content
stringlengths 0
129k
|
---|
365
|
সঠিক খবর সঠিক সময়ে
|
:
|
সাধারন খবর
|
লাইফ স্টাইল
|
আমাদের সাথে যোগাযোগ
|
চট্রগ্রামের লোহাগড়ায় পাহাড়ী এলাকায় প্রশিক্ষন বিমান বিধ্বস্ত, পাইলট অক্ষত
|
11, 2017 সাধারন খবর
|
নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম
|
আজ দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাটিয়া ইউনিয়নের হরিদাগুনা পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধ-বিমান বিধ্বস্ত হয়
|
তবে এ সময় বিমানের দুই পাইলট প্যারাস্যুট দিয়ে নিরাপদে নেমে আসতে সক্ষম হন
|
পাইলটদ্বয় হলেন- উইং কমান্ডার নাজমুল ও স্কোয়ার্ডন লিডার কামরুল হাসান
|
সেখানকার স্থানীয়রা জানান, বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে এসে দেখেন চারপাশে ধোয়াঁ উড়ছে
|
পরে সেখানে তিনটি হেলিকপ্টার এসে উদ্ধার কাজ চালিয়ে একটিতে করে পাইলট দুজনকে নিয়ে যান
|
বিমানটি ছিল রাশিয়ার তৈরী ইয়াক-১৩০ বিমান
|
ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পাইলটদ্বয় প্যারাসুট দিয়ে নিরাপদে অবতরন করতে সক্ষম হন
|
জানুয়ারীফেব্রুয়ারীমার্চএপ্রিলমেজুনজুলাইআগষ্টসেপ্টেম্বরঅক্টোবরনভেম্বরডিসেম্বর ২০১৩২০১৪২০১৫২০১৬২০১৭২০১৮২০১৯২০২০২০২১
|
৬ ৭ ৮ ৯ ১০ ১১ ১২
|
১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮ ১৯
|
২০ ২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫ ২৬
|
২৭ ২৮ ২৯ ৩০ ৩১
|
সম্পাদক : মনজুরুল বারী নয়ন
|
১২৮/৪ পূর্ব তেজতুরী বাজার (৪র্থ তলা), কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ফোন ০২-৫৫০১২৫২৭, ০২-৫৫০১২৫২৮, বার্তা কক্ষ : ০১৯৭২১১৪২৫৫
|
জানুয়ারীফেব্রুয়ারীমার্চএপ্রিলমেজুনজুলাইআগষ্টসেপ্টেম্বরঅক্টোবরনভেম্বরডিসেম্বর ২০১৩২০১৪২০১৫২০১৬২০১৭২০১৮২০১৯২০২০২০২১
|
৬ ৭ ৮ ৯ ১০ ১১ ১২
|
১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮ ১৯
|
২০ ২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫ ২৬
|
২৭ ২৮ ২৯ ৩০ ৩১
|
সম্পাদক : মনজুরুল বারী নয়ন
|
১২৮/৪ পূর্ব তেজতুরী বাজার (৪র্থ তলা), কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ফোন ০২-৫৫০১২৫২৭, ০২-৫৫০১২৫২৮, বার্তা কক্ষ : ০১৯৭২১১৪২৫৫
|
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ ফেব্রুয়ারি এক সরকারি ঘোষণায় বলা হয় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া ৩মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান করেছেন
|
কিছুটা দেরীতে হলেও অধিবেশন আহবান করায় পিডিপি,ন্যাপ, (মোজাফফর) এই ঘোষণাকে স্বাগত জানায়
|
আওয়ামী লীগ এই ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্ত্যব করেনি
|
তবে অধিবেশনে যোগদানের জন্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করে দেয়
|
খুশি হয় বাঙালিরা
|
সকলেই আগ্রহ ভরে অপেক্ষায় থাকে
|
বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই পহেলা মার্চ দুপুর একটায় এক বেতার ভাষণে ইয়াহিয়া খান ৩মার্চ আনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন স্হগিত ঘোষনা করেন
|
ঐ সময় হোটেল পূর্বাণীতে আওয়ামী লীগের পার্লমেন্টারি বোর্ডের সভা চলছিল
|
ইয়াহিয়া খানের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেল পূর্বাণীর সামনে জনতার ঢল নামে
|
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনতার উদ্দশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে ২মার্চ ঢাকায় ও ৩মার্চ সমগ্র বাংলাদেশে হরতাল আহবান করেন
|
৩মার্চ সারাদেশের মত বাজিতপুরেও সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়
|
৭মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর বাজিতপুরে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়
|
