content
stringlengths
0
129k
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান | . - কুরআনের আলো ইসলামিক ওয়েবসাইট
প্রশ্ন ও উত্তর
শিশুদের জন্য
সাম্প্রতিক বিষয়াদি
ইসলাম ও সমাজ
ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা
ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান
ইসলামী অর্থনীতি
উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প
দাম্পত্য টিপস
ধর্মীয় দল ও গোষ্ঠী
নও মুসলিমের কাহিনী
পরিবার ও সমাজ
বোনদের জন্য
হজ্জ ও উমরাহ
আল্লাহ্ সম্পর্কে
ইলম (জ্ঞান)
ঈমান ও আক্বীদাহ
আখলাক | ব্যক্তিত্ব
কুর'আন ও তাফসীর
হাদীসে কুদ্‌সী
হাদিসের গল্প
দরসে কুরআন সিরিজ
মালটিমিডিয়া
ভিডিও লেকচার
অডিও লেকচার
ইসলামিক সফটওয়্যার
ইসলামিক বই
ইসলামী বই (পর্যালোচনা/)
!
?
- .
কুর\'আনের আলো বাংলা ভাষায় শুদ্ধ ইসলামী জ্ঞানের নানা উপকরণের একটি সমৃদ্ধ ভাণ্ডার
প্রশ্ন ও উত্তর
শিশুদের জন্য
সাম্প্রতিক বিষয়াদি
ইসলাম ও সমাজ
ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা
ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান
ইসলামী অর্থনীতি
উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প
দাম্পত্য টিপস
ধর্মীয় দল ও গোষ্ঠী
নও মুসলিমের কাহিনী
পরিবার ও সমাজ
বোনদের জন্য
হজ্জ ও উমরাহ
আল্লাহ্ সম্পর্কে
ইলম (জ্ঞান)
ঈমান ও আক্বীদাহ
আখলাক | ব্যক্তিত্ব
কুর'আন ও তাফসীর
হাদীসে কুদ্‌সী
হাদিসের গল্প
দরসে কুরআন সিরিজ
মালটিমিডিয়া
ভিডিও লেকচার
অডিও লেকচার
ইসলামিক সফটওয়্যার
ইসলামিক বই
ইসলামী বই (পর্যালোচনা/)
বিষয় সাম্প্রতিক বিষয়াদি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান
সাম্প্রতিক বিষয়াদি
ইসলাম ও সমাজ
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান
3, 2020
অনুবাদঃ ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী | সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
মানবাধিকার বলতে বুঝায় মহান আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক প্রদত্ত মানুষের সহজাত অধিকার
সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়টি বিশ্বব্যাপী আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে
যদিও মানবাধিকারের মানদন্ড, সমাজভেদে এর সংজ্ঞা, প্রয়োগ ও সীমারেখা নিয়ে তৈরী হচ্ছে নানা বিতর্ক
প্রাসঙ্গিকভাবেই জাতিসংঘের বিশ্ব মানবাধিকারের বিষয়টিও সে সব আলোচনা সমালোচনায় উঠে আসছে
মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বের শক্তিধর রাষ্টসমূহের গৃহীত পদক্ষেপ মানুষের প্রকৃত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নাকি অধিকার হরণের কৌশল তা নিয়েও বিশ্বব্যাপী চলছে ব্যাপক আলোচনা
এমনি প্রেক্ষাপটে আমরা যদি সপ্তম ঈসায়ী শতাব্দির শুরুতে ফিরে যাই, তাহলে দেখা পাব এক অনুপম মহামানবের, যিনি নর-নারী তথা সকল মানবের প্রকৃত মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করে বিশ্ববাসীর সামনে হাযির করেছিলেন মানবাধিকারের সার্বজনীন রূপরেখা
তিনি হলেন বিশ্ব মানবতার মুক্তিদূত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল
তিনি হলেন জগতের সবার জন্য - ও উসওয়ায়ে হাসানাহ
