content
stringlengths
0
129k
এই ঘটনায় মুহাম্মদ ইয়াহিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়
১৯৯৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালালে ছাত্রদল ও সাবেক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মিলে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ওপর শিবিরের হামলায় ছাত্রদল নেতা বিশ্বজিৎ ও নতুন এবং ছাত্র ইউনিয়নের তপন সহ ৫ জন ছাত্র নিহত হয়
১৯৯৩ সালে ১৯ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন শিবির ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিএনপি নেত্রী মিসেস জেলেনা চৌধুরীর (সেই সময় ছিলেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ) পুত্র জুবায়ের চৌধুরী রিমুর কেটে দেয়া হয় হাত-পায়ের রগ
এতেই সন্তুষ্ট হয়নি ঘাতকেরা
মেঝেতে পড়ে থাকা রিমুকে কুপিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে
১৯৯৪ সালে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত ছাত্র মৈত্রী নেতা প্রদ্যুৎ রুদ্র চৈতী পরীক্ষা দিতে ক্যাম্পাসে আসার পথে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তায় তার হাতের কব্জি কেটে নেয় শিবির কর্মীরা
১৯৯৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মাসে শিবির কমীরা বিশ্ববিদ্যালয় পাশ্ববতী চৌদ্দপাই নামক স্থানে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সকাল-সন্ধ্যা বাসে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী নেতা দেবাশীষ ভট্টাচায রূপমকে বাসের মধ্যে যাত্রীদের সামনে কুপিয়ে হত্যা করে
হত্যার আগে বর্বর শিবির ক্যাডাররা তার হাত ও পায়ের রগ কেটে নেয়
১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কমীদের ওপর সশস্ত্র শিবির কমীরা হামলা করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফরহাদের হাতের কব্জি কেটে নেয়
এ হামলায় প্রায় ২৫ জন ছাত্রদল নেতা-কমীর হাত পায়ের রগ কেটে নেয় শিবির ক্যাডাররা
১৯৯৬ সালে জাসাস রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং ছাত্রদল নেতা ডুপ্লের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়
এদের বাঁচাতে এসে দুইজন সহপাঠি ছাত্রী এবং একজন শিক্ষকও আহত হয়
১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জিয়া পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান আকন্দ সহ প্রায় বিশ জন শিক্ষকের বাসায় বোমা হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে ছাত্র শিবির
১৯৯৭ সালের গভীর রাতে রাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগত শিবির সন্ত্রাসীদের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা-কমীরা আহত হয়
রাবি জিমনেসিয়াম পুলিশ ক্যাম্পেও বোমা হামলা করে শিবির
১৯৯৮ সালে শিক্ষক সমিতির মিটিং থেকে ফেরার পথে রাবি শহীদ মিনারের সামনে অধ্যাপক মোঃ ইউনুসের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় ছাত্র শিবির
ছাত্র-কর্মচারীদের প্রতিরোধে অধ্যাপক ইউনুস প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন তিনি
১৯৯৯ সালে রাবিতে অবস্থিত '৭১ এর গণকবরে স্মৃতিসৌধ নির্মানের জন্য স্থাপিত ভিত্তি প্রস্তর রাতের আঁধারে ছাত্র শিবির ভাঙ্গতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী বাধা দেন
ফলে শিবির ক্যাডাররা তাকে কুপিয়ে আহত করে এবং ভিত্তিপ্রস্তর ভেঙ্গে ফেলে
১৯৯৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর পাকিস্তানে তৈরী রিভলবার, গুলি ও গান পাউডার সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়
২০০১ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে সশস্ত্র ছাত্র শিবির কমীরা কমাণ্ডো হামলা চালায় এবং ছাত্রীদেরকে লাঞ্ছিত ও রক্তাক্ত করে
২০০১ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ রাবি অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহাকে ছাত্র শিবির কমীরা হাত পা বেধে জবাই করার চেষ্টা করে
কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা টের পাবার ফলে, তাদের হস্তক্ষেপে তিনি প্রাণে বেঁচে যান
২০০২ সালে রাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেতা সুশান্ত সিনহাকে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয় শিবির কর্মীরা
