যাধুনিক ব়্যাডার, ইলেক্ট্রো অপ্টিক্যাল পেলোড এবং রাতে দেখা যেতে পারে এধরণের যন্ত্রাংশ রয়েছে। হেলিকপ্টার অন্তর্ভূক্তির পর লেফটেন্যান্ট জেনারেল অজয় সিং জানান, অত্যাধুনিক এই হেলিকপ্টারগুলি অন্তর্ভূক্তির মধ্য দিয়ে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে সুবিধে হবে এবং এই অঞ্চলে শান্তি বজায় থাকবে।
CG/CB/SKD/
(Visitor Counter : 94 |
pib-1031 | cbaa2544ff5a71cab0a3f8ebbea1f2dfe7170fe2231f66a6f039c335db144db5_1 | ben | রেলমন্ত্রক
পার্সেল ট্রেনের মাধ্যমে রেলের রাজস্বআয় ; লকডাউন শুরু হওয়ার পর থকে ২০৪০০ টন পণ্য পরিবহণের ফলে ৭.৫৪ কোটি টাকা আয়
নতুন দিল্লি, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
কোভিড – ১৯ মহামারী আটকাতে দেশজুড়ে লকডাউন জারি হওয়ার পর, চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নানা সামগ্রী, খাদ্য, ছোটো ছোটো পার্সেলে পরিবহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এই চাহিদা পূরণে ভারতীয় রেল, পার্সেল ভ্যান পরিষেবা চালু করেছে। এর ফলে, বিভিন্ন রাজ্য সরকার সহ ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলির পণ্য রেলের মাধ্যমে দ্রুত পরিবহন করা হচ্ছে।
আঞ্চলিক রেলগুলি নিয়মিত এই পার্সেল স্পেশাল ট্রেনের জন্য রুট চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারী করছে। বর্তমানে ৬৫টি রুটে এই ধরণের ট্রেন চলছে। এর মধ্যে রয়েছে :
১) দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং হায়দ্রাবাদের মতন বড় বড় শহরের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ।
২) রাজ্যের রাজধানী থেকে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যোগাযোগ।
৩) উত্তরপূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
৪) দুধ এবং দুগ্ধজাত সামগ্রী যে অঞ্চলে অতিরিক্ত উৎপাদন হয়, সেখান থেকে বেশি চাহিদাযুক্ত অঞ্চলে তা সরবরাহ করা।
৫) কৃষিপণ্য, ঔষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী সহ বিভিন্ন অত্যাবশক পণ্য উৎপাদিত অঞ্চল থেকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা।
১৪ এপ্রিলে সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত ৭৭ টি ট্রেন চালানো হয়েছে। এরমধ্যে ৭৫টি ট্রেন টাইমটেবিলে অনুযায়ী পার্সেল স্পেশাল ট্রেন। রেল ১ দিনে ১৮৩৫ টন সামগ্রী বোঝাই করেছে। এর থেকে আয় হয়েছে, ৬৩ লক্ষ টাকা।
লকডাউনের মধ্যে ১৪ তারিখ সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত মোট ৫২২টি ট্রেন চলেছে। এরমধ্যে ৪৫৮টি ট্রেন টাইমটেবিল অনুযায়ী চলাচল করছে। এই সময়ে মধ্যে, ২০,৪৭৪ টন পণ্য সামগ্রী বোঝাই করে রেল, ৭ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা আয় করেছে।
(CG/CB |
pib-1033 | eed8f22e029af80be13df0d6307f18254f02ae298a28c90b559b43815f99a08a_3 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
নতুন দিল্লি, ২১শে জুন, ২০২১
নমস্কার,
আপনাদের সবাইকে সপ্তম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষ্যে অনেক অনেক শুভ কামনা জানাই।
আজ যখন গোটা বিশ্ব করোনা মহামারীর মোকাবিলা করছে, তখন যোগ একটি আশার আলোরূপে প্রতিভাত হচ্ছে।
দু’বছর ধরে বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশে ও ভারতে কোনো সরকারী অনুষ্ঠানের আয়োজন না হলেও যোগ দিবসের প্রতি উৎসাহ বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি।
করোনা সংক্রমণ সত্ত্বেও এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল ভাবনা “সুস্থতার জন্য যোগ” কোটি কোটি মানুষের মনে যোগের প্রতি উৎসাহ আরো বাড়িয়েছে।
আমি আজ যোগ দিবস উপলক্ষ্যে কামনা করি প্রত্যেক দেশ, প্রতিটি সমাজের, প্রত্যেক ব্যক্তি সুস্থ থাকুন, আসুন সবাই মিলে মিশে পরস্পরের শক্তি হয়ে উঠি।
বন্ধুগণ,
আমাদের ঋষি মুনিরা যোগকে “সমত্বম্ ইয়োগো উচ্চতে” এই পরিভাষা দিয়েছে। তাঁরা সুখে দুঃখে সমানভাবে থাকতে সংযমকে এক প্রকার যোগের মাপদন্ড করে রেখেছেন। আজ এই বিশ্বব্যাপী মহামারীর ত্রস্ত সময়ে যোগ এই মাপদন্ডকে প্রমাণিত করে দিয়েছে। করোনার এই দেড় বছরে ভারত সহ প্রায় সমস্ত দেশ বড় সঙ্কটের মোকাবিলা করে চলেছে।
বন্ধুগণ,
বিশ্বের অধিকাংশ দেশের জন্য যোগ দিবস আমাদের মতো শতাব্দী প্রাচীন সাংস্কৃতিক উৎসব নয়। এই কঠিন সময়ে, এতো সমস্যার মধ্যে এই বিষয়টা তাঁরা ভুলে থাকতে পারতেন, এটি উপেক্ষা করতে পারতেন। কিন্তু এর বিপরীতে বিশ্বব্যাপী মানুষের মনে যোগের প্রতি উৎসাহ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, যোগের প্রতি ভালোবাসা আরো বেড়েছে। বিগত দেড় বছরে বিশ্বের নানা প্রান্তে লক্ষ লক্ষ নতুন মানুষ যোগ সাধকে পরিণত হয়েছেন। যোগের প্রথম পর্যায় হল – সংযম এবং অনুশাসন। এই নতুন যোগ সাধকরা সংযম এবং অনুশাসনকে তাদের জীবনে রপ্ত করার চেষ্টা করেছেন।
বন্ধুগণ,
করোনার অদৃশ্য ভাইরাস যখন বিশ্বময় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তখন কোনো দেশ তার সম্পদ, সামর্থ এবং মানসিকভাবে এর বিরুদ্ধে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা সবাই দেখেছি, এরকম কঠিন সময়ে যোগ, আত্মবলের একটা বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। যোগ, জনগণের মনে ভরসা বাড়িয়েছে যে, আমরা এই সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি।
আমি যখন অগ্রণী যোদ্ধাদের সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তখন তাঁরা আমাকে বলেছেন যে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁরাও যোগের মাধ্যমে নিজেদের সুরক্ষা কবচ গড়ে তুলেছেন।
ডাক্তাররা যোগের মাধ্যমে নিজেদেরকে যেমন শক্তিশালী করেছেন, তেমনি রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার ক্ষেত্রেও একে ব্যবহার করেছেন। আজ বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে এরকম কত ছবি ও ভিডিও আসে, যেখানে চিকিৎসক, সেবিকা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীদের যোগ শিক্ষা দিচ্ছেন। আবার অনেক জায়গায় রোগীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা অন্যদের বলছেন। প্রাণায়াম, অনুলোম – বিলোম –এর মতো ব্রিদিং এক্সারসাইজ আমাদের শ্বসনতন্ত্রকে কতটা শক্তিশালী করতে তুলতে পারে, এটাও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশেষজ্ঞরা নিজেরাই বলছেন।
বন্ধুগণ,
মহান তামিল সন্ন্যাসী শ্রী থিরুভল্লভর বলেছেন,
“নোড় নাড়ি, নোড় মুদল নাড়ি, হদুো তনিক্কুম, ভায় নাড়ি ভায় পচ্চয়ল”
অর্থাৎ, কেউ অসুস্থ হলে আগে রোগ নির্ণয় করো, তার শিকড় পর্যন্ত যাও, রোগের কারণ কী - সেটা জানো, তারপর তার চিকিৎসা সুনিশ্চিত করো - যোগ এই পথই দেখায়। আজকাল চিকিৎসা স্বাস্থ্যেও উপাচারের পাশাপাশি “হিলিং” –এর উপর ততটাই গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই হিলিং প্রক্রিয়ায় যোগ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আজ যোগের এই দিকটা নিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা অনেক ধরণের বৈজ্ঞানিক গবেষণা করছেন।
করোনার সঙ্কটকালে যোগের মাধ্যমে আমাদের শরীরে যত উপকার হয়, তা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কী ধরণের ইতিবাচক প্রভাব ফেলে তা নিয়ে অনেক গবেষণা হচ্ছে। আজকাল আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসের শুরুর দিকে ছাত্রছাত্রীদের ১০ – ১৫ মিনিট ধরে প্রাণায়াম করানো হয়। এই প্রক্রিয়া করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও শিশুদের শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে তুলছে।
বন্ধুগণ,
ভারতের ঋষিরা আমাদের শিখিয়েছেন,
“ব্যায়ামাৎ লহতে স্বাস্থ্যম্,
দীর্ঘ আয়ুষ্যম্ বলম্ সুখম।
আরোগ্যম্ পরমম্ ভাগ্যম,
স্বাস্থ্যম্ সর্বার্থ স্বাধনম্।।”
অর্থাৎ যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা পাই সুস্বাস্থ্য, সামর্থ এবং দীর্ঘ সুখী জীবন। আমাদের জন্য সুস্বাস্থ্যই সবচাইতে বড় ভাগ্যের বিষয়। আর সুস্বাস্থ্যই সকল সাফল্যের মাধ্যম। ভারতের ঋষিরা যখনই স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলেছেন, তখন তাঁরা শুধুই শারীরিক স্বাস্থ্যের কথা বলেন নি। সেজন্য যোগের ক্ষেত্রে শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এতটাই জোর দেওয়া হয়।
আমরা যখন প্রাণায়াম করি, ধ্যান করি, অন্যান্য যোগাসন করি, তখন আমরা নিজেদের অন্তর্চেতনাকে অনুভব করি। যোগের মাধ্যমে আমাদের অনুভব হয়, যে আমাদের বিচারশক্তি ও আমাদের আন্তরিক সামর্থ কেমনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে! বিশ্বের কোনো সমস্যা, কোনো নেতিবাচক বিষয় আমাদের ভেঙ্গে ফেলতে পারবে না! যোগ আমাদের “স্ট্রেস থেকে স্ট্রেন্থ” দিকে, চাপ থেকে শক্তির দিকে, নেতিবাচকতা থেকে সৃষ্টিশীলতার পথে চালিত করে। যোগ আমাদের অবসাদ থেকে উৎসাহ উদ্দীপনার পথে, আর প্রমাদ থেকে প্রসাদের দিকে নিয়ে যায়।
বন্ধুগণ,
যোগ আমাদের প্রায় সমস্ত সমস্যার সমাধানের কথা বলে, যে সমাধানগুলি সমাধানের অসীম আন্তরিক ক্ষমতা আমাদের মধ্যেই রয়েছে। আমরা নিজেরাই মহাব্রহ্মান্ডের বৃহত্তম শক্তির উৎস। আমাদের মধ্যে এই শক্তির অসংখ্য প্রকোষ্ঠ থাকায় এর সার্বিক ক্ষমতাকে আমরা উপলদ্ধি করতে পারি না।
একটা সময় আসে যখন মানুষের জীবন ঢিমেতালে চলতে থাকে, এই প্রকোষ্ঠগুলি আমাদের পূর্ণ ব্যক্তিত্বকে বিভাজিত করে রাখে। এই বিভাজন থেকে ঐক্যের পথে রূপান্তরণের নামই যোগ। অভিজ্ঞতার মাধ্যমে একটি প্রমাণিত পথ। একটি ঐক্য চেতনার নামই যোগ। এই সময় আমার গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু কথা মনে পড়েছে। যিনি বলেছিলেন,
“ঈশ্বর থেকে বিচ্ছিন্নতার মধ্যে আমাদের নিজস্বতার মানে খুঁজে পাওয়া যাবে না, খুঁজে পাওয়া যাবে যোগ ও মিলনের অসীম ঐক্যে।”
প্রাচীনকাল থেকে ভারত, যে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ এর মন্ত্র অনুসরণ করে আসছে, এখন সেটির সারা পৃথিবীতে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। আমরা এখন প্রত্যেকে পরস্পরের সুস্থতা কামনা করছি। এভাবে মানবতা একটি ঐক্যসূত্রে গ্রথিত হচ্ছে। যোগ আমাদের একটি সার্বিক সুস্থতা উপহার দেয়। যোগ আমাদের জীবনে আরো সুখী করে। আমি নিশ্চিত, ভবিষ্যতেও যোগ রোগ প্রতিরোধক এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে জনমানসে তার ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাবে।
বন্ধুগণ,
যখন ভারত রাষ্ট্রসংঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাব রেখেছিল, তখন এর পেছনে এই ভাবনাই ছিল, এই যোগ বিজ্ঞানকে গোটা বিশ্বের জন্য সুলভ করে তোলা। আজ এই লক্ষ্যে ভারত, রাষ্ট্রসংঘ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন বিশ্ববাসী এম-ইয়োগা অ্যাপ –এর শক্তিতে ঋদ্ধ হতে চলেছে। এই অ্যাপে “কমন ইয়োগা প্রোটোকল” –এর ভিত্তিতে যোগ প্রশিক্ষণের অসংখ্য ভিডিও বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় দেখতে পাওয়া যাবে। এটি আধুনিক প্রযুক্তি এবং প্রাচীন বিজ্ঞানের মিলনের একটি অসাধারণ উদাহরণ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এই এম-ইয়োগা অ্যাপ সারা পৃথিবীতে যোগকে আরো ছড়িয়ে দিতে, ‘এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য’ এর প্রচেষ্টাকে সফল করে তুলতে বড় ভূমিকা পালন করবে।
বন্ধুগণ,
গীতায় বলা হয়েছে,
“তং বিদ্যাদ্ দুঃখ সংযোগ
বিয়োগং যোগ সংগ্গিতম্”
অর্থাৎ দুঃখ থেকে বিয়োগ ও মুক্তিকেই যোগ বলা হয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার মানসিকতা মানবতার এই যোগ যাত্রা। যোগ যাত্রাকে আমাদের এভাবেই এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যে কোনো স্থানে, যে কোনো পরিস্থিতিতে, যে কোনো বয়সী প্রত্যেক মানুষের জন্য কোনো না কোনো সমাধান যোগ থেকে পাওয়া যাবে। আজ বিশ্বে যোগের প্রতি জিজ্ঞাসা ও আগ্রহ থাকা মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। আরো বাড়ছে। দেশ – বিদেশে যোগ প্রতিষ্ঠানগুলির সংখ্যাও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক্ষেত্রে যোগের যে মৌলিক তত্ত্বজ্ঞান,মৌলিক সিদ্ধান্তগুলিকে বজায় রেখে, যোগ কিভাবে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছোবে, নিরন্তর পৌঁছতে থাকবে - এটা সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আর এই কাজ যোগের সংঙ্গে যুক্ত মানুষদের, যোগাচার্যদের ও যোগ প্রচারকদের একসঙ্গে মিলে মিশে করতে হবে। আমাদের নিজেদেরও যোগের সংকল্প নিতে হবে। আর প্রিয়জনদেরও এই সংকল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। “যোগ থেকে সহযোগ পর্যন্ত” এই মন্ত্র আমাদের একটি নতুন ভবিষ্যতের পথ দেখাবে, মানবতাকে শক্তিশালী করবে।
এই শুভকামনা জানিয়ে আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে সমগ্র মানব জাতিকে, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SFS
( |
pib-1036 | b92a3768e382ec5310d105d592a1dc0082ccc487074dac03e87f39b35fdc0204 | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এ ৭৩ ও ৭৪ ধারার অধীন আদেশদানের জন্য ভারত সরকারের ১৯৬১-র কার্যনির্বাহী বিধির ১২ সংখ্যক বিধির অধীনে যে প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছিল তাতে কর্মপরবর্তী অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা
নয়াদিল্লি, ২০নভেম্বর, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এর ৭৩ ও ৭৪ ধারার আদেশে ভারতের রাষ্ট্রপতির নির্দেশে কর্মপরবর্তী অনুমোদন দিল।
সংসদের সুপারিশ অনুযায়ী, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতি জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এ ঘোষণা ও সম্মতি দেন। সেইমতো, পূর্ববর্তী জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য পুনর্গঠিত হয়েছে ২০১৯-এর ৩১ অক্টোবর নতুন কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং নতুন কেন্দ্রশাসিত লাদাখ হিসেবে।
জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ ৩১ অক্টোবর থেকে বলবৎ হওয়ার পর পূর্বতন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য বিধানসভা সহ জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং বিধানসভাহীন লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে পুনর্গঠিত হয়। ২০১৮-র ১৯ ডিসেম্বর ভারতীয় সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী তৎকালীন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল। যেহেতু কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩৫৬ ধারা প্রযোজ্য নয় তাই, ২০১৯-এর ৩১ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি শাসন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
যেহেতু নতুন জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভার অস্তিত্ব নেই, তাই কোনরকম সাংবিধানিক শূণ্যতা এড়াতে পূর্বতন জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের রাজ্যপালের প্রতিবেদন অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনের ৭৩ ধারা মতো ২০১৯-এর ৩১ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি হয়। সেইমতো, জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রাষ্ট্রপতি শাসন বলবৎ হয়।
জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী গত ৩১ অক্টোবর জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঞ্চিত নিধি থেকে ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি একটি আদেশ জারি করেন।
SSS/AP/DM
(Visitor Counter : 259 |
pib-1038 | e1d171cde70605c6687fa309c1816cf6212e4b7e9b4865c5175c6847454687b8 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী কুনো ন্যাশনাল পার্কে ভারত থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আরণ্যক চিতা ছাড়লেন
কথা বললেন চিতা মিত্র, চিতা পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনা গোষ্ঠী এবং ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে
নামিবিয়া থেকে আনা চিতা ভারতে ছাড়া হল প্রজেক্ট চিতার অধীনে যা বিশ্বে প্রথম আন্তঃ-মহাদেশীয় বৃহৎ আরণ্যক মাংসাশী প্রাণীর স্থানান্তরকরণ প্রকল্প
ভারতে চিতা ফিরিয়ে আনায় মুক্ত অরণ্য এবং তৃণভূমি পরিবেশ ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে
নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ কুনো ন্যাশনাল পার্কে ভারত থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আরণ্যক চিতা ছাড়লেন। নামিবিয়া থেকে আনা চিতা ভারতে ছাড়া হল প্রজেক্ট চিতার অধীনে যা বিশ্বে প্রথম আন্তঃ-মহাদেশীয় বৃহৎ আরণ্যক মাংসাশী প্রাণীর স্থানান্তরকরণ প্রকল্প। ৮টি চিতার মধ্যে ৫টি মেয়ে এবং ৩টি পুরুষ চিতা।
প্রধানমন্ত্রী কুনো ন্যাশনাল পার্কের দুটি জায়গা থেকে চিতাগুলি ছাড়লেন। প্রধানমন্ত্রী ওই স্থানে কথা বলেন চিতা মিত্র, চিতা পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনা গোষ্ঠী এবং ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী এই ঐতিহাসিক ঘটনায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন।
কুনো ন্যাশনাল পার্কে প্রধানমন্ত্রীর এই আরণ্যক চিতা ছাড়ার কাজ ভারতে বন্যপ্রাণ এবং তার বাসস্থান পুনঃস্থাপন এবং বৈচিত্র্যকরণে তাঁর প্রয়াসের অঙ্গ। চিতা ভারত থেকে লুপ্ত হয়ে যায় ১৯৫২ সালে। চিতাগুলি আনা হয়েছে আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে। এর জন্য এ বছরের গোড়ায় একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারতে এই চিতা আনা হয়েছে প্রজেক্ট চিতার অধীনে যা বিশ্বে প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় বৃহৎ আরণ্যক মাংসাশী প্রাণীর স্থানান্তরকরণ প্রকল্প। চিতা ভারতে মুক্ত অরণ্য এবং তৃণভূমি পরিবেশের উন্নতিতে সাহায্য করবে। এতে জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জল নিরাপত্তা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, মৃত্তিকার আর্দ্রতা, সংরক্ষণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। সব মিলিয়ে সমাজের উপকার হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই প্রয়াস পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশ পর্যটন কার্যাবলীর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার্জনের সুবিধা বৃদ্ধি করবে।
গত ৮ বছরে দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপের অঙ্গ হিসেবে ভারতে চিতা আনার এই ঐতিহাসিক ঘটনা পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘস্থায়িত্বের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ২০১৪য় দেশের ভৌগোলিক অঞ্চলের ৪.৯০ শতাংশ ছিল সংরক্ষিত অঞ্চল। সেটি এখন বেড়ে হয়েছে ৫.০৩ শতাংশ। দেশে সংরক্ষিত এলাকার বৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৪য় ৭৪০টি অঞ্চলের মোট পরিমাপ ছিল ১৬১০৮১.৬২ বর্গ কিলোমিটার। সেটি বর্তমানে রয়েছে ৯৮১টি এলাকায় ১৭১৯২১ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে।
