content
stringlengths
0
129k
পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে গঠিত পাকিস্তান, যার স্বাপ্নিক এবং দার্শনিক ছিলেন ইকবাল
মিল্লাতের ধারণা বিকশিত করে ইকবাল-পরিকল্পিত আদর্শ রাষ্ট্র গড়ে তোলায় পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর ব্যর্থতা যে বৈষম্যের জন্ম দেয়, তারই ফাটল দিয়ে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তা এখানে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, ফলে শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত যুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে ওঠে-অহেতুক ধ্বংসলীলা সংঘটিত হয়
ইকবালের কল্পনায় স্পষ্ট হয়ে ওঠা মানবতার বৃহত্তর বিপদ সম্ভাবনার নযীর আমরা আমাদের জীবদ্দশায়ই দেখলাম আমাদের দেশে
রক্তভিত্তিক জার্মান জাতীয়তাবাদের ধ্বংসলীলা দেখলাম দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে
বলা বাহুল্য, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পূর্বেই ইকবাল ইন্তেকাল করেন, কিন্তু তাঁর আশংকা অক্ষরে অক্ষরে সত্যে পরিণত হয় তাঁর মৃত্যুর পরে
এতে ইকবালের ধারণার সত্যতা প্রমাণিত হয়, ব্যর্থতা প্রমাণিত হয় মুসলমানদের
এই ব্যর্থতার খেসারত আজ তাদের দেশে দেশে দিতে হচ্ছে
খিলাফতের মতো একটি সংস্থার মাধ্যমে ইকবাল একদিন বিশ্ব মুসলিমকে সংগঠিত করার স্বপ্ন দেখেছেন
কিন্তু উসমানিয়া সাম্রাজ্যের বিলুপ্তির পর খিলাফতের যখন অবসান হলো, তুরস্ক নিজকে ঘোষণা করলো ধর্ম-নিরপেক্ষ রাষ্ট্ররূপে, এবং আরব জাতিগুলো কয়েকটি স্বাধীন, অর্ধ-স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে আবির্ভূত হলো, তখন ইকবাল স্বাভাবিকভাবে তাঁর এই চিন্তাধারার সংশোধন করে প্রত্যেকটি মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়ে বলেনঃ
এই মুহূর্তে, প্রত্যেকটি মুসলিম জাতিকেই তার নিজ সত্তার গহীনে দৃষ্টিপাত করতে হবে; কিছুকালের জন্য তার চিন্তার ক্যানভাসে তার নিজেরই ছবি ফুটিয়ে তুলতে হবে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে-এভাবে সব ক'টি মুসলিম জাতি সংহত, সুপ্রতিষ্ঠিত এবং শক্তিমান হবার পরই তারা একটি জীবন্ত গণতন্ত্র সমাহার গড়ে তুলতে পারবে
আর এহেন একতা সত্যিকারভাবে দেখা দিতে পারে এমন কতকগুলো স্বাধীন-সার্বভৌম ইউনিট সমবায়ে যাদের পরস্পরের মধ্যকার রেশিয়াল (জাতগত) প্রতিদ্বন্দ্বিতার বোঝাপড়া ও মীমাংসা হতে পারে একটি সাধারণ স্বাভাবিক আশা-আকাঙ্খাজনিত ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের দ্বারা
আমার মনে হয় আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের ধীরে ধীরে এই সত্যই বোঝাতে চান যে, ইসলাম জাতীয়তাবাদও নয়, সমাজবাদও নয়; ইসলাম প্রকৃত প্রস্তাবেই একটি জাতিসংঘ যা কৃত্রিম সীমারেখা ও জাতগত বৈশিষ্ট্য মান শুধুমাত্র পরিচিতির খাতিরে, এসবের ভিত্তিতে সামাজিক সংশ্রব ও সম্পর্ককে ক্ষুণ্ন করতে নয়
এ মনোভাব থেকেই তিনি ভারতীয় মুসলমানদের জন্যে একটা আলাদা রাষ্ট্র গঠনের ডাক দেন
পরবর্তীকালে তাঁর এই পরামর্শেরই কিছুটা বাস্তবায়ন দেখি ওআইসি-ওর্গেনাইজেশণ অব ইসলামিক কান্ট্রিতে; যদিও এই প্রতিষ্ঠান সেই আধ্যাত্মিক রূহ থেকে বঞ্চিত যা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের জীবনী-শক্তি হতে পারে
