content
stringlengths
0
129k
©2021 .
.
'); _ = _[].(/\\(\'(?!\:)/, _() { ' (\'' + _ + '/' + .(/\(\'/, '').(/^\+|\+$/,''); }); _ += ""; } __ = ('#--'); (__.) { __.(_); } } }); } })();
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
'''ইসমাইল''' ([[আরবি ভাষা|আরবি]]: إسماعيل) [[কুরআন]] এবং [[বাইবেল|বাইবেলে]] উল্লেখিত এক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব
[[মুসলমান|মুসলমানরা]] বিশ্বাস করে যে, তিনি একজন [[নবী]], এবং তাঁর সম্মানার্থে তাঁর নামোচ্চারণের সাথে 'আলাইহিসসালাম' (সংক্ষেপে ''আ.'') বা 'শান্তি বর্ষিত হোক' উচ্চারণ করা উচিত
তিনি [[ইব্রাহিম]]-এর সর্বপ্রথম সন্তান এবং ইব্রাহিমের স্ত্রী [[হাজেরা|হাজেরার]] গর্ভে তার জন্ম
বাইবেলের বর্ণনামতে তিনি ১৩৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন
< ="-">{{বই উদ্ধৃতি |= . |= |= |= |= |=7 |=2005 |= |= |=4551-4552 |= | =://../?=0&= |=9780028657400 }}</>
সোমবার ঝিনাইদহ অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক মো. শওকত হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন
রায় ঘোষণার সময় আদালতে সাত আসামি উপস্থিত ছিল
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালে ৭ জুলাই নিজ বাড়ি সদর উপজেলার কাশিমপুর এলাকায় যাওয়ার পথে বোমা মেরে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শান্তিকে হত্যা করা হয়
এ ঘটনার পরদিন ৮ জুলাই নিহতের বাবা সিরাজুল ইসলাম সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন
দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করলেন
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় সংলগ্ন মহাসড়কে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন
আহত হয়েছেন আরও দুইজন
শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার চর বাবলা এলাকায় এ...
সম্পাদক ও প্রকাশক: বেলাল রিজভী
দৈনিক বিবর্তন এর সাথে আছে একদল তরুণ উদ্যমী সাংবাদিক ও পুরো দলকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ
যথাযথ পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি জেলা উপজেলার সংবাদ পরিবেশন করে
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক বিবর্তন
ঠিকানা: ৯৭/এ বসির উদ্দিন রোড, কলাবাগান ঢাকা, ১২০১ মোবাইলঃ- +৮৮ ০৯৬৯৬১০১০৬০,০১৭১৪২১৮১৭৩ ইমেইলঃ [ ]
সুদানের গৃহযুদ্ধ ঠেকাতেই সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সুদানের প্রধানমন্ত্রী আব্দুল্লাহ হামদুকসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে গ্রেফতার করে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা
এরপর মন্ত্রিসভা বাতিল করে দেশটির ক্ষমতা নেয় সেনাবাহিনী
ক্ষমতা দখলের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে জনগণের ক্ষোভ এবং উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করেন সামরিক বাহিনীর প্রধান
এ সময় তিনি বলেন, দ্রুতই বেসামরিক প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হবে
জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বলেন, 'আমরা গত সপ্তাহে দেশে যে বিপজ্জনক কর্মকা- দেখেছি, তার কারণে মন্ত্রিসভা ভেঙে দিতে এবং দেশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে এগিয়ে গেছি
এটা না হলে দেশে গৃহযুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল
চলতি সপ্তাহে বেসামরিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে সুদানে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়
সেখানে অংশ নেন মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য
এ বিষয়ে সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, 'আমরা সুদানের জনগণ এবং পুরো বিশ্ববাসীকে নিশ্চিত করছি, ক্ষমতা হস্তান্তরের অংশ হিসেবেই এ সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বেসামরিক প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা হবে
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে সামরিক বাহিনী এবং বেসামরিক গোষ্ঠী ক্ষমতার ভাগাভাগি করে নেয়
এরপর থেকে তারাই সুদান শাসন করে আসছিল
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ওমর আল-বশিরের অনুসারী সামরিক কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন
এরপর থেকে দেশটিতে উত্তেজনা বেড়ে যায়
৯৯৯-এ ভ্যানচালকের ফোন : বিল কমালো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষার হার বেড়ে এখন ৫০ শতাংশ পার্বত্য শান্তিচুক্তি : পাহাড়ি-বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে শান্তি চুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ আমরা যেন কারও থেকে পিছিয়ে না থাকি : প্রধানমন্ত্রী 'ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার এই শান্তি চুক্তির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির স্মারক' আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি ওমিক্রন : বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: 'চোরের সাক্ষী গাঁটকাটা' এবারের বিজয়ের মাস নানা কারণে মহিমান্বিত