গত ৪ বছরে বন এবং গাছের বৃদ্ধি হয়েছে ১৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে। বিশ্বে ভারত কয়েকটি দেশের অন্যতম যেখানে বনাঞ্চল নিয়মিত বেড়ে চলেছে।
জনগোষ্ঠী সংরক্ষণের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০১৪য় মাত্র ৪৩ থেকে ওই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০০র বেশি।
ভারতে ৫২টি ব্যাঘ্র প্রকল্প আছে ১৮টি রাজ্যের প্রায় ৭৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে যা সারা বিশ্বে বন্য ব্যাঘ্রের সংখ্যার ৭৫ শতাংশ। ভারত ২০১৮য় বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২২এর মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল, তার ৪ বছর আগেই এটি সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০১৪য় ভারতে বাঘের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২২৬টি। সেটি ২০১৮য় বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৯৬৭।
ব্যাঘ্র সংরক্ষণে বাজেট বরাদ্দ ২০১৪য় ১৮৫ কোটি টাকা থেকে ২০২২এ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা।
এশিয়াটিক সিংহের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৫য় ৫২৩টির থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৭৪টি। বৃদ্ধির হার ২৮.৮৭ শতাংশ ।
ভারতে বর্তমানে ১২ হাজার ৮৫২টি চিতাবাঘ আছে। ২০১৪য় পূর্ববর্তী সমীক্ষায় এর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৯১০টি অর্থাৎ এদের সংখ্যায় ৬০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল শ্রী মঙ্গুভাই প্যাটেল, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর, শ্রী ভূপেন্দর যাদব, শ্রী জ্যোতিরাদিত্য এম সিন্ধিয়া এবং শ্রী অশ্বিনী চৌবে উপস্থিত ছিলেন।
PG/AP/NS
( |
pib-1044 | 8e0efe84379a287c6a251ac101649968409f57beccd00cee094b15fb602d1568 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদঞ্জাপন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
নতুন দিল্লি, ২৩ মার্চ ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আপৎকালীন অর্থ তহবিলে অর্থ সাহায্যের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন "সার্ক কোভিড-১৯ আপৎকালীন অর্থ তহবিলে ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য ঘোষণা করার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন । এভাবেই পারস্পরিক সহযোগিতা ও এক যোগে কাজ চালিয়ে আমরা কোভিড-১৯ বিরুদ্ধে লড়াইএ উত্তীর্ণ হতে পারবো। "
CG/SS/BD
(Visitor Counter : 59 |
pib-1048 | 542ff0fc1bc8c3b9645aa21222c5a9b4f1a723c183b0db8f7ccb9b27fc05f09f_3 | ben | সারওরসায়নমন্ত্রক
দেশে ওষুধের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ওষুধ উৎপাদকদের সহায়তা করতে রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলারদের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় ওষুধ সচিব
নয়াদিল্লি, ২২ এপ্রিল, ২০২০
কোভিড পূর্ববর্তী ও কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী উৎপাদনকারী সংস্থা গুলির কাজকর্ম ঠিক কি অবস্থায় রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ড্রাগ কন্ট্রোলার দের সাথে আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেন কেন্দ্রীয় ওষুধ সচিব। বৈঠকে এন পি পি এ, ডি সি জি এর চেয়ারপার্সনও উপস্থিত ছিলেন।
বাজারে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর পর্যাপ্ত যোগানে যাতে কোনরকম ব্যাঘাত না ঘটে তা নিশ্চিত করতে ওষুধ দপ্তরের সচিব ড্রাগ কন্ট্রোলারদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে উৎপাদকদের সব রকম সাহায্য করার কথা বলেছেন।
কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় জরুরী ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর যোগান যাতে পর্যাপ্ত পরিমানে থাকে তা দেখার জন্য তিনি রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলারদের অনুরোধ করেন। উৎপাদকরা যাতে তাদের উৎপাদন ক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় পণ্য প্রস্তুত করে আজকের বৈঠকে সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।
রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলাররা জানান তারা সর্বস্তরে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করছেন। কর্মীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করে ও পরিকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা কিভাবে বাড়িয়ে ওষুধের যোগান যথাযথ রাখা যায় সেদিকটাও তারা দেখছেন।
বাজারে হাইড্রক্সিক্লোরকুইন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন ও প্যারাসিটামলের যোগানের উপর নজরদারি চালানর জন্যও সচিব ড্রাগ কন্ত্রলারদের নির্দেশ দিয়েছেন।
CG/SDG
(Visitor Counter : 135 |
pib-1053 | 4d09c5dd94e51d46e278d3c1be4ec5db2420b47d70d42e06a82756226af69f7f_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রতিটি ক্ষেত্র দ্রুত অগ্রগতির সাক্ষী থেকেছে, একটি উন্নত ভারতের মঞ্চ তৈরি হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
নয়াদিল্লি, ১৫ জুন, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের উদ্যোগ সম্পর্কে নিবন্ধ, গ্রাফিক্স, ভিডিও এবং তথ্য সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন, যা ভারতের অতুলনীয় পরিকাঠামোর রেখাচিত্রকে তুলে ধরেছে।
প্রধানমন্ত্রী ট্যুইটে বলেছেন, “#9YearsOfGatiAndPragati – তে আমরা ভারতের উন্নতি এবং বৃদ্ধির শিকড়ে পৌঁছেছি। একটি পরিকাঠামো রেখাচিত্র তৈরি করেছি, যা অতুলনীয়। প্রতিটি ক্ষেত্র দ্রুত অগ্রগতির সাক্ষী থেকেছে। একটি উন্নত ভারতের মঞ্চ তৈরি হয়েছে”।
CG/SS/SB……
( |
pib-1056 | 16fff1a3ffb94e6d20bd6b7eee9c06ae1536051b84afbe62bf7806f15918649e_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ওমানের সুলতান, সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর টেলিফোনে কথা
নয়াদিল্লী, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ টেলিফোনে ওমানের সুলতান, সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ভারত ওমানকে কোভিড-১৯ টিকা সরবরাহ করায় সুলতান সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উভয় নেতা সহমত পোষণ করেছেন যে এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দুটি দেশ একযোগে কাজ করার জন্য নিবিড় সহযোগিতা বজায় রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী, ওমানের সুলতানকে তাঁর শাসনকালের এক বছর পূর্তি এবং ওমানের জন্য ভিশন ২০৪০ রচনা করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারত এবং ওমানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
উভয় নেতা, দুই কৌশলগত অংশীদারের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন নিবিড় করার বিষয়ে ওমানে বসবাসরত ভারতীয়দের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। |
pib-1057 | 5d7dd4132f92b97cd4ff497171a7bb0c8abb722c9953e0195effb98fc924e103_1 | ben | প্রতিরক্ষামন্ত্রক
ভারতীয় স্পেশাল ফোর্সেস ট্রেনিং স্কুলে তুর্কমেনিস্তানের বিশেষ বাহিনীর প্রশিক্ষণ
নতুন দিল্লি, ৪ মার্চ, ২০২১
ভারতীয় স্পেশাল ফোর্সেস তার পেশাদারিত্ব, কর্মদক্ষতা এবং আত্ম ত্যাগের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বের সেরা বাহিনীগুলির মধ্যে অন্যতম এক বাহিনী হিসাবে সুনাম ও সম্মান অর্জন করেছে। এই কারনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য এশীয় অঞ্চল এবং মধ্য প্রাচ্য সহ বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির বিশেষ বাহিনী যুদ্ধ ক্ষেত্রে পরাক্রমী ভারতীয় সেনার বিশেষ বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর ফল স্বরূপ বন্ধু দেশগুলির সঙ্গে ভারতীয় সেনার বিশেষ বাহিনীর এ ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব ক্রমশ বেড়েছে।
তুর্কমেনিস্তানের স্পেশাল ফোর্সের অনুরোধের ভিত্তিতে, ভারতীয় সেনার বিশেষ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদানকারী একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান 'ভারতীয় সেনাবাহিনীর স্পেশাল ফোর্সেস ট্রেনিং স্কুল' এ সে দেশের বিশেষ বাহিনী থেকে বাছাই করা প্যারাট্রুপারদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এটি বিশেষ বাহিনীর পেশাদারি প্রশিক্ষণের মধ্যে অন্যতম।এই প্রশিক্ষণ তুর্কমেনিস্তান বিশেষ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। |
pib-1058 | 91118d8182af147c4dc6554aaa34089b49ffb5ee042de49fe48d86a58630f2d2_1 | ben | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
২০২০’র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ৯২৬ জন পুলিশ কর্মীকে পুলিশ পদক দিয়ে সম্মান
নয়াদিল্লি, ১৪ অগাস্ট, ২০২০
২০২০’র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে মোট ৯২৬ জন পুলিশ কর্মীকে পুলিশ পদক দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। ২১৫ জন পুলিশ কর্মীকে তাঁদের সাহসিকতার জন্য পুলিশ পদক দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক দিয়ে ৮০ জন পুলিশ কর্মীকে সম্মানিত করা হয়েছে। এছাড়াও, ৬৩১ জন পুলিশ কর্মীকে বিশেষ ও বিচক্ষণ সেবার জন্য পদক দিয়ে সম্মান জানানো হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যে ২১৫ জন অদম্য সাহসিকতার জন্য পুলিশ পদকে ভূষিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ১৩০ জন পুলিশ কর্মী জম্মু ও কাশ্মীরের। চরম উগ্রপন্থা অধ্যুষিত এলাকাগুলি থেকেও ২৯ জন পুলিশ কর্মী এই পদক পাচ্ছেন। এছাড়াও, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৮ জন পুলিশ কর্মীকে অদম্য সাহসিকতার নিদর্শন-স্বরূপ পুলিশ পদক দেওয়া হচ্ছে। স্বতন্ত্র সেবা ও বিচক্ষণতার স্বীকৃতি-স্বরূপ সিআরপিএফ – এর ৫৫ জন, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ৮১ জন, উত্তর প্রদেশ পুলিশের ২৩ জন, দিল্লি পুলিশের ১৬ জন, মহারাষ্ট্র পুলিশের ১৪ জন এবং ঝাড়খন্ড থেকে ১২ জন পুলিশ কর্মী পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বাকি পুলিশ কর্মীরা অন্যান্য রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর জওয়ান।
(CG/BD/SB |
pib-1059 | 151d0e4fa42cc4c2329040d864b2a5afcd1cf9438d7f98d01ab1c2ca98a04acf | ben | অর্থমন্ত্রক
বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতের বৈদেশিক ক্ষেত্র যথেষ্ট সমর্থ
নয়াদিল্লি, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩
শক্তিশালী ম্যাক্রো মৌলিক অবস্থাগত কারনে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা মোকাবিলা করতে সমর্থ হয়েছে ভারত। আজ সংসদে কেন্দ্রীয় অর্থ এবং কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতরমনের পেশ করা অর্থনৈতিক ২০২২-২৩ সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে ভারতের বৈদেশিক ক্ষেত্রকে বিভিন্ন ধাক্কা এবং অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারের অস্থিরতা, মূলধনী স্রোতের বিপরীত গতি, মূলধনী মন্দা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবশ্যম্ভাবী ধীর গতি বহুবিধ কারণ এর সঙ্গে সংপৃক্ত হয়েছে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা আলোকপাত করেছে যে ২৩এর অর্থ বছরে রপ্তানী যথেষ্ট সহনশীল এবং ২২এর অর্থ বছরে রপ্তানীর রেকর্ড সীমা স্পর্শ করবে। পেট্রোপণ্য, রত্ন এবং অলঙ্কার, ঔষধ এবং ফার্মাসিউটিক্যাল রপ্তানী পণ্যগুলির মধ্যে অন্যতম। বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দার কারণে ভারতীয় রপ্তানীর ধীর গতি অবশ্যম্ভাবী এবং তা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে বৈদেশিক ক্ষেত্রে সহনশীলতা উন্নত হওয়ার ক্ষেত্রে রপ্তানী একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং তা মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রেক্ষাপট থেকে বিচার করা সম্ভব। ভারতের রপ্তানী ক্ষেত্রে মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী এই সমস্ত ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা উল্লেখ করেছে জাতীয় লজিস্টিক নীতি অভ্যন্তরীণ বাধাকে কাটিয়ে রপ্তানী প্রসারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে এবং তা হওয়া সম্ভব অভ্যন্তরীণ লজিস্টিক্স-এ মূল্য হ্রাস করার মধ্যে দিয়ে। এতে আরও বলা হয়েছে সর্বশেষ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি যেখানে ইউএই এবং অস্ট্রেলিয়া রপ্তানীর নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে সুলভ শুল্ক এবং অশুল্ক বাধার মধ্যে দিয়ে। ফলে সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্র এই সময়ের মধ্যে একটা রপ্তানী বান্ধব রূপ নিয়েছে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা আরও বলেছে অপরিশোধিত তেলের মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের পুনরুজ্জীবনের ফলে আমদানি বৃদ্ধিকে তা প্রভাবিত করেছে। পেট্রোলিয়াম অপরিশোধিত এবং পণ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, কয়লা, যন্ত্র সামগ্রী, বৈদ্যুতিক এবং অবৈদ্যুতিক যন্ত্র সামগ্রী, সোনা, আমদানিকৃত পণ্যগুলির মধ্যে সর্বাধিক। বিশ্ব পণ্য সামগ্রীর দাম খানিকটা কমলে অ-স্বর্ণ জাতীয় পদার্থ এবং অ-তৈল জাতীয় ক্ষেত্রে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। সমীক্ষাতে উল্লেখ করা হয়েছে পণ্য দ্রব্য রপ্তানীতে ভারত ২০২২ অর্থ বছরে ৪২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানী করে সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ২০২২এর এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পণ্য দ্রব্যের রপ্তানী ৩৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায় যেখানে ২০২১এর এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর সময়কালের মধ্যে তা ছিল ৩০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ঔষধ এবং ফার্মাসিউটিক্যাস, ইলেকট্রনিক পণ্য, জৈব এবং অজৈব রসায়ন ক্ষেত্রে ২০২২ অর্থ বছরে রপ্তানী ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। ২০২২ অর্থ বছরে বিশ্ব পরিষেবা বাণিজ্যে ভারত তার কতৃত্ব বজায় রেখেছে। এইসময় ভারতের পরিষেবা রপ্তানী ২৫৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায় যা ২০২১ অর্থ বছরের তুলনায় ২৩.৫ শতাংশ বেশি এবং ২০২২এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে তার আগের বছরের ওই সময়কালের তুলনায় এই বৃদ্ধির হার ছিল ৩২.৭ শতাংশ। ২০২২এর এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পণ্য এবং পরিষেবার মূল্যমান দাঁড়ায় ৫৬৮.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বৃদ্ধির হার ২০২১এর ওই সময়কালের থেকে ১৬ শতাংশ বেশি।
অর্থনৈতিক সমীক্ষায় আলোকপাত করা হয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা ভারতীয় টাকায় প্রসারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একবার এই উদ্যোগ সফল হলে বৈদেশিক মূদ্রার ওপর নির্ভরতা বহুলাংশে কমে আসবে। যার ফলে বৈদেশিক ঝুঁকির ধাক্কা ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষেত্রে কম বিপদজ্জনক হবে। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি সার্কুলার জারি করে বলেছে ইনভয়েসিং পেমেন্ট এবং আমদানি-রপ্তানী নিষ্পত্তি ভারতীয় টাকায় করার অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে ভারত থেকে রপ্তানীর অভিমুখে নিয়ে আসার চেষ্টা চলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে ভারতীয় টাকায় বাণিজ্যের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রদায়ের উৎসাহ বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।
পরিশোধের নিরিখে অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে পর্যালোচনাধীন বছরে বিভিন্ন চাপের মুখোমুখি হতে হয়। তেলের দামের উচ্চ মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব চলতি আর্থিক ঘাটতিকে অনেকখানি প্রসারিত করেছে। ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ-এর নীতিগত কারনে বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন ডলারকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে। ফলে মূলধনী আমানতে বৃদ্ধির হার অনেকখানি সঙ্কুচিত হয় এবং পরিশোধের নিরিখে বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় অনেকখানি হ্রাস পায়। অর্থনৈতিক সমীক্ষা আশা-প্রকাশ করেছে যে অপরিশোধিত তেলের দাম হ্রাস পেতে থাকলে চলতি আর্থিক ঘাটতি ২০২৩ আর্থিক বছরের শেষ দিকে অনেকখানি হ্রাস পাবে এবং তা চলনসই সীমার মধ্যে পৌঁছাতে পারবে। যদিও বেশ কয়েকটি দেশের চলতি আমানত ব্যালেন্সে তুলনায় ভারতের চলতি আমানত ঘাটতি যথেষ্ঠই নমনীয় এবং তা পরিচালনযোগ্য সীমার মধ্যেই রয়েছে। বৈদেশিক ক্ষেত্রের দৃষ্টিভঙ্গীগত দিক থেকে অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে আন্তর্জাতিক বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি না পেলে এবং বিভিন্ন পূর্বাভাস থেকে যা মনে হচ্ছে সম্ভব নয় তা চলতে থাকলে আগামী বছরে রপ্তানী একই জায়গায় থেকে যাবে। এক্ষেত্রে রপ্তানী প্রসারের লক্ষ্যে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে অন্যান্য দেশ সেক্ষেত্রে ভারতের ওপরে নির্ভরশীল হতে পারে। এতে আরও বলা হয়েছে ভারতের জনসংখ্যার কর্মী সম্প্রদায়ের কম বয়স অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। বিভিন্ন মূল্য সাশ্রয়ী পণ্যের ক্ষেত্রে বিশ্বের চাহিদা তৈরির ক্ষেত্রে ভারত যথেষ্ঠ সম্ভাবনাময় বলে মনে করা হচ্ছে। সমীক্ষায় বলছে বিদেশ থেকে আসা অর্থের প্রাপক হিসেবে ভারত বিশ্বে তার সর্বোচ্চ অবস্থান বজায় রাখছে। ২০২২এ অভ্যন্তরীণ রেমিটেন্স বা অর্থপ্রেরণ রেকর্ড স্তর স্পর্শ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি আর্থিক ঘাটতি সহনশীল সীমার মধ্যে থাকবে। ভারতের বৈদেশিক ঋণ ভার দক্ষভাবে সামলানো হচ্ছে।
PG/AB/NS
(Visitor Counter : 189 |
pib-1060 | 09fb49310a1ac2f04fbe71bafe6a8259b3bfa48c57f418bd1f9899909cb4ac77 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
‘আরোগ্য মন্থন’ – এর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
নয়াদিল্লি, ০১ অক্টোবর, ২০১৯
মঞ্চে উপস্থিত আমার মন্ত্রিসভার সদস্য ডঃ হর্ষ বর্ধনজী, অশ্বিনী কুমার চৌবেজী, বিভিন্ন রাজ্য ও প্রতিষ্ঠান থেকে সমাগত প্রতিনিধিবৃন্দ, আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত বন্ধুরা এবং এখানে যে সমস্ত সুফলভোগীরা উপস্থিত হয়েছেন,
ভাই ও বোনেরা, আজ তৃতীয় নবরাত্রি। আজ মা’কে চন্দ্রঘটা রূপে পুজো করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, দশভূজা দেবী চন্দ্রঘটা চাঁদের শীতলতা ও সৌম্যতা নিয়ে সমগ্র জগতের ব্যথা দূর করেন। ভারতের ৫০ কোটিরও বেশি গরিব মানুষের রোগ-শোক দূর করা আয়ুষ্মান ভারত যোজনার প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোচনা করার এরচেয়ে ভালো সুযোগ আর কি হতে পারে!