প্রতিটি মুসলিম রাষ্ট্রে ইকবাল-পরিকল্পিত সুষম, সুন্দর ইসলামী সমাজ গড়ে উঠলেই এ জাতীয প্রতিষ্ঠান একটি জীবন্ত সংগঠন হয়ে ওঠতে পারে এবং বিশ্বের জাতিপূঞ্জের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারে
এখনো এ প্রতিষ্ঠান পাশ্চাত্যের শক্তিবর্গের কেবল কৌতুকই উদ্রেক করে
রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, প্রজাতন্ত্রের লক্ষ্য যেহেতু এক হয়, তাই ওআইসি অনেক ক্ষেত্রেই সম্মিলিতভাবে একক সিদ্ধান্তে আসতে পারে না; ফলে, তাদের শক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না
ইকবাল তাঁর কবিতায় এই সংস্থা সংগঠনের আহ্বান করেন এভাবে-
প্রাচ্যের একটি সংস্থা গড়ে তোলো এবং শয়তানের কবল থেকে নিজেদের রক্ষা করো আন্ত্রিকতা ও ঝাণ্ডাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরো
এবং খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার যে, তিনি তেহরানকে এই সংস্থার কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেনঃ
তেহরান যেন প্রাচ্যজগতের জেনেভা হয় তা হলেই হয়তো সমগ্র বিশ্বের অদৃষ্ট নেবে পরিবর্তিত রূপ
জালাল উদ্দীন রূমীর দ্বারা গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ আল্লামা ইকবাল কি তাঁর বিশুদ্ধ চিত্তে এই আভাস পেয়েছিলেন যে, বহু শতাব্দীর পর ইরানেই প্রথম প্রতিষ্ঠিত হবে এ যুগের প্রথম সার্থক ইসলামী রাষ্ট্র? যে কারণে তিনি তেহরানকেই আধুনিক ইসলামী বিশ্বের কেন্দ্র হিসাবে নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছিলেন? তার স্বপ্নের পাকিস্তান ইসলামী বিপ্লবের ফল ছিলো না, এ ছিলো একটা রাজনৈতিক আন্দোলনের পরিণতি-ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে যে নতুন ইরানের জন্ম হলো, তা প্রকৃত অর্থেই একটি ইসলামী বিপ্লবের ফল
প্রায় একই ভাষায় আল্লামা ইকবাল ও হযরত আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী কম্যুনিজম ও পশ্চিমা পুঁজিবাদী চরিত্রের ব্যাখ্যা করেছেন এবং তার ক্ষতিকর প্রভাব ঝেড়ে-মুছে ফেলে নিজের দিকে দৃষ্টি ফেরাবার তাকিদ দিয়েছেন
রাব্বুল আলামীনই ইমাম খোমেনীকে আল্লামা ইকবালের উত্তরসূরী নির্বাচন করে ইকবালের স্বপ্নকে রক্ত-মাংসে জীবন্ত করে তোলার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন
পাশ্চাত্যের বাজার অর্থনীতির জয়জয়কার এখন
আমরাও তালে তালে ডুগডুগি বাজাচ্ছি
যারা কেবল কাঁচামাল উৎপাদন করে, কিছুই রফতানী করে না; কাঁচা মাল ছাড়া, তাদের জন্য মার্কেট অর্থনীতির তাৎপর্য কী? শিল্প-উন্নত ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর উৎপন্ন দ্রব্যাদি ক্রয় করার জন্য বাজার খুলে দেয়া; অনুন্নত বিশ্বে শিল্প বিকাশের পথ রুদ্ধ করে দেয়া; কর্মসংস্থানের উপায় না রাখা
ক্রেতা ও বিক্রেতা এই দুই শ্রেণীতে পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোকে বিভক্ত করা
যদিও বলা হয় সকলের জন্য অবাধ বাজার সৃষ্টি এর উদ্ধেশ্য
কিন্তু আসলে অনুন্নত দেশগুলোকে শিল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য বিক্রয়ের স্থায়ী বাজার সৃষ্টি এর চূড়ান্ত লক্ষ্য