২০০৪ সালের ২৫ জুলাই শিবির ক্যাডার রবি এবং রোকনের নেতৃত্বে প্রায় ১৫/২০ জনের একটি দল রাবি ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত সিনহার ওপর হামলা চালায়
ইট দিয়ে জখম করার পাশাপাশি তার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা চালায় শিবির ক্যাডাররা
২০০৪ সালে রাবি ছাত্রী হলে বহিরাগত অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত ছাত্রী বিক্ষোভে সশস্ত্র ছাত্র শিবির কমীরা হামলা চালায়
২০০৪ সালের ৩০ অক্টোবর জামাতের বর্তমান রাজশাহী মহানগরের আমীর আতাউর রহমান এবং প্রক্টর নূরুল আফসারের উপস্থিতিতে ছাত্রীদের মিছিলে হামলা চালিয়ে শিবির ক্যাডাররা প্রায় অর্ধ শতাধিক ছাত্রীকে রক্তাক্ত করে
২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ফজরের নামাজের ওয়াক্তে প্রাতঃভ্রমণ শেষে বাড়ি ফেরার সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় নিজ বাসভবনের খুব কাছে ধারালো অস্ত্র হাতে অধ্যাপক ইউনুসের ওপর হামলা চালায় মানবতার শত্রু ও স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের কিলিং স্কোয়াড
পরে তারা কুপিয়ে প্রগতিশীল এই শিক্ষককে হত্যা করে
যদিও এই হত্যা মামলায় জেএমবির দুইজন সদস্যকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে
তারপরও এলাকাবাসী অনেকেরই মতামত হচ্ছে ছাত্র শিবিরের ক্যাডাররাই তাকে হত্যা করেছে
উল্লেখ্য, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালে দুই দফায় ছাত্র শিবির তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল
২০০৫ সালের ১০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জুবেরী ভবনের সামনে রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এস এম চন্দনের ওপর হামরা চালিয়ে তার রগ কেটে নেয়ার চেষ্টা চালায় শিবির ক্যাডাররা
২০০৬ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাতপন্থী শিক্ষক মহিউদ্দিন এবং রাবি ছাত্র শিবির সভাপতি মাহবুব আলম সালেহীন সহ আরো দুইজন শিবির ক্যাডার মিলে একযোগে অতকিতে হামলা চালিয়ে রাবি'র ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবু তাহেরকে হত্যা করে
২০০৬ সালের ২১ আগস্ট রাবিতে অনুষ্ঠিত 'সেকুলারিজম ও শিক্ষা' শীষক সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার অপরাধে অধ্যাপক হাসান আজিজুল হককে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিবির
প্রকাশ্য সমাবেশে তারা অধ্যাপক হাসান আজিজুল হকের গলা কেটে বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়
২০০৭ সালের ৮ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ সাংবাদিকের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অপরাধে রাবি প্রশাসনের কর্মকর্তা শিবির ক্যাডার মোকাররম আব্দুলস্নাহ মনি র্যা ব কতৃক আটক হয়
২০০৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস হত্যা মামলার চার্জশীট উপস্থাপনের সময় সিআইডি জানায় যে, জেএমবি নেতা আব্দুর রহমান এই হত্যাকাণ্ডে ৫ শিবির ক্যাডারের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন
২০০৯ সালের ২৮ মে রাবি ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় সহিংসতায় নেতৃত্বদানকারী শিবির ক্যাডার সাঈদুর রহমান ওরফে সাঈদুরকে পুলিশ রাবি সংলগ্ন একটি শিবির নিয়ন্ত্রিত মেস থেকে আটক করে
২০০৯ সালের ২৪ আগস্ট ছাত্রলীগের ২ জন কমীকে (২০ জুন '০৯) ছুরিকাঘাতে আহত করার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ শিবির ক্যাডারকে পুলিশ আটক করে
২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাবির সৈয়দ আমীর আলী হল শাখার সভাপতি শিবির ক্যাডার একরামুল পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলায় জড়িত থাকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের হাতে আটক হয়
২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর মতিহার থানাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক অস্ত্র, নারী নিপীড়ন ও অধ্যাপক ইউনুস হত্যা মামলার আসামি শিবির ক্যাডার জাফর বাবুকে পুলিশ রাজশাহী শহরের কাটাখালি মিউনিসিপ্যালিটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে
২০০৯ সালের ১৫ নবেম্বর রাবির ৩টি হলে অভিযান চালানোর সময় পুলিশ শিবির ক্যাডার হাসমত আলী ওরফে লিটনকে গান পাউডার ও বিভিন্ন জীবনহানিকর রাসায়নিক দ্রব্যসহ আটক করে
২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শিবির আবারও রগ কাটার রাজনীতিতে ফিরে আসে
এই দিন ছিল শিবিরের রগ কাটার সবচেয়ে সফল অভিযান
ওইদিন গভীর রাতের হামলায় শিবির ক্যাডাররা ছাত্রলীগ কর্মী ফিরোজ মাহমুদ, আরিফুজ্জামান, শহিদুল ইসলাম এবং সাইফুর রহমান বাদশার রগ কেটে দেয়
সেদিনের হামলায় শাহ মখদুম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ফারুক হোসেন নামের অপর এক ছাত্রলীগ কর্মীর রগ কেটে দেয়ায় ও পিঠে হাসুয়ার কোপে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয় এবং ঘটনাস্থলেই সে মৃত্যুবরণ করে
পরে তার লাশ ম্যানহোলের ভিতরে লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা
এই হত্যাকাণ্ডের পরে কার্যত তারা ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হয়
ফারুক হত্যার পরে তারা ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হলেও থেমে থাকেনি তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড
২০১০ সালের মার্চে রাবি কাম্পাস দখল করতে এসে বিনোদপুর বাজারে ৩ ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করে শিবির ক্যাডার
এ ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী হলের ৮ শিক্ষার্থী আহত হয়
২০১১ সালের ১২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর পিছনে শিবির ক্যাডাররা কুপিয়ে জখম করে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ রানাকে
২০১২ সালের ৮ এপ্রিল তাপসী রাবেয়া হলের সামনে শিবির ক্যাডাররা কুপিয়ে জখম করে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন টিপুকে
২০১২ সালের ১০ মে তালাইমারী শহীদ মিনারের পার্শ্বে শিবির ক্যাডাররা কুপিয়ে জখম করে রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ পারভেজকে
২০১২ সালের ২০ অক্টোবর রাবি সংলগ্ন বিনোদপুর বাজার এলাকায় রাতে শিবির ক্যাডার হাতে ছাত্রলীগ কর্মী আব্দুর রহিম (বহিরাগত) খুন হন এবং একইদিন দুপুরে রাবি ছাত্রলীগ কর্মী ইমরান হোসেন গুপ্ত হামলার শিকার হন
২০১২ সালের ২৪ অক্টোবর নগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে শিবির ক্যাডাররা রাবি শাখার শেরে বাংলা হলের ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আলম রতনকে মারাত্মকভাবে ছুরিকাঘাত করে
২০১২ সালের ২১ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আখেরুজ্জামান তাকিমকে সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের পশ্চিমপাড়ায় শিবির ক্যাডাররা কুপিয়ে জখম করার পর এক পা এবং এক হাতের রগ কেটে দেয়
২০১৩ সালের ১৭ মার্চ রাতে ক্যাম্পাসের পাশে বিনোদপুর বাজারে মহানগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয় শিবির
তৃতীয় পর্ব:
২০১৩ সালের ১৪ এপ্রিল রাতে শিবিরের বর্বরতায় পা হারিয়েছে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান
সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র
বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকায় হামলার শিকার হন হাবিব
ক্যাডাররা তার বাম পা এবং ডান হাতের রগ কেটে দেয়
পরে চিকিৎসকরা হাবিবের ডান পায়ের হাঁটু পর্যন্ত কেটে ফেলে তার জীবন রক্ষা করে
২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সৈয়দ আমীর আলী হলে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা শেষ করে রাত ১০টার দিকে পাঁচ-ছয়জন নেতাকর্মীসহ মাদার বখশ হলের দিকে যাওয়ার পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হোসেন তুহিনের ডান হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয় শিবির সন্ত্রাসীরা
এসময় ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক শাওন শিবিরের হামলায় আহত হয়
শাওন গুলিবিদ্ধ হয়
২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দামের হাত এবং পায়ের রগ কেটে দেয় শিবির ক্যাডাররা
এসময় সে ফুসফুসে মারাত্মক আঘাত পায়
২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের শাহ্ মখদুম (এসএম) হলের সভাপতি খলিলুর রহমান মামুন ছাত্রশিবির হাতে নিজ জেলা গাইবান্ধাতে নিহত হন