বন্ধুগণ, আয়ুষ্মান ভারতের এই প্রথম বছর ছিল সংকল্প, সমর্পণ এবং শিক্ষার। দেশবাসীর সংকল্প শক্তির জোরেই আমরা ভারতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পটি সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে – সমর্পণ ও সদ্ভাবনা। এই সমর্পণ দেশের প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাজার হাজার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলির, এই সমর্পণ দেশের প্রত্যেক স্বাস্থ্যকর্মী, আয়ুষ্মান মিত্র, আশা কর্মী নানা সামাজিক সংগঠন ও জনপ্রতিনিধিদের সকলের।
ভাই ও বোনেরা, এই সমর্পনের ফলেই আজ দেশবাসী প্রত্যয়ের সঙ্গে সগর্বে বলছে, - বছর এক – আয়ুষ্মান অনেক।
সারা দেশের গরিব, ৪৬ লক্ষ গরিব পরিবারের মনে অসুস্থতার নিরাশা থেকে সুস্থ জীবনের আশা জাগানোর এই বিরাট সাফল্য এসেছে। এই এক বছরে যদি একজন মানুষেরও জায়গা-জমি-বাড়ি কিংবা গহনা অসুস্থতার কারণে বিক্রি হওয়া থেকে কিংবা বন্ধক রাখা থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়ে থাকে, সেটাই হ’ল আয়ুষ্মান ভারতের সবচেয়ে বড় সাফল্য।
বন্ধুগণ, একটু আগেই এমন কয়েকজন সুফলভোগীর সঙ্গে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। বিগত এক বছরে, এমনকি, নির্বাচনের সময়ও আমি সারা দেশে এমন অসংখ্য সুফলভোগীর সঙ্গে কথা বলার নিয়মিত প্রচেষ্টা চালিয়েছি, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি যে, আয়ুষ্মান ভারত পিএমজেএওয়াই গরিব মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন আনছে! আসলে এই প্রকল্প আজ গরিবদের জয়গাঁথা রচনা করছে। যখন গরিব শিশু সুস্থ হয়ে ওঠে, যখন বাড়ির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেন, তখন আয়ুষ্মান হওয়ার অর্থ বোঝা যায়। সেজন্য আয়ুষ্মান ভারত পিএমজেএওয়াই – এর সাফল্যের জন্য সমর্পিত প্রাণ প্রত্যেক ব্যক্তি ও সংস্থার সঙ্গে রয়েছে দেশের কোটি কোটি গরিব মানুষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। এই মহান কাজে যুক্ত থাকা প্রত্যেক বন্ধুকে আমি অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
ভাই ও বোনেরা, সংকল্প ও সমর্পণের পাশাপাশি, এই প্রথম বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। এখানে আসার আগে যে প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে, সেখানে এই এক বছরের সাফল্যকে প্রত্যক্ষ করেছি। কিভাবে সময়ের সঙ্গে আমরা প্রতিটি সমস্যার মোকাবিলা করেছি, প্রযুক্তির নিরন্তর বিস্তারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমে সমস্ত বিপত্তি ও আশঙ্কাকে দূর করতে পেরেছি। এই শিক্ষা, বার্তালাপ ও সংস্কারের ক্রম ভবিষ্যতেও নিরন্তর চলতে থাকবে।
বন্ধুগণ, এই প্রকল্পের পরিধি, তদারকিকে কিভাবে আরও কার্যকর করা যায়, সুবিধাভোগীদের জন্য কিভাবে আরও একে সুগম করে তোলা যায়, হাসপাতালগুলির নানা সমস্যা কিভাবে দূর করা যায়, তা নিয়ে এখানে দু’দিন ধরে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়েছে। উৎকর্ষ থেকে শুরু করে ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা হয়েছে। বিশেষভাবে, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার এই প্রকল্পের আওতায় কিভাবে প্রতিটি পরিবারকে আনা যায়, তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিরা যেভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। এটা আমাদের সকলের দায়িত্ব যে, কঠিন সময়ে হাসপাতালের দরজা দেশের প্রত্যেক গরিব মানুষের জন্য, প্রত্যেক দেশবাসীর জন্য খোলা রাখতে হবে, উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
ভাই ও বোনেরা, আয়ুষ্মান ভারত নতুন ভারতের বিপ্লবী পদক্ষেপগুলির অন্যতম। এই প্রকল্প শুধু সাধারণ মানুষ তথা গরিবদের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে না, এই প্রকল্প ভারতের ১৩০ কোটি মানুষের মিলিত সংকল্প এবং সামর্থ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। একথা এজন্য বলছি যে, আমাদের দেশে গরিবদের সুলভে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের প্রচেষ্টা আগেও হয়েছে। প্রত্যেক রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তাদের সীমিত ক্ষমতার মধ্যে যথাসম্ভব চেষ্টা করেছে। রাজ্যগুলির সমস্ত সদ্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গরিব মানুষরা যথাযথ সুফল পাচ্ছিলেন না, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও তেমন উন্নতি হয়নি। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত এটা প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ভারতের মিলিত শক্তি দিয়ে যদি কোনও কাজ করা যায়, তা হলে তার লাভ এবং ফলাফল অত্যন্ত ব্যাপক ও বিরাট হয়। আয়ুষ্মান ভারত দেশের যে কোনও অঞ্চলের হাসপাতালে যে কোনও রোগীর চিকিৎসা সুনিশ্চিত করে। আগে এটা অসম্ভব ছিল। সেজন্য গত এক বছরে প্রায় ৫০ হাজার সুবিধাভোগী ভিন্ন রাজ্যে গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে উপকৃত হয়েছেন।
ভাই ও বোনেরা, দেশের কোনও মানুষ চিকিৎসার জন্য নিজের বাড়ি, জেলা কিংবা রাজ্য থেকে দূরে যেতে চান না। বাধ্য হয়েই তাঁদের এরকম পদক্ষেপ নিতে হয়। প্রত্যেক নাগরিকের বাড়ির কাছেই যাতে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকে, আয়ুষ্মান ভারত - এর মাধ্যমে প্রতিটি রাজ্য সেই চেষ্টাই করছে। এটা সত্যি যে, দেশের যে অঞ্চলগুলিতে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো রয়েছে, সেই অঞ্চলগুলিতে এখন রোগীর চাপ বেড়েছে। এটা প্রত্যেক ভারতবাসীর দায়িত্ব যে, দেশের কোনও নাগরিক যেন আধুনিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন। আয়ুষ্মান ভারত এই ভাবনাকে আরও জোড়ালো করছে।
বন্ধুগণ, আয়ুষ্মান ভারত গোটা দেশের জন্য মিলিত সমাধানের পাশাপাশি, সুস্থ ভারতের লক্ষ্যে সামগ্রিক সমাধানের একটি প্রকল্প। এটি সরকারের সেই ভাবনার বিস্তার, যার মাধ্যমে আমরা ভারতের বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা বিচ্ছিন্নভাবে না করে পূর্ণ শক্তি নিয়ে সামগ্রিকভাবে করতে চাই। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রসংঘে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একটি কর্মসূচিতে আমার ভারত সম্পর্কে বলার সৌভাগ্য হয়েছিল। আমরা ভারতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে যেভাবে সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ করছি, যে মাত্রায় কাজ করছি – তা বিশ্ববাসীর কাছে একটি বিস্ময়।
ভাই ও বোনেরা, রাষ্ট্রসংঘের সেই কর্মসূচিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা প্রতিনিধিদের আমি বলেছি, কিভাবে আমরা চারটি শক্তিশালী স্তম্ভের ওপর সুস্থ ভারতকে গড়ে তুলছি। প্রথমত – প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিষেবা, দ্বিতীয়ত – সুলভ স্বাস্থ্য পরিষেবা, তৃতীয়ত – সরবরাহ ব্যবস্থায় উন্নতি এবং চতুর্থত – রাষ্ট্রীয় পুষ্টি অভিযানের মতো মিশনমোডে কাজ করার মাধ্যমে।
প্রথম স্তম্ভটির কথা যদি বলি, আজ পরিচ্ছন্নতা, যোগ, আয়ুষ, টিকাকরণ এবং ফিটনেসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে জীবনরেখার সঙ্গে যুক্ত অসুখ-বিসুখ ন্যূনতম করা যায়। শুধু তাই নয়, গৃহপালিত পশুদের মাধ্যমে সংক্রামিত রোগগুলিও মানুষকে বিপদে ফেলে। সেজন্য আমরা পশুদের পা থেকে মুখ অবধি যে সমস্ত রোগ হয়, সেগুলি থেকে ভারতকে মুক্ত করা। অর্থাৎ আমরা পশুদের কথাও ভুলিনি।
দ্বিতীয় স্তম্ভ প্রসঙ্গে আমরা বলেছি, দেশের সাধারণ মানুষকে সুলভে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ভাই ও বোনেরা, এই দুটি স্তম্ভকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনা অত্যন্ত শক্তিশালী করে তুলছে। সারা দেশে দেড় লক্ষেরও বেশি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার নির্মাণের মাধ্যমে এবং প্রতি বছর ৫ লক্ষেরও বেশি বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা আয়ুষ্মান ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
বন্ধুগণ, আয়ুষ্মান ভারত আমাদের তৃতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ সরবরাহ ব্যবস্থার শক্তি বৃদ্ধিরও ভিত্তি হয়ে উঠেছে। আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন সেই গরিব রোগীও হাসপাতালে যাচ্ছেন, যিনি আগে কখনও হাসপাতালের কথা ভাবতেও পারতেন না। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার কথা তো কল্পনাও করতে পারতেন না। আজ পিএমজেএওয়াই পরিষেবা প্রদানকারী ১৮ হাজারেরও বেশি হাসপাতালের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার হাসপাতাল অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি বেসরকারি ক্ষেত্রের হাসপাতাল গরিবদের জন্য তাদের দরজা খুলে দিয়েছে। আগামী দিনে এই অংশীদারিত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।
বন্ধুগণ, যেভাবে চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনই দেশে ছোট শহরগুলিতে আধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আগামী দিনে অনেক নতুন হাসপাতাল গড়ে উঠবে, নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একটি অনুমান অনুযায়ী, আগামী ৫ – ৭ বছরে শুধু আয়ুষ্মান ভারত যোজনার চাহিদা থেকেই প্রায় ১১ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। এটা কত বড় পরিসংখ্যান, তা একটি উদাহরণ থেকে আন্দাজ করা যেতে পারে যে, দেশে একমাত্র রেল-ই এর থেকে বেশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে।
ভাই ও বোনেরা, কর্মসংস্থানের এই সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের নবীন বন্ধুদের প্রশিক্ষিত করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। সেজন্য চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত পরিকাঠামো বিস্তারিত করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী নীতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ভর্তি থেকে শুরু করে সমস্ত নিয়মনীতিতে একটি সিমলেস এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। সারা দেশে ৭৫টি নতুন মেডিকেল কলেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে দেশে নতুন ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন গঠন করা হয়েছে। এর ফলে, নিশ্চিতভাবেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্র অত্যন্ত লাভবান হবে।
ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন দেশের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিস্তারে গতি আনবে, উৎকর্ষ বৃদ্ধি করবে এবং দুর্নীতি হ্রাসে কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে।
বন্ধুগণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে ব্যবহার-বন্ধব এবং ত্রুটিমুক্ত করে তোলার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমাকে বলা হয়েছে যে, এর সঙ্গে যুক্ত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থাকে পিএমজেএওয়াই ২.০ রূপে উন্নত করা হচ্ছে। আজ যে অ্যাপটির উদ্বোধন করা হচ্ছে, তার মাধ্যমে সুফলভোগীরা উপকৃত হবেন। কিন্তু বন্ধুগণ, এই প্রকল্পকে আরও সক্ষম এবং ব্যাপক করে তুলতে আমাদের আরও অনেক বেশি প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হবে। আয়ুষ্মান ভারতের ভিন্ন ভিন্ন উপাদানকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য একটি প্রভাবশালী এবং সুগম ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারগুলি থেকে শুরু করে বড় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত, রোগ নির্ণয়, ‘রেফারেল’ এবং পরবর্তী চিকিৎসার একটি প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যবস্থা আমাদের গড়ে তুলতে হবে। আমাদের সেই অবস্থায় পৌঁছতে হবে, যখন গ্রামের হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারে নিবন্ধীকৃত রোগীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা তথ্য সেই ব্যক্তির রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার কাজে লাগে। এই একই তথ্য বড় হাসপাতালে রেফার করার সময় পরবর্তী চিকিৎসার ক্ষেত্রে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। সেজন্য আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে যে, নতুন প্রজন্মের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
বন্ধুগণ, সেজন্য আজ আমরা যে পিএমজেএওয়াই স্টার্ট আপ গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জ উদ্বোধন করেছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমি দেশের নবীন প্রজন্মকে, বিশেষ করে, তথ্য প্রযুক্তি পেশাদারদের অনুরোধ জানাই যে, এই মানবতার কাজকে আপনারা চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহণ করুন আর আগামী দিনে উন্নত সমাধান নিয়ে আসুন। এর মাধ্যমে সারা দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কর্মরত স্টার্ট আপগুলিকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পগুলির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। আমি দেশের সমস্ত তরুণ শিল্পোদ্যোগী ও উদ্ভাবকদের এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য আরেকবার আমন্ত্রণ জানাই।
ভাই ও বোনেরা, নতুন ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থা নিশ্চিতভাবেই সমগ্র বিশ্বের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে। এক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকবে। দেশের কোটি কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান করে তুলতে আমাদের দায়বদ্ধতা আরও শক্তিশালী হোক, আমাদের প্রত্যেক প্রচেষ্টা সফল হোক – এই আশা নিয়ে আপনাদের সবাইকে হৃদয় থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
CG/SB/SB
(Visitor Counter : 65 |
pib-1062 | 28ed922f3f9c8af0bb3b80a855ed9a2995c47f1153262f8641173b9e2d31468c | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
মন্ত্রিসভা ভারতে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেমের উন্নয়নের জন্য কর্মসূচির অনুমোদন করেছে
ভারতে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেমের জন্য ৭৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে
নতুন দিল্লি, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
আত্মনির্ভর ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে এবং ইলেকট্রনিক সিস্টেম ডিজাইন ও উৎপাদনের জন্য ভারতকে বিশ্বের একটি হাব তৈরি করার উদ্দেশ্যে আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ইকোসিস্টেমের বিকাশের জন্য কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ক্ষেত্রগুলি অনেকটাই প্রশস্ত হবে।
সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে হচ্ছে আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের ভিত্তি। সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং অত্যন্ত জটিল যেখানে বিপুল পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয়। নতুন অনুমোদিত কর্মসূচি মূলধন সহায়তা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে মেনুফেকচারিং ক্ষেত্রকে অনেকটাই উৎসাহিত করবে।
ভারতে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেমের উন্নয়নের জন্য বিস্তৃত পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে।
সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাবস বা এবং ডিসপ্লে ফ্যাবস। এক্ষেত্রে যোগ্য আবেদনকারী দের জন্য প্রকল্পের খরচের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
সেমিকন্ডাক্টর ল্যাবরেটরি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে যে ইলেকট্রনিক্স এমন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের জন্য আধুনিকীকরণ এবং বাণিজ্যিকীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
যৌগিক সেমিকন্ডাক্টর/ সিলিকন ফটোনিক্স/ সেন্সর ফ্যাবস এবং সেমিকন্ডাক্টর এটি এমপি/ ও এস এ টি ইউনিট- যৌগিক সেমিকন্ডাক্টর/ সিলিকন ফটোনিক্স/ সেন্সর সেটআপ করার জন্য ফ্যাবস এবং সেমিকন্ডাক্টর এটি এমপি/ ও এস এ টি ভারতে তৈরির সুবিধা প্রসারিত করতে অনুমোদিত ইউনিটগুলোকে মূলধন ব্যয় ৩০ শতাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন কোম্পানি। সেমিকন্ডাক্টর লিংকড ডিজাইনের জন্য ১০০ টি দেশীয় কোম্পানিকে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনের সহায়তা প্রদান করা হবে।
ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন। একটি ধারাবাহিক সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ইকোসিস্টেম তৈরির জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন স্থাপন করা হবে। এর নেতৃত্বে থাকবে সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে শিল্পের বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেমের উন্নয়নের জন্য ৭৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে।
সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিসপ্লে ইকোসিস্টেমের বিকাশ অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টর জুড়ে প্রভাব ফেলবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
CG/ SB
( |
pib-1069 | d106fb946823be0911fe789eb162e5a35261d8472a9e8ec1cba2e1a85589cdd8 | ben | রেলমন্ত্রক
ভারতীয় রেল শীততাপ নিয়ন্ত্রিত নয় এমন ৫২৩১টি কামরাকে আইসোলেশন কামরায় রূপান্তরিত করেছে
নয়াদিল্লি, ১৯ জুন, ২০২০
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতীয় রেল কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসেবে রেলের কামরাগুলি ব্যবহার করছে। এই কামরাগুলিতে কোভিড সন্দেহভাজন বা আক্রান্তদের রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে, ভারতীয় রেল ৫,২৩১টি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত নয় এমন কামরাকে আইসোলেশন কামরায় রূপান্তরিত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও নীতি আয়োগের পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজ্য সরকারগুলি চাহিদা মতো এই কামরাগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কামরাগুলিতে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন ও স্বাভাবিক আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে, এই কামরাগুলিতে শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা রয়েছে। কোভিড রোগীদের এই কোচগুলিতে স্থানান্তর করার আগে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। এর জন্য কামরাগুলিতে খোলা জানালার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে বাতাস চলাচল করতে পারে। এতে রোগীদের উপকার হবে। এই কোভিড কেয়ার সেন্টারগুলি কেবলমাত্র স্বল্প বা অল্প কোভিড সংক্রামিত রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে।এমনকি তাঁদের সেবা-যত্নেরও যথেষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। কামরায় থাকা কোভিড রোগীদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁদেরকে দ্রুত কোভিড হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থানান্তরিত করার ব্যবস্থা রয়েছে। প্ল্যাটফর্মে যেখানে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে রয়েছে, ট্রেনের শেষে ডফিং-এর সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কোচগুলিতে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকার কারণে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত নয়, এমন কোচগুলিকেই কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসেবে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ এবং নীতি আয়োগের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। তাদের সম্মতির ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কামরার ভেতরে তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মে থাকা কামরাগুলির ওপরে উপযুক্ত আস্তরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে কামরার ভেতরের তাপমাত্রা ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কামরার ভেতরে থাকা বাল্বগুলিতে ফিল্ম দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, কামরার ওপরে ছাদে রঙের প্রলেপও দেওয়া হয়েছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। এর পাশাপাশি, কামরার ভেতরেও রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রেল এই কামরাগুলি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুসারে রাজ্য সরকারগুলিকে পরিষেবা প্রদানের জন্য সরবরাহ করছে। ৫ হাজারেরও বেশি এই ধরনের কোচ সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
(CG/SS/DM |
pib-1070 | 08766b9ec32d9b3014fa2d1f1967e4d986d59045d026870c4d755f577a7dde67_1 | ben | উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
পরিবেশ-বান্ধব ভবন নির্মাণে অর্থ কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের কর ছাড়ের উৎসাহ দেওয়া উচিৎ - উপ-রাষ্ট্রপতি
নয়াদিল্লি, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
উপ-রাষ্ট্রপতি শ্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু আজ অর্থ কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনগুলিকে পরিবেশ-বান্ধব ভবন নির্মাণের জন্য উৎসাহ দিতে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ভবন নির্মাণের জন্য কর ছাড়ের মতো বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া উচিৎ। শ্রী নাইডু সমস্ত রাজ্যগুলিকে পরিবেশ-বান্ধব ভবনের অনুমোদন দেওয়ার জন্য 'এক জানালা' ব্যবস্থার অনলাইন পোর্টাল চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন।
গ্রিন রেটিং ফর ইন্টিগ্রেটেড হ্যাবিট্যাট অ্যাসেসমেন্ট – ‘গৃহ’-এর দ্বাদশ সম্মেলনের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধন করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেছেন, পরিবেশ-বান্ধব ভবন নির্মাণের আন্দোলনে ভারতের নেতৃত্ব দেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। হায়দ্রাবাদে গৃহ কাউন্সিল আয়োজিত এই সম্মেলনে উপ-রাষ্ট্রপতি আরও বলেছেন, বেসরকারি এবং সরকারি - উভয় ক্ষেত্রেরই পরিবেশ-বান্ধব ভবন নির্মাণে উদ্যোগী হওয়া উচিৎ। মানুষের মধ্যে পরিবেশ-বান্ধব ভবনের ধারণা কম থাকায় এ বিষয়ে নিবিড় প্রচারের ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।
ওয়ার্ল্ড গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের তথ্য উদ্ধৃত করে শ্রী নাইডু বলেছেন, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে যে কার্বন নিঃসরণ ঘটে তা গোটা বিশ্বের মোট হিসেবে ৩৯ শতাংশ। এক্ষত্রে এই ধরনের বাড়ি তৈরির কাজে এমন কিছু পদ্ধতি নেওয়া উচিৎ যাতে কার্বন নিঃসরণ কম হয়।
আত্মনির্ভর ভারত অভিযানকে সমস্ত ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বলে উল্লেখ করে শ্রী নাইডু স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন এবং এক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।
গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে বাড়িগুলি সবথেকে বড় উৎস বলে উল্লেখ করে শ্রী নাইডু বলেছেন, পরিবেশ-বান্ধব এবং জ্বালানি ও সম্পদ সাশ্রয়ী উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এক্ষেত্রে উদ্যোগী হতে হবে। বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে তাদের গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশ-বান্ধব উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শ্রী নাইডু বলেছেন, প্রত্যেকটি বাড়ির ক্ষেত্রে পরিবেশ-বান্ধব নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, নতুন বাড়ির পাশাপাশি পুরনো বাড়িগুলিকেও পরিবেশ-বান্ধব করে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমাদের প্রাচীন সভ্যতার মূল্যবোধের কথা উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেছেন, পরিবেশের সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখে থাকার শিক্ষা আমরা আমাদের প্রাচীন সভ্যতা থেকেই পেয়েছি। হাজার হাজার বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা পরিবেশ-বান্ধব বাড়ি তৈরি করতেন অথচ দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে বর্তমান যুগে আমরা সেই পদ্ধতি মেনে চলি না। আজ আমাদের বাড়িতে চড়ুইপাখি বাসা বাঁধতে পারে না।
জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে শ্রী নাইডু অর্থনৈতিক বিকাশ এবং পরিবেশ রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অর্থনীতি এবং বাস্তুতন্ত্র তখনই সহাবস্থান করতে পারে যখন আমরা প্রকৃতিকে সম্মান জানাই।
বর্তমান বছরটিতে কোভিড-১৯ মহামারী এবং বন্যা, খরা সহ বেশ কিছু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শ্রী নাইডু এই বছরটিকে বিপর্যয়ের বছর বলে চিহ্নিত করেছেন। তাই, উন্নয়নের জন্য চিন্তাভাবনার বিষয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে আমাদের নিজেদের জীবদ্দশার পরেও আমরা পৃথিবীর জন্য ইতিবাচক কিছু দিয়ে রাখতে পারি।
২০৫০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক বড় এবং ছোট ছোট শহরে বসবাস করবেন বলে উল্লেখ করে শ্রী নাইডু বলেছেন এর ফলে আবাসন ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব পড়বে। এর জন্য পরিবেশ-বান্ধব বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ছাদ ঠান্ডা করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভারতের ৬০ শতাংশ বাড়ির ছাদ ধাতু, অ্যাসবেসটস এবং কংক্রিটের তৈরি। ফলে, এইসব বাড়িগুলির মধ্যে তাপ আটকে থাকে যার ফলে শহরাঞ্চলগুলি তাপের দ্বীপভূমিতে পরিণত হয়। বাড়ির ছাদ এমনভাবে তৈরি করা উচিৎ যাতে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কম থাকে। এর জন্য বাড়ির ছাদে চাল ব্যবহার করা যেতে পারে যা শহরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের বাড়িগুলিতে এবং বস্তি এলাকার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে উষ্ণায়নও বেড়েছে। তিনি বলেছেন, বাড়ির ছাদ ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করলে বাড়িগুলি ঠান্ডা থাকবে এবং এর ফলে এই ধরনের যন্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমবে। এক্ষেত্রে চুনের মাধ্যমে রং করা, বাড়ির বাইরে প্রতিফলিত আস্তরণ তৈরি করলে সূর্যের তাপ বাড়িতে ঢুকতে পারবে না।
আলো এবং বাতাস যাতে ঘরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ঢুকতে পারে তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শ্রী নাইডু বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে, বাড়ির মধ্যে ভালোভাবে বায়ু চলাচল করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যুরো অফ এনার্জি এফিশিয়েন্সি-র জ্বালানি সংরক্ষণের নীতির কথা উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ এই নীতিগুলি মেনে চলছে। কিন্তু দেশ জুড়ে সর্বত্র একই ধরণের নীতি মেনে চলা হচ্ছে না। তিনি সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে স্থাপত্যবিদ, প্রযুক্তিবিদ, সরকারি আধিকারিক সহ সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া উচিৎ যাতে জ্বালানি সাশ্রয়ী ভবন তৈরি করা যায়।
‘গৃহ' সংস্থাটির কাজের ভূমিকার প্রশংসা করে শ্রী নাইডু বলেছেন, ভারতে পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সংস্থা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিচ্ছে। গৃহ কাউন্সিলের মান নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগেরও তিনি প্রশংসা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপ-রাষ্ট্রপতি গৃহ কাউন্সিলের তিনটি বৈদ্যুতিন প্রকাশনার উদ্বোধন করেছেন। এগুলি হল – ভবন নির্মাণের ওপর ৩০টি কাহিনী, শ্বাশত ম্যাগাজিন এবং কাউন্সিলের ভার্শান ২০১৯ ম্যানুয়াল।
কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী হরদীপ সিং পুরী, গৃহ কাউন্সিলের সভাপতি ডঃ অজয় মাথুর এবং কাউন্সিলের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রী সঞ্জয় শেঠ ভার্চ্যুয়ালি অন্যান্যদের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। |
pib-1073 | 80bd4d976609a30c771cda91cbda9532222c5dd35d8886dda1e54f09b5426c5b | ben | কৃষিমন্ত্রক
লকডাউন চলাকালীন খাদ্যশস্য ও পচনশীল কৃষিজ সামগ্রী সরবরাহে ‘কিষাণ রথ’ মোবাইল অ্যাপের সূচনা করলেন কৃষিমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর
নয়াদিল্লি, ১৭ এপ্রিল, ২০২০
কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র সিং তোমর আজ কৃষি ভবনে কৃষক-বান্ধব মোবাইল অ্যাপ ‘কিষাণ রথ’ – এর সূচনা করেন। কৃষি ও উদ্যানজাত ফসলের সরবরাহের জন্য যানবাহনের অনুসন্ধানে ন্যাশনাল ইনফরম্যাটিকস সেন্টারএই অ্যাপটি তৈরি করেছে। এই অ্যাপের সাহায্যে কৃষি ও পচনশীল পণ্যের বিভিন্ন বাজার, কৃষক উৎপাদক সংগঠনের সংগ্রহ কেন্দ্র এবং মজুত ভান্ডারগুলিতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
এই উপলক্ষে কৃষি মন্ত্রী শ্রী তোমর বলেন, লকডাউন সত্ত্বেও কৃষি কাজ অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশের ভিত্তিতে কৃষি ক্ষেত্রকে বেশ কিছু সুবিধা ও ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফসল কাটা ও বীজ বপণের সময় ‘কিষাণ রথ’ অ্যাপ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রথম পর্যায়ে কৃষিখামার থেকে বাজারে এবং দ্বিতীয় পর্বে বাজার থেকে বিভিন্ন রাজ্যে কৃষিজ পণ্য পরিবহণে সহায়ক হবে। দেশ যখন কোভিড-১৯ সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন এই মোবাইল অ্যাপ কৃষকদের অত্যন্ত সহায়ক হবে।
কৃষিজ পণ্যের পরিবহণ ও যোগান সরবরাহ-শৃঙ্খলের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। লকডাউন চলাকালীন দেশে জটিল এই পরিস্থিতিতে ‘কিষাণ রথ’ মোবাইল অ্যাপ কৃষক, মজুত ভান্ডার, কৃষক উৎপাদন সংগঠন এবং কৃষি বাজারগুলির সঙ্গে সুষ্ঠু ও অবাধ সরবরাহ যোগসূত্র গড়ে তুলবে। একইভাবে, এই অ্যাপ আন্তঃরাজ্য এবং আন্তঃরাজ্য বিক্রেতাদের মধ্যেও যোগসূত্র গড়ে তুলে কৃষিজ পণ্যের সময় মতো সরবরাহ সুনিশ্চিত করে অপচয় কমাতে সাহায্য করবে। এর ফলে, কৃষিজ পণ্য, বিশেষ করে পচনশীল ফসলের ভালো দাম পেতে সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় দুই প্রতিমন্ত্রী শ্রী পুরুষোত্তম রুপালা ও শ্রী কৈলাশ চৌধুরী সহ বিভাগীয় সচিব শ্রী সঞ্জয় আগরওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক, কৃষক উৎপাদক সংগঠন, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য এই অ্যাপের পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে পরিবহণের বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সুবিধার্থে সবধরনের কৃষিজ পণ্য সময় মতো বাজারে পৌঁছে দেওয়া যায়। একইভাবে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে যোগসূত্র গড়ে উঠলে তা পরিবহণ সংক্রান্ত বিষয়গুলির চূড়ান্তকরণেও সমঝোতায় পৌঁছতে সাহায্য করবে। এই ব্যবস্থার ফলে আন্তঃরাজ্য বাজার এবং আন্তঃরাজ্য কৃষিজ পণ্যের ব্যবসা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও শ্রী তোমর অভিমত প্রকাশ করেন। এই মোবাইল অ্যাপ-কে ‘কিষাণ কা আপনা বাহন’ হিসাবে বর্ণনা করে বলেন, কৃষিজ পণ্যের পরিবহণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠলো। প্রাথমিকভাবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে ৮টি আঞ্চলিক ভাষায় এই অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে।
(CG/BD/SB |
pib-1075 | 7b720293bc2254be88e3c48adb29316f1953741c98eb93ed2fff9144b8629ba9 | ben | স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য;
ভারতে আরোগ্য লাভের সংখ্যায় উচ্চ হার অব্যাহত;
মোট সুস্থতার সংখ্যা ৩৭ লক্ষেরও বেশি;
দৈনিক সুস্থতার ৫৮ শতাংশই ৫টি রাজ্য থেকে
নয়াদিল্লি, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ভারতে আরোগ্য লাভের সংখ্যায় উচ্চ হার অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক আরোগ্য লাভের সংখ্যা ৭০ হাজারেরও বেশি। ব্যাপক হারে নমুনা পরীক্ষা, যথাযথ নজরদারি এবং আক্রান্তদের খুঁজে বের করার কৌশল অবলম্বন গ্রহণ করে কার্যকর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আরোপ করে দৈনিক-ভিত্তিতে আরোগ্যলাভের সংখ্যায় এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। একই সঙ্গে উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় রাখার দরুণ সুস্থতার সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৭৮ হাজার ৩৯৯ জন আরোগ্য লাভ করেছেন। এর ফলে, মোট সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭ লক্ষ ২ হাজার ৫৯৫। একইভাবে, সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৭.৮৮ শতাংশ।
দেশে মোট সুস্থতার ৫৮ শতাংশই ৫টি রাজ্য থেকে। এগুলি হ’ল – মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং উত্তর প্রদেশ। সর্বাধিক সংখ্যায় সুস্থতার দিক থেকে মহারাষ্ট্র রাজ্যগুলির মধ্যে সবার উপরে রয়েছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আরোগ্য লাভ করেছেন ১৩ হাজারেরও বেশি। এদিকে অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনেই আরোগ্য লাভের সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি।
অবশ্য, গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৯৪ হাজার ৩৭২ জনের নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলেছে। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজারেরও বেশি। এর পর রয়েছে – অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্ণাটক। এই ২টি রাজ্য থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজারেরও বেশি। উপরোক্ত ৫টি রাজ্য থেকে ৫৭ শতাংশ আক্রান্তের খবর মিলেছে। অবশ্য, এই রাজ্যগুলি থেকে সুস্থতার হার ৫৮ শতাংশ।
দেশে আজ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৭৫।
কেবল মহারাষ্ট্র থেকে নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি। এছাড়াও, কর্ণাটক থেকে ৯৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
দেশে নিশ্চিতভাবে মোট আক্রান্তের ৬০ শতাংশই ৫টি রাজ্য থেকে। শতাংশের বিচারে এই ৫টি রাজ্য হ’ল – মহারাষ্ট্র , কর্ণাটক , অন্ধ্রপ্রদেশ , উত্তর প্রদেশ এবং তামিলনাডু ।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১ হাজার ১১৪ জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে সর্বাধিক ৩৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এরপর, রয়েছে – কর্ণাটক, যেখানে ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং তামিলনাডু’তে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জনের।
|
|
#
|
|
রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নাম
|
|
আক্রান্তের সংখ্যা
|
|
নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা
|
|
মোট সুস্থতার সংখ্যা/হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সংখ্যা/মাইগ্রেটেড ঘটনার সংখ্যা
|
|
মোট মৃত্যু
|
|
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
গতকাল থেকে পরিবর্তন
|
|
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
গতকাল থেকে পরিবর্তন
|
|
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত
|
|
গতকাল থেকে পরিবর্তন
|
|
মোট আক্রান্তের ঘটনা
|
|
882542
|
|
4204613
|
|
4113811
|
|
90802
|
|
3250429
|
|
3180865
|
|
69564
|
|
71642
|
|
70626
|
|
1016
|
|
1
|
|
মহারাষ্ট্র
|
|
236208
|
|
907212
|
|
883862
|
|
23350
|
|
644400
|
|
636574
|
|
7826
|
|
26604
|
|
26276
|
|
328
|
|
2
|
|
অন্ধ্রপ্রদেশ
|
|
99689
|
|
498125
|
|
487331
|
|
10794
|
|
394019
|
|
382104
|
|
11915
|
|
4417
|
|
4347
|
|
70
|
|
3
|
|
কর্ণাটক
|
|
99285
|
|
398551
|
|
389232
|
|
9319
|
|
292873
|
|
283298
|
|
9575
|
|
6393
|
|
6298
|
|
95
|
|
4
|
|
উত্তর প্রদেশ
|
|
61625
|
|
266283
|
|
259765
|
|
6518
|
|
200738
|
|
195959
|
|
4779
|
|
3920
|
|
3843
|
|
77
|
|
5
|
|
তামিলনাডু
|
|
51458
|
|
463480
|
|
457697
|
|
5783
|
|
404186
|
|
398366
|
|
5820
|
|
7836
|
|
7748
|
|
88
|
|
6
|
|
তেলেঙ্গানা
|
|
31635
|
|
142771
|
|
140969
|
|
1802
|
|
110241
|
|
107530
|
|
2711
|
|
895
|
|
886
|
|
9
|
|
7
|
|
আসাম
|
|
28273
|
|
125459
|
|
123922
|
|
1537
|
|
96826
|
|
95063
|
|
1763
|
|
360
|
|
352
|
|
8
|
|
8
|
|
ওডিশা
|
|
27121
|
|
124031
|
|
120221
|
|
3810
|
|
96364
|
|
93774
|
|
2590
|
|
546
|
|
538
|
|
8
|
|
9
|
|
ছত্তিশগড়
|
|
23685
|
|
45263
|
|
43163
|
|
2100
|
|
21198
|
|
20487
|
|
711
|
|
380
|
|
356
|
|
24
|
|
10
|
|
পশ্চিমবঙ্গ
|
|
23218
|
|
180788
|
|
177701
|
|
3087
|
|
154008
|
|
150801
|
|
3207
|
|
3562
|
|
3510
|
|
52
|
|
11
|
|
কেরল
|
|
22743
|
|
87841
|
|
84759
|
|
3082
|
|
64751
|
|
62555
|
|
2196
|
|
347
|
|
337
|
|
10
|
|
12
|
|
দিল্লি
|
|
20909
|
|
191449
|
|
188193
|
|
3256
|
|
165973
|
|
163785
|
|
2188
|
|
4567
|
|
4538
|
|
29
|
|
13
|
|
গুজরাট
|
|
16443
|
|
104179
|
|
102844
|
|
1335
|
|
84631
|
|
83419
|
|
1212
|
|
3105
|
|
3091
|
|
14
|
|
14
|
|
বিহার
|
|
16426
|
|
147661
|
|
145832
|
|
1829
|
|
130485
|
|
128503
|
|
1982
|
|
750
|
|
735
|
|
15
|
|
15
|
|
পাঞ্জাব
|
|
16156
|
|
63473
|
|
61527
|
|
1946
|
|
45455
|
|
43849
|
|
1606
|
|
1862
|
|
1808
|
|
54
|
|
16
|
|
মধ্যপ্রদেশ
|
|
16115
|
|
73574
|
|
71880
|
|
1694
|
|
55887
|
|
54649
|
|
1238
|
|
1572
|
|
1543
|
|
29
|
|
17
|
|
হরিয়ানা
|
|
15692
|
|
76549
|
|
74272
|
|
2277
|
|
60051
|
|
58580
|
|
1471
|
|
806
|
|
781
|
|
25
|
|
18
|
|
রাজস্থান
|
|
14958
|
|
90956
|
|
89363
|
|
1593
|
|
74861
|
|
73245
|
|
1616
|
|
1137
|
|
1122
|
|
15
|
|
19
|
|
ঝাড়খন্ড
|
|
14410
|
|
51063
|
|
49797
|
|
1266
|
|
36184
|
|
34330
|
|
1854
|
|
469
|
|
462
|
|
7
|
|
20
|
|
জম্মু ও কাশ্মীর
|
|
10446
|
|
43557
|
|
42241
|
|
1316
|
|
32327
|
|
31924
|
|
403
|
|
784
|
|
770
|
|
14
|
|
21
|
|
উত্তরাখন্ড
|
|
7640
|
|
24629
|
|
23961
|
|
668
|
|
16648
|
|
16056
|
|
592
|
|
341
|
|
330
|
|
11
|
|
22
|
|
ত্রিপুরা
|
|
6311
|
|
15508
|
|
15109
|
|
399
|
|
9048
|
|
8745
|
|
303
|
|
149
|
|
144
|
|
5
|
|
23
|
|
পুদুচেরী
|
|
5086
|
|
17032
|
|
16566
|
|
466
|
|
11632
|
|
11107
|
|
525
|
|
314
|
|
298
|
|
16
|
|
24
|
|
গোয়া
|
|
4754
|
|
20829
|
|
20455
|
|
374
|
|
15839
|
|
15281
|
|
558
|
|
236
|
|
229
|
|
7
|
|
25
|
|
চন্ডীগড়
|
|
2253
|
|
5763
|
|
5502
|
|
261
|
|
3439
|
|
3290
|
|
149
|
|
71
|
|
69
|
|
2
|
|
26
|
|
হিমাচল প্রদেশ
|
|
2176
|
|
7415
|
|
7018
|
|
397
|
|
5184
|
|
4986
|
|
198
|
|
55
|
|
54
|
|
1
|
|
27
|
|
মণিপুর
|
|
1820
|
|
7022
|
|
6883
|
|
139
|
|
5164
|
|
4975
|
|
189
|
|
38
|
|
36
|
|
2
|
|
28
|
|
অরুণাচল প্রদেশ
|
|
1520
|
|
5000
|
|
4914
|
|
86
|
|
3472
|
|
3381
|
|
91
|
|
8
|
|
8
|
|
0
|
|
29
|
|
মেঘালয়
|
|
1433
|
|
3005
|
|
2916
|
|
89
|
|
1556
|
|
1527
|
|
29
|
|
16
|
|
15
|
|
1
|
|
30
|
|
লাদাখ
|
|
850
|
|
3036
|
|
2996
|
|
40
|
|
2151
|
|
2127
|
|
24
|
|
35
|
|
35
|
|
0
|
|
31
|
|
নাগাল্যান্ড
|
|
657
|
|
4178
|
|
4128
|
|
50
|
|
3511
|
|
3392
|
|
119
|
|
10
|
|
10
|
|
0
|
|
32
|
|
সিকিম
|
|
534
|
|
1910
|
|
1901
|
|
9
|
|
1371
|
|
1347
|
|
24
|
|
5
|
|
5
|
|
0
|
|
33
|
|
মিজোরাম
|
|
380
|
|
1114
|
|
1062
|
|
52
|
|
734
|
|
718
|
|
16
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
34
|
|
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ
|
|
331
|
|
3332
|
|
3292
|
|
40
|
|
2951
|
|
2904
|
|
47
|
|
50
|
|
50
|
|
0
|
|
35
|
|
দমন ও দিউ এবং দাদরা ও নগরহাভেলী
|
|
302
|
|
2575
|
|
2537
|
|
38
|
|
2271
|
|
2234
|
|
37
|
|
2
|
|
2
|
|
0
|
|
36
|
|
লক্ষাদ্বীপ
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
|
|
0
CG/BD/SB
( |
pib-1077 | 01967a7f71bdd2e2ccb826a9a4b379d58af9ad4b65302c29e2c3cc44cec0aefb | ben | রেলমন্ত্রক
ঘূর্ণিঝড় তৌকতে’র মোকাবিলায় রেলের পদক্ষেপ
নতুন দিল্লি, ১৭ মে, ২০২১
ঘূর্ণিঝড় তৌকতে’র মোকাবিলায় রেল সমস্ত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দক্ষিণ, দক্ষিণ পশ্চিম, কঙ্কন, মধ্য ও পশ্চিম রেলের অন্তর্গত সমস্ত রেল স্টেশনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে। আঞ্চলিক ও ডিভিশনাল কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে যে কোনোরকম পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিকল্পনাও করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ট্রেন, চিকিৎসা সহায়তাকারী ভ্যান ও টাওয়ার ওয়াগানের মতো রেলের সমস্ত জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সময় সুরক্ষিত নয় এমন জায়গাগুলির ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। ঝড়ের গতিবেগের ওপর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্দেশ অনুযায়ী ট্রেন চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এমনকি আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে স্বল্প দূরত্বের এবং দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ট্রেনগুলি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। গত ১৪ মে থেকে একটি বিপর্যয় মোকাবিলা গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে এবং তার কাজ শুরু হয়েছে।
গোয়া বন্দর, ভিএসজি এবং অন্যান্য স্টেশনগুলিতে এই ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে যথাযথ প্রচার চালানো হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বেশি হলে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হবে বলেও ঘোষণা করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা অনুসারে বন্দরগুলিতে রেল রেকে মাল বোঝাও খালি করার কাজ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ রেল সেতুগুলির ওপর প্রতি নিয়ত নজরদারি চালাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী মজুত করে রাখা হয়েছে। রেল দপ্তর প্রতি নিয়ত রাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি রোধে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর নির্দেশ অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে আগে থেকে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী সময়ে রেল চলাচলের ক্ষেত্রে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
CG/SS/SKD/
(Visitor Counter : 99 |
pib-1084 | 5e5e87e12c0bdad3173ab5c666e846426b9b87f4b2a8707cd4fac3a0d82ba315_2 | ben | ক্রেতা, খাদ্যএবংগণবন্টনমন্ত্রক
অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত খেলনা প্রস্তুতকারকদের ৬৩০টি লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস
নতুন দিল্লি, ৬ এপ্রিল, ২০২২
চলতি বছরের ২৮-শে মার্চ পর্যন্ত অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত খেলনা প্রস্তুতকারকদের ৬৩০টি লাইসেন্স মঞ্জুর করেছে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস । লোকসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবন্টন প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে ।
দেশীয় খেলনা প্রস্তুতকারকদের বিআইএস ৬৬১টি লাইসেন্স দিয়েছে। তার মধ্যে ৬৩০টি লাইসেন্সই দেওয়া হয়েছে অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত খেলনা প্রস্তুতকারকদের ।
২০১৬ সালের বিআইএস আইনের ১৬ নম্বর ধারার আওতায় কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক -এর জারি করা খেলনা নির্দেশ ২০২০ অনুসারে পয়লা জানুয়ারি ২০২১ সাল থেকে বিআইএস শংসাপত্রের অধীনে খেলনার বিষয়ে সুরক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।
সেই অনুসারে খেলনার বিষয়ে সুরক্ষার জন্য ভারতীয় মানদণ্ডগুলি মেনে চলা এবং ২০১৮ সালের বিআইএস আইনের ২ নম্বর তফসিলের আওতাধীন এক নম্বর প্রকল্প অনুসারে বিআইএস-এর লাইসেন্সের অধীনে খেলনায় স্টান্ডার্ড মার্ক দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে । এই আইএসআই মার্ক ছাড়া কোনো খেলনা তৈরি, আমদানি, বন্টন, বিক্রি, সংগ্রহ বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা যাবে না । খুচরো বিক্রেতা সহ সকল বিক্রেতারা শুধুমাত্র এই স্ট্যান্ডার্ড মার্ক দেওয়া খেলনাগুলি বৈধ বিআইএস লাইসেন্সধারী খেলনা প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে কিনতে এবং তা বিক্রি করতে পারবেন ।
CG/SS/RAB
(Visitor Counter : 107 |
pib-1086 | ae70d944b2e49607bc0a52c0e47c03c0048049c53a2e742f7fe8974985495476 | ben | স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণের সংখ্যা ১৮১ কোটি ২১ লক্ষ ছাড়িয়েছে
১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের ১৭ লক্ষের বেশি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে
দেশে সুস্পষ্ট ভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আজ দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ২৪০, যা মোট আক্রান্তের ০.০৬ শতাংশ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬১
জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৮.৭৪ শতাংশ
সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার বর্তমানে ০.৪১ শতাংশ
নতুন দিল্লি, ২০ মার্চ, ২০২২
দেশে মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৮১ কোটি ২১ লক্ষ ১১ হাজার ৬৭৫। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের কোভিড-১৯ টিকাকরণ গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই বয়সী শিশুদের ১৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬৪টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে।
আজ সকাল ৭-টা পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী মোট টিকাকরণের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:
|
|
স্বাস্থ্যকর্মী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১,০৪,০৩,০৩৬
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৯৯,৯০,৩৭৭
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
৪৩,৫৮,২৮২
|
|
অগ্রভাগে থাকা করোনা-যোদ্ধা
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১,৮৪,১২,১৫০
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১,৭৪,৮৮,৫০৬
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
৬৬,৬৩,৭৬৮
|
|
১২-১৪ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১৭,৩৬,৪৬৪
|
|
১৫-১৮ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
৫,৬২,০৩,৫৮১
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৩,৫৪,৮১,৭৯২
|
|
১৮-৪৪ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
৫৫,৩৭,৭৭,২৪৯
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
৪৫,৯৪,০৫,৪২১
|
|
৪৫-৫৯ বছর বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
২০,২৬,১১,০৩১
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১৮,৩৭,৬৬,০৩৪
|
|
৬০ বছরের বেশি বয়সী
|
|
প্রথম ডোজ
|
|
১২,৬৬,৪২,৩৫৪
|
|
দ্বিতীয় ডোজ
|
|
১১,৪৪,৬০,১৭৮
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
১,০৭,১১,৪৫২
|
|
প্রিকশন ডোজ
|
|
২,১৭,৩৩,৫০২
|
|
মোট
|
|
১,৮১,২১,১১,৬৭৫
দেশে সুস্পষ্ট ভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আজ দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ২৪০, যা মোট আক্রান্তের ০.০৬ শতাংশ।
একই ভাবে জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার ৯৮.৭৪ শতাংশ।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৯৬ জন। এরফলে, মহামারী শুরুর সময় থেকে মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ৬৫ হাজার ১২২।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭৬১।
দেশে নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ লক্ষ ৩১ হাজার ৯৭৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৭৮ কোটি ২৬ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৫৮।
দেশে একদিকে যখন নমুনা পরীক্ষার হার লাগাতার বেড়েছে, অন্যদিকে তখন সাপ্তাহিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার বর্তমানে ০.৪১ শতাংশ। একইভাবে, দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের হার ০.৪১ শতাংশ।
(CG/BD/AS/ |
pib-1092 | 488a2ded0754503bc356723c55db439f5ca25e5b1c77e437f89dc402e4e8199c_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে ভগবান মহাবীরের শিক্ষা স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