এতে দরিদ্র দেশগুলোর সমস্ত সম্পদ গিয়ে পুঞ্জীভূত হবে ধনী দেশগুলোতে, গড়ে উঠবে ওদের পুঁজির পাহাড়
আর ওদের শোষণে অনুন্নত দেশগুলোর মানুষেরা সর্বশান্ত হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরবে
আল্লামা ইকবালের একটি কবিতার অংশ উদ্ধৃত করে এই প্রবন্ধের ইতি টানছিঃ
হে পাশ্চাত্যবাসী
আল্লাহর এ পৃথিবীকে একটি দোকান ঘর মনে করো না
তোমরা যাকে এ হাটে স্বর্ণ মুদ্রা মনে করছো,
তা প্রমাণিত হবে মেকি বলে
তোমাদের নিজেদের উদ্যত খঞ্জরের উপরই
আপতিত হবে তোমাদের সভ্যতা
ভঙ্গুর বৃক্ষ শাখায় নির্মিত নীড়
ভেঙে পড়বে-আজ নয়,
............................
আজকের বিনম্র পিপিলিকারা
যে কিশতি বানাবে-গোলাপের পাপড়ি দিয়ে
তা-ই আমাদের পার করে নিয়ে যাবে
ঝড় ঝঞ্জা তরঙ্গ সংকুল সমুদ্রের ওপারে
এই পাশ্চাত্য সভ্যতার সংকট ও রোগ ধরা পড়েছিলো কবির দিব্য দৃষ্টিতে-এর পতন আজ হোক, কাল হোক, অবশ্যম্ভাবী, যদি না এ ফিরে আসে ধ্বংসের কিনার থেকে, জীবনের প্রশস্ত আঙ্গিনায়, যেখানে দুনিয়ার মানুষ মিলিত হবে পরস্পর সহযোগী, ভাই হিসেবে, জনগণের বিশ্বসংঘে সুচতুর ষড়যন্ত্রী, কপটদের জাতিসংঘে নয়
ইকবাল তাঁর নিসর্গ প্রেম, দেশপ্রীতি, সৌন্দর্যপ্রীতি ও বিশ্ব প্রেমের গভীর প্রাণস্পর্শী অনুভূতি প্রকাশ করেছেন প্রধানত কাব্যে, তাঁর অনুনকরণীয় ভাষা, ছন্দ ও গীতিময়তায়
তাঁর ধর্মীয় চিন্তাধারার বাহন হয়েছে, তাঁর কতকগুলো ইংরেজী ভাষণ-যা পাণ্ডিত্য, মনীষা, গভীর উপলব্ধি ও প্রত্যয়ী যুক্তির এক অপূর্ব নিদর্শন
শিল্পের জন্যই শিল্প, শিল্পের এ সংজ্ঞার তিনি বিরোধী; তাঁর মতে, জীবনের জন্যই শিল্প-অর্থাৎ শিল্প হচ্ছে জীবনেরই সমালোচনা, জীবনেরই ব্যাখ্যা
কাব্যের এ ব্যাখায় বক্তব্যই আসল লক্ষ্য, কাব্য সেই বক্তব্যের বাহন
উপরে কেবল ইকবালের দার্শনিক বক্তব্যেরই কয়েকটা দিকের উপর আলোকপাত করা হয়েছে
তাঁর উপলব্ধির গভীরতা এতোই অতলস্পর্শী যে, তার প্রভাবে তাঁর ভাষাও হয়ে উঠেছে দেশ-কালের গণ্ডি অতিক্রম করে যাওয়া এক অনুপম কাব্যের নিদর্শন
তাতেই এ প্রমাণ মেলে যে, আন্তরিকতার গুণেই তাঁর কবিতা তাঁর দেশ ও স্বজাতির হয়েও বিশ্বের সকল মানুষের কাব্য হয়ে উঠেছে
কিন্তু তাঁর কাব্যের এ দিকটা এ আলোচনায় প্রবন্ধের বিষয়বস্তু সীমাবদ্ধতার কারণেই আলোচিত হয়নি
ইকবাল বলেন, তাঁর কাব্যের প্রতিটি ছত্র তাঁর শোণিত বিন্দু দিয়ে রচিত মালা
তাঁর কবিতা, তাঁর বক্তব্য বা আশু পারিপার্শ্ব যা-ই হোক, তা ভাষা ও কালের গণ্ডি পেরিয়ে সকল মানুষের সম্পদ হয়ে উঠেছে
ফুলের রঙ-বৈচিত্র্যে বা স্বর্ণের উজ্জ্বল প্রভা তার আরাধ্য নয়
তাই ইকবাল বলেনঃ
আমি ভাবী কালের কবি আমার সংগীদের উপর আমি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি
আমি আমার সিনাইতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছি- যেন তাতে করে আবির্ভাব হয় মুসার
তিনি বলেন : "ইকবাল এবং ইকবালের বিরোধীরা কেউ বেশি দিন থাকবে না পৃথিবীতে
কিন্তু শুস্ক জমিনে ইকবাল যে বীজ বুনেছে তা একদিন অংকুরিত হবেই
তার চারা একদিন বেড়ে উঠে সকল বিরোধিতার মধ্যদিয়ে ফুল-ফলে সুশোভিত হয়ে উঠবেই
আমাকে দেওয়া হয়েছে এর জীবনী শক্তির প্রতিশ্রুতি
যতোই দিন যাচ্ছে ততোই আমরা দেখতে পাচ্ছি তাঁর এই দাবির বাস্তবতা কতো দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত
একথা আজ স্বীকৃত যে, ইকবাল সকল দেশের, সকল মানুষের, সকল কালের কবি
কারণ ব্যক্তি ও সমাজ মানুষের পরমোৎকর্ষের শাশ্বত স্বপ্নই তাঁর কাব্যের বাণী
" চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট থোলা সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি
" \"বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়াড\" শিক্ষামূলক গেম প্রতিযোগিতায় সকল শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ করা হল
" <<< এইচএসসি পরীক্ষা-২০২১ এর জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি >>>
" <<< ২০২১সালের এস এস সি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি সংক্রান্ত >>>
" <<< ২০২০ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ সনদ প্রদানের লক্ষ্যে এ প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি >>>
" <<< চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের তালিকাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রামীণফোনের সিম বিতরণ সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি
" <<< নো মাস্ক, নো সার্ভিস, নিজে সুরক্ষিত থাকুন, অন্যকে নিরাপদ রাখুন
" সতর্কীকরণ > >>এই বোর্ড দুর্নীতিমুক্ত -- একটি প্রতারক চক্র বোর্ডের কর্মকর্তাদের নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোবাইলে অর্থ দাবী করছে
এইধরনের কোনও লেনদেন আপনারা করবেননা
বোর্ডের সাথে মোবাইলে টাকা লেনদেন হয়না
প্রতারক চক্র থেকে সাবধান
ডিভোর্স না হওয়া সত্ত্বেও অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি ও শাশুড়ি সুমি আক্তার
কিছুক্ষণের মধ্যে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে
রোববার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা
নাসিরের আইনজীবী মোরশেদুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান
এর আগে সকাল সোয়া ১০টার কিছু পরে তারা আদালতে হাজির হন
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল
সেই নির্দেশে তারা আদালতে হাজির হন
মামলার বাদী তাম্মির স্বামী রাকিব হাসান এবং তার আইনজীবী ইসরাত হাসানও আদালতে উপস্থিত হয়েছেন
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে পিবিআই'র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন
পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন মামলার বাদী ও তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসানের আইনজীবী ইশরাত হাসান
শুনানি শেষে আদালত ক্রিকেটার নাসিরসহ তিনজনকে ৩১ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মির স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন
মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়
তাদের ৮ বছরের একটি মেয়েও রয়েছে
তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু
চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে
পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে জানেন
তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার শিশু কন্যা মানসিক বিপর্যস্ত
আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে
অর্থসূচক/এএইচআর