২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর শিবির ক্যাডাররা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের এক কর্মচারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম রেজা খান সেলুর রগ কেটে দেয়
২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল হামলা করে শিবির ক্যাডাররা
এতে হাতবোমার স্প্রিন্টারের আঘাতে আহতরা হয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্মসম্পাদক মাহবুবুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিংকন ও উপপ্রচার সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম শুভ্র
আরো আহত হয় সকালের খবরের আলোকচিত্রী আজহার উদ্দিন ও এটিএন নিউজের ক্যামেরাম্যান রুবেল হোসেন
২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচুন্ডি এলাকায় শিবির ক্যাডাররা মতিহার থানার ছাত্রলীগের যুগ্মআহবায়ক ডিউকের দুই হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়
৯৯৯-এ ভ্যানচালকের ফোন : বিল কমালো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষার হার বেড়ে এখন ৫০ শতাংশ পার্বত্য শান্তিচুক্তি : পাহাড়ি-বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে শান্তি চুক্তির দুই যুগ এবং আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ আমরা যেন কারও থেকে পিছিয়ে না থাকি : প্রধানমন্ত্রী 'ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার এই শান্তি চুক্তির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির স্মারক' আজ পার্বত্য শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তি ওমিক্রন : বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: 'চোরের সাক্ষী গাঁটকাটা' এবারের বিজয়ের মাস নানা কারণে মহিমান্বিত
জাতীয় সংবাদ
জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তায় এসএসএফ : আইন আকারে পাস
নাজিম আজাদ
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে সংসদে বিল পাস হয়েছে
১৯৮৬ সালের একটি অধ্যাদেশ দিয়ে বর্তমানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে
সামরিক আমলে প্রণীত ওই আইন বাতিল করে বাংলায় নতুন আইন করতে বিলটি পাস করা হলো
মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সংসদের কাজে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) বিল-২০২১ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন
পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়
এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো হয় এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়
বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর দুটি সংশোধনী নেওয়া হয়
গত ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে তোলেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক
পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়
বিলে জাতির পিতার পরিবারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা এবং তাদের সন্তানাদি ও ক্ষেত্রমতো ওই সন্তানাদির স্বামী বা স্ত্রী এবং তাদের সন্তানাদি
এছাড়া আগের বিষয়গুলোকে আইনে রাখা হয়েছে
নতুন করে যুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্য ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দৈহিক নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি
সরকারি গেজেট দিয়ে ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরাও এই আইনের অধীনে নিরাপত্তা পাবেন
বিলে বলা হয়েছে, এসএসএফের তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত থাকবে
তল্লাশি, আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসহ থানার একজন ওসির যেসব ক্ষমতা আছে, এসএসএফের একজন কর্মকর্তার এই আইনের অধীনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সারাদেশে সেই ক্ষমতা থাকবে
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং জাতির পিতার পরিবারের সদস্যরা যেখানেই অবস্থান করুন না কেন এসএসএফ তাদের দৈহিক নিরাপত্তা দেবে
এসএসএফ কাজের প্রয়োজনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছেও সহায়তা চাইতে পারবে
যাদের কাছে সহায়তা চাওয়া হবে তারা তা দিতে বাধ্য বলেও বিলে বিধান রাখা হয়েছে