নয়াদিল্লি, ৪ এপ্রিল,২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে ভগবান মহাবীরকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভগবান মহাবীর আমাদের সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছেন।
এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন :
“আজ এক বিশেষ দিন। আমরা আজ ভগবান মহাবীরের বিশেষ শিক্ষা স্মরণ করছি। তিনি আমাদের শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে উন্নত সমাজ গঠনের পথ দেখিয়েছেন। তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সর্বদাই দেশের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জনগণের জীবনে সদর্থক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করতে পারি।”
PG/PM/DM/
( |
pib-1094 | 661a0bc0b83445daf33e4094bd6440cce72f513af4f082f4b75522ef2aec100a | ben | কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
ভিন্নভাবে সক্ষমদের কল্যাণে সহযোগিতার জন্য ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রটিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
নয়াদিল্লি, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভিন্নভাবে সক্ষমদের কল্যাণে সহযোগিতার জন্য ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমঝোতাপত্র অনুসারে ভিন্নভাবে সক্ষমদের ক্ষমতায়ণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুটি দেশ একে অপরকে সহায়তা করবে। এর ফলে দুই দেশের ভিন্নভাবে সক্ষম এবং প্রবীণ নাগরিকদের জীবনযাত্রায় সহায়ক বিভিন্ন যন্ত্রপাতির গবেষণা এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।
ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে দীর্ঘদিনের এক ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। মহাত্মা গান্ধী ১০০ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণ বৈষম্য প্রতিরোধ আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্তরে সমর্থনের জন্য ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯৩ সালে উভয় দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ব্রিকস, আইবিএসএ সহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক ফোরামে দুটি দেশ একযোগে কাজ করেছে। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার পাশাপাশি, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুটি দেশের মধ্যে সহয়োগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। ভিন্নভাবে সক্ষমদের ক্ষমতায়ণে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতাপত্রটি দু-দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তুলবে।
PG/CB/NS
( |
pib-1095 | dbb59f41b9084005a0d688e86e4e7b70bb197eaee79f0bbaac0a1b6bb1548903_3 | ben | জলশক্তি মন্ত্রক
স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ গ্রামীণ-২০২১ কর্মসূচির ৯ সেপ্টেম্বর সূচনা হচ্ছে
সারা দেশের ৬৯৮ টি জেলার ১৭,৪৭৫ টি গ্রামকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে
নতুন দিল্লি, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের অধীনে স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ গ্রামীণ- ২০২১ কর্মসূচি আগামীকাল ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। 'আজাদী কা অমৃত মহোৎসব'-এর অঙ্গ হিসেবে স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ গ্রামীণ কর্মসূচি মাধ্যমে দেশে খোলা স্থানে মলত্যাগ বা ওপেন ডেফিকেশন ফ্রী বন্ধ করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা হবে। এই সর্বক্ষণের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল নিযুক্ত করা হয়েছে।
সর্বেক্ষণের মাধ্যমে গ্রাম, জেলা এবং রাজ্যগুলির মধ্যে স্হান নির্বাচন করা হবে।
স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ গ্রামীণ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৯৮ টি জেলার ১৭,৪৭৫ টি গ্রামকে নিয়ে আসা হবে। সর্বেক্ষণ করতে যাওয়া প্রতিনিধি দল সারাদেশে বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, হাট-বাজার, ধর্মীয় স্থান মিলিয়ে ৮৭ হাজার ২৫০ টি স্থানে যাবে। এর পাশাপাশি ১,৭৪,৭৫০ টি পরিবারের কাছ থেকে তাঁদের মতামত নেওয়া হবে।
CG/ SB
(Visitor Counter : 159 |
pib-1096 | 87b504ebf691bde0067742cc921ff9edf3be3c17acf737f32a9105cdd62caf66_1 | ben | মহাকাশদপ্তর
ভারতের প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত রকেট বিক্রম-সাবঅর্বিটাল -কে সাফল্যের সঙ্গে মহাকাশে পাঠিয়ে ইতিহাস রচনা করলো ইসরো
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, পারমানবিক শক্তি এবং মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় উপস্থিত থেকে এই স্মরণীয় ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন। তিনি একে ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক নতুন সূচনা এবং ভারতের স্টার্টআপ আন্দোলনে এক সন্ধিক্ষণ বলে বর্ণনা করেছেন
নয়াদিল্লি, ১৮ নভেম্বর, ২০২২
ভারতের প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত রকেট সাফল্যের সঙ্গে মহাকাশে উৎক্ষেপণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেছেন, “ধন্যবাদ ভারত। ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে ধন্যবাদ, মহাকাশ ক্ষেত্রকে সরকারি-বেসরকারি অংশগ্রহণের ক্ষেত্র হিসেবে খুলে দেওয়ার জন্য। ভারতের স্টার্টআপ আন্দোলনের সন্ধিক্ষণ। ইসরো-কে সাধুবাদ। তার সজ্জিত টুপিতে একটি নতুন পালক সংযোজিত হওয়ায়।” তিনি আজ ওই উৎক্ষেপণ স্থলে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালে মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য খুলে দেওয়ার পর ইসরোর যাত্রাপথে এটা এক গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক।
ইসরো বলেছে, “মিশন প্রারম্ভ সাফল্যের সঙ্গে সম্পাদন করা হয়েছে।” অন্যদিকে স্কাইরুট অ্যারোস্পেস বলেছে, “ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট হিসেবে বিক্রম-এস আকাশকে রাঙিয়ে তোলে।”
ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম-সাবঅর্বিটাল -কে সাফল্যের সঙ্গে মহাকাশে পাঠিয়ে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো আজ ইতিহাস রচনা করলো।
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, পারমানবিক শক্তি এবং মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় উপস্থিত থেকে এই স্মরণীয় ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।
প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম-এস-কে মহাকাশে পাঠানোয় টিম ইসরো ভারতীয় মহাকাশ প্রযুক্তি স্টার্টআপ স্কাইরুট অ্যারোস্পেসকে সংক্ষিপ্ত অভিনন্দন বার্তায় ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী’র নেতৃত্বে এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক! ভারতীয় স্টার্টআপগুলির জন্য এক সন্ধিক্ষণ এবং ইসরোর ক্ষেত্রে এক নতুন সূচনা।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন, ইসরোর গরিমাময় মহাকাশ যাত্রাপথে একটি নতুন সাফল্য সংযোজিত হল। ভারতে স্বাধীনতার ৭৫ বছরের ইতিহাসে এটি এক নতুন মাইল ফলক। মন্ত্রী বলেন, এই উৎক্ষেপন বিশ্বের মহাকাশ শক্তির ক্ষেত্রে ভারতকে অগ্রবর্তী স্থান করে দিল এবং অনেক উচ্চাকাঙ্খী দেশ ভারতের এই দক্ষতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারি উদ্যোগের কাছে উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টিকে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক বলে অভিহিত করেন।
জীতেন্দ্র সিং আরও জানান, বিক্রম এস একটি একক পর্যায়ের জ্বালানী রকেট এবং আগামী বছর বিক্রম ওয়ান উৎক্ষেপনের আগে স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের এই প্রকল্প সমস্ত পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়াকে পরীক্ষামূলকভাবে অনেকটা এগিয়ে রাখলো। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ ৮১.৫ কিলোমিটার উচ্চতায় যাওয়ার পর তা বাঁক নিয়ে সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত হয় এবং ৩০০ সেকেন্ডের মধ্যেই এই সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং জানান, স্কাইরুট প্রথম স্টার্টআপ হিসেবে ইসরোর সঙ্গে এই রকেট উৎক্ষেপনের ব্যাপারে সমঝোতাপত্র সাক্ষর করে। তিনি বলেন, দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট উৎক্ষেপন ছাড়াও স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের ক্ষেত্রে এটা এক প্রথম প্রয়াস এবং এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রারম্ভ।’
ইসরো এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে মিশন প্রারম্ভকে সাফল্যের সঙ্গে সম্পাদন করা হয়েছে। অন্যদিকে স্কাইরুট অ্যারোস্পেস বলেছে, ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে মহাকাশে উৎক্ষেপনে বিক্রম এস ইতিহাস রচনা করলো। মহাকাশে এটি তিনটি পে-লোড নিয়ে যায়। এর একটি বিদেশী গ্রাহকের।
পরে সাংবাদিক সম্মেলনে ডঃ জীতেন্দ্র সিং একে ভারতের ক্ষেত্রে এক উচ্চাকাঙ্খী স্বপ্নপূরণ বলে আখ্যা দেন। তিনি আরও বলেন, ইসরোর প্রথম চেয়ারম্যান এবং ভারতের প্রথম মহাকাশ কর্মসূচির প্রতিষ্ঠাতা জনক ডঃ বিক্রম সারাভাই প্রাথমিক পর্যায়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা আজ এক সাফল্যের উজ্জ্বল নজির গড়ল।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন, ডঃ বিক্রম সারাভাই সবসময় বলতেন “জাতীয়ভাবে” ইসরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮ বছরে সেই স্বপ্ন প্রমাণিত হল। তিনি বলেন, ভারতের যুব প্রতিভা তাদের দক্ষতা, আকাঙ্খা এবং শক্তি প্রদর্শনের এক নতুন উৎসমুখ খুঁজে পেয়েছে। তিনি বলেন, ভারত সব সময় প্রতিভার আধার এবং বৃহৎ স্বপ্নদর্শী। তবে নরেন্দ্র মোদী তাঁকে এক চূড়ান্ত রূপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, মহাকাশ ক্ষেত্রে সংস্কার স্টার্টআপগুলির জন্য উদ্ভাবনী দক্ষতা প্রদর্শনের জায়গা খুলে দিয়েছে এবং গত ৩-৪ বছরে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই বেশ কয়েকটি মহাকাশ স্টার্টআপ তৈরি হয়েছিল। তবে মহাকাশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ন্যানো স্যাটেলাইট, উৎক্ষেপন যান এবং গবেষণার মতো দক্ষতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আজ ১০২টি স্টার্টআপ সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে ভারতের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন দক্ষতা এবং বহুকাঙ্খিত আমাদের স্টার্টআপ ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা বিশ্বের স্বীকৃতি লাভ করেছে। সারা বিশ্ব ভারতের দিকে এখন অনুপ্রেরণার ক্ষেত্র হিসেবে তাকিয়ে রয়েছে। কারন ভারত উদীয়মান দেশগুলিকে উপগ্রহ নির্মাণ, ন্যানো স্যাটেলাইট এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে বলে তিনি জানান।
(PG/AB/NS |
pib-1097 | 92cf4c2e462711241f026f539ae419b183174e4c4c9309fb66d4b2fb5692e128 | ben | জলশক্তি মন্ত্রক
এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে সেরা ট্যাবলোর পুরস্কার পেল জল জীবন মিশন ট্যাবলো
নয়াদিল্লি, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০
জল শক্তি মন্ত্রকের ‘জল জীবন মিশন’ বিষয়ক অসাধারণ ট্যাবলোটি এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে সেরা ট্যাবলোর পুরস্কার জিতে নিয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ট্যাবলোটিও সেরা ট্যাবলোর পুরস্কার পেয়েছে। জল শক্তি মন্ত্রকের ট্যাবলো্তে জল জীবন মিশনে গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে ২০২৪ সাল নাগাদ পাইপবাহিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিং আজ এখানে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জল জীবন মিশন ট্যাবলোটিকে সেরার স্বীকৃতি প্রদান করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, জল শক্তি মন্ত্রকের এই ট্যাবলোতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি বাড়িতে পাইপবাহিত জল সরবরাহের যে পরিকল্পনা রয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে। এই কারণে এবারের কুচকাওয়াজে মন্ত্রকের এই ট্যাবলোটি অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গত বছর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে ২০২৪ সালের মধ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাইপবাহিত বিশুদ্ধ জল পৌঁছে দিতে ‘জল জীবন মিশন’-এর সূচনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। বর্তমানে দেশে ১৭ কোটি ৮০ লক্ষ গ্রামীণ পরিবারের মধ্যে মাত্র ৩ কোটি ৩০ লক্ষ পরিবারে পাইপবাহিত জল সংযোগের সুবিধা রয়েছে। বাকি ১৪ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রামীণ পরিবারে ২০২৪ নাগাদ পাইপবাহিত বিশুদ্ধ জল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
জল শক্তি মন্ত্রকের ঐ ট্যাবলোতে সামনের দিকে ছিল একটি বৃহদাকার ধাতু নির্মিত জলের কল এবং ধাতু নির্মিত একটি পাত্র যা, লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবারগুলির জলের চাহিদার বিষয়টিকেই প্রতিফলিত করে। ট্যাবলোর মাঝখানে জল জীবন মিশনের আওতায় উপকৃত গ্রামীণ পরিবারগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে একটি পরিবার রান্নাঘর, শৌচালয় ও অন্যত্র পাইপবাহিত জলের সুবিধা পাচ্ছে।
CG/BD/DM
(Visitor Counter : 79 |
pib-1098 | c092a579bdd44583c1c584bfe977b05298b3935de46963f7cb294a902f23e9f2_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মিরাটে মেজর ধ্যানচাঁদ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন
নতুন দিল্লি, ০২ জানুয়ারি, ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশের মিরাটে মেজর ধ্যানচাঁদ ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে উঠবে। এখানে কৃত্রিম হকি মাঠ, ফুটবল মাঠ, বাস্কেটবল/ ভলিবল/ হ্যান্ডবল/ কবাডি মাঠ, লন টেনিস কোর্ট, জিমনেসিয়াম সহ আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামো থাকবে। এছাড়াও হল, সিন্থেটিক রানিং স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, সাইকেল ভেলোড্রোমেরও ব্যবস্থা থাকছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্যুটিং, স্কোয়াশ, জিমন্যাস্টিকস, ভারোত্তোলন, তীরন্দাজি, নৌকাবাইচের জন্য অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থাকবে। এখানে ৫৪০ জন মহিলা ও ৫৪০ জন পুরুষ ক্রীড়াবিদ সহ মোট ১ হাজার ৮০ জন খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।
সমাবেশের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন ভারতে এক নতুন দিক নির্দেশের ক্ষেত্রে মিরাট এবং সংলগ্ন অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মানুষ দেশ রক্ষার জন্য সীমান্তে আত্ম বলিদান দিয়েছেন এবং খেলার মাঠে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন। তিনি জানান, এই অঞ্চল দেশপ্রেমের শিখাতে সমুজ্জ্বল রয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “ভারতীয় ইতিহাসে, মিরাট কেবল একটি শহর নয়, বরং সংস্কৃতি ও শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল”। স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর নির্মিত সংগ্রহশালা, অমর জওয়ান জ্যোতি এবং বাবা অঘর নাথজী’র মন্দিরের বিষয়ে তাঁর উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী ভাষণে মেজর ধ্যানচাঁদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে কেন্দ্রীয় সরকার এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নামে দেশের বৃহত্তম ক্রীড়া পুরস্কারের নামকরণ করেছে। তাই মিরাটের এই ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় মেজর ধ্যানচাঁদের নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের নীতি পরিবর্তনের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আগে এখানে অপরাধী এবং মাফিয়াদের খেলা চলতো। তিনি পূর্বের অবৈধ দখলদারি, মেয়েদের হেনস্থা-হয়রানির কথাও স্মরণ করেন। শ্রী মোদী বলেন, আগে এখানকার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। কিন্তু এখন সব কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি যোগী সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন এই ধরনের অপরাধীদের মধ্যে আইনের ভয় ঢুকেছে। এই পরিবর্তন সারা দেশের জন্য সুখ্যাতি বয়ে এনেছে। মেয়েদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুব সম্প্রদায় হলো নতুন ভারতে ভিত্তি। যুব সমাজ নতুন ভারতের রূপকার। শ্রী মোদী বলেন, দেশের তরুণদের মধ্যে আজ পরম্পরাগত ঐতিহ্য রয়েছে, এবং আধুনিকতার বোধও রয়েছে। আর তাই তরুণরা যে দিকে এগোবে, ভারতও সেদিকে এগোবে। আর ভারত যেদিকে এগিয়ে যাবে, বিশ্বও সেদিকে এগোতে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী গত কয়েক বছরে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার ভারতীয় খেলোয়াড়দের চারটি বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দয়েছে। এগুলি হলো - অর্থ উপার্জনের উপায়, প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক সুবিধা, আন্তর্জাতিক পরিচিত এবং খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দেশে ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নতির জন্য তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতি আস্থা রাখতেই হবে। তিনি বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে। শ্রী মোদী বলেন, “এটা আমার সংকল্প এবং আমার স্বপ্নও ! আমি চাই আমাদের তরুণরা খেলাধুলাকে অন্যান্য পেশার মতো দেখুক”। সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। টার্গেট অলিম্পিক পডিয়াম-এর মতো প্রকল্পগুলি শীর্ষ ক্রীড়াবিদদের সর্বোচ্চ স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য সমস্তরকমের সহায়তা প্রদান করেছে। খেলো ইন্ডিয়া অভিযান খুব তাড়াতাড়ি প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পারদর্শী হয়ে ওঠার জন্য সমস্তরকমের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। অলিম্পিক এবং প্যারা-অলিম্পিকে ভারতের সাম্প্রতিক ক্রীড়া দক্ষতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, খেলাধুলার ক্ষেত্রে এ এক নতুন ভারতের উত্থান। গ্রাম এবং ছোট শহরগুলিতে ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরেও ক্রীড়াবিদদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে খেলাধুলাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াক্ষেত্রকে এখন বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা অন্যান্য পড়াশোনার মতো একই বিভাগে রাখা হয়েছে। আগে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু এখন বিদ্যালয়ে এটি পাঠ্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত ক্রীড়া ইকো ব্যবস্থাপনা নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এটি সমাজের বিশ্বাস তৈরি করেছে যে, খেলাধুলার দিকে অগ্রসর হওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত। মিরাটের ক্রীড়া সংস্কৃতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই শহরটি ১০০টিরও বেশি দেশে ক্রীড়া সামগ্রী রপ্তানি করে থাকে। তিনি বলেন, মিটার শুধুমাত্র ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নয়, বিশ্ব পর্যায়ে দেশের নাম তুলে ধরেছে। তিনি ক্রীড়া ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, উত্তরপ্রদেশে ডাবল ইঞ্জিন সরকার অনেকগুলি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। গোরখপুরের মহাযোগী গুরু গোরক্ষনাথ আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয়, প্রয়াগরাজের ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ আইন বিশ্ববিদ্যালয়, লক্ষ্ণৌয়ের স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ ফরেন্সিক সায়েন্সেস, আলিগড়ে রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিং রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়, সাহারানপুরের মা শকুম্বরী বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিরাটের মেজর ধ্যানচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, “আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার। তরুণদের শুধু রোল মডেল হওয়া উচিত নয়, তাদের রোল মডেলকেও চিনতে হবে”।
প্রধানমন্ত্রী জানান যে, স্বামীত্ব প্রকল্পের আওতায় উত্তরপ্রদেশের ৭৫টি জেলায় ২৩ লক্ষেরও বেশি মানুষকে জমির অধিকার দেওয়া হয়েছে। ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি’-এর আওতায় রাজ্যের কৃষকরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা পেয়েছেন। আখ চাষীদের রেকর্ড অর্থ প্রদানের ফলে রাজ্যের কৃষকরাও উপকৃত হয়েছেন। শ্রী মোদী বলেন, একইভাবে উত্তরপ্রদেশ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার ইথানল কেনা হয়েছে।
সরকারের ভূমিকা অভিভাবকের মতো বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। যুবদের জন্য রেকর্ড সংখ্যক সরকারি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান উত্তরপ্রদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইটিআই থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া হাজার হাজার যুবক এখন বড় বড় সংস্থায় চাকরি করছেন। তিনি আরও জানান যে, লক্ষ লক্ষ যুবক জাতীয় শিক্ষানবিশ প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা থেকে উপকৃত হয়েছেন। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে, রিজিওনাল ব়্যাপিড রেল ট্রানজিট সিস্টেম এবং মেট্রো সংযোগের মাধ্যমে মিরাট এখন যোগাযোগ ক্ষেত্রে হাব হয়ে উঠেছে বলেও তিনি জানান।
CG/SS/SKD/
( |
pib-1099 | 3f758baf9a2c158b46c2a793a30f998582b728adf894cbe112f9ba7d4bf1e76f | ben | স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
কোভিড-১৯ প্রতিরোধের যাত্রাপথে ভারতের আরও একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক – দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ মাস পর কমে ১৮ হাজার ৭৩২
১৭০ দিন পর সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে ২.৭৮ লক্ষ
নয়াদিল্লি, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
বিশ্বব্যাপী মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে।
৬ মাস পর দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমে ১৯ হাজারের কম হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে আরও ১৮ হাজার ৭৩২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত পয়লা জুলাই একদিনেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৬৫৩।
ভারতে আজ সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৯০। এই সংখ্যায় ১৭০ দিন পর সর্বনিম্ন। গত ১০ই জুলাই আক্রান্তের এই সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৮২।
দেশে সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় লাগাতার নিম্নমুখী অব্যাহত রয়েছে। ভারতে বর্তমানে মোট আক্রান্তের কেবল ২.৭৪ শতাংশই সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্ত।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ২১ হাজার ৪৩০ জন সুস্থ হয়েছেন। এর ফলে, সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও ২ হাজার ৯৭৭ জন কমেছে।
দেশে মোট সুস্থতার সংখ্যা ৯৭ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৩৮। সুস্থতার সংখ্যা এবং সুস্পষ্টভাবে আক্রান্তের সংখ্যার মধ্যে ফারাক ক্রমশ বাড়ছে। এই ফারাক আরও বেড়ে হয়েছে ৯৪ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৪৮।
দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেশে আজ সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৫.৮২ শতাংশ। সুস্থতার সংখ্যা লাগাতার বাড়তে থাকায় সুস্থতার হারও ক্রমাগত বাড়ছে। দৈনিক-ভিত্তিতে আরোগ্য লাভকারীদের ৭২.৩৭ শতাংশই ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। কেরলে একদিনেই নতুন করে ৩ হাজার ৭৮২ জন সুস্থ হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে সুস্থতার সংখ্যা ১ হাজার ৮৬১। ছত্তিশগড়ে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৪ জন।
দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তদের ৭৬.৫২ শতাংশই ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। গত ২৪ ঘন্টায় কেরলে সর্বাধিক ৩ হাজার ৫২৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৫৪ জন।
দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে ২৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫.২৭ শতাংশই মারা গেছেন ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। মহারাষ্ট্রে একদিনেই সর্বাধিক ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন ৩৩ জন এবং দিল্লিতে মৃত্যু হয়েছেন ২৩ জনের। |
pib-1101 | 44a7841f1997117b8497608b590a120b16a0e2d059a5130f30c38fbc8c2fa508_1 | ben | পরিসংখ্যানএবংকর্মসূচিরূপায়ণমন্ত্রক
অধ্যাপক প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের ১২৬তম জন্মদিনে আইএসআই জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন করল
কলকাতা ২৯ জুন, ২০১৯
অধ্যাপক প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশের আজ ১২৬তম জন্মদিন। ভারতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা౼ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউট জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে দিনটি উদযাপন করলো।
এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ভারতীয় বিজ্ঞানী অধ্যাপক মহলানবিশ, যিনি ফলিত পরিসংখ্যানবিদ হিসেবে বিশ্বখ্যাত , তাঁর সম্বন্ধে স্মৃতিচারণা করলেন ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট কলকাতার ডিরেক্টর অধ্যাপক অঞ্জু শেঠ এবং আইএসআই এর ডেপুটি ডিরেক্টর অধ্যাপক দীপ্তিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অধ্যাপক মুখোপাধ্যায় বলেন র্যান্ডম স্যাম্পলিং এবং পরিসংখ্যানগত পরিমাপে প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ ছিলেন অনন্য। ভারতের প্রথম যোজনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মহলানবিশ, যিনি সহকর্মীদের কাছে পিসিএম হিসেবে পরিচিত ছিলেন, প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আজ যেভাবে সমীক্ষা করা হয়, তার পথীকৃত ছিলেন পিসিএম। পাইলট সার্ভের প্রবক্তা হিসেবে তিনি স্যাম্পলিং মেথডের জন্য জোর দিতেন।
পরিসংখ্যান, পরিসংখ্যানের নানা পদ্ধতি এবং আর্থিক পরিকল্পনায় তাঁর অবদানকে স্মরণ করে ভারত সরকার ২০০৭ সাল থেকে পিসিএমের জন্মদিনটিকে দেশজুড়ে পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আর্থ সামাজিক পরিকল্পনা এবং নীতি প্রণয়ণে পরিসংখ্যানবিদ্যার গুরুত্ব সম্বন্ধে জনসাধারণকে সচেতন করে তুলবার লক্ষে এবং অধ্যাপক মহলানবিশকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে আজকের দিনটি পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে পালিত হয়। প্রতি বছর এইদিনটি পালনে একটি থিম বাছাই করা হয়। এই বছর এইদিনের থিম “স্থিতিশীল উন্নয়ণের লক্ষে” ।
অধ্যাপক মহলানবিশ ১৯৩১ সালে কলকাতায় আইএসআই প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৯ সালে সংসদে আইন প্রণয়ন করে একে স্বায়ত্বশাসিত “জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আজকের দিনটিকে “কর্মী দিবস” হিসেবে পালন করা হয়।
আইএসআই এর প্রাক্তন কর্মী ডঃ ঋতাভরী রায়চৌধুরী, সংস্থার কৃষি সংক্রান্ত অর্থনৈতিক গবেষণা শাখার অধ্যাপক সুব্রত রায়, সংস্থার ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ শ্রী সমর্পণ পাধী, আই এস আই কর্মী সংগঠনের সভাপতি শ্রী রজত কান্তি চট্টোপাধ্যায় আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
SSS/CB
(Visitor Counter : 183 |
pib-1103 | 5675beb37e317344d24c1668c7bdb6e246534373f80b4f3c720520b598657f6d_2 | ben | মানবসম্পদবিকাশমন্ত্রক
কঠোরভাবে কোভিড-১৯ বিধি অনুসরণ করে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এনইইটি ২০২১ অনুষ্ঠিত হবে
নতুন দিল্লি, ১২ জুলাই, ২০২১
কঠোরভাবে কোভিড-১৯ বিধি অনুসরণ করে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর এনইইটি ২০২১ অনুষ্ঠিত হবে। ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে আগামীকাল বিকেল ৫টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। উল্লেখ্য, এর আগে পয়লা আগস্ট এই পরীক্ষার দিন নির্ধারিত করা হয়েছিল।
সামাজিক দূরত্ব বিধি সুনিশ্চিত করার জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে এমন শহরের সংখ্যা ১৫৫ থেকে বাড়িয়ে ১৯৮ করা হয়েছে। গত বছর ৩ হাজার ৮৬২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবছর সেই সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোভিড-১৯ বিধি অনুসরণ করে সমস্ত কেন্দ্রে প্রার্থীদের ফেসমাস্ক প্রদান করা হবে। প্রার্থীদের প্রবেশ ও প্রস্থানকালে ভীড় এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সংস্পর্শহীন নিবন্ধীকরণ, যথাযথ স্যানিটাইজেশন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রার্থীদের বসার ব্যবস্থাও সুনিশ্চিত করা হবে। এমন কি পরীক্ষার আগে ও পরে প্রার্থীদের বসার জায়গাগুলি স্যানিটাইজ করা হবে। পরীক্ষার কক্ষ বা হল ঘরগুলিতে যথাযথ বাতাস চলাচলের জন্য জানলা উন্মুক্ত থাকবে এবং পাখার ব্যবস্থা করা হবে।
CG/SS/SKD
(Visitor Counter : 127 |
pib-1105 | 477aea1d7ceb845c6b6d88a4a913e969fd44316a36fb1b1d88f738d0d234d97e | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ফিজি-র প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
ফিজি-র সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা হল শ্রী নরেন্দ্র মোদীকে
নয়াদিল্লি, ২২ মে, ২০২৩
ফিজি সাধারণতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী মিঃ সিটিভেনি লিগামামাদা রেবুকার সঙ্গে গত ২২ মে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মিলিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। পোর্ট মোরেসবি-তে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের সহযোগিতা মঞ্চ -এর এক অবসর মুহূর্তে এই দুই নেতার মধ্যে সাক্ষাৎকার ঘটে। বলা বাহুল্য, দুই নেতার মধ্যে এটিই ছিল প্রথম বৈঠক। শ্রী মোদী অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন যে ২০১৪-র নভেম্বরে তাঁর ফিজি সফরকালে এফআইপিআইসি-র সূচনা হয়েছিল। তখন থেকেই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা ক্রমশ নিবিড় থেকে নিবিড়তর হয়ে উঠেছে বলে মতপ্রকাশ করেন তিনি।
ভারত ও ফিজি-র মধ্যে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে দুই নেতা বৈঠকে আলোচনা করেন। দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, জলবায়ুর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি শক্তি, শিক্ষা, কৃষি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতিতে বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন তাঁরা।
আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়নসূচি সম্পর্কে মতবিনিময়ও ছিল এদিন দুই নেতার আলোচ্যসূচিতে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও গভীরে নিয়ে যাওয়ার সপক্ষেও মত পোষণ করেন তাঁরা। ফিজি-র প্রেসিডেন্ট মিঃ রাতু উইলিয়াম মৈভালিলি কাতুনিভের-এর পক্ষ থেকে ফিজি সাধারণতন্ত্রের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। এই সম্মান প্রদর্শনের জন্য শ্রী মোদী ফিজি-র সরকার ও জনসাধারণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। তাঁর এই প্রাপ্ত সম্মানকে ভারতের জনসাধারণ এবং ফিজিতে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের পরবর্তী প্রজন্মগুলির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দু’দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের এক বিশেষ ও স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফিজি-তে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের যে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, একথাও স্মরণ করিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
(PG/SKD/DM/ |
pib-1110 | 5a4e44523a39471b762ae28a2c9834025faaa5c20fee31575db1cfda68c5843a_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
২০১৮ ব্যাচের আইপিএস প্রবেশনাররা দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে
নয়াদিল্লি, ০৯ অক্টোবর, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আজ নতুন দিল্লিতে দেখা করলেন ২০১৮ ব্যাচের ১২৬ জন আইপিএস প্রবেশনার।
প্রধানমন্ত্রী আধিকারিকদের তাঁদের প্রতিদিনের কাজে আত্মনিয়োগ করার পরামর্শ দেন। তিনি সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে সংযুক্ত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক আধিকারিককে নাগরিকদের পুলিশ বাহিনী সম্পর্কে পরিপ্রেক্ষিতটি বুঝতে হবে এবং পুলিশ বাহিনীকে নাগরিক-বান্ধব ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
আইপিএস আধিকারিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশের ভূমিকা অপরাধ প্রতিরোধমুখী হওয়া উচিৎ। আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে প্রযুক্তির গুরুত্বকে তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী পিছিয়ে পড়া জেলাগুলির পরিবর্তন এবং সামাজিক পরিবর্তনের উপকরণ হিসাবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। ২০১৮ ব্যাচের অধিক সংখ্যক মহিলা প্রবেশনারদের উপস্থিতির প্রশংসা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীতে যত বেশি সংখ্যায় মহিলারা আসবেন, তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে পুলিশের কাজকর্মে ও দেশ গঠনে।
আধিকারিকদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের নিজেদের প্রতি বিশ্বাস রাখতে বলেন। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস ও আত্মশক্তির মাধ্যমে প্রতিদিনের সমস্যা মোকাবিলার উপযোগী হয়ে উঠবে আধিকারিকরা।
CG/AP/SB
(Visitor Counter : 60 |
pib-1116 | dc06edfb0c7d465ef718f646998c26ff84963e651fa384c2f55a463d142bbe29 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
শ্রী এল কে আদবানির জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী
নয়াদিল্লি, ৮ নভেম্বর ২০২২
“আদবানি’জির বাসভবনে গিয়ে আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এসেছি। ভারতের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মেধা ও প্রজ্ঞার জন্য ভারতে তিনি সর্বজনশ্রদ্ধেয়। বিজেপি-র গঠন ও তাকে শক্তিশালী করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদান রয়েছে। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
শ্রী এল কে আদবানির জন্মদিনে এক ট্যুইট বার্তার মাধ্যমে একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।
(PG/SKD/DM/ |
pib-1117 | fd779151b17c11b9f9c1f97732cebccb165901f7bf7fac3ea4fc3c63ccd9fd74 | ben | অর্থমন্ত্রক
সর্বভারতীয় ভিত্তিতে কম্প্যুটার পরিচালিত পরীক্ষা আয়োজনে প্রযুক্তিগত অংশীদার নির্বাচনের জন্য আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে
নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই ২০১৮
সর্বভারতীয় ভিত্তিতে কম্প্যুটার পরিচালিত পরীক্ষা আয়োজনের জন্য টেকনিক্যাল ও পরিকাঠামোগত সহায়তার জন্য প্রযুক্তিগত অংশীদার নির্বাচনের লক্ষ্যে, ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ কাস্টমস্, ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস্ অ্যান্ড নারকোটিক্স খোলা দরপত্র আহ্বান করেছে। ১৪.০৮.২০১৮-র দুপুর ১২টার মধ্যে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য দরপত্রটি সেন্ট্রাল পাবলিক প্রোকিওরমেন্ট পোর্টাল http://eprocure.gov.in থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
CG/PB/SB…
(Visitor Counter : 26 |
pib-1121 | 7a521cd471f6c23ccf976f5380ed4f980e3cbd9c098bbca19cc441f14aafac50_1 | ben | বিদ্যুৎমন্ত্রক
সবুজ শক্তির মুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির বিষয়ে উৎসাহদানের জন্য আরও একটি সংস্কারসাধন করা হয়েছে
নতুন দিল্লি, ৭ জুন, ২০২২
সকলের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে, নির্ভরযোগ্য, সুস্থায়ী এবং সবুজ শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রগুলিকে আরও ত্বরান্বিত করতে সোমবার গ্রীণ ওপেন অ্যাক্সেস বিধি ২০২২-এর বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে । বর্জ্য-শক্তি প্ল্যান্ট থেকে শক্তি সহ সবুজ শক্তির উৎপাদন, ক্রয় এবং ব্যবহারের বিষয়ে প্রচারের জন্য এই নিয়মগুলির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে । বিজ্ঞাপিত বিধিগুলি সবুজ শক্তি উন্মুক্ত ব্যবহারের জন্য সরল পদ্ধতি চালু করতে সাহায্য করবে । পাশাপাশি এই নতুন নিয়মে বাণিজ্যিক ও শিল্প সংস্থাগুলিকে স্বেচ্ছায় সবুজ শক্তি কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ।
যাতে ক্ষুদ্র উপভোক্তারাও উন্মুক্ত সুযোগের মাধ্যমে পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারেন, তাই সবুজ শক্তির মুক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেকোন উপভোক্তার জন্য অনুমোদিত এবং মুক্ত ব্যবহারের লেনদেনের সীমা সবুজ শক্তির জন্য ১ মেগাওয়াট থেকে ১০০ কিলো ওয়াটে কমিয়ে আনা হয়েছে । এই নতুন নিয়মে সবুজ শক্তির মুক্ত ব্যবহারকারীদের ওপর ধার্য করা অতিরিক্ত মাশুল কমাতে সাহায্য করবে । এই বিধি পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা করে দেবে ।
CG/SS/RAB
(Visitor Counter : 186 |
pib-1122 | 930095fba44840e658a46f5dca34ad40087106b70f5bf40a11ab37b7813fc5bb_5 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাই রিপ্রেসেন্টেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেল ফন্টেলেস প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন
নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০
ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাই রিপ্রেসেন্টেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট মিঃ জোসেপ বোরেল ফন্টেলেস আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাইসিনা ডায়লগ ২০২০-তে অংশগ্রহণকারী মিঃ বোরেল বর্তমানে ভারত সফরে করছেন। তিনি গতকাল রাইসিনা ডায়লগে সমাপ্তি অধিবেশনে ভাষণ দেন। গত পয়লা ডিসেম্বর হাই রিপ্রেসেন্টেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে এটাই তাঁর প্রথম সফর।
রিপ্রেসেন্টেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মিঃ বোরেলকে ভারতে স্বাগত অভিনন্দন জানিয়ে শ্রী মোদী তাঁর মেয়াদকালের সাফল্য কামনা করেন। রাইসিনা ডায়লগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রিপ্রেসেন্টেটিভ/ভাইস প্রেসিডেন্টদের নিয়মিত অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী বলেন, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্বাভাবিক অংশীদার এবং আগামী মার্চে ভারত – ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ সম্মেলন ফলপ্রসূ হবার ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী।
জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার ব্যাপারে শ্রী মোদী ভারতের অঙ্গীকারের কথা পুনরায় জানান। প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতার কথাও স্মরণ করেন।
মিঃ বোরেল অদূর ভবিষ্যতে ব্রাসেলস্ – এ ভারত – ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপারে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত আশাবাদী বলে জানান। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতের মধ্যে গণতন্ত্র, বহুস্তরীয় ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুসরণ সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে অভিন্ন অগ্রাধিকার ও অঙ্গীকারের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
CG/BD/SB
(Visitor Counter : 78 |
pib-1124 | c98344e11d39fc2c70757e3c68c88440230d90212126a260fc613fb92c88762f_1 | ben | প্রতিরক্ষামন্ত্রক
২০২০-র প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় নৌবাহিনীর ট্যাবলোর সূচনা
নয়াদিল্লি, ০৯ জানুয়ারী, ২০১৯
প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লীর রাজপথে ভারতীয় নৌবাহিনীর ট্যাবলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নৌ-সপ্তাহের থিম ‘ভারতীয় নৌবাহিনী-নীরব, শক্তিশালী এবং ক্ষিপ্রতা’ অনুসারে এবারে ট্যাবলোকে সাজানো হয়েছে। ভূমি, জল, আকাশ এই তিন ক্ষেত্রেই ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্ষমতা এবং দক্ষতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে ট্যাবলোতে। একইসঙ্গে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হারপুন ক্ষেপনাস্ত্র সহযোগে বোয়িং পিএইট I লং রেঞ্জ উপকূল নজরদারি বিমান, ব্রাহ্মোস উৎক্ষেপন উপযোগী কলকাতা শ্রেণীভুক্ত নিঃশব্দে ধ্বংসকারী জাহাজ, কালভরি শ্রেণীভুক্ত ক্ষেপনাস্ত্র প্রক্ষেপন উপযোগী ডুবোজাহাজও মডেলের মাধ্যমে ট্যাবলোতে তুলে ধরা হবে। এর পাশাপাশি দেশীয় প্রযুক্তিতে কোচিন শিপ ইয়ার্ড লিমিটেডে তৈরি বিমান বহনকারী ‘বিক্রান্ত’এর মডেলও ট্যাবলোর মাধ্যমে প্রদর্শিত হবে। সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি রূপায়ণের ক্ষেত্রে ভারতীয় নৌবাহিনী যে বদ্ধ পরিকর তারই রূপ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে এবারের ট্যাবলোতে। উপকূলীয় সম্পদ রক্ষার্থে এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় সহায়তা প্রদানে ভারতীয় নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ট্যাবলোতে মডেলের মাধ্যমে সেই দিকগুলিও তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানে এবারের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় নৌবাহিনীর দলটিকে যিনি নেতৃত্ব দেবেন, সেই কন্টিনজেন্ট কম্যান্ডার, প্ল্যাটুন কম্যান্ডার্স এবং নৌব্যান্ডের দলটিকে সকলের সঙ্গে পরিচিত করানো হয়।
CG/SS/NS
(Visitor Counter : 71 |
pib-1131 | 6b947bc9369270ed8fa4234cb705fd8eee180c27c3bee4d82af1e33b32126605 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্লোভাক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী মিঃ এডুয়ার্ড হেগারের মধ্যে টেলিফোনে বার্তালাপ
নয়াদিল্লি, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ স্লোভাক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী মিঃ এডুয়ার্ড হেগারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
ইউক্রেন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং বিশেষ উদ্ধারকারী ভারতীয় বিমানকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্লোভাক প্রজাতন্ত্রের সহায়তার জন্য মিঃ এডুয়ার্ড হেগারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী। ভারত যাতে তার অন্য নাগরিকদের সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তার জন্য আগামী কয়েকদিন স্লোভাক প্রজাতন্ত্রকে সাহায্যের অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে তদারকি করার জন্য কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী শ্রী কিরেণ রিজিজু’কে তাঁর বিশেষ দূত হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে বলেও মিঃ হেগার’কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনে বর্তমানে হিংসা এবং মানবিক সঙ্কট পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সংঘর্ষ বন্ধ করে আলাপ-আলোচনায় বসার জন্য ভারতের নিরন্তর আবেদনের কথা পুনরায় জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখন্ডতাকে সম্মান করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।
CG/SS/SB
( |
pib-1132 | d7c61432e163d9e1e5b5e79126e2441aef11223f0d824daa6faf2a4c3e337889_1 | ben | বিদ্যুৎমন্ত্রক
গ্রীন হাইড্রোজেনের বিষয়ে ভারতকে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ব্রিটেন
নতুন দিল্লি, ১৭ অগাস্ট, ২০২১
চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভারতে ১৬,৩৬৯ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে । কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ ও পুনর্নবিকরণ মন্ত্রকের মন্ত্রী শ্রী আর কে সিং আজ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন-২৬-এর বৈঠকের সভাপতি অলোক শর্মার সঙ্গে আলোচনায় একথা জানিয়েছেন । বৈঠকে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয় । এদিনের বৈঠকে ভারতে নিযুক্ত ব্রিটেনের হাইকমিশনার এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রকের সচিব ও পুনর্নবিকরণ শক্তি মন্ত্রকের সচিবও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অলোক শর্মা জানান, গ্রীন হাইড্রোজেনের বিষয়ে ব্রিটেন ভারতকে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে । উভয় দেশই সবুজ শক্তিক্ষেত্রের জন্য একটি বিশ্বব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার বিষয় খতিয়ে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি । প্যারিস চুক্তির আওতায় উন্নত দেশগুলি জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচের বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সিওপি -২৬ সফলভাবে আয়োজনের জন্য ব্রিটেন ভারতের সাহায্যও চেয়েছে।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী আর কে সিং উপকূলীয় বাতাসকে কাজে লগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ব্রিটেনের সহযোগিতাও চেয়েছেন । বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে খরচ কমাতে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরেও জের দেন তিনি । কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এদিন এই বৈঠকে জানান যে, ভারত একমাত্র জি-২০ সদস্যভুক্ত দেশ, যে প্যারিস চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে ।
CG/SS/RAB
(Visitor Counter : 159 |
pib-1149 | ec6042eddda8fd249d3d676bbb824add19dab7b4c54d60c1671bcd72d1650d0d_2 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
আসামে ক্যান্সার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গীকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
নয়াদিল্লি, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
আসামের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী জগদীশ মুখীজি, আসামের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাজি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহযোগী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালজি, শ্রী রামেশ্বর তেলিজি, দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রক্ষাকারী মাননীয় শিল্পপতি শ্রী রতন টাটাজি, আসাম সরকারের মন্ত্রী শ্রী কেশব মহন্তজি, শ্রীমতী অজন্তা নিয়োগজি, শ্রী অতুল বোরাজি, আর এই মাটির সন্তান ও ভারতের আইন জগতে যিনি অসাধারণ কর্মদক্ষতার সঙ্গে দীর্ঘকাল সেবা করেছেন আর আজ আইন রচনার প্রক্রিয়ায় সংসদে আমাদের সঙ্গ দিচ্ছেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শ্রদ্ধেয় শ্রী রঞ্জন গগৈজি, অন্যান্য সাংসদগণ, বিধায়কগণ আর আমার আসামের প্রিয় ভাই ও বোনেরা!
“প্রথমটে মই রঙ্গালি বিহু, আরু, অসমিয়া নববখোর শুভেসসা জনাইসু।”
উৎসব এবং উদ্দীপনার এই ঋতুতে আসামের উন্নয়নের ধারাকে আরও গতি প্রদানের জন্য আজ এই যে অসাধারণ সমারোহের আয়োজন, সেখানে আমারও আপনাদের সঙ্গে সেই উদ্দীপনায় যুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। আজ এই ঐতিহাসিক নগরে আমি অসমিয়া গৌরব, আসামের উন্নয়নে নিজের অবদান রক্ষাকারী এখানকার সমস্ত মহান সন্তানদের স্মরণ করছি, আর সাদরে তাঁদের সবাইকে প্রণাম জানাচ্ছি।
বন্ধুগণ,
ভারতরত্ন ভুপেন হাজারিকাজির একটি গান আছে –
“বʼহাগ মাথোঁ এটি ঋতু নহয়
নহয় বʼহাগ এটি মাহ
অসমীয়া জাতির ই আয়ুস রেখা
গণ জীওনর ই খাহ”।
অর্থাৎ - বৈশাখ মাসটি কোনও ঋতু নয়, বৈশাখ নিছকই কোনও মাস নয়, এটি অসমীয়া জাতির জীবনরেখা, গণজীবনের সঙ্গী।
আসামের জীবনরেখাকে অক্ষয় এবং প্রখর করে তোলার জন্য আমরা দিন-রাত আপনাদের আপ্রাণ সেবা করার চেষ্টা করতে থাকি। এই সঙ্কল্প নিয়ে বারবার আপনাদের মাঝে আসার ইচ্ছে করে। আসাম আজ শান্তির জন্য, উন্নয়নের জন্য একজোট হয়ে উৎসাহে টৈটম্বুর আর আমি একটু আগেই কার্বী আঙ-লোঙ-এ দেখেছি, আর আমি অনুভব করছিলাম, এ কেমন উদ্দীপনা, এ কেমন উৎসাহ, এ কেমন স্বপ্ন, এ কেমন সঙ্কল্প!