শিবিরের রগকাটার ইতিহাস - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১ম, ২য় ও ৩য় পর্ব)
জয়দেব নন্দী
সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
প্রথমপর্ব:
হত্যা, রক্তপাত, চোখ উপড়ে ফেলা,সাইকেলের স্পোক কানের ভিতর ঢুকিয়ে মগজ বের করে ফেলা আর রগ কর্তনের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের যাত্রা
১৯৭৮ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা চত্বরে এক সভার মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবির প্রকাশ্যে রাজনীতি শুরু করে
শিবির, হত্যা আর রগকাটার রাজনীতির বর্বরতায় ছাত্রলীগসহ অপরাপর ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের বাধাকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়
প্রথমে মসজিদ কেন্দ্রিক প্রচার-প্রচারণা চালালেও পরবর্তীতে সশস্ত্র অবস্থান নিতে থাকে জামায়াতে ইসলামীর এই ছাত্র সংগঠন
আশির দশকের শুরু থেকে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে রক্তাক্ত করে তোলে মতিহারের সবুজ চত্বর
সংঘর্ষ, হামলা-গুপ্ত হামলায় শিবিরের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একের পর এক প্রাণ বলি হতে থাকে
একপর্যায়ে শিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়
রাজশাহীতে শিবির প্রথম নির্মম এবং বর্বর হত্যাকাণ্ডটি ঘটায় ১৯৮৮ সালের ৩১ মে
ওইদিন দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শিবির ক্যাডাররা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি জামিল আকতার রতনকে চার হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করে
শত শত শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সামনে এমন নির্মম ঘটনার জন্ম দিয়ে স্বরূপে হাজির হয় ছাত্রশিবির
একের পর এক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে থাকে রাজশাহীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয়
তবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরেও থেমে থাকেনি শিবিরের বর্বরতা
১৯৮২ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত কেবল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রায় শতাধিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা
আর ২০১০ সাল পর্যন্ত শিবিরের বর্বরতায় ছাত্রলীগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনের ২৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়
আহত হয় সহস্রাধিক মেধাবী
এ সময় শিবিরের কাছে টার্গেটকৃতদের আহত করার অভিনব কৌশল ছিল হাত-পায়ের রগ কাটা
একেবারে মেরে না ফেলে হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়ে ভয়ানক ত্রাসের জন্ম দেয় তারা
জানা গেছে, এক দশকে শিবির প্রতিপক্ষের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণে বাধ্য করেছে
১৯৮২ সালের ১১ মার্চ প্রথমবারের মতো শিবির ক্যাডাররা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩ বাসভর্তি বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়
এই হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে শিবিরের বহিরাগত চারজন কর্মী মারা যায়
শিবিরের হামলায় মারা যায় ছাত্রলীগের নেতা মীর মোশতাক এলাহি
এই সহিংস ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে
এই ঘটনার পর থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দখলের চেষ্টায় কিছুটা ভাটা পড়ে শিবিরের
তবে তারা বসে থাকেনি
বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে শিবির চট্টগ্রামের মতো একই কায়দায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্রে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে তাদের শক্তিমত্তা বাড়িয়েছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোকে তারা বানিয়েছে তাদের মিনি ক্যান্টনমেন্ট
বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম বিনোদপুর, বুধ পাড়া, মেহেরচন্ডী গ্রামে শিবিরের অনেক কর্মী ও ক্যাডার স্থানীয় মেয়েদের বিয়ে করে এসব গ্রামে নিজেদের শক্তি বাড়িয়েছে
এছাড়া আত্মীয়তা সূত্রে আবদ্ধ হওয়ার কারণে শিবিরের এসব কর্মী ও ক্যাডারদের কথায় স্থানীয় অনেকেই জামায়াত শিবিরের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন
এভাবে একে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশের এলাকার পুরোটাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা বা ঐ এলাকাগুলোতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলে
দ্বিতীয় পর্ব:
১৯৮৮ জুলাই মাসের একদম শুরুর দিকে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে শিবির ক্যাডাররা হামলা চালায় জাসদ ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের উপরে
সেদিনের অতর্কিত সেই হামলায় গুরুতর আহত হন আমির আলী হল ছাত্র সংসদের জিএস ও জাসদ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স সহ ২০-২৫ জন