এই সময় ছাত্রদের মাঝে যারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন,তাদের মাঝে অন্যতম ছিলেন-ছাত্রলীগের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান,শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আঃকরিম,রফিকুল ইসলাম, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মিজবাহ উদ্দিন আহমেদ,মুস্তাফিজুর রহমান, আঃরহমান বোরহান,ছাত্র ইউনিয়নের শেখ এ কে এম নূরুন্নবী,মোঃ হাবিবুর রহমান, আহমদ আলী্,ফরিদ আহাম্মদ সহ আরো অনেকে
|
তখন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা মরহুম এডভোকেট ফারুক ওমর ঢাকা থেকে এসে ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে বিশেষ সভা সমাবেশ করতেন
|
মার্চ মাসের মাঝা মাঝি সময়ে বাজিতপুরে ৭০ এর প্রাদেশিক পরিষদে বিজয়ী জনাব মনজুর আহমেদকে সভাপতি এবং বাজিতপুর থানা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সম্পাদক মরহুম ওয়াজেদ আলী শাহ-কে (মুসা মিয়া)সাধারন সম্পাদক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়
|
সংগ্রাম পরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন-বলিয়ারদী ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আঃ হাই,পৌ্র কমিশনার সদু মিয়া,বিশিষ্ট রাজনৈ্তিক ব্যক্তিত্ব ইন্দ্র ভূষণ চক্রবর্তী,শহীদ ইন্দু দাস,রাধেশ্যাম চৌধুরী,অধ্যাপক ইয়াকুব আলী ও অধ্যাপক আঃমজিদ,কৃষক নেতা আনিসুর রহমান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ইনসাফ উদ্দিন
|
বাজিতপুরের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এই কমিটির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে
|
সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে মনজুর আহমেদ এর বাড়ীতে একটি সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা হয় এবং সার্বিক দায়িত্ব দেয়া হয় প্রবীণ রাজনৈ্তিক ব্যক্তিত্ব ইন্দ্রভূষণ চক্রবর্তীকে
|
বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব শহীদ ইন্দু দাসের তও্বাবধানে বাজিতপুর ডাকবাংলার মাঠে উৎসাহী যুবকদের সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা করা হয়
|
সামরিক প্রশিক্ষক ছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য শহীদ হোসেন আলী ও আঃ সাওার
|
এক পর্যায়ে বাজিতপুর থানা থেকে ১৮টি রাইফেল এনে যুবকদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করা হয়
|
ঐ সময় বাজিতপুরের অফিস আদালতসহ সরকারি যাবতীয় কাজকর্ম সংগ্রাম পরিষদের তও্বাবধানে পরিচালিত হতো
|
২৬মার্চ বাজিতপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উওোলন করা হয়
|
বাজিতপুরের মত সরারচরেও সরারচর হাই স্কুলের শিক্ষক শাহ মজলুল হককে সভাপতি করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়
|
কমিটির অন্যান্য সদস্যগণের মাঝে মাছিমপুরের আবুল হাশেম,ধুবিপাথরের ইসমাইল ব্যানার্জী,সরারচর ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মরহুম মতিউর রহমান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পতিত পবন সাহা ছিলেন অন্যতম
|
এদিকে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তৎকালীন মেজর (পরে মেজর জেনারেল) কে,এম শফিউল্লাহ বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি দল নিয়ে ২৭ মার্চ কিশোরগঞ্জ শহরে সদর দপ্তর স্হাপন করে অবস্হান নেন
|
অন্যদিকে ২৮ মার্চ তৎকালীন ক্যাপ্টেন নাসি্মের (পরে লেঃ জেনারেল) নেতৃত্বে বেঙ্গল রেজিমেন্টের আরো একটি দল জয়দেবপুর সেনানিবাস থেকে বিদ্রোহ ঘোষনা করে ট্রেনযোগে ভৈ্রববাজার এসে অবস্হান গ্রহন করেন
|
একই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে বিদ্রোহ ঘোষনা করে তৎকালীন মেজর (পরে বিগ্রেডিয়ার) খালেদ মোশারফ একদল সেনা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্হান নেন