বন্ধুগণ,
কিছুক্ষণ আগেই আমি ডিব্রুগড়ে নব-নির্মিত ক্যান্সার হাসপাতাল আর সেখানে গড়ে ওঠা সুবিধাগুলিও দেখেছি। আর আজ এখানে এই মঞ্চ থেকে আসামের সাতটি নতুন ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধনও করা হয়েছে। একটা সময় ছিল, সাত বছরে একটা হাসপাতাল তৈরি হয়ে গেলে অনেক বড় উৎসব পালনের বিষয় হয়ে উঠত। আজ সময় বদলে গেছে। একদিনে একটি রাজ্যে সাতটি হাসপাতাল উদ্বোধন হচ্ছে। আর আমাকে বলা হয়েছে যে আরও তিনটি ক্যান্সার হাসপাতাল আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আপনাদের পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। তাছাড়া আজ রাজ্যে সাতটি নতুন আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের শিলান্যাসও হয়েছে। এই হাসপাতালগুলি থেকে আসামের অনেক জেলায় এখন ক্যান্সারের চিকিৎসার সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতাল তৈরি করার প্রয়োজন তো রয়েছে, আর সরকার তৈরিও করছে, কিন্তু আমি আপনাদেরকে কিছু উলটো শুভকামনা দিতে চাই। হাসপাতাল আপনাদের পায়ের সামনে উপস্থিত, কিন্তু আমি চাই না যে আসামের জনগণের জীবনে হাসপাতালে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি আসুক। আমি আপনাদের সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আপনাদের পরিবারের কাউকেই যেন হাসপাতালে যেতে না হয়। আমি অত্যন্ত খুশি হব যদি আমাদের সমস্ত নব-নির্মিত হাসপাতাল খালি থেকে যায়। কিন্তু যদি প্রয়োজন পড়ে, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের যেন অসুবিধার কারণে, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিস্থিতি না আসে, আর সেজন্য আপনাদের সেবার জন্য আমাদের এই হাসপাতালগুলি প্রস্তুত থাকবে।
ভাই ও বোনেরা,
আসামে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য এত বিস্তৃত, এত ব্যাপক ব্যবস্থা এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে অনেক বড় সংখ্যায় ক্যান্সার ধরা পড়ে। শুধু আসাম নয়, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতে ক্যান্সার একটি অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি প্রভাবিত হয় আমাদের গরীব পরিবারগুলি, গরীব ভাই ও বোনেরা, আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবারের ভাই ও বোনেরা। ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য কয়েক বছর আগে পর্যন্ত এখানকার রোগীদের অন্য রাজ্যের বড় বড় শহরে যেতে হত, আর সেজন্য অনেক বড় অর্থনৈতিক বোঝা গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিকে বহন করতে হত। গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির এই সমস্যা দূর করার জন্য বিগত ৫-৬ বছর ধরে এই রাজ্যে যত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার জন্য আমি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালজিকে, আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাজিকে এবং টাটা মেমোরিয়াল ট্রাস্টকে অনেক অনেক সাধুবাদ জানাই, অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আসাম ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন রূপে ক্যান্সারের সুলভ এবং কার্যকর চিকিৎসার এত বড় নেটওয়ার্ক এখন এখানে প্রস্তুত। এটা মানবতার জন্য অনেক বড় সেবার উদ্যোগ।
বন্ধুগণ,
আসাম সহ গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্যান্সারের এই অনেক বড় সমস্যা থেকে আসাম তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলবাসীকে মুক্ত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারও নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে। রাজধানী গুয়াহাটিতেও ক্যান্সার চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। এ বছরের বাজেটে উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প ‘পিএম ডিভাইন’-এও ক্যান্সারের চিকিৎসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য একটি ডেডিকেটেড ফেসিলিটি গুয়াহাটিতে গড়ে উঠবে।
ভাই ও বোনেরা,
ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ একটি পরিবার রূপে, আর একটি সমাজ রূপে আমাদের মনের দিক থেকে এবং আর্থিকভাবে দুর্বল করে দেয়। সেজন্য বিগত ৭-৮ বছরে দেশে স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক বড় এবং ব্যাপক রূপে কাজ করা হচ্ছে। আমাদের সরকার সাতটি বিষয়ে কিংবা বলতে পারেন, স্বাস্থ্যের সপ্তঋষিদের ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছে।
প্রথম চেষ্টাটি হল – যেন অসুখের কারণই না তৈরি হয়। সেজন্য প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার বা প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর আমাদের সরকার অনেক জোর দিয়েছে। এই পর্যায়ে যোগ, ফিটনেস, পরিচ্ছন্নতা – এরকম অনেক কর্মসূচি চালু রয়েছে। দ্বিতীয়ত – যদি রোগ হয়ে যায় তাহলে যেন গোড়াতেই জানা যায়। সেজন্য সারা দেশে নতুন টেস্টিং সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। তৃতীয় অগ্রাধিকার হল – মানুষের বাড়ির কাছেই প্রাথমিক চিকিৎসার উন্নত সুবিধা প্রদান। সেজন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে গোটা দেশে ওয়েলনেস সেন্টার রূপে একটি নতুন শক্তি প্রদান করে তাদের একটি নেটওয়ার্ককে সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। চতুর্থ অগ্রাধিকার হল – গরীবদের যত আধুনিক ও যতটা ভালো সম্ভব হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেজন্য আয়ুষ্মান ভারতের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা আজ কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
আমাদের পঞ্চম অগ্রাধিকার হল – ভালো চিকিৎসার জন্য বড় বড় শহরের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করা। সেজন্য স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপর আমাদের সরকার অভূতপূর্ব বিনিয়োগ করছে। আমরা দেখেছি যে স্বাধীনতার পর থেকেই যত ভালো হাসপাতাল তৈরি হয়েছে তা বড় বড় শহরগুলিতেই তৈরি হয়েছে। সামান্য স্বাস্থ্য খারাপ হলেই বড় শহরে যাও – এটাই ছিল স্বাভাবিক প্রবণতা। কিন্তু ২০১৪ সালের পর থেকে আমাদের সরকার এই পরিস্থিতি বদলানোর কাজে ক্রমাগত কাজ করে চলেছে। ২০১৪ সালের আগে দেশে মাত্র সাতটি এইমস হাসপাতাল ছিল। সেগুলির মধ্যে শুধু দিল্লিরটিকে ছেড়ে দিলে অন্য কোথাও এমবিবিএস-এর পড়াশোনা হত না, আবার কোথাও আউট পেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট বা বহির্বিভাগ ছিল না। তাই সেগুলি সম্পূর্ণ ছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর এই সমস্ত ত্রুটি দূর করি, আর তারপর দেশে ১৬টি নতুন এইমস হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করি।
এইমস গুয়াহাটিও এগুলির মধ্যে একটি। আমাদের সরকার দেশের প্রত্যেক জেলায় যাতে একটি মেডিকেল কলেজ অবশ্যই থাকে, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ২০১৪ সালের আগে দেশে ৩৮৭টি মেডিকেল কলেজ ছিল। এখন সেগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৬০০-তে পৌঁছে যাচ্ছে।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকারের ষষ্ঠ অগ্রাধিকার এই বিষয়ের ওপর রয়েছে যাতে ডাক্তারদের সংখ্যা যত বেশি সম্ভব বাড়ানো যায়। বিগত সাত বছরে এমবিবিএস এবং পিজি-র জন্য সারা দেশে ৭০ হাজারেরও বেশি নতুন আসন যুক্ত হয়েছে। আমাদের সরকার ৫ লক্ষেরও বেশি আয়ুষ চিকিৎসককেও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকদের সমকক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এতে ভারতে চিকিৎসক এবং রোগীদের মধ্যে অনুপাতও শুধরেছে। সম্প্রতি সরকার আরও একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রাইভেট মেডিকেল কলেজগুলিতে ৫০ শতাংশ আসনে ততটাই ফি নেওয়া হবে যতটা কোনও সরকারি মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। দেশের অনেক দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের হাজার হাজার মেধাবী ছাত্রছাত্রী এই সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন। স্বাধীনতার পর থেকে দেশ আজ পর্যন্ত যতজন ডাক্তার পেয়েছে, আমাদের সরকারের প্রচেষ্টায় এখন আগামী ১০ বছরে দেশ তার থেকেও বেশি ডাক্তার পেতে চলেছে।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকারের সপ্তম অগ্রাধিকার স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিজিটাইজেশন। সরকার চেষ্টা করছে যাতে চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ দীর্ঘ লাইন থেকে রোগীরা মুক্তি পান। চিকিৎসার নামে হাসপাতালে গিয়ে যত নতুন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, সেগুলি থেকে যেন মুক্তি পান। এর জন্য একের পর এক নতুন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। গোটা দেশের নাগরিকরা দেশের যে কোনও জায়গায় গিয়ে যেন কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পগুলির সুবিধা পেতে পারেন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। সেজন্য কোনও ধরনের বাধা-নিষেধ যেন না থাকে এটাই আমাদের ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান হেলথ’-এর ভাবনা। এই প্রচেষ্টা ১০০ বছরের সর্ববৃহৎ মহামারীর ক্ষেত্রেও দেশের সম্বল হয়ে উঠেছে, অনেক জটিল সমস্যার সমাধানের শক্তি যুগিয়েছে।
বন্ধুগণ,
আজ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি দেশে ক্যান্সারের চিকিৎসাকে সুলভ এবং সস্তা করে তুলছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমাদের সরকার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েরাও যাতে চিকিৎসক হয়ে উঠতে পারে, গ্রামে বসবাসকারী ছেলে-মেয়েরা যারা জীবনে ইংরেজি পড়ার সুযোগ পায়নি, তারাও যেন চিকিৎসক হতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে এখন কেন্দ্রীয় সরকার সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। এখন ছাত্রছাত্রীরা তাদের মাতৃভাষায় কিংবা স্থানীয় ভাষায় মেডিকেল এডুকেশন পেতে পারে তার জন্যও সরকার সমস্ত পরিষেবা তৈরি করছে যাতে গরীব ঘরের ছেলে-মেয়েরাও চিকিৎসক হয়ে উঠতে পারে।
বিগত বছরগুলিতে ক্যান্সারের এমন অনেক প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম প্রায় অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রত্যেক বছর ক্যান্সার রোগীদের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৯০০-রও বেশি ওষুধ সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে। যে ওষুধ আগে ১০০ টাকায় পাওয়া যেত তা এখন ১০ টাকা কিংবা ২০ টাকা দামে যেন পাওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেক ওষুধ ক্যান্সারের চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পরিষেবাগুলির মাধ্যমে রোগীদের কয়েকশ’ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। অনেক পরিবারের বয়স্ক মা-বাবারা ডায়াবেটিস বা মধুমেহ রোগে আক্রান্ত। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের রোগীদের জন্য মাসে ১ হাজার, ১ হাজার ৫০০ বা ২ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়। জন ঔষধি কেন্দ্রগুলিতে সেই খরচ ৮০, ৯০ বা ১০০ টাকা খরচ করে যাতে হয়ে যায়, সেই চিন্তাই আমরা করেছি।
শুধু তাই নয়, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে উপকৃতদের মধ্যে একটি বড় সংখ্যক মানুষ হলেন ক্যান্সারের রোগী। যখন এই প্রকল্প ছিল না, তখন অনেক গরীব পরিবারের মানুষ ক্যান্সারের চিকিৎসাই করাতেন না। তাঁরা ভাবতেন যে যদি হাসপাতালে যাই তাহলে সন্তানদের ঋণ করতে হবে আর এই ঋণ আমার ছেলে-মেয়েদেরকেই শোধ করতে হবে। বুড়ো বাবা-মা মরে যাওয়া পছন্দ করতেন, কিন্তু ছেলে-মেয়েদের ওপর বোঝা হতে পছন্দ করতেন না। সেজন্য তাঁরা হাসপাতালে যেতেন না, চিকিৎসা করাতেন না। বিশেষ করে আমাদের মা ও বোনেরা, তাঁরা তো চিকিৎসা করাতেনই না। তাঁরা ভাবতেন যে চিকিৎসার জন্য ঋণ নিতে হবে, বাড়ি, জমি বিক্রি করতে হবে। আমাদের মা, বোন ও মেয়েদের এই চিন্তা থেকে মুক্ত করার জন্য আমাদের সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। গরীব মা-বাবারা যদি চিকিৎসার অভাবে মারা যান, তাহলে আমরা কোন কাজের জন্য?
ভাই ও বোনেরা,
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু বিনামূল্যে চিকিৎসাই পাওয়া যাচ্ছে না, ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগের ক্ষেত্রেও শুরুতে ডিটেক্ট করার ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে। আসাম সহ গোটা দেশে যে হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার খোলা হচ্ছে, সেগুলিতে ১৫ কোটিরও বেশি বন্ধুদের ক্যান্সার সংক্রান্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যে যত দ্রুত সম্ভব রোগ সম্পর্কে জানা যায়, তাহলে এই রোগকে জটিল হয়ে ওঠা থেকে আটকানো যেতে পারে।
বন্ধুগণ,
দেশে চিকিৎসা পরিকাঠামো শক্তিশালী করার যে অভিযান চলছে তার দ্বারা আসামবাসীও লাভবান হচ্ছেন। হিমন্তজি এবং তাঁর টিম প্রত্যেক জেলায় মেডিকেল কলেজ খোলার রাষ্ট্রীয় সঙ্কল্পের জন্য প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এটা সুনিশ্চিত করেছে যে অক্সিজেন থেকে শুরু করে ভেন্টিলেটর পর্যন্ত সমস্ত পরিষেবা আসামে ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। ক্রিটিকাল কেয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার আসামে দ্রুতগতিতে বাস্তবায়িত করার জন্য আসাম সরকার খুব ভালো কাজ করার লক্ষ্যে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে।
ভাই ও বোনেরা,
করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী লাগাতর লড়াই করছেন। ভারতে টিকাকরণ অভিযানের পরিধি অনেক বেড়ে গেছে। এখন তো শিশুদের জন্যও অনেক ভ্যাক্সিন অ্যাপ্রুভ হয়েছে। বয়স্কদের প্রিকশন ডোজের জন্য অনুমতি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন এটা আমাদের সকলের দায়িত্ব যে যথাসময়ে নিজেই গিয়ে টিকা নেব এবং যত দ্রুত সম্ভব আমাদের বাড়ির বাচ্চাদের সুরক্ষাকবচের ব্যবস্থাও করব।
বন্ধুগণ,
কেন্দ্রীয় সরকার এবং আসাম রাজ্য সরকার চা বাগানগুলিতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ পরিবারের উন্নত জীবনযাত্রা সুনিশ্চিত করার জন্য সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। বিনামূল্যে রেশন থেকে শুরু করে প্রত্যেক বাড়িতে নলের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়ার মতো যত সুবিধা রয়েছে, আসাম সরকার সেগুলিকে দ্রুতগতিতে চা বাগানগুলিতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। নবীন প্রজন্মের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগগুলিকে উন্নত করার জন্যও ক্রমাগত চেষ্টা করা হচ্ছে। উন্নয়নের দ্বারা যেন সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি লাভবান হন, কোনও পরিবার যেন বাকি না থাকে, এটাই আমাদের প্রচেষ্টা, এটাই আমাদের সঙ্কল্প।
ভাই ও বোনেরা,
আজ ভারতে উন্নয়নের যে ধারা নিয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি তাতে জনকল্যাণের পরিধিকে আমরা অনেক ব্যাপক করে দিয়েছি। আগে শুধু কিছু সাবসিডিকেই জনকল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হত। পরিকাঠামোর উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রকল্পকে জনকল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হত না। অথচ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে গণ-পরিষেবাগুলির ডেলিভারি খুব কঠিন হয়। বিগত শতাব্দীর সেই ধ্যান-ধারণাগুলিকে পেছনে ফেলে এখন দেশ এগিয়ে চলেছে। আজ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে আসামের দূরদুরান্ত এলাকায় উন্নত মানের সড়কপথ গড়ে উঠছে। ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতু তৈরি হচ্ছে, রেল নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করে তোলা হচ্ছে। এই সবকিছুর মাধ্যমে স্কুল, কলেজে যাওয়া-আসা সহজ হয়েছে। কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ খুলেছে। দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর মানুষদেরও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। আজ দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর মানুষেরাও মোবাইল ফোনের পরিষেবা ব্যবহার করতে পারছেন, ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন। এর ফলে তাঁরা সরকারের প্রতিটি পরিষেবা সহজেই পেতে পারছেন, সর্বস্তরে দুর্নীতি থেকে মুক্তি পাচ্ছেন।
ভাই ও বোনেরা,
‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস অউর সবকা প্রয়াস’-এর এই ভাবনা নিয়ে আমরা আসাম এবং দেশের উন্নয়নকে গতি প্রদান করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে আসামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় হয়। আমরা চেষ্টা করছি যাতে এরাজ্যে নানা শিল্পে বিনিয়োগের নতুন নতুন সুযোগ গড়ে ওঠে। আসামে বিনিয়োগের জন্য অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলিকে আমাদের সুযোগে পরিবর্তিত করতে হবে। চা থেকে শুরু করে জৈব চাষ, ভোজ্যতেলের সঙ্গে জড়িত নানা প্রকল্প, পর্যটন, আসামের উন্নয়নকে আমাদের নতুন উন্নয়নের গন্তব্য পর্যন্ত নিয়ে যাব।
বন্ধুগণ,
আমার আজকের আসাম যাত্রা আমার জন্য অত্যন্ত স্মৃতিবিজড়িত হয়ে উঠতে চলেছে। একদিকে আমি সেই মানুষদের সঙ্গে দেখা করে এসেছি যাঁরা বোমা, বন্দুকের রাস্তা ছেড়ে এখন সমাজের মূলস্রোতে ফিরে এসেছেন। তাঁদের জীবনে আর যেন বিচ্ছিন্নতাবাদের শিকার না হতে হয়, তাঁদের সুখ-শান্তির ব্যবস্থা যেন বজায় থাকে, আর সেজন্যই আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছি। কিন্তু এখানে এসে আমি নিজেই সবচাইতে বড় উদ্দীপনা এবং উৎসবের অনুষ্ঠান দেখে উজ্জীবিত হয়েছি। আজ আসামে আমাদের হাজার হাজার মা ও বোন আমাকে এই অনুভব এনে দিয়েছেন। আমি অনেক বছর ধরে আসামে আসছি। সম্ভবত কোনও বিহু এমন যায়নি, যখন আমার সেই সময়ে আসাম সফর হয়নি। কিন্তু আজ আমি এত বড় মাত্রায় একসঙ্গে মা ও বোনেদের বিহুর ছন্দে মত্ত হয়ে নাচতে দেখে অবাক হয়েছি। আমি এই ভালোবাসার জন্য, এই আশীর্বাদের জন্য বিশেষ করে, আসামের মা ও বোনেদের প্রণাম জানাই, তাঁদের আমি অন্তর থেকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।
বন্ধুগণ,
আরও একবার শ্রদ্ধেয় রতন টাটাজি নিজে থেকে এখানে এসেছেন। তাঁর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চা দিয়ে শুরু হয়েছে, আর ‘চাহত’ বা আকাঙ্ক্ষায় বিস্তৃত হয়েছে। আর আজ তিনি আমাদের উত্তর-পূর্ব ভারতের জনগণের স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করার জন্যও আমাদের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে শরিক হয়েছেন। আমি তাঁকেও স্বাগত জানিয়ে আরও একবার আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক নতুন পরিষেবার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে বলুন –
ভারতমাতা কী জয়!
ভারতমাতা কী জয়!
ভারতমাতা কী জয়!