এর মাধ্যমে তিনি সর্বক্ষেত্রে চমৎকার সব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন
তিনি প্রমাণ করেছিলেন, তাঁর দেয়া ফর্মুলাই জগতকে দিতে পারে শান্তি, সফলতা ও মুক্তি
তাঁর পূর্বযুগে যত অজ্ঞতা ছিল, বর্বরতা ছিল, যত নির্যাতন ও শোষণ ছিল, সন্ত্রাস, ভয়-ভীতি ও সাম্প্রদায়িকতা ও শ্রেণী বিদ্বেষ ছিল, সবই তাঁর মহান আদর্শের পরশ পাথরে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল
সমকালীন বিশ্বে মানুষের সার্বজনীন অধিকার প্রতিষ্ঠায় ওহীর নির্দেশনায় তাঁর প্রবর্তিত নীতি-দর্শন ও দিক-নির্দেশনার প্রয়োগ কেবল গ্রহণযোগ্য বা প্রয়োগ উপযোগীই নয়, বরং তা একান্ত আবশ্যক
এ প্রবন্ধে আমরা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এ মহামানবের অবদানের প্রধানতম দিকগুলো তুলে ধরব
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মহানবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়ত প্রাপ্তির অনেক আগ থেকে তাঁর উত্তম চরিত্র ও মানবিক গুণাবলীর জন্যে বিখ্যাত হয়েছিলেন
ঐতিহাসিকরা যে সময়কে 'জাহেলিয়াতের বা অন্ধকার যুগ' বলেছেন সেই সময়ে জন্মলাভ করেও ঝগড়া-বিবাদ, নরহত্যা, সম্পদ লুন্ঠন, ব্যভিচার ইত্যাদি অকল্যাণকর, মানবতার জন্যে চরম অবমাননাকর কাণ্ডে তিনি কখনো জড়িত হন নি
অথচ তখনকার সমাজে যে কোনো যুবকের জন্যে তা ছিল স্বাভাবিক
বরং তিনি ছিলেন এতিম, অসহায়, নির্যাতিতদের একমাত্র সহায়, সান্ত্বনাদানকারী, ধন-সম্পদের আমানত রক্ষাকারী এবং অনেকের আশ্রয়দাতা
চুরি-ডাকাতির ভয়ে ভীত, আতঙ্কিত মানুষ তাঁর কাছে হাজির হয়ে তাদের মূল্যবান সম্পদ আমানত রেখে যেত, আর তিনি সেই আমানতের যথাযত হেফাযত করতেন এবং যথারীতি তা ফেরত দিতেন
এভাবে নবুওয়ত লাভের অনেক আগেই আরববাসী তাকে 'আল-আমীন' বা 'পরম বিশ্বস্ত' খেতাবে ভূষিত করেছিল
নবুওয়াতের পাঁচ বছর আগে পবিত্র কাবা শরীফ মেরামতকালে সেখানকার কালো পাথর 'হাজরে আসওয়াদ' স্বস্থানে তুলে নেয়ার ব্যাপারে কলহ-দ্বন্দের সূত্রপাত হয় এবং প্রত্যেক গোত্রই এই কাজ করে মর্যাদা লাভের প্রতিযোগিতায় যুদ্ধোন্মুখ হয়ে পড়ে, তখন সেই গুরুতর সমস্যার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাত্র ৩৫ বছর বয়সে এমন একটি সমাধান দেন; যাতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মর্যাদাই রক্ষিত হয়েছিল
সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সে ব্যবস্থা মেনে নিয়েছিল, আর তা ছিল একটি চাদরের মাঝখানে পাথরটি রেখে গোত্রপতিদের দিয়ে চাদরটি ধরে যথাস্থানে নিয়ে যাওয়া ও সবশেষে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিজ হাতে সেটিকে প্রতিস্থাপন করা
সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার এই উদাহরণ তাঁর জীবনের শুরু থেকেই আজীবন নানাভাবে দেখা গিয়েছিল
পরবর্তীকালে যখন তিনি গোটা আরব জাহানের নেতা হয়ে উঠলেন তখন তিনি কি সমাজ জীবনে, কি পারিবারিক জীবনে, কি রাষ্ট্রীয় তথা নাগরিক জীবনে, কি বিশ্ব নাগরিক হিসাবে, সর্বক্ষেত্রে মানুষের মূল্য-মর্যাদা ও মানবাধিকারের যে সার্বজনীন আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলেন আজ পর্যন্ত সারা বিশ্বের ইতিহাসে তা বিরল, অভূতপূর্ব