|
এই সময় মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পর্যন্ত শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্হা গড়ে তোলা হয়
|
এই ব্যবস্হাকে আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মেজর শফিউল্লাহ তার সেনা সদর কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় স্হানান্তর করেন
|
সেখানে তিনি স্হানীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুট করে উন্নততর সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা গ্রহণ করেন
|
ক্যপ্টেন নাসিম তার বাহিনী নিয়ে আশুগঞ্জে গিয়ে অবস্হান নেন
|
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নরসিংদী এলাকায় পাকবাহিনীর সঙ্গে এক প্রতিরোধ যুদ্ধে পশ্চাদাপসারণ করে তৎকালীন ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান (পরবর্তীতে মেজর জেনারেল) বাহিনী নিয়ে ভৈ্রববাজারে এসে অবস্হান নেন
|
মেজর শফিউল্লাহ ১৩ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া থেকে সদ্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল মুক্তিযোদ্ধাকে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানের বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার জন্য ভৈ্রববাজারে প্রেরণ করেন
|
১৪ এপ্রিল ভোর থেকে পাকবাহিনী স্হলপথ,নৌপথ ও আকাশ পথে ভৈ্রববাজারে ত্রিমুখী আক্রমন করে
|
ভৈ্রবের মধ্যেরচর শম্ভুগঞ্জ,সোহাগপুর ও আশুগঞ্জে হেলিকপ্টার থেকে প্রচুর ছত্রী সেনা নামানো হয়
|
ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান স্বল্প সংখ্যক সদ্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অসম সাহসিকতার সাথে লালপুরে পাকবাহীনির ত্রিমুখী আক্রমণের মোকাবেলা করেন
|
বিশাল পাকবাহীনির সঙ্গে স্বল্প সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বেশীক্ষন যুদ্ধ করা সম্ভব নয়
|
দুপুর দুইটার দিকে বাধ্য হয়ে তিনি তার সেনা দল নিয়ে ভৈ্রববাজার-ময়মনসিংহ রেললাইন দিয়ে পায়ে হেটে কুলিয়ারচর গিয়ে সেখান থেকে নৌপথে মূল বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হতে চলে যান
|
পরবর্তীতে মেজর শফিউল্লাহ ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানের এই প্রতিরোধ যুদ্ধকে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক যুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন
|
ভৈ্রববাজার দখল প্রতিষ্ঠার পর পাকবাহীনি ১৯ এপ্রিলের মধ্যে কুলিয়ারচর,বাজিতপুর,কটিয়াদী থানা সহ কিশোরগঞ্জ সদরে দখল প্রতিষ্ঠা করে নেয়
|
লেখকঃ মোঃআব্দুল বাকের, বাজিতপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
|
বাংলাদেশের 'দেশ' হিসাবে স্বীকৃতি প্রাপ্তির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
|
শেখ রফি আহমেদ (লেজার বিজ্ঞানী-গবেষক)
|
নিয়াজ আহমেদ হাসিব
|
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী কিশোরগঞ্জের সেই সাহসী সন্তানেরা
|
আগস্ট 15, 2011
|
১৭ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ শত্রুমুক্ত হয়
|
জুন 20, 2010
|
১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী ও নেপথ্যের রাজনীতি পর্ব- ২
|
অক্টোবর 1, 2010
|
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২০১৫
|
স্বাধীনতার ঘোষণা: কিশোরগঞ্জের স্মৃতি
|
মার্চ 25, 2012
|
.
|
অনুসন্ধানঃ
|
এক বীজে পাঁচ ফসলী ধানের জাত উদ্ভাবন
|
24, 2021 | বৃক্ষ, বৈচিত্র, সংবাদ
|
মুহম্মদ জাফর ইকবালের জুতো চুরি
|
20, 2021 | গল্প
|
মোহনকিশোর নমোদাস
|
7, 2021 | অমর ব্যাক্তিত্ব, মুক্তচিন্তা, শহীদ ব্যক্তিত্ব
|
হে পরমানন্দ রূপিনী
|
25, 2020 | কবিতা
|
বৃদ্ধ সময়
|
25, 2020 | কবিতা
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.