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
CG/SB/DM/
( |
pib-1150 | 9e5a0c89d75620cc87c8e4c5e9cc9ea0777874ca547e265e621aa4e8f7f0d4cd | ben | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
কোভিড-১৯ সংক্রমণের দরুন দেশজুড়ে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী থাকায় যে সব বিদেশী নাগরিক ভারতে আটকে পড়েছেন তাদের জন্য আগামী ৩রা মে, ২০২০ পর্যন্ত দূতাবাস পরিষেবা অনুমোদন করা হয়েছে
নতুন দিল্লি, ১৭ এপ্রিল, ২০২০
কেন্দ্রীয়স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, গত ২৮.০৩.২০২০ তারিখে প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় জানিয়েছিল যে দেশে কোভিড-১৯ অতিমারীর প্রেক্ষিতে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় বর্তমানে ভারতে থাকা বিদেশী নাগরিকদের বিনামূল্যে এ দেশে থাকার অনুমতি দেওয়া হলো।এই অনুমতি দেওয়া হয় ৩০ শে এপ্রিল,২০২০ তারিখ পর্যন্ত।
সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে,বর্তমানে ভারতে থাকা বিদেশী নাগরিকদের জন্যএই সময়কাল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের বিদেশী আঞ্চলিক নিবন্ধকারী দফতর এই দূতাবাস পরিষেবা অনুমোদন করেছে।
সাধারণ ভিসা, ই-ভিসা থাকা বিদেশী নাগরিক, যারা কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারনে যাতায়াতের নিষেধাজ্ঞার দরুন ভারতে থেকে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং যে সব নাগরিকদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা ০১.০২.২০২০ মধ্যরাত থেকে ০৩.০৫.২০২০ মধ্যরাত সময়কালের মধ্যে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা, তাদের ভিসার মেয়াদ নিখরচায় ০৩.০৫.২০২০ মধ্যরাত পর্যন্ত মঞ্জুর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিদেশী নাগরিকদের অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এই সব বিদেশী নাগরিকরা যদি অনুরোধ জানান,তবে তাদের দেশ ছাড়ার জন্য আরও ১৪ দিন সময় দেওয়া হবে। ১৭.০৫.২০২০ তারিখ পর্যন্ত বিদেশীদের এ দেশে অতিরিক্ত দিন থাকার জন্য কোনো জরিমানা দিতে হবে না।
(CG/PPM |
pib-1151 | de430db929855ef1f77937881a91b3aa1ab19aa851050bb5e722aebb71a78c72 | ben | কৃষিমন্ত্রক
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অত্যাবশ্যক কৃষি পণ্যের রপ্তানী গত বছর এই সময়ের তুলনায় ৪৩.৪ শতাংশ বেশি হয়েছে
নয়াদিল্লী, ১০ অক্টোবর, ২০২০
কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকারের কৃষি পণ্য রপ্তানীর বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগের ফলে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কৃষিপণ্য রপ্তানীর পরিমাণ ছিল ৫৩৬২৬ কোটি ৭ লক্ষ টাকা। গত বছর এই সময়ে কৃষি পণ্যের রপ্তানীর পরিমাণ ছিল ৩৭৩৯৭ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ৪৩.৩ শতাংশ বেশি কৃষি পণ্য রপ্তানী হয়েছে। এরমধ্যে চীনা বাদাম ৩৫ শতাংশ, বীটের থেকে উপাদিত চিনি ১০৪ শতাংশ, গম ২০৬ শতাংশ, বাসমতি চাল ১৩ শতাংশ এবং বাসমতি ছাড়া অন্য ধরণের চাল ১০৫ শতাংশ বেশি রপ্তানী হয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানীর হিসেবে ৯০০২ কোটি টাকা বেশি রপ্তানী হয়েছে। মাস ভিত্তিক হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসে ভারত থেকে কৃষিপণ্য রপ্তানী হয়েছে ৯২৯৬ কোটি টাকা। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানী হয়েছিল ৫১১৪ কোটি টাকা। অর্থা গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এবছর সেপ্টেম্বরে ৮১.৭ শতাংশ বেশি রপ্তানী হয়েছে।
কৃষি ভিত্তিক পণ্যের রপ্তানী বাড়াতে সরকার ২০১৮ সালে কৃষি পণ্য রপ্তানী নীতি ঘোষণা করেছিল। ফলমূল, সাকসব্জি, মশলাপাতি ইত্যাদি অর্থকরী ফসল ক্লাস্টার ভিত্তিক পদ্ধতিতে চাষ করে রপ্তানীর জন্য উসাহ দেওয়ায় যার মূল উদ্দেশ্য। এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রোডাক্ট এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি আওতায় ৮টি রপ্তানী উসাহকারাক ফোরাম গঠন করা হয়েছে। এই ফোরামগুলি কলা, আঙুর, আম, ডালিম, পেঁয়াজ, দুগ্ধজাত পদার্থ, বাসমতি চাল এবং বাসমতি ছাড়া অন্য চাল রপ্তানীর জন্য গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সরকার কৃষি ক্ষেত্রের পরিকাঠামো বৃদ্ধির জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি তহবিল ঘোষণা করেছে। এর পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর কৃষি পণ্য রপ্তানী এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য দ্বিমুখী, সর্বাঙ্গীন নীতি তৈরি করেছে।
CG/CB/NS
(Visitor Counter : 173 |
pib-1154 | 1967805014c09c097fb8b620a70a1dd05f7214a711aae061a090d51c116a0d9f | ben | অর্থমন্ত্রক
ওডোকেম ইন্ডাস্ট্রীজের ক্ষেত্রে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত অনুমান ভিত্তিক প্রতিবেদন খারিজ করে দিয়েছে ডিজিজিআই
নতুন দিল্লি, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ জিএসটি ইন্টেলিজেন্ট তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে কানপুরের কনৌজে সুগন্ধী প্রস্তুতকারক ওডোকেম ইন্ডাস্ট্রী ও তার মালিক পীযূষ জৈনের আবাসন , কারখানায় তল্লাশি চালিয়ে ১৯৭.৪৯ কোটি নগদ অর্থ ও ২৩ কেজি সোনা, মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার এবং বাজেয়াপ্ত করেছে । তবে সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের কিছু অংশে প্রকাশিত হয়েছে যে, ডিজিজিআই এই উদ্ধারকৃত নগদ অর্থ ওই সংস্থার উৎপাদন কেন্দ্রের লেনদেন হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেই অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে । কিছু প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পীযূষ জৈন ডিজিজিআই-এর অনুমোদন নিয়ে তার বকেয়া কর প্রদানের কথা স্বীকার করার পরে মোট ৫২ কোটি টাকা বকেয়া কর জমা দিয়েছে । প্রতিবেদনে এমনভাবে দেখানো হয়েছে যে, ডিজিজিআই পীযূষ জৈনের বকেয়া করের নিষ্পত্তি করে দিয়েছে ।
এই প্রতিবেদনগুলি সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কোন রকম তথ্যপ্রমান ছাড়াই অসত্য তথ্য তুলে ধরা হয়েছে ।
এবিষয়ে ডিজিজিআই-এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সংস্থার মালিক পীযূষ জৈনের আবাসন এবং কারখানায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যে পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে, তা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কাছে নিরাপদ হেফাজতে আরও তদন্তের জন্য গচ্ছিত রাখা হয়েছে । ওডোকেম ইন্ডাস্ট্রীজের ফাকি দেওয়া বকেয়া করের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য কোন সুযোগ করে দেওয়া হয়নি । সংস্থার বকেয়া কর এখনও জমা হয়নি । তদন্ত চালানোর জন্য শ্রী পীযূষ জৈনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে । শ্রী জৈন এই ঘটনায় দোষ স্বীকার করে নেওয়ার জন্য সিজিএসটি আইনের ১৩২ নম্বর ধারার আওতায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২৭-শে ডিসেম্বর উপযুক্ত প্রমান সহ আদালতে পেশ করা হয় ।মাননীয় বিচারপতি তাকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ।
CG/SS/RAB
(Visitor Counter : 114 |
pib-1157 | 8f10f4212094cb7d63af99707fa50ef8063134fd795980c1516976d8cb35d7b5 | ben | জলশক্তি মন্ত্রক
জল জীবন মিশনের আওতায় জম্মু ও কাশ্মীরকে ৬০৪ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় অনুদান
২০২২-এর অগাস্ট মাস নাগাদ 'প্রতিটি বাড়িতে জল' পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা জম্মু ও কাশ্মীরে
নতুন দিল্লি, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে জল জীবন মিশন কর্মসূচি রূপায়ণে গতি আনতে কেন্দ্রীয় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা অনুদান সহায়তা দিয়েছে। জল জীবন মিশন রূপায়ণের জন্য ২০২১-২২-এ কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের জন্য ২৭৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দের এই পরিমাণ ২০২০-২১-এর তুলনায় চারগুণ বেশি।
কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন ২০২২-এর আগস্ট মাসের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীরে ১৮ লক্ষ ৩৫ হাজার গ্রামীণ পরিবারের মধ্যে ১০ লক্ষ ৩৯ হাজার পরিবারে পাইপ বাহিত জল সংযোগ রয়েছে। চরম প্রতিকূল আবহাওয়া এবং পরিবহণে নানা সমস্যা সত্বেও বিভিন্ন গ্রামে পাইপবাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ পুরোদমে চলছে। শ্রীনগর ও গান্দেরবল এই দুই জেলায় সমস্ত গ্রামীণ পরিবারে এবং ১ হাজার ৭০টি গ্রামে পাইপ বাহিত জল সরবরাহের যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার জল জীবন মিশনের আওতায় দেশের প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারে পাইপ বাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। এই লক্ষ্যে জল জীবন মিশন রূপায়ণ খাতে বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ পূর্ববর্তী অর্থবর্ষে ৬৮১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা থেকে ২০২১-২২-এ বিপুল বাড়িয়ে ২ হাজার ৭৪৭ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।
জল জীবন মিশন বিকেন্দ্রিকৃত উপায়ে রূপায়িত হয়। এই কর্মসূচি রূপায়ণে স্থানীয় গ্রামের মানুষের বড় ভূমিকা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে পাইপ বাহিত জল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা থেকে রূপায়ণ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে গ্রামের মানুষ বড় ভূমিকা নিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, সমগ্র কর্মসূচি পরিচালনা ও জলবাহিত পাইপগুলি রক্ষণাবেক্ষণেও গ্রামের মানুষ বড় ভূমিকা পালন করেন। জল জীবন মিশন রূপায়ণে রাজ্যগুলি পানিসমিতি গঠন করে এবং গ্রামসভার অনুমোদনের ভিত্তিতে গ্রাম কেন্দ্রিক কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মহিলাদের উৎসাহিত করা হয়, কারণ যে কোন পরিবারেই মহিলারা জলের ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সমস্ত বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাওয়া, মধ্যাহ্নকালীন আহার রান্না, হাত-মুখ পরিষ্কার এবং শৌচাগারে ব্যবহারের জন্য পাইপবাহিত জল সংযোগ পৌঁছে দেওয়া সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী আজ পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে ২২ হাজার ৪২১টি বিদ্যালয়ে এবং ২৩ হাজার ৯২৬টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাইপবাহিত জল সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
জনস্বাস্থ্যের বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে জল সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এজন্য সারা দেশে ২ হাজারের বেশি জল পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। সাধারণ মানুষ এই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে জলের নমুনা নিয়ে এসে তা ন্যূনতম খরচে পরীক্ষা করার সুবিধা পেয়ে থাকেন। জম্মু ও কাশ্মীরে ৯৭টি জল পরীক্ষাগার রয়েছে।
২০১৯-এ জল জীবন মিশন শুরুর সময় সারা দেশে গ্রামীণ পরিবারের সংখ্যা ছিল ১৯ কোটি ২০ লক্ষ। সে সময় কেবল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ পরিবার পাইপ বাহিত জল সংযোগের সুবিধা পেতেন। কোভিড-১৯ মহামারীজনিত চ্যালেঞ্জ ও পরবর্তী সময়ে লকডাউন সত্বেও ৫ কোটি ৪২ লক্ষের বেশি পরিবারে জল জীবন মিশনের আওতায় পাইপ বাহিত জল সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৮ কোটি ৬৫ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার পাইপ বাহিত জল সংযোগের সুবিধা পাচ্ছেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, গোয়া, তেলেঙ্গানা, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ, পণ্ডিচেরি এবং হরিয়ানার ১০০ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারে পাইপ বাহিত জল সংযোগের সুবিধা পৌঁছে গেছে। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস ও সবকা প্রয়াস-এর যে নীতি প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন, তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে জল জীবন মিশনেও প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারে পাইপ বাহিত জল সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে কোন পরিবারই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়। বর্তমানে ৮৩টি জেলায় প্রতিটি গ্রামীণ পরিবার এবং ১ লক্ষ ২৮ হাজারের বেশি গ্রামে পাইপ বাহিত জল সংযোগের সুবিধা পৌঁছে গেছে।
CG/BD/AS/
(Visitor Counter : 136 |
pib-1158 | 299db2a478c473b956ee8219c99c23821f54a0bd46dbeaa0ce66b565b0ee5ff0_3 | ben | বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক
সিএসআইআর-এনএএল-র কোভিড-১৯ এর মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষার কভারাল স্যুট
নতুনদিল্লি, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগার কেন্দ্র এর অধীনস্থ সংস্থা বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল এর্যো স্পেস ল্যাবরেটারিজ , বেঙ্গালুরু ভিত্তিক এমএএফ ক্লোদিং প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সার্বিক সুরক্ষার জন্য একটি কভারাল স্যুট তৈরি করেছে। চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক্যাল কর্মী, স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার কথা ভেবে পলিপ্রোপেলিন তন্তুযুক্ত বহু আস্তরণের কাপড় দিয়ে তৈরি এই কভারাল কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ আটকাতে ব্যবহার করা যাবে।
এনএএল-এর গবেষকরা দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই কভারাল তৈরির সময় সম্ভাব্য নানা দিক বিচার করে দেখেছেন। ইতিমধ্যেই কভারাল তৈরির কাপড়টি কোয়েম্বাতুরের সিট্রা থেকে ব্যবহারের ছাড়পত্র পেয়েছে। এনএএল এবং এমএএফ চার সপ্তাহের মধ্যে দৈনিক ৩০হাজার করে এই স্যুট তৈরির পরিকল্পনা করেছে। বিদেশ থেকে আমদানী করা কভারাল স্যুটের থেকে এই স্যুটের দাম অনেক কম হবে বলে জানা গেছে।
(CG/CB |
pib-1159 | 86b2486812eb7bdf580fa851bb9bdc44a8a4a917e11f73cea2086a1e8f204dcb | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
ভাইব্র্যান্ট গুজরাট শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
নয়াদিল্লি, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৯
ভাইব্র্যান্ট গুজরাট শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হলেন উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শ্রী শাভকত মীরজাওয়েভ। এর আগে, রাষ্ট্রপতি মীরজাওয়েভের নেতৃত্বে এক বড় ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদল গতকাল গান্ধীনগরে এসে পৌঁছন। গুজরাটের রাজ্যপাল শ্রী ও পি কোহলি তাঁদের স্বাগত জানান।
দুই নেতার মধ্যে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সেদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রতিনিধিদলকে গুজরাটে আসার জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। গত বছর ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পয়লা অক্টোবর পর্যন্ত উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতির ভারত সফরের সময়ে দু’জনের মধ্যে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী, সেদেশের রাষ্ট্রপতির ভারত সফরের সময়ে গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের অগ্রগতি ও রূপায়ণে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উজবেকিস্তানের আদিজান অঞ্চলের সঙ্গে গুজরাটের সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্রপতি মীরজাওয়েভের ঐ ভারত সফরের ফলে দু’দেশের পাশাপাশি, অঞ্চল-ভিত্তিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।
উজবেকিস্তানের সামারকন্দে গত ১২ ও ১৩ই জানুয়ারি বিদেশ মন্ত্রী পর্যায়ের প্রথম ভারত – মধ্য এশিয়া আলোচনা আয়োজনের বিষয়টিকে সমর্থন জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী সেদেশের রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ দেন। এই আলোচনায় আফগানিস্তানে শান্তি ও উন্নতিতে সহযোগিতার ব্যাপারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভাইব্র্যান্ট গুজরাট শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য উজবেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, উজবেকিস্তান বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ভারতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। উজবেকিস্তান তথ্য প্রযুক্তি, শিক্ষা, ওষুধ শিল্প, স্বাস্থ্য পরিচর্যা, কৃষি-বাণিজ্য এবং পর্যটন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতে চায় বলেও সেদেশের রাষ্ট্রপতি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
বিদেশ মন্ত্রী পর্যায়ে প্রথম ভারত-মধ্য এশিয়া আলোচনা সফল হওয়ার জন্য সেদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। এই আলোচনায় মধ্য এশিয়া অঞ্চলের প্রতি ভারতের ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। সেই সঙ্গে, আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী দেশগুলির যৌথ প্রচেষ্টাও সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি চাহিদা পূরণে দীর্ঘ মেয়াদী-ভিত্তিতে ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য উজবেকিস্তানের নভৈ মিনারেলস্ অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল সংস্থা এবং ভারতের আনবিক শক্তি দপ্তরের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পর্কিত নথিপত্র বিনিময় অনুষ্ঠানে দুই নেতাই উপস্থিত ছিলেন।
উজবেকিস্তানে আবাসন ও সামাজিক পরিকাঠামোমূলক প্রকল্পগুলিতে ভারতের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তার ব্যাপারে ভারতের এক্সিম ব্যাঙ্ক এবং উজবেক সরকারের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, উভয় নেতাই তাঁকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী উজবেক রাষ্ট্রপতি শ্রী মীরজাওয়েভের ভারত সফরের সময়ে এই ঋণ সহায়তাদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন।
CG/BD/SB
(Visitor Counter : 117 |
pib-1178 | 5b274fa775648818b63c2b636375be5003a366427ea54f31ec1fa86ebe205a8b_2 | ben | তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক
৪০তম শারজা আন্তর্জাতিক বই মেলায় প্রকাশনা বিভাগের অংশগ্রহণ
নয়াদিল্লী, ৩ নভেম্বর, ২০২১
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশনা বিভাগ শারজা আন্তর্জাতিক বই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। সংযুক্ত আরব আমীরশাহিতে আয়োজিত এই পুস্তক মেলা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকাশনা সংস্থাটির স্টলের আজ উদ্বোধন করেন দুবাইয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ডঃ আমন পুরি। তার সঙ্গে দূতাবাসের সংবাদ বিভাগ, তথ্য সংস্কৃতি ও শ্রম দপ্তরের কনসাল শ্রীমতি টাডু মামু উপস্থিত ছিলেন। ডঃ পুরি প্রকাশনা বিভাগের প্রশংসা করে বলেন বিভিন্ন বিষয়ের উপর এখান থেকে উন্নতমানের পুস্তক প্রকাশিত হয় যা ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
শারজা আন্তর্জাতিক বই মেলায় এবার প্রকাশনা বিভাগ সহ ভারতের ৮৭টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছে। ১৫৬৬ জন প্রকাশক তাদের বই এই মেলায় এনেছেন। মেলায় অমিতাভ ঘোষ, চেতন ভগৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিশু সাহিত্যিক যিনি একজন উদ্ভাবক ও বিজ্ঞানী- গীতাঞ্জলী রাও সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থাকবেন।
আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে প্রকাশনা বিভাগ পাঠকদের ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়ে প্রকাশিত ১৫০টি বই পাঠকদের উপহার দিচ্ছে। পাঠকরা ভারতের শিল্পকলা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, গান্ধী সাহিত্য, ধর্ম, দর্শন, শিশু সাহিত্য, রাষ্ট্রপতি ভবনের ওপর প্রকাশিত বই এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সম্বলিত প্রকাশনার আস্বাদন পাবেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীনস্থ প্রকাশনা বিভাগ এই বই মেলায় এ ধরণের সম্ভার নিয়ে উপস্থিত হয়েছে।
এ বছরের বই মেলার মূল ভাবনা ‘দেয়ার ইস অলওয়েজ অ্যা রাইট বুক’। বই মেলায় ৯৭০ রকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। খাদ্য রসিকরা বিখ্যাত পাচক কুনাল কাপুরের সঙ্গে এখানে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। শারজার এক্সপো সেন্টারে অনুষ্ঠিত বই মেলায় ৭ নম্বর হলে প্রকাশনা বিভাগের স্টলটি রয়েছে। এর নম্বর জেডএ৫।
১৯৪১ সালে প্রকাশনা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এখান থেকে উন্নয়ন, ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি, সাহিত্য, আত্মজীবনী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নানা ভাষায় বই প্রকাশিত হয়। এছাড়াও যোজনা, কুরুক্ষেত্র এবং আজকাল মাসিক পত্রিকা, এমপ্লয়মেন্ট নিউজ ও রোজগার সমাচারের মতো সাপ্তাহিক পত্রিকা এখান থেকে প্রকাশিত হয়। প্রতি বছর প্রকাশিত ‘ইন্ডিয়া ইয়ার বুক’ পাঠক মহলে যথেষ্ট সমাদৃত।
CG/ CB/NS
(Visitor Counter : 141 |
pib-1179 | a977a3063fce09503a1acd0528800ccc94e92a084b350bc7cd8d3880d1ee479f_1 | ben | প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
পিএম-কিষাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি
আমাদের কৃষকদের দৃঢ় মানসিকতা ও উৎসাহ অনুপ্রেরণাদায়ক : প্রধানমন্ত্রী
সরকার ঐতিহাসিকভাবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
নয়াদিল্লী, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
কৃষকদের জীবনে মর্যাদা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পিএম-কিষাণ যোজনার সূচনা হয়েছিল। আজ এই যোজনার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি।
প্রধানমন্ত্রী একগুচ্ছ ট্যুইট বার্তায় বলেছেন, ‘দু-বছর আগে আজকের এই দিনে আমাদের কঠোর পরিশ্রমী কৃষকদের জীবনে মর্যাদা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য পিএম-কিষাণ প্রকল্পের সূচনা হয়েছিল।দেশবাসীর খাদ্যের সংস্থান এই কৃষকদের দিন-রাত পরিশ্রমের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়। আমাদের কৃষকদের দৃঢ় মানসিকতা ও উৎসাহ অনুপ্রেরণাদায়ক।
বিগত ৭ বছর ধরে কেন্দ্র কৃষি ক্ষেত্রের সংস্কারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উন্নত সেচ ব্যবস্থা, প্রযুক্তির আরও ব্যবহার, বেশী করে ঋণের ব্যবস্থা, বাজারের সুবিধা, যথাযথ শস্য বীমা, মাটির স্বাস্থ্যের বিষয়ে নজরদারি, মধ্যসত্ত্ব ব্যবস্থার দূরীকরণ-এইসব উদ্যোগগুলির ফল এখন পাওয়া যাচ্ছে।
ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ঐতিহাসিক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের সরকার। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু আমরা করছি।
নমো অ্যাপে আপনারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন, কৃষকদের জন্য কি কি করা হচ্ছে সে বিষয়ে ধারণা এই অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।’ |
pib-1180 | 4d6b0f5a43c670f3340c136588ad2edb58eba04da7ebecc368095d0bf31524ce_2 | ben | জাহাজচলাচলমন্ত্রক
নৌপরিবহন ও বন্দর ক্ষেত্রে ভারত-পর্তুগালের মধ্যে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষর
নয়াদিল্লি, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
ভারত-পর্তুগালের মধ্যে আজ নৌপরিবহন ও বন্দর ক্ষেত্রে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তারফলে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা-সহ নৌ ও বন্দর ভিত্তিক কাজকর্মের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার প্রসার ঘটবে।
এই চুক্তির ফলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমাবেশগুলিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়বে, যার ফলে চুক্তির উদ্দেশ্যগুলি আরও কার্যকরভাবে মেনে চলা সম্ভব হবে।
SSS/BD/NS
(Visitor Counter : 46 |
pib-1184 | bdd703907cd3080822d88cff89c3fa6069cc0553ed6c59bbf03f023c0c3b5b64_1 | ben | কর্মী, জন-অভিযোগএবংপেনশনমন্ত্রক
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং জি-২০ দেশগুলির মন্ত্রী পর্যায়ের প্রথম দুর্নীতি দমন কর্মী গোষ্ঠীর বৈঠকে ভাষণ দিলেন
নয়াদিল্লি, ২২ অক্টোবর, ২০২০
ভারত আজ আরও একবার প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দুর্নীতি চিরতরে দূর করতে অঙ্গীকার করেছে। জি-২০ দেশগুলির মন্ত্রী পর্যায়ের প্রথম দুর্নীতি দমন কর্মী গোষ্ঠীর বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় কর্মচারী, গণঅভিযোগ ও পেনশন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, শ্রী মোদীর নেতৃত্বে ভারত দুর্নীতি ও হিসাব বহির্ভূত অর্থের ক্ষেত্রে কোনও রকম আপোষ না দেখানোর নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রেক্ষিতে মোদী সরকার গত ছ’বছরে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও ডঃ সিং জানান। তিনি ১৯৮৮’র দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের কথা উল্লেখ করে বলেন, মোদী সরকার ৩০ বছর পর ২০১৮’তে এই আইনটি সংশোধন করে। আইন সংশোধনের ফলে উৎকোচ দেওয়া ও উৎকোচ গ্রহণ উভয়কেই অবৈধ কর্মকান্ড হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বড় বড় কাজের ক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদীর নেতৃত্বে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং কর্পোরেট জগতে ঘুষের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বর্তমান সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে ডঃ সিং প্রশাসনিক কাজকর্মে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে আসার ওপর জোর দেন। সরকারি ওপর মহলে দুর্নীতি দমনে লোকপাল প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
জি-২০ দেশগুলির মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকে বলা হয়েছে, পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী ও তাঁদের হস্তগত সম্পদের পরিমাণ বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। এমনকি, পলাতক অপরাধীদের অধিকারে থাকা অর্থ অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে। ভারতে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইন ২০১৮ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলিকে দুর্নীতি দমনে আরও অধিকার দিয়েছে, যাতে পলাতক আর্থিক অপরাধীদের অপরাধ ও সম্পত্তি দ্রুত বাজেয়াপ্ত করা যাবে।
জি-২০ দেশগুলির দুর্নীতি দমন কর্মী গোষ্ঠীর প্রচেষ্টার কথা প্রশংসা করে ডঃ সিং বলেন, করোনা মহামারীর আবহেও প্রথমবার এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। তথাপি, সমাজের সর্বস্তর থেকে দুর্নীতি চিরতরে দূর করতে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। জি-২০ দেশগুলির এই বৈঠক আয়োজন করার জন্য ডঃ সিং সভাপতির পদ অলঙ্কৃতকরণের জন্য সৌদি আরবকে অভিনন্দন জানান।
CG/BD/SB
(Visitor Counter : 170 |
Subsets and Splits