একই মাসের ১৭ জুলাই ভোরে সবাই যখন গভীর ঘুমে ঠিক সেই সময়ে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে শিবির ক্যাডাররা জাসদ ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত শাহ্‌ মখদুম হলে (এস এম হল) আক্রমণ চালিয়ে জাসদ ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি ও সিনেট সদস্য আইয়ূব আলী খান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য আহসানুল কবির বাদল এবং হল সংসদের ভিপি নওশাদের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়
১৯৮৮ সালের আগষ্টে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের বাসভবনে ছাত্র শিবির বোমা হামলা করে
এতে অধ্যাপক ইউনুস বেঁচে গেলেও তার বাড়ীর কর্মচারী আহত হয়
১৯৮৯ সালে রমজান মাসে ছাত্র ইউনিয়নের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফাকে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববতী চকপাড়ায় ইফতারের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে হাতের রগ কেটে দেয় শিবির ক্যাডাররা
১৯৯০ সালের ২২ জুন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে শিবিরের সংঘর্ষে নিহত হন শিবির নেতা খলিলুর রহমান
এভাবেই একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলেও নব্বই এর গন অভ্যুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় দখলের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয় শিবিরের
অতঃপর ১৯৯১ সালে জামায়াতের সমর্থনে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয় বিএনপি
একের পর এক দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে সরকারী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্র শিবির
এখানে একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, তা হচ্ছে শিবির শুধু হল বা ক্যাম্পাস দখল করেই ক্ষান্ত থাকেনি, তাদের লক্ষ্য ছিল সুদূর প্রসারী, তাই নিজেদের টার্গেট করা প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক পদগুলোতেও নিজেদের সমর্থকদের অবস্থান নিশ্চিত করে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভিসি থেকে একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী পর্যন্ত সকল স্তরে নিজেদের দলীয় সমর্থকদের বসিয়ে রাবি দখলের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শিবির
১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ পবিত্র রমজান মাসে চট্টগ্রামের কুখ্যাত সিরাজুস সালেহীন বাহিনীসহ কয়েক হাজার সশস্ত্র বহিরাগত শিবীর সন্ত্রাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলা ১১ টার সময় অতর্কিত হামলা চালালে জাসদ ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসীর আরাফাত পিটু নিহত হয় এবং জাসদ ছাত্রলীগের আইভি, নির্মল, লেমন, রুশো, জাফু, ফারুক এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের রাজেশ সহ প্রায় দেড়শাতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়
এদের অধিকাংশেরই হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়া হয় এবং রাজেশের কব্জি কেটে ফেলা হয়
এই হামলার সময় শিবির ক্যাডাররা এস এম হল, আমির আলী হল এবং লতিফ হল আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়
ব্যাপক আকারে গান পাউডারের ব্যবহার করায় হলের জানালার কাঁচগুলো গলে গিয়েছিলো
হলের অসংখ্য রুম ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং হলের অনেক প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সাথে মূল্যবান কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়
লতিফ হলের অনেকগুলো কক্ষ এখনো অব্যবহত অবস্থায় পড়ে আছে
এই হামলার তীব্রতা এতই ছিল যে, বেলা ১১টায় শুরু হওয়া হামলা রাত ৩টায় বিডিআর নামানোর আগ পর্যন্ত বন্ধ হয়নি
রাসায়নিক দ্রব্যের দ্বারা হলের যে অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে, যা আগামী দিনের ইতিহাসে কলংকিত হিসেবেই লিপিবদ্ধ থাকবে
১৯৯২ সালের ০৭ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববর্তী নতুন বুদপাড়ায় শিবির ক্যাডার মোজাম্মেলের বাড়ীতে বোমা বানানোর সময় শিবির ক্যাডার আজিবর সহ অজ্ঞাতনামা অন্তত আরো তিন জন নিহত হয়
বিষ্ফোরণে পুরো ঘর মাটির সাথে মিশে যায় এবং টিনের চাল কয়েকশ গজ দুরে গাছের ডালে ঝুলতে দেখা যায়
পরবর্তীতে পুলিশ মহল্লার একটি ডোবা থেকে অনেকগুলো খন্ডিত হাত পা উদ্ধার করে
যদিও শিবির আজিবর ছাড়া আর কারো মৃতু্র কথা স্বীকার করেনি
পুলিশ বাদি হয়ে মতিহার থানায় শিবির ক্যাডার মোজাম্মেলকে প্রধান আসামী করে বিষ্ফোরক ও হত্যা মামলা দায়ের করে
প্রায় ৫ বছর পলাতক থাকার পর মামলা ম্যানেজ করে মোজাম্মেল এলাকায় ফিরে আসে এবং জামাতের রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় হয়
১৯৯৩ সালের ১৭ জানুয়ারী রাত এগারোটার দিকে সোহরাওয়ার্দী হল এবং শিবির নিয়ন্ত্রিত জোহা